ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁ বদলগাছির ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


নওগাঁ বদলগাছির ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মহোদয় আজ ২৩ আগস্ট দুপুর ১.৪৫ মিনিটে ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার এবং জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী মহোদয় পাহাড়পুরের প্রাচীন স্থাপত্য, সংরক্ষিত ধ্বংসাবশেষ এবং জাদুঘরের প্রদর্শনী সামগ্রী ঘুরে দেখেন। তিনি বিহারের কেন্দ্রীয় মন্দির, চারদিকের দেয়াল এবং বিভিন্ন কক্ষ পর্যেবেক্ষণ করেন। জাদুঘরে সংরক্ষিত প্রাচীন মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক, মুদ্রা ও অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। মন্ত্রী বলেন, পাহাড়পুর শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ ঐতিহ্য। ইউনেস্কো ঘোষিত এই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের আরও যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা দরকার।

স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি সংরক্ষণ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। তিনি বলেন, পর্যটকদের সুবিধার্থে অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা দরকার। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বাড়ানোর জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পাহাড়পুরকে কেন্দ্র করে টেকসই পর্যটন গড়ে উঠবে এবং এটি এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী জয়পুরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

আরও পড়ুন: ৮ ট্রেন ও ২৩ রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ, বিপাকে নিম্ন আয়ের যাত্রীরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকেরগঞ্জে সরকারি বরাদ্দের কাজে অনিয়মের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে, কাজ না করেই নামফলক বসিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃসানি

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


বাকেরগঞ্জে সরকারি বরাদ্দের কাজে অনিয়মের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে, কাজ না করেই নামফলক বসিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দের অর্থের মাধ্যমে মসজিদ, সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কারের প্রকল্পের কথা থাকলেও নির্ধারিত কাজটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করেই নামফলক স্থাপন ও আংশিক কাজ দেখিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করার অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার প্রকল্পের আওতায় নিয়ামতি ইউনিয়নের কয়েকটি সড়ক, একটি মসজিদ এবং একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব প্রকল্পের বাস্তবায়নে স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রকল্প সভাপতি করে কাজ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি নিয়ামতি ইউনিয়নের বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলটন চন্দ্র পাল। পরিদর্শনের সময় তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের পরিমাপ এবং বাস্তব অগ্রগতি যাচাই করেন। পরিদর্শনের সময় নেওয়া বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

একটি ভিডিওতে ইউএনও রুপার মোড় খান বাড়ির সামনের ব্রিজ থেকে নদীর পাড় পর্যন্ত মাটি ও ইটসলিংয়ের কাজ পরিমাপ করছেন। ওই প্রকল্পের সভাপতি হলেন এনামুল হক। প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ ছিল ৩ লাখ টাকা। একই এলাকায় ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপার জোর গ্রামের করম আলী খান বাড়ির পূর্ব পাশ থেকে রুপার মোড় খেয়াঘাট পর্যন্ত মাটির কাজ ও ইটসলিংয়ের জন্য আরও ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, যেখানে প্রকল্পের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান।

স্থানীয়দের দাবি, দুটি সড়কের জন্য মোট ৬ লাখ টাকার বরাদ্দে ১ হাজার ২০০ ফুট সড়ক সংস্কারের পরিকল্পনা থাকলেও পরিমাপের সময় দেখা গেছে প্রায় ৮৩০ ফুট কাজ হয়েছে। অর্থাৎ নির্ধারিত দৈর্ঘ্যের তুলনায় কম কাজ হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে, ওই সড়কে নামফলক দুটি স্থানে স্থাপন করে প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে।

নির্বাহক সময় খাস মহেশপুর এলাকাতেও বরাদ্দের তুলনায় আংশিক কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রকল্পেও নির্ধারিত কাজের পুরোটা বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, সেটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে, রুপার জোর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করার সময় দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ছাদের কিছু অংশে টিন পরিবর্তন করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, খুব সীমিত পরিসরে কাজ করে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন হিসেবে দেখানো হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি অভিযোগ মধ্য মহেশপুর হাওলাদার বাড়ির বায়তুল নূর জামে মসজিদের ঈদগাহ মাঠ, অজুখানা ও টয়লেট মেরামতের প্রকল্প নিয়ে উঠেছে। এ প্রকল্পে ৩ লাখ টাকার বরাদ্দ থাকলেও সেখানে শুধু ঈদগাহ মাঠে বালু ভরাটের কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, এই কাজে আনুমানিক ৬০ হাজার টাকার মতো ব্যয় হয়। অথচ প্রকল্পের নামফলক স্থাপন করে কাজটি বাস্তবায়িত হিসাবে দেখানো হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, সরকারি অর্থে নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে কোথাও আংশিক কাজ, কোথাও সামান্য সংস্কার এবং কোথাও শুধু নামফলক স্থাপন করে প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে, যা সরকারি বরাদ্দের অর্থের যথাযোগ্য ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, মসজিদ, সড়ক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কারের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের প্রকৃত ব্যয়, কাজের পরিমাণ ও প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি তদন্তের দাবি জোরদার করেছেন। একই সঙ্গে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা।

তবে অভিযোগের বিষয়ে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদার বলেন, সরকারি বরাদ্দের প্রকল্পগুলোর সভাপতি রয়েছেন। কাজের বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে কি না, তা তিনি জানেন না। তিনি বলেন, আমি কাজের বিষয়ে খোঁজখবর রাখি না।

এই বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কামরুজ্জামানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারি বরাদ্দের কাজ শেষ না হওয়ার আগেই নাম ফলক বসানোর নিয়ম নেই। আর যদি নাম ফলক বসানো হয়, তখন কেন সঠিক পরিমাণে কাজ করা হয়নি, তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলটন চন্দ্র পাল বলেন, নিয়ামতি ইউনিয়নের সরকারি বরাদ্দের প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ, কাজের পরিমাণ, ব্যয় এবং বাস্তবায়নের বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ফ্যামিলি শুমারীতে অনিয়মের অভিযোগ কিশোরগঞ্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নীলফামারী রিপোর্টার রায়হান আলী

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ফ্যামিলি শুমারীতে অনিয়মের অভিযোগ কিশোরগঞ্জ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগের বিষয়ে অনিয়ম ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন সচেতন নাগরিক এবং সাধারণ পরীক্ষার্থীরা। প্রকাশিত ফলাফল বাতিল করার এবং নিরপেক্ষভাবে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে “সচেতন নাগরিক মহল”এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ পরীক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে বিভিন্ন পরীক্ষার্থী, যেমন আলামিন ইসলাম, আতাউর রহমান ও আরিফ হোসেন বক্তব্য দেন। তাদের বক্তব্যে অভিযোগ করা হয় যে, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর ফলে দুই ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ প্রতিযোগী প্রার্থীরা সময় ও অর্থ ব্যয় করে পরীক্ষায় অংশ নিলেও ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতার কারণে তারা অস্থির হয়ে পড়েন।

বক্তারা আরও বলেন, ফলাফল প্রকাশ নিয়ে প্রায় ২০ দিন ধরে নানা ধরনের টালবাহানা করা হয়েছে। কখনো বলা হয়েছে ডিসি স্যার ফলাফল দেবেন, আবার কখনো অন্য কারণে সময়ক্ষেপণের ঘটনা ঘটেছে। অবশেষে গত ২০ আগস্ট ফলাফল প্রকাশ হলে সেটি নিয়ে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়।

তাদের অভিযোগ হলো, প্রকাশিত ফলাফলে নির্বাচিত, রিজার্ভ ও অপেক্ষমাণ তালিকায় বিএনপির নেতাকর্মী, তাদের স্ত্রী এবং আত্মীয়স্বজনের নামের উপস্থিতি অত্যধিক। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাঁচজনের বেশি নিয়োগ দেওয়া হলেও অন্য ওয়ার্ড থেকে কাউকে রাখা হয়নি—এমন অভিযোগও ছিল বক্তাদের পক্ষ থেকে।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা প্রকাশিত ফলাফলকে অগ্রহণযোগ্য ও বিতর্কিত আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করে নতুনভাবে নিরপেক্ষভাবে ফলাফল পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানান।

তারা আরও বলেন, যদি সাধারণ পরীক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন না করে রাজনৈতিক পরিচয় ও স্বজনপ্রীতি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে সরকারী প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।

দাবি পূরণ না হলে, আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালে রমজান ও ঈদুল ফিতর কবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ পি.এম


২০২৭ সালে রমজান ও ঈদুল ফিতর কবে?

২০২৭ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রমজান, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র। তবে এসব ধর্মীয় উৎসবের চূড়ান্ত তারিখ পরিবর্তন ঘটতে পারে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে।

হিজরি বর্ষপঞ্জির মাসগুলো সাধারণত ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। নতুন চাঁদ দেখা গেলেই মাসের দিনের সংখ্যা নির্ধারিত হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের চাঁদ দেখা কমিটি প্রতিটি মাসে চাঁদ দেখার কার্যক্রম এবং পর্যবেক্ষণ পরিচালনা করে। এই কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবস ও বিভিন্ন উপলক্ষের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

রমজান ২০২৭

শাবান মাসের শেষের দিকে, ২০২৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার অথবা ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার রমজান মাসের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, ২৯ শাবান তারিখে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি স্থানে চাঁদ দেখা যাবে না। কারণ, চাঁদ সূর্যের আগে অস্ত যাবে অথবা সূর্যাস্তের পর চাঁদের সঙ্গে সূর্যের সংযোগ ঘটবে। এই কারণে শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। তাই সংযুক্ত আরব আমিরাতে, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

২০২৬ সালে ১৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু হয়েছিল। বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের পবিত্র এই মাস প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন করে এগিয়ে আসে।

ঈদুল ফিতর ২০২৭

হিজরি শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ঈদুল ফিতর পালন করা হয়। ২০২৭ সালে রমজান মাস শেষ হওয়ার ওপর ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ নির্ভর করবে। জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৭ সালের ৮ মার্চ সোমবার অথবা ৯ মার্চ মঙ্গলবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যেতে পারে।

যদি ৮ মার্চ, অর্থাৎ রমজানের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, সেক্ষেত্রে ঈদুল ফিতর হবে ৯ মার্চ মঙ্গলবার। আর চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ঈদুল ফিতর হবে ১০ মার্চ বুধবার।

 

ঈদুল আজহা ২০২৭

হিজরি বর্ষপঞ্জির শেষ মাস জিলহজের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা পালন করা হয়। এর আগের দিন জিলহজের ৯ তারিখ পবিত্র আরাফার দিন, যা ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত।

জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৭ সালের ৬ মে বৃহস্পতিবার অথবা ৭ মে শুক্রবার জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে। সেই হিসাবে ১৬ মে রোববার অথবা ১৭ মে সোমবার ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মুহররম ২০২৭

হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মুহররমের প্রথম দিন নতুন ইসলামী বছরের সূচনা করে। জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্রের ২০২৭ সালের সম্ভাব্য চাঁদ দেখার হিসাবের ভিত্তিতে ১৪৪৯ ইসলামী বর্ষপঞ্জির প্রথম দিনও নির্ধারণ হবে।

যদি ২০২৭ সালের ৭ মে জিলহজ মাস শুরু হয় এবং মাসটি ২৯ দিনে পূর্ণ হয়, সেক্ষেত্রে ৫ জুন শনিবার মুহররম মাসের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর চাঁদ দেখা না গেলে জিলহজ ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং মুহররম শুরু হবে ৬ জুন রোববার।

অন্যদিকে, যদি ৮ মে জিলহজ মাস শুরু হয় এবং মাসটি ২৯ দিনে পূর্ণ হয়, তবে ৬ জুন শনিবার মুহররমের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর জিলহজ মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হলে নতুন ইসলামি বছর শুরু হবে ২০২৭ সালের ৭ জুন।

সূত্র : খালিজ টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ পি.এম


ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ : মার্কিন দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি সেকশনের পাবলিক এনগেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক স্কট হার্টম্যানের নেতৃত্বে ৬-সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর অফিসে সাক্ষাৎ করেছে।

প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, একই দূতাবাসের জেমস এ. স্টুয়ার্ট, রায়হানা সুলতানা, ফারোহা সোহরাওয়ার্দী, মো. ইকবাল মাহমুদ এবং এ. কিউ. এম. মুশফিক হাসান।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দা রোযানা রশীদও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের সময় তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সহযোগিতায় আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা করেন।

মার্কিন বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার এবং পাবলিক লেকচার আয়োজনের বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সাংবিধানিক আইন সংক্রান্ত যৌথ সহযোগিতামূলক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ এবং ডুয়াল ডিগ্রি প্রোগ্রাম চালুর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুঘল আমলের মুসা খান মসজিদ পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ প্রকল্প গ্রহণের জন্য ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ঐতিহ্য সংরক্ষণে আরও প্রকল্প গ্রহণে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%