০১:৪৪ পি.এম
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে মো. নকিবুর রহমান, বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান অ্যাপোলোর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। সম্প্রতি তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিঃশর্ত ক্ষমা চান। পোস্টে নকিবুর রহমান স্বীকার করেন, ‘চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি আমি একটি লাইভ টকশোতে অংশ নিয়েছিলাম, যেখানে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ নিয়ে আমি কিছু বক্তব্য দিয়েছিলাম। ওই অনুষ্ঠানে আমি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানকে এ ঘটনার জন্য দায়ী হিসেবে উল্লেখ করি এবং তাকে ‘সাইবার সন্ত্রাসী’ বলে অভিহিত করি।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘পরবর্তীতে পর্যালোচনায় আমি উপলব্ধি করেছি যে, ওই বক্তব্যগুলো যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া দেয়া হয়েছিল এবং সেগুলোর পক্ষে পর্যাপ্ত ভিত্তি ছিল না। আমি ওয়াহিদুজ্জামানকে ‘সাইবার সন্ত্রাসী’ বলে উল্লেখ করায় দুঃখ প্রকাশ করছি এবং তাকে এ ধরনের ব্যক্তি হিসেবে বিশ্বাস করার কোনো কারণ আমার নেই। বিষয়টি নিয়ে পুনর্বিবেচনার পর আমি বুঝতে পেরেছি, এ ধরনের ভাষা ব্যবহার অনুপযুক্ত ছিল এবং আমি এ জন্য আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত।’ এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নিয়েছেন জানিয়ে নকিবুর রহমান বলেন, ‘আমার বক্তব্য ও ব্যবহৃত শব্দচয়নের কারণে যদি কোনো ক্ষতি, বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকে, সেজন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।’ ওয়াহিদুজ্জামানের প্রতি কোনো বিদ্বেষ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রবাসী কমিউনিটির মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ নকিবুর রহমান আরও লিখেন, ‘আমি আমার পূর্ববর্তী সব বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করছি, স্বীকার করছি আমি ভুলভাবে এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের নাম উল্লেখ করেছি। এর ফলে সৃষ্ট ক্ষতির জন্য আমি নিঃশর্ত ও আন্তরিক ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন