প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেক্সিকোতে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা এক সপ্তাহ পরে উঠবে। এর আগে দেশটির রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে শিক্ষকদের আন্দোলন চলছে। ফলে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার জন্য যাওয়া দলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গত বুধবার মেক্সিকো সিটিতে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছিল। এই সময়ে তারা ল্যাম্পপোস্ট ব্যবহার করে সরকারি ভবনটিতে হামলা করেছিল।
আরো আগের মঙ্গলবার কট্টরপন্থী শিক্ষক ইউনিয়ন সিএনটিই (CNTE) এর একদল সদস্য ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে তৈরি করা কয়েকজন খেলোয়াড়ের বৃহৎ প্লাস্টিকের মূর্তি দড়ি দিয়ে টেনে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর তারা মূর্তিগুলো থেকে গায়ের জার্সি খুলে নিয়ে তাতে অগ্নিসংযোগ করে।
একই সময়ে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শিনবাউম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি কোনোভাবেই সহিংসতা সৃষ্টি করবেন না। তিনি তার সরকারের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ দমনে কোনো প্রকার বলপ্রয়োগ বা দমনপীড়ন করার ঘোষণা দেননি। তিনি তার নিয়মিত দৈনিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘তারা চাচ্ছে বিশ্বকাপের ঠিক আগমুহূর্তে আমরা যেন দমনমূলক ব্যবস্থা নিই’ এবং প্রতিজ্ঞা করেছেন যে সরকার এমন কিছু করবে না। শিনবাউম বিক্ষোভকারীদের সাথে আলোচনার প্রস্তাবও রেখেছেন।
অন্যদিকে, বিক্ষোভকারী শিক্ষকেরা মূলত তাদের বেতন বৃদ্ধি এবং পেনশন ব্যবস্থার নতুন সংস্কার নিয়ে সরকারের সাথে আলোচনার দাবি জানাচ্ছেন। তারা দাবি আদায় না হলে আগামী ১১ জুন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশাল গণবিক্ষোভের হুমকি দিয়েছেন। জানা গেছে, সরকার সিএনটিই এর সাথে ৯ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছালেও আন্দোলনরত শিক্ষকেরা তা মেনে নিতে রাজি নন। তাদের দাবি ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করতে হবে।
উল্লেখ্য, মেক্সিকোর সরকারি স্কুলগুলোতে একজন শিক্ষকের মাসিক প্রারম্ভিক মোট বেতন বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১,০৬,০০০ টাকা (৮৩৩ ইউরো)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার আলোচনার পথ খোলা রেখেছে, তবে বিশ্বকাপের কাছে এসে এই আন্দোলন আয়োজকদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন