নীলফামারী রিপোর্টার রায়হান আলী
০৭:২৯ পি.এম
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগের বিষয়ে অনিয়ম ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন সচেতন নাগরিক এবং সাধারণ পরীক্ষার্থীরা। প্রকাশিত ফলাফল বাতিল করার এবং নিরপেক্ষভাবে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে “সচেতন নাগরিক মহল”এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ পরীক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বিভিন্ন পরীক্ষার্থী, যেমন আলামিন ইসলাম, আতাউর রহমান ও আরিফ হোসেন বক্তব্য দেন। তাদের বক্তব্যে অভিযোগ করা হয় যে, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর ফলে দুই ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ প্রতিযোগী প্রার্থীরা সময় ও অর্থ ব্যয় করে পরীক্ষায় অংশ নিলেও ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতার কারণে তারা অস্থির হয়ে পড়েন।
বক্তারা আরও বলেন, ফলাফল প্রকাশ নিয়ে প্রায় ২০ দিন ধরে নানা ধরনের টালবাহানা করা হয়েছে। কখনো বলা হয়েছে ডিসি স্যার ফলাফল দেবেন, আবার কখনো অন্য কারণে সময়ক্ষেপণের ঘটনা ঘটেছে। অবশেষে গত ২০ আগস্ট ফলাফল প্রকাশ হলে সেটি নিয়ে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়।
তাদের অভিযোগ হলো, প্রকাশিত ফলাফলে নির্বাচিত, রিজার্ভ ও অপেক্ষমাণ তালিকায় বিএনপির নেতাকর্মী, তাদের স্ত্রী এবং আত্মীয়স্বজনের নামের উপস্থিতি অত্যধিক। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাঁচজনের বেশি নিয়োগ দেওয়া হলেও অন্য ওয়ার্ড থেকে কাউকে রাখা হয়নি—এমন অভিযোগও ছিল বক্তাদের পক্ষ থেকে।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা প্রকাশিত ফলাফলকে অগ্রহণযোগ্য ও বিতর্কিত আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করে নতুনভাবে নিরপেক্ষভাবে ফলাফল পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানান।
তারা আরও বলেন, যদি সাধারণ পরীক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন না করে রাজনৈতিক পরিচয় ও স্বজনপ্রীতি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে সরকারী প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।
দাবি পূরণ না হলে, আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৭ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রমজান, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র। তবে এসব ধর্মীয় উৎসবের চূড়ান্ত তারিখ পরিবর্তন ঘটতে পারে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে।
হিজরি বর্ষপঞ্জির মাসগুলো সাধারণত ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। নতুন চাঁদ দেখা গেলেই মাসের দিনের সংখ্যা নির্ধারিত হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের চাঁদ দেখা কমিটি প্রতিটি মাসে চাঁদ দেখার কার্যক্রম এবং পর্যবেক্ষণ পরিচালনা করে। এই কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবস ও বিভিন্ন উপলক্ষের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
রমজান ২০২৭
শাবান মাসের শেষের দিকে, ২০২৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার অথবা ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার রমজান মাসের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, ২৯ শাবান তারিখে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি স্থানে চাঁদ দেখা যাবে না। কারণ, চাঁদ সূর্যের আগে অস্ত যাবে অথবা সূর্যাস্তের পর চাঁদের সঙ্গে সূর্যের সংযোগ ঘটবে। এই কারণে শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। তাই সংযুক্ত আরব আমিরাতে, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
২০২৬ সালে ১৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু হয়েছিল। বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের পবিত্র এই মাস প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন করে এগিয়ে আসে।
ঈদুল ফিতর ২০২৭
হিজরি শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ঈদুল ফিতর পালন করা হয়। ২০২৭ সালে রমজান মাস শেষ হওয়ার ওপর ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ নির্ভর করবে। জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৭ সালের ৮ মার্চ সোমবার অথবা ৯ মার্চ মঙ্গলবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যেতে পারে।
যদি ৮ মার্চ, অর্থাৎ রমজানের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, সেক্ষেত্রে ঈদুল ফিতর হবে ৯ মার্চ মঙ্গলবার। আর চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ঈদুল ফিতর হবে ১০ মার্চ বুধবার।
ঈদুল আজহা ২০২৭
হিজরি বর্ষপঞ্জির শেষ মাস জিলহজের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা পালন করা হয়। এর আগের দিন জিলহজের ৯ তারিখ পবিত্র আরাফার দিন, যা ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত।
জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৭ সালের ৬ মে বৃহস্পতিবার অথবা ৭ মে শুক্রবার জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে। সেই হিসাবে ১৬ মে রোববার অথবা ১৭ মে সোমবার ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মুহররম ২০২৭
হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মুহররমের প্রথম দিন নতুন ইসলামী বছরের সূচনা করে। জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্রের ২০২৭ সালের সম্ভাব্য চাঁদ দেখার হিসাবের ভিত্তিতে ১৪৪৯ ইসলামী বর্ষপঞ্জির প্রথম দিনও নির্ধারণ হবে।
যদি ২০২৭ সালের ৭ মে জিলহজ মাস শুরু হয় এবং মাসটি ২৯ দিনে পূর্ণ হয়, সেক্ষেত্রে ৫ জুন শনিবার মুহররম মাসের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর চাঁদ দেখা না গেলে জিলহজ ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং মুহররম শুরু হবে ৬ জুন রোববার।
অন্যদিকে, যদি ৮ মে জিলহজ মাস শুরু হয় এবং মাসটি ২৯ দিনে পূর্ণ হয়, তবে ৬ জুন শনিবার মুহররমের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর জিলহজ মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হলে নতুন ইসলামি বছর শুরু হবে ২০২৭ সালের ৭ জুন।
সূত্র : খালিজ টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ : মার্কিন দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি সেকশনের পাবলিক এনগেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক স্কট হার্টম্যানের নেতৃত্বে ৬-সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর অফিসে সাক্ষাৎ করেছে।
প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, একই দূতাবাসের জেমস এ. স্টুয়ার্ট, রায়হানা সুলতানা, ফারোহা সোহরাওয়ার্দী, মো. ইকবাল মাহমুদ এবং এ. কিউ. এম. মুশফিক হাসান।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দা রোযানা রশীদও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের সময় তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সহযোগিতায় আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা করেন।
মার্কিন বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার এবং পাবলিক লেকচার আয়োজনের বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সাংবিধানিক আইন সংক্রান্ত যৌথ সহযোগিতামূলক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ এবং ডুয়াল ডিগ্রি প্রোগ্রাম চালুর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুঘল আমলের মুসা খান মসজিদ পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ প্রকল্প গ্রহণের জন্য ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ঐতিহ্য সংরক্ষণে আরও প্রকল্প গ্রহণে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের মন্তব্যের পর অভিনেত্রী তাপসী পান্নু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি রহস্যময় পোস্ট প্রকাশ করেছেন। শনিবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তাপসী লেখেন, ‘হেন্স, প্রুভড’। তবে তিনি এই পোস্টে কারো নাম উল্লেখ করেননি।
কঙ্গনার এই পোস্টের আগে তাপসীকে কটাক্ষ করে তার একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য উঠে আসে। কঙ্গনা পরে তাপসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া দুটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরি মুছে ফেলেন। বর্তমানে তাপসী তার আসন্ন নেটফ্লিক্স সিনেমা ‘গান্ধারী’র প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপসী জানান, কঙ্গনার সঙ্গে তার কখনো দেখা হয়নি। তাদের মধ্যে কথিত বিরোধ শুরু হওয়ার আগেও তারা একে অপরের সঙ্গে দেখা করেননি। তাপসী আরো বলেন, কঙ্গনা ও তার চিন্তা-ভাবনা আলাদা। তাদের বেড়ে ওঠার প্রেক্ষাপট ও বিষয়গুলো দেখার দৃষ্টিভঙ্গি তাদের কথাবার্তায় প্রকাশ পায়।
কঙ্গনার মন্তব্যের পর তাপসীর এই পোস্ট দ্বন্দ্বকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। কঙ্গনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাপসীকে আক্রমণ করে মন্তব্য জানান। প্রথম পোস্টে তিনি তাপসীর নাম সরাসরি উল্লেখ না করে তাকে ‘সস্তা কপি’ বলে অভিহিত করেন। আগেও কঙ্গনা এই শব্দটি তাপসীকে নিয়ে ব্যবহার করেছিল। কঙ্গনা অভিযোগ করেন যে, তাপসী তার বেড়ে ওঠা ও পরিবার নিয়ে সীমা ছাড়িয়ে মন্তব্য করেছেন। কঙ্গনা তার পরিবারের পরিচয়ের কথাও তুলে ধরেন।
এরপর কঙ্গনা আরেকটি পোস্টে তাপসীর মন্তব্য নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেন। সেখানে তিনি তাপসীকে সরাসরি উদ্দেশ্য করে বলেন, তার পরিবার ও বেড়ে ওঠা নিয়ে প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়। তবে কিছুক্ষণ পর কঙ্গনা এই দুটি পোস্টই মুছে দেন। পোস্ট মুছে দেওয়ার পর তাপসী ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লেখেন, ‘হেন্স, প্রুভড’। বাংলায় অর্থ দাঁড়ায়—‘প্রমাণিত’।
তবে তাপসী এই পোস্টে কঙ্গনার নাম উল্লেখ করেননি। ফলে তার এই পোস্ট কঙ্গনার মন্তব্যের জবাব কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কঙ্গনা ও তাপসীর প্রকাশ্য বিরোধ বেশ পুরোনো। ২০১৯ সালে কঙ্গনার বোন রঙ্গোলি চান্দেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাপসীকে ‘কঙ্গনার সস্তা কপি’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
এরপর ২০২০ সালে বলিউডে স্বজনপ্রীতি এবং বহিরাগতদের নিয়ে বিতর্কের সময় দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। কঙ্গনা তখন তাপসীসহ কয়েকজন অভিনেত্রীকে ‘বি-গ্রেড অভিনেত্রী’ ও ‘প্রয়োজনী বহিরাগত’ বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। এরপর বিভিন্ন সময় দুজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মন্তব্য দেখা গেছে। এবার তাপসীর নতুন পোস্ট এই পুরোনো বিরোধ আবারো আলোচনায় এনেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেয়র জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক শহরে সরকারি উদ্যোগে পাঁচটি মুদি দোকান চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। প্রতিটি দোকানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ বাজারদরের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম দামে বিক্রয়ের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ডলার। পরিকল্পনা অনুসারে, প্রতিটি বরোতে একটি করে দোকান চালুর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এদের মধ্যে ইস্ট হারলেমের একটি দোকানে প্রায় ৩ কোটি ডলার ব্যয় হওয়ার কথা রয়েছে। শহরের কর্তৃপক্ষ অভিজ্ঞ মুদি ব্যবসায়ীদের বিনা ভাড়ায় জায়গা প্রদান করার পরিকল্পনা করছে, যাতে তারা দোকানগুলো পরিচালনা করতে পারেন। মামদানির প্রশাসনের দাবি, খাদ্যপণ্যের বাড়তি দামের চাপ কমিয়ে আনার পাশাপাশি যেসব এলাকায় তাজা ও পুষ্টিকর খাবারের সহজলভ্যতা কম, সেসব এলাকার মানুষের জন্য সাশ্রয়ী খাবারের ব্যবস্থা করাই তাদের মূল লক্ষ্য। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নিউইয়র্কের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার সমস্যায় ভুগছেন। তবে এই উদ্যোগটি নিয়ে নিউইয়র্কের স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, সরকারি সহায়তায় পরিচালিত দোকানগুলো যদি কম দামে পণ্য বিক্রি করে, তাহলে ছোট ব্যবসাগুলো প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে আগে থেকেই কম লাভে পরিচালিত বেশ কিছু দোকান এতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। তাছাড়া, কর্মীদের বেতন, পণ্যে ছাড়ের অর্থ কোথা থেকে আসবে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রকল্পটি কীভাবে আর্থিকভাবে টেকসই হবে—এসব নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ উঠেছে, সরকারি দোকানে কেনাকাটা করার জন্য পরিচয়পত্র লাগবে, তবে নিউইয়র্ক কর্তৃপক্ষ এই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, দোকানে কেনাকাটার জন্য পরিচয়পত্র দেখানো বাধ্যতামূলক হবে না। মামদানির পরিকল্পনায় পাঁচটি দোকানের চালু হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ২০২৯ সালের মধ্যে। তবে সাশ্রয়ী দামে পণ্য বিক্রির সাথে স্থানীয় ছোট ব্যবসার ওপর প্রভাব এবং প্রকল্পটির দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক কার্যকারিতা—এই দুই বিষয় এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ