ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ কুয়েত-বাহরাইনে


ইরানের সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ কুয়েত-বাহরাইনে

উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। তবে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র তারা সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে এবং একটি ক্ষেপণাস্ত্র নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে বলেছে, মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালীর দিকে ধেয়ে আসা ইরানি হামলাকারী ড্রোনটি ভূপাতিত করার পর এবং ইরানের কয়েকটি রাডার স্থাপনায় আঘাত হানার কয়েক ঘণ্টার মাথায় এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে।

সেন্টকমের প্রাথমিক মূল্যায়নে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ছয়টি সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। সপ্তম ক্ষেপণাস্ত্রটি তার নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারেনি।”

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শেষ হলেও জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকবে: আইইএ প্রধান

মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলার ঘটনায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনও মার্কিন সেনা সদস্য হতাহত হয়েছেন- এমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতরে যেসব ক্ষয়ক্ষতির দাবির কথা ইরান জানিয়েছে, তা সরাসরি নাকচ করেছে সেন্টকম। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, “বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতরে হামলা বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ইরানের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে, হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

কুয়েত এবং বাহরাইন উভয় দেশই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মিত্র হিসেবে পরিচিত। বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতর অবস্থিত, যা পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর এবং আরব সাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছে।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

ঘটনার পর কুয়েত, বাহরাইন এবং আশপাশের অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার তথ্য জানিয়েছে আঞ্চলিক সূত্র। তবে হামলার ফলে কোনও বেসামরিক হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যের দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন সংঘাত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

আরও পড়ুন: মিসরের পার্লামেন্ট সৌদিকে সামরিক সহায়তা দিতে অনুমোদন করেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৬ বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সি গায়ে মাঠ মাতাবেন যেসব তারকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১২ এম


২০২৬ বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সি গায়ে মাঠ মাতাবেন যেসব তারকা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮টি দল। প্রতিটি দলের মধ্যে একটি সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ জার্সি নম্বর হলো ‘১০’। ফুটবলের ইতিহাসে এই নম্বরটি প্রচন্ড সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব এবং অসাধারণ প্রতিভার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। আসন্ন বিশ্বকাপেও বিশ্বের সেরা ফুটবলাররা এই ঐতিহ্যবাহী জার্সিটি পরে নিজেদের জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামবেন।

লিওনেল মেসির জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়া কিংবদন্তি এবারও দলকে নেতৃত্ব বলতে ১০ নম্বর জার্সি পরে মাঠে দেখা যাবে। তিনি শিরোপা ধরে রাখার পাশাপাশি নতুন একটি রেকর্ড গড়ার লক্ষ্য নিয়েও মাঠে প্রবেশ করবেন।

নেইমার জুনিয়রের জন্যও এটি হতে পারে শেষ বিশ্বকাপ। কিছুটা ইনজুরির কারণে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও তিনি ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় তারকা বলে পরিচিত। বিশ্বকাপ জয়ের অপ্রাপ্ত স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবেন তিনি।

কিলিয়ান এমবাপ্পে ইতোমধ্যেই একটি বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছেন এবং টানা দুই বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে তাঁর গোল সংখ্যা ১৩। এবার তাঁর লক্ষ্য হবে মিরোস্লাভ ক্লোসের ১৬ গোলের বিশ্বরেকর্ড ছোঁয়া অথবা অতিক্রম করা।

জামাল মুসিয়ালা নতুন প্রজন্মের জার্মান ফুটবলের অন্যতম সেরা প্রতিভা। তাঁর সৃজনশীলতা, ড্রিবলিং এবং আক্রমণভাগে প্রভাব জার্মানির সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

দানি ওলমো স্পেনের মিডফিল্ডে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তাঁর নিখুঁত পাস এবং আক্রমণাত্মক ফুটবলের মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব থাকবে।

বেনার্দো সিলভা দীর্ঘকাল ধরে ইউরোপীয় ফুটবলের পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিত। তিনি পর্তুগালের আক্রমণভাগ পরিচালনায় অন্যতম প্রধান অস্ত্র হয়ে ওঠবেন।

জুড বেলিংহাম ইতোমধ্যে বিশ্বের সেরা তরুণ ফুটবলারদের একজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর নেতৃত্ব ও মিডফিল্ড নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ইংল্যান্ডকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার করে তুলেছে।

অ্যালেক্সিস ভেগা মেক্সিকোর আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান অস্ত্র। ঘরের মাঠে কাতার বিশ্বকাপের হতাশা ভুলে স্মরণীয় কিছু করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবেন তিনি।

ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচ স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় আশা। তাঁর গতি, অভিজ্ঞতা ও গোল করার সামর্থ্য দলের সাফল্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জোনাথন ডেভিড ধারাবাহিক গোল করার ক্ষমতার জন্য কানাডার অন্যতম বড় ভরসা। স্বাগতিকদের ভালো ফলের আশা অনেকটাই তাঁর পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে।

২০২৬ বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সি পরিধানকারী এই তারকারা নিঃসন্দেহে শুধু নিজেদের দেশের জন্য নয়, পুরো টুর্নামেন্টের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করবে। তাদের পারফরম্যান্স অনেক ক্ষেত্রেই বিশ্বকাপের ভাগ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম হতে পারে।

গ্রুপভিত্তিক ১০ নম্বর জার্সিধারীরা:

গ্রুপ ‘এ’:

জেসুং লি (দক্ষিণ কোরিয়া)

অ্যালেক্সিস ভেগা (মেক্সিকো)

প্যাট্রিক শিক (চেক প্রজাতন্ত্র)

রেলেবোহিলে মোফোকেং (দক্ষিণ আফ্রিকা)

গ্রুপ ‘বি’:

জোনাথন ডেভিড (কানাডা)

এরমেদিন ডেমিরোভিচ (বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা)

হাসান আল-হাইদোস (কাতার)

গ্রানিত ঝাকা (সুইজারল্যান্ড)

গ্রুপ ‘সি’:

নেইমার জুনিয়র (ব্রাজিল)

চে অ্যাডামস (স্কটল্যান্ড)

জ্যাঁ-রিকনার বেলেগার্দে (হাইতি)

ব্রাহিম দিয়াজ (মরক্কো)

গ্রুপ ‘ডি’:

ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক (যুক্তরাষ্ট্র)

আজদিন হ্রুস্টিচ (অস্ট্রেলিয়া)

মিগেল আলমিরন (প্যারাগুয়ে)

হাকান চালহানওগ্লু (তুরস্ক)

গ্রুপ ‘ই’:

জামাল মুসিয়ালা (জার্মানি)

সিমন আদিংরা (আইভরি কোস্ট)

লিয়ান্দ্রো বাকুনা (কুরাসাও)

কেন্দ্রি পায়েজ (ইকুয়েডর)

গ্রুপ ‘এফ’:

মেমফিস ডিপাই (নেডারল্যান্ডস)

রিতসু দোয়ান (জাপান)

বেঞ্জামিন নাইগ্রেন (সুইডেন)

হ্যানিবাল মেজব্রি (তিউনিসিয়া)

গ্রুপ ‘জি’:

লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড (বেলজিয়াম)

মোহামেদ সালাহ (মিশর)

মেহদি গায়েদি (ইরান)

সারপ্রিত সিং (নিউজিল্যান্ড)

গ্রুপ ‘এইচ’:

দানি ওলমো (স্পেন)

জর্জিয়ান দে আররাসকায়েতা (উরুগুয়ে)

সালেম আল-দাওসারি (সৌদি আরব)

জামিরো মন্টেইরো (কেপ ভার্ডে)

গ্রুপ ‘আই’:

কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)

আলি মোহানাদ (ইরাক)

মার্টিন ওদেগার্ড (নরওয়ে)

সাদিও মানে (সেনেগাল)

গ্রুপ ‘জে’:

লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)

ফারেস শাইবি (আলজেরিয়া)

ফ্লোরিয়ান গ্রিলিটশ (অস্ট্রিয়া)

মুসা আল-তামারি (জর্ডান)

গ্রুপ ‘কে’:

বেনার্দো সিলভা (পর্তুগাল)

হামেস রদ্রিগেস (কলম্বিয়া)

থিও বংগোন্ডা (ডিআর কঙ্গো)

জালোলিদ্দিন মাশারিপভ (উজবেকিস্তান)

গ্রুপ ‘এল’:

লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া)

জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড)

ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে (ঘানা)

ইসমায়েল দিয়াজ (পানামা)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে পাকা স্থাপনা ভাঙচুরের অভিযোগ, এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিপোর্ট- শাহ্ জালাল সরদার, কালকিনি মাদারীপুর

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ এম


১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে পাকা স্থাপনা ভাঙচুরের অভিযোগ, এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর রমজানপুর গ্রামে আদালতের জারি করা ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে পাকা স্থাপনা ও দেয়াল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় উত্তর রমজানপুর গ্রামের বাসিন্দা শিরাজ খলিফার মালিকানাধীন পাকা স্থাপনা এবং দেয়াল হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলে প্রতিপক্ষ রিফাত পাইক, ছালাম পাইক, সাইদুল পাইক, জহুরাসহ কয়েকজন। এছাড়া এ ঘটনার হুকুমদাতা হিসেবে মামুন পাইক, ছালেক পাইক ও সাইদুল পাইকের নাম অভিযোগকারী পক্ষ উল্লেখ করেছেন। ভুক্তভোগী শিরাজ খলিফা দাবি করেন, তিনি প্রায় ৩৫ বছর ধরে বিরোধপূর্ণ জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। আটজন ওয়ারিশের মধ্যে সাতজনের কাছ থেকে পাঁচ শতাংশ জমি ক্রয়ের মাধ্যমে বৈধ মালিকানা অর্জন করেন। বাকি এক ওয়ারিশ অসুস্থ থাকায় তার অংশের জমি দলিল করা সম্ভব হয়নি। পরে ওই এক শতাংশ জমি রিফাত পাইক ক্রয় করেন, তবে সেই জমির মূল্য তিনিই পরিশোধ করেছেন বলে দাবি করেন। শিরাজ খলিফা আরও জানান, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করে বিরোধপূর্ণ জমিতে সব ধরনের নির্মাণ ও কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু আদালতের ওই নির্দেশনা অমান্য করে প্রতিপক্ষ তার পাকা স্থাপনা ভেঙে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এই বিষয়ে অভিযুক্ত রিফাত পাইকের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বলে জানা গেছে। আরটিভি প্রতিনিধির পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, ১৪৪ ধারা জারি থাকা অবস্থায় তিনি কীভাবে ওই জমির পাকা স্থাপনা ভাঙলেন এবং মামলা নিষ্পত্তির আগে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এখতিয়ার তার আছে কি না। তবে এসব প্রশ্নের কোনো জবাব তিনি দেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” এলাকার মানুষের দাবি, বিচারাধীন জমিকে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের সংঘাত না ঘটে, সেটির জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর রক্তক্ষরণেরও শঙ্কা রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২১ এম


ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর রক্তক্ষরণেরও শঙ্কা রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, এবার ডেঙ্গুজ্বরের শিকার হওয়া রোগীদের রক্তক্ষরণেরও আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) সকালে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন।

মন্ত্রী জানান, ‘ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ। যার নাম হেমোরোজিক। ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে হতে পারে রক্তক্ষরণও। তাই, আগে থেকেই সচেতন হতে হবে।’

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিনি জানিয়েছেন, দুই থেকে তিনদিন পর মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ঘোষণা দেওয়া হবে। ‘ডেঙ্গু মশার লার্ভা যে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যাবে, সেখানকার সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করা হবে,’ বলেন তিনি।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালামও মন্তব্য করেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জরিপে এসেছে ডেঙ্গুর জন্য দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৩টি ওয়ার্ড ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া ২৮টি ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩২ হাজার ৮৩২ হাজি দেশে ফিরেছেন, সৌদিতে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ এম


৩২ হাজার ৮৩২ হাজি দেশে ফিরেছেন, সৌদিতে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৮ জন

পবিত্র হজ পালন শেষ করে সৌদি আরব থেকে ফিরতি ফ্লাইটে মোট ৩২ হাজার ৮৩২ জন হাজি বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত ৩টা পর্যন্ত, এই হাজিরা দেশে ফিরে আসেন। পাশাপাশি, হজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৮ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী ও হাজি সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করেছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

বুলেটিন অনুযায়ী, দেশে ফেরা ৩২ হাজার ৮৩২ জন হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৯ হাজার ৫০৪ জন রয়েছেন।

এই হাজিদের দেশে ফেরাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২৮টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৩১টি এবং ফ্লাইনাস ১৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

সৌদি আরবের মৃত্যুবরণ করা বাংলাদেশি হাজিদের মধ্যে ৩২ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী রয়েছেন। এদের মধ্যে মক্কায় ৩৫, মদিনায় ১২ এবং জেদ্দায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।

হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়েছে, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ৩৬০ জন হাজি চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বর্তমানে ২৩ জন হাজি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করেন। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে ৩০ মে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%