মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৪৬ এম
রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এই হামলার অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা হয়েছে।
বিডিনিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে ছাত্র ও যুব ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা হামলার অভিযোগ করেন। এ সময় তাদের মধ্যে কয়েকজনকে মারধর করা হয়।
এই ঘটনার ফলে যুব ইউনিয়নের দুজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তারা। আহত অবস্থায় তাদের পুলিশ নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ হামলা ও আহত হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সিপিবির কার্যালয় মুক্তি ভবনের ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় অবস্থিত, যেখানে ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়নের কার্যালয় অষ্টম তলায় রয়েছে।
সোমবার রাত ৯টার পর ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীলকে মুক্তি দেওয়ার পর পল্টনে ছাত্র ও যুব ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল বের করেন। এই মিছিলকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ ওঠে, যা সিপিবির কার্যালয়ের সামনে গড়ায়। পরে সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে হামলা চালায়।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহীর শাহরিয়ার অভিযোগ করেন, “আমাদের কার্যালয়ে হামলা করা হয়েছে। হামলাকারীরা স্থানীয় বিএনপির নেতা। সম্ভবত পল্টন থানা বিএনপি বা তাদের অন্য সহযোগী সংগঠনের লোকজনও থাকতে পারে।”
হামলার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তারা আমাদের আওয়ামী লীগ প্রতিপন্ন করতে চায়। এখন আমরা অফিসের ভেতরে আছি। আমার সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতারা আছেন। আমাদের বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও আটকা আছেন।”
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী রাত ১১টা ১০ মিনিটে গণমাধ্যমকে জানান, “হামলার খবর পেয়ে এখন আমি সেখানে যাচ্ছি। একটি মব পার্টি অফিসে আসে, তারা হামলা চালায়। এখন পর্যন্ত এতটুকুই জানি।”
পল্টন থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, সোমবার দুপুরে ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীলকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়ার পর সিপিবির কার্যালয়ের সামনে আনন্দ মিছিল করেন নেতাকর্মীরা।
‘এ ঘটনায় সিপিবি কার্যালয়ের সামনে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কোনো হামলা বা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।’
সুনামগঞ্জে নারী বাউল শিল্পীদের গান গাইতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে সোমবার বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে মীনা বাজারের সামনে মানববন্ধনের ডাক দেন সংস্কৃতিকর্মীরা। সেখানে জড়ো হলে পুলিশের বাধায় কর্মসূচি পালন করতে পারেননি তারা। ওই স্থান থেকে ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীলকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে রাত ৯টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকিত হোসেন সজিবকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে। চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ আবাসিক এলাকায় তার নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাকে আটক করা হয়।
তার পরিবার দাবি করেছে, বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।
চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুরে আলম মাছুম ছিদ্দিকী জানান, আকিত হোসেন বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ মোট দুটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তিনি জামিনে না থাকায় সংশ্লিষ্ট মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (এফআইইউ) এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশকে (এআইইউবি) ৭ উইকেটে পরাজিত করেছে। আকাশের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে ফারইস্ট ২২ বল হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাটিং করে এআইইউবি নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৩ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন ইয়াসির আরাফাত। তিনি মাত্র ২২ বল খেলে ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন। আদ-আল জাব্বার ৩৩ বলে ৩২ রান করেন। এছাড়া জয়রাজ শেখ ইমন ৮ বলে ১৫ এবং লাবিব ১৯ রান করেন।
ফারইস্টের বোলিংয়ে মেহেদী অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেন। হৃদয়, লাবু, তালহা ও মোনায়েম প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ফারইস্ট আকাশের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। আকাশ ৩৮ বলে ১১টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকিয়ে ৭৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ফলে ফারইস্ট ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ শুরু থেকেই গ্রহণ করে।
আকাশের পাশাপাশি মামুন ১৭ বলে অপরাজিত ২৪ এবং মেহেদী ১৫ বলে অপরাজিত ১৪ রান করেন। ইমানুর ৯ ও লাবু ১১ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত ফারইস্ট ১৬.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে।
এআইইউবির পক্ষে ইয়াসির আরাফাত, জয়রাজ ও লিয়ন প্রত্যেকে একটি করে উইকেট দখল করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় আব্দুল করিম (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ দাফন করা হয়েছে বসতঘরেই, কারণ তার নিজস্ব জমি নেই।
এ ঘটনা ঘটে সোমবার (২৬ অক্টোবর) উপজেলার তাতিহাটী ইউনিয়নের শালমারা এলাকায়। আব্দুল করিম শালমারা গ্রামের মৃত শমসের আলীর পুত্র।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, আব্দুল করিমের বসতভিটা ছাড়া আর কোনো জমি নেই। শালমারা এলাকায় পারিবারিক কবরস্থান ছাড়া গণকবরস্থানের অভাব রয়েছে। এর ফলে যাদের পারিবারিক কবরস্থান নেই, তাদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি হয়। অনেকে বাড়ির আঙিনায়, বসতবাড়ির সামনে, কিংবা বসতঘরের পাশে মরদেহ দাফন করতে বাধ্য হন। আব্দুল করিমের বসতঘরের জায়গা ছাড়া অন্য কোথাও জমি না থাকায় তাকে বসতঘরেই দাফন করা হয়। এই ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
শালমারা গ্রামের মাসুদ মিয়া মন্তব্য করেন, ‘আমরা এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজকে শালামারা গ্রামে একটি গণকবরস্থানের দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানাচ্ছি। কেউ এগিয়ে না আসায় আব্দুল করিমকে তার ঘরেই দাফন করা হয়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃজনক ও লজ্জার।’
বৃদ্ধের মেয়ে রিক্তা পারভীন জানান, ‘আমাদের বসতঘর ছাড়া আর কোনো জমি নেই। তাই বাধ্য হয়ে আমার বাবাকে ঘরেই দাফন করেছি। তবে আর কোনো স্বজনকে বা এলাকার অন্য কাউকে যেন বসতঘরে দাফন করতে না হয়, এজন্য এলাকায় একটি গণকবরস্থান হওয়া দরকার।’
তাতীহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ বলেন, ‘শালামারা এলাকায় কোনো গণকবরস্থান নেই। বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) নিহত পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে কথা বলে পাশেই ষাইটকাকড়া গণকবরস্থানে ওই বৃদ্ধের মরদেহ দাফন করা হবে।’
শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদ জানান, ‘ওই ওয়ার্ডে কোনো সামাজিক কবরস্থান না থাকায় ঘরে দাফন করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকালে আমরা ঘটনাস্থলে যাব। পরিবারটির সঙ্গে আলোচনা করে পাশের ওয়ার্ডের সামাজিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার উদ্যোগ নেয়া হবে।’
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘সমাজে একজন মানুষ মারা যাবে, তাকে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হবে না- এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি জানার পরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) বৃদ্ধের বাড়ির পাশে যে কবরস্থান রয়েছে, সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি সত্যিই মর্মাহত। এ খবরটি জানার পর পরই শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্যকেও জনিয়েছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বৈদেশিক ঋণের অর্থ প্রাপ্তির পরিমাণের তুলনায় আগের নেওয়া ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে তার দ্বিগুণেরও বেশি। এই সময়ে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে মোট ব্যয় হয়েছে ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার।
বিপরীতে, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে বৈদেশিক সহায়তার পরিমাণ ছিল ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার। এর মানে হলো, নতুন বৈদেশিক সহায়তার তুলনায় ঋণ পরিশোধে সরকারের ব্যয় প্রায় ৬৮ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার ডলার বেশি হয়েছে।
সোমবার প্রকাশিত অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের ব্যয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে, বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় কমেছে ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ।
ইআরডির হিসাব অনুযায়ী, জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বৈদেশিক ঋণের আসল পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ৮৫ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ খাতে ব্যয় হয়েছিল ৮১ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ডলার। এক বছরের ব্যবধানে ঋণের আসল পরিশোধের ব্যয় বেড়েছে ৪ কোটি ১৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার।
একই সময়ে ঋণের সুদ পরিশোধেও ব্যয় বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সুদ বাবদ ব্যয় হয়েছে ৪৯ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ ব্যয় ছিল ৪৬ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এক বছরের ব্যবধানে সুদ পরিশোধের ব্যয় বেড়েছে ২ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার।
বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় কমেছে ৪২ শতাংশ।
ঋণ পরিশোধের ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও বৈদেশিক সহায়তার প্রকৃত অর্থছাড় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে উন্নয়ন সহযোগীরা ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক সহায়তা ছাড় করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার।
অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় কমেছে ৪৮ কোটি ৬২ লাখ ৮০ হাজার ডলার। শতাংশের হিসাবে এ হ্রাস ৪২ দশমিক ৩।
চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ছাড় করা সহায়তার মধ্যে ৫৪ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার এসেছে ঋণ হিসেবে। বাকি ১১ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার পাওয়া গেছে অনুদান হিসেবে।
অন্যদিকে, একই সময়ে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। ফলে বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড়ের তুলনায় ঋণ পরিশোধে ৬৮ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার ডলার বেশি ব্যয় করেছে সরকার।
নতুন সহায়তার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে
বৈদেশিক সহায়তার প্রকৃত অর্থছাড় কমলেও নতুন সহায়তার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে উন্নয়ন সহযোগীরা ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের ঋণ ও অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ছিল ৯১ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার।
এক বছরের ব্যবধানে নতুন বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ৩৬ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার। শতাংশের হিসাবে এ বৃদ্ধি প্রায় ৪০ শতাংশ।
নতুন প্রতিশ্রুতির মধ্যে ১১৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার ঋণ এবং ১২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার অনুদান হিসেবে দেওয়ার কথা রয়েছে। অর্থাৎ, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে নতুন সহায়তার প্রতিশ্রুতি বৃদ্ধি পেলেও প্রকৃত অর্থছাড় কমেছে। ফলে প্রতিশ্রুত অর্থের সঙ্গে বাস্তবে পাওয়া অর্থের ব্যবধান বেড়েছে।
ইআরডির কর্মকর্তারা বলছেন, বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও প্রকৃত অর্থছাড় এক বিষয় নয়। প্রতিশ্রুত অর্থ ছাড় হতে প্রকল্পের প্রস্তুতি, অনুমোদন, চুক্তি ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। ফলে প্রতিশ্রুতি বাড়লেও তাৎক্ষণিকভাবে সরকারের হাতে বৈদেশিক অর্থের প্রবাহ বাড়ে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ