হুমায়ুন কবির, বানারীপাড়া (বরিশাল)
০৯:১৭ পি.এম
বরিশালের বানারীপাড়ার ঐতিহ্যবাহী বন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ আগস্ট 'গণ-অভ্যুত্থান দিবস' উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, দোয়া-মোনাজাত, রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখা এবং আত্মদানকারী শহীদদের বীরত্বগাথা ও তাৎপর্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা ঘটে।
বিদ্যালয়ের নব গঠিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বায়েজিদুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, "ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান ও অগণিত শহীদের মহান আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে আজকের নতুন বাংলাদেশ। শহীদদের এই অসামান্য ত্যাগ ও গণ-অভ্যুত্থানের প্রকৃত তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের সৎ, দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমেই শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।"
বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জাহিদ হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ মৃধা। বক্তব্যে রিয়াজ মৃধা বলেন, আমরা আর ৫ই আগস্ট চাইনা। শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ আগষ্টের তাৎপর্য তুলে ধরতে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।
অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তৃতা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাজনীন নাহার, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মঞ্জুর খান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সাইদুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিয়াজ আহমেদ, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব জাহিন খালাসী। সভায় বক্তারা জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের রক্তস্নাত ইতিহাস ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তাঁদের অসামান্য অবদান গভীরভাবে স্মরণ করেন। আলোচনা শেষে গণ-অভ্যুত্থানে বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরবর্তীতে দিবসের তাৎপর্য ফুটিয়ে তুলতে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া পৌর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইলিয়াস শেখ, সাধারণ সম্পাদক শুভ মোঘল, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান পলাশ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শফিক, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক তথা রাজ্জাকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রনি খান, সদস্য মাসুদ হাওলাদার, আল-আমিন স্বপনসহ স্থানীয় সুধীবৃন্দ ও অভিভাবকগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন আহত দুই যুবকের পাশে দাঁড়িয়েছে, যারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশি সহিংসতার শিকার হয়েছিলেন। আন্দোলনের সময় গুলিতে আহত আমীর হোসেনকে একটি নতুন বসতঘরের চাবি প্রদান করা হয়েছে।
অন্যদিকে, চোখে স্প্লিন্টার প্রাপ্ত আজিজুল হককে জীবিকা নির্বাহের জন্য বিশেষ করে একটি অটোরিকশা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে উপজেলা মিলনায়তনে ‘জুলাই আন্দোলন’ স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভার পর তাদের এই সহায়তা প্রদান করা হয়। ‘জুলাই চেতনায় গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন উপজেলা প্রশাসন করেছে।
জানা গেছে, গুলির ঘটনা ঘটার সময় যুবক আমীর হোসেন ঢাকার রামপুরায় পুলিশি তাড়া খেয়ে প্রাণ বাঁচাতে একটি বহুতল ভবনের কার্নিশে ঝুলে ছিলেন। তখন পুলিশ তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং বুলেটটি তার পায়ে বিদ্ধ হয়। চিকিৎসার দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে পূর্ণ সুস্থতা না মেলায় শারীরিক অক্ষমতা দেখা দিয়েছে। গ্রামে ফিরে এসে তার দরিদ্র পরিবার মাথা গোঁজার মতো কোন নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাননি।
অন্যদিকে, আন্দোলনের সময় নরসিংদীতে পুলিশি ছররা গুলির স্প্লিন্টার চোখে লেগে আজিজুল হক সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি কয়েকদিন ধরে চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন। পরে তাদের দুর্ভোগের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে উঠে এলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন এটি নজরে আনেন।
আজিজুল হক অটোরিকশা পাওয়ার পর বলেন, ‘এত দিন কেউ খবর নেয়নি। অটোরিকশাটা পেয়ে খুব ভালো লাগছে, কিন্তু আমার চোখের চিকিৎসাও দরকার।’ আমীরের পরিবার উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে, কারণ তারা এখন মাথা গোঁজার জন্য একটি নিরাপদ ঠাঁই পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে, আজিজুল হকের হাতে অটোরিকশার চাবি ও কাগজপত্র তুলে দেওয়া হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেত্রী ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।
প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের রক্ত এবং আর্তনাদের ঋণে পুরো রাষ্ট্র আবদ্ধ। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। ভবিষ্যতে জুলাইযোদ্ধাদের জন্য সরকারের আরো অনেক কল্যাণমুখী পরিকল্পনা রয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, জুলাই আন্দোলনের আহতদের ত্যাগ জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চায়। তিনি জানান, মানবিক এবং নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই উপজেলা প্রশাসন তাদের পুনর্বাসনে কাজ করে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে ১০ মামলার পলাতক আসামি শিমুল চৌধুরী (৩৪), যিনি পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত, গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলিশ জানায়, এ সময় তার কাছ থেকে ৩২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬), রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে শিমুল চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার করা শিমুল চৌধুরী চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার দক্ষিণ সারতা (নব সওদাগরের বাড়ি) এলাকার কানু চৌধুরীর ছেলে। বর্তমানে তিনি রাঙামাটি সদর উপজেলার ভেদভেদী পাড়া (কালিমন্দির সংলগ্ন) এলাকায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, শিমুল চৌধুরীর বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে, এবং তিনি পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৩২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পর বিধি মোতাবেক তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দ্বিতীয় বর্ষ পালন উপলক্ষে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে উপজেলা বিএনপি'র উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সু-নাগরিক সংস্থার সভাপতি শেখ নাজমুল হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়।
বক্তারা বলেন, ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে ফ্যাসিবাদ ও বৈষম্যমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ এবাদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসিম উদ্দিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.শংকর কুমার দে, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান ফেরদৌস রনি, কুশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সু-নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাসানুর রহমান এবং সংগঠনের সহ-সভাপতি শেখ হাবিবুল্লাহ।
অনুষ্ঠান শেষে সর্বসাধারণের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আওতায় সবার মাঝে চারা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
এটি ঘটেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সমাবেশে যোগ দিতে বাধা দিতে তার গুলশানের বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং পেপার স্প্রে করার মামলায়।
বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জগলুল পাশাকে হাজির করে পুলিশ। পরে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। আদালতের বিচারক, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন, জগলুল পাশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
একই সঙ্গে রিমান্ড শুনানির তারিখ যথাক্রমে আগামী রবিবার ধার্য করেন আদালত। গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা, পুলিশের এসআই মোক্তার হোসেন, এ তথ্য জানান।
এর আগে, মঙ্গলবার গভীর রাতে, জগলুল পাশাকে রাজধানীর তার বাসা থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর, জগলুল পাশাসহ মামলার এজাহারনামীয় ১১১ আসামিসহ অজ্ঞাত ২৫০/৩০০ জন মারাত্মক অস্ত্র-সস্ত্রসহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসার সামনে সকাল থেকে সারা দিন অবস্থান করেছিল। তারা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। আসামিরা রাস্তার উপর অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম করে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। খালেদা জিয়া যেন সমাবেশে যোগ না দিতে পারে সে কারণে রাস্তার উপর ত্রাস সৃষ্টি করে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৯টার সময় খালেদা জিয়া তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে সমাবেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু আসামিরা রাস্তায় বাধা দেয়। বালুর ট্রাকসহ বিভিন্ন ট্রাক রাস্তার উপর রেখে ব্যারিকেড তৈরি করে। খালেদা জিয়া একাধিকবার চেষ্টা করলেও আসামিরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং নিষিদ্ধ পেপার স্প্রে ব্যবহার করে। এর ফলে খালেদা জিয়াসহ তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা আহত হন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর গুলশান থানায় মামলা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শাওন।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩/১৪৭/১৪৮/৩৪১/৩৪২/৩৪৩/৩০৭/১০৯/৩৪ ধারাসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৯৭৪ এর ১৫(১)বি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ