প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগের বিষয়ে অনিয়ম ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন সচেতন নাগরিক এবং সাধারণ পরীক্ষার্থীরা। প্রকাশিত ফলাফল বাতিল করার এবং নিরপেক্ষভাবে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে “সচেতন নাগরিক মহল”এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ পরীক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বিভিন্ন পরীক্ষার্থী, যেমন আলামিন ইসলাম, আতাউর রহমান ও আরিফ হোসেন বক্তব্য দেন। তাদের বক্তব্যে অভিযোগ করা হয় যে, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর ফলে দুই ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ প্রতিযোগী প্রার্থীরা সময় ও অর্থ ব্যয় করে পরীক্ষায় অংশ নিলেও ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতার কারণে তারা অস্থির হয়ে পড়েন।
বক্তারা আরও বলেন, ফলাফল প্রকাশ নিয়ে প্রায় ২০ দিন ধরে নানা ধরনের টালবাহানা করা হয়েছে। কখনো বলা হয়েছে ডিসি স্যার ফলাফল দেবেন, আবার কখনো অন্য কারণে সময়ক্ষেপণের ঘটনা ঘটেছে। অবশেষে গত ২০ আগস্ট ফলাফল প্রকাশ হলে সেটি নিয়ে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়।
তাদের অভিযোগ হলো, প্রকাশিত ফলাফলে নির্বাচিত, রিজার্ভ ও অপেক্ষমাণ তালিকায় বিএনপির নেতাকর্মী, তাদের স্ত্রী এবং আত্মীয়স্বজনের নামের উপস্থিতি অত্যধিক। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাঁচজনের বেশি নিয়োগ দেওয়া হলেও অন্য ওয়ার্ড থেকে কাউকে রাখা হয়নি—এমন অভিযোগও ছিল বক্তাদের পক্ষ থেকে।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা প্রকাশিত ফলাফলকে অগ্রহণযোগ্য ও বিতর্কিত আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করে নতুনভাবে নিরপেক্ষভাবে ফলাফল পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানান।
তারা আরও বলেন, যদি সাধারণ পরীক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন না করে রাজনৈতিক পরিচয় ও স্বজনপ্রীতি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে সরকারী প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।
দাবি পূরণ না হলে, আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন