১২:৩৬ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা একটি নতুন রূপ নিয়েছে।
মার্কিন হামলার কড়া জবাব দিতে এবার কুয়েত ও ওমানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাসমূহে বড় ধরনের হামলার দাবি করেছে ইরান। অন্যদিকে, নিজেদের আকাশসীমায় ইরানের ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র জর্ডান ধবংস করেছে।
এদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েতে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সফল হামলা চালিয়েছে। মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা যায়, এই হামলায় একটি মিসাইল ডিফেন্স রাডার, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রাগার এবং দুটি ‘হিমারস’ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেফতার
আইআরজিসি টিকা বলেছে, এটি সম্প্রতি ইরানের বেসামরিক স্থাপনায়—বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ ও রেলওয়ে নেটওয়ার্কে—মার্কিন হামলার সরাসরি প্রতিশোধ। তাদের দাবি, ওই অঞ্চলে মার্কিন কর্মকাণ্ডের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল-গ্যাস উৎপাদন ও রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এই কারণে তাদের এই ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলা অব্যাহত রাখার সংকল্প চূড়ান্ত হয়েছে।
কুয়েতের ঘটনার পরপরই, ওমানেও জোড়া মার্কিন রাডার ধ্বংসের দাবি করেছে তারা। আইআরজিসি জানায়, ওমানের ঘানেম অঞ্চলে একটি মার্কিন এয়ার কন্ট্রোল রাডার এবং হরমুজ প্রণালিতে একটি মেরিটাইম কন্ট্রোল রাডার ধ্বংস করা হয়েছে। এটিকে ১৩তম হামলা উল্লেখ করে ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এখনও আইআরজিসি নৌবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে, এই সংঘাতের উত্তাপ জর্ডানে অনুভূত হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। জর্ডানের রয়্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পস দল দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে ফেলে। ফলে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
আরও পড়ুন: এনআইডি সার্ভারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন