০৮:১৫ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে রাজনীতিতে কার ক্ষমতা কতটুকু বাড়লো বা কমলো, তার তুলনায় শিক্ষা-স্বাস্থ্যের সংস্কার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ কমিউনিটি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, দেশের উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালগুলোকে ১০০ থেকে ১৫০ শয্যায় রূপান্তরিত করা হবে। হাসপাতালগুলোতে শিশু ও গাইনি ওয়ার্ড থাকবে।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য
তিনি আরও বলেন, শিক্ষাব্যবস্থা যত শক্তিশালী হবে, জাতির ভবিষ্যৎ ততোই উজ্জ্বল হবে। সরকার আগামী বছর থেকে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর জন্য একাধিক ভাষা শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। জানুয়ারি থেকে প্রাথমিক স্কুলের পাঠ্যবইয়ে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর চেয়ে বড় সংস্কার আর কী হতে পারে?
তারেক রহমান জানান, ২০২৭ সালের মধ্যে ৪৬টি বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বৈধভাবে ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টির জন্য বর্তমান সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপান সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত আগ্রহী। বাংলাদেশকেও প্রস্তুতি নিতে হবে। বিনিয়োগকারীরা আসলে দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে।
এ সময় তিনি প্রবাসীদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?
তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক অবস্থায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। অনেক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হচ্ছে। দ্বিমত থাকতে পারে, তবে ভালো কাজগুলোতে কারও দ্বিমত থাকার কোনো কারণ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন