ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

একনেকের বৈঠক স্থগিত, ১৫ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন বিলম্বিত


একনেকের বৈঠক স্থগিত, ১৫ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন বিলম্বিত

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) নির্ধারিত বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের কারণে হয়েছে। এই স্থগিতের ফলে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত ১৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া পিছিয়ে পড়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে এটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সরকারিভাবে বৈঠকটি স্থগিত করার কারণ হিসেবে ‘অনিবার্য কারণ’ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পরিকল্পনা কমিশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূলত প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকে কেন্দ্র করেই গত রাতে বৈঠক স্থগিতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: সুরঞ্জিতের নেতৃত্বে অভিজ্ঞতা নিয়ে আসিফ নজরুল ও সালাহউদ্দিন আহমদের মতভেদ

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যার ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রীর জাপানের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। সফরের পূর্বে তাকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করতে হচ্ছে। এই অবস্থায় একনেকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে তা দুপুরের খাবারের আগেই শেষ করা সম্ভব হতো না। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নির্ধারিত বৈঠকটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্থগিত হওয়া বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মোট ১৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত মোট ব্যয় ছিল প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া আপাতত পিছিয়ে গেছে।

অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে দুটি মূল্যায়ন ও উন্নয়ন গ্যাসকূপ, তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ খনন প্রকল্প। এছাড়া ‘ইনোভেশন ক্লাইমেট স্মার্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্প এবং নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পও বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য অন্তর্ভুক্ত ছিল।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের তালিকায় আরও ছিল বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প। পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সড়কগুলোর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়নের একটি প্রকল্পও অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে মা ইলিশ নিধনের মহোৎসব

বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশেষায়িত যানবাহন ও অপারেশনাল যানবাহন কেনার দুটি প্রকল্পও একনেকের বৈঠকে উপস্থাপনের কথা ছিল। একই সঙ্গে দেশের পাঁচটি মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিন সেন্টার স্থাপন প্রকল্পও অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে বিএনপি নেতাদের স্ত্রী-কন্যাকে ডিলার দেখিয়ে সারের ডিলারশিপ নেওয়ার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০২ পি.এম


রংপুরে বিএনপি নেতাদের স্ত্রী-কন্যাকে ডিলার দেখিয়ে সারের ডিলারশিপ নেওয়ার অভিযোগ

সার সংকট মোকাবেলার জন্য সারা দেশে নতুন করে বিসিআইসির সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগ দলের নেতাকর্মীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। ডিলার নিয়োগের সময় নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি। দলের নেতাদের স্ত্রী, অনার্স পড়ুয়া কন্যা, ছেলে, শ্বশুর, ফুফাতো ভাই, ভাতিজা, শ্যালক এবং অন্যান্য স্বজনদের নামে সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, দলীয় অফিসকে সার ডিলারের গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করার প্রমাণও পাওয়া গেছে। এই মারাত্মক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির ঘটনা রংপুরের আট উপজেলায় ঘটেছে।

রংপুর-১ আসনের এমপি রায়হান সিরাজী গত রোববার রংপুর ডিসি সম্মেলনকক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে নীতিমালা উপেক্ষা করে "বানরের পিঠা ভাগের মতো" বণ্টন করা হয়েছে। এটি দলীয়করণের একটি লজ্জাজনক উদাহরণ। যুগান্তরের অনুসন্ধানে এসব অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। এর ফলে সার সংকট নিরসনের এই উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

পীরগঞ্জ উপজেলায় যাদের সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে উপজেলা বিএনপি সভাপতির স্ত্রী, যুবদলের সভাপতি, ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি এবং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। পীরগঞ্জের ১ নম্বর চৈত্রকোল ইউনিয়নে ডিলার নিয়োগ পেয়েছে মেসার্স রাজিব ট্রেডার্স, যার মালিক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাজিবুল হাসান। ২ নম্বর ভেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের বিএনপি সভাপতির চাচাত ভাই তৌহিদুল ইসলাম, ৩ নম্বর বড়দরগা ইউনিয়নের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, ৪ নম্বর কুমেদপুর ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন, ৫ নম্বর মদনখালি ইউনিয়নে পেয়েছেন রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলামের ভাতিজা মাজহারুল আনোয়ার। ৬ নম্বর ইউনিয়নে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলামের বোন জামাই মো. নুরুজ্জামান, ৭ নম্বর বড় আলমপুর ইউনিয়নে ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. বাদশা মিয়া, ৮ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নে পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুন্নবী চৌধুরী পলাশের স্ত্রী মোছা. ফাহিমা আক্তার খানম, ৯ নম্বর পীরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বিএনপি সভাপতি মামুনুর রশিদ বাদলের স্ত্রী মোছা. শাহানা খানম, ১০ নম্বর শানেরহাট ইউনিয়নে ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুর মোহাম্মদ খান, ১১ নম্বর পাঁচগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ইকরামুল হক, ১৩ নম্বর রামনাথপুর ইউনিয়নে পীরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. আনিছুর রহমান, ১৪ নম্বর চতরা ইউনিয়নে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুর মোহাম্মদ মণ্ডল, ১৫ নম্বর কাবিলপুর ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সভাপতি মাসুদুর রহমান, মেসার্স দিগন্ত ট্রেডার্স, প্রো. মোছা. দৌলতুন নাহার, যিনি মিঠিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক রায়হান প্রধানের স্ত্রী। পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাইফুল আজাদ মণ্ডল তার স্ত্রীর নামে লাকি বেগমের নামে সারের ডিলার নিয়োগ নিয়েছেন, অলিন ট্রেডার্সের নাম দিয়ে।

পাঁচগাছী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি একরামুল হক উপজেলা বিএনপি অফিসকে সারের গোডাউন হিসেবে দেখিয়েছেন মেসার্স আজমল ট্রেডার্সের নামে।

পীরগাছা উপজেলায় একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। ৯টি ইউনিয়নের তালিকায় বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদকসহ তাদের স্ত্রী, অনার্স পড়ুয়া কন্যা, ছেলে, শ্বশুর, ফুফাতো ভাইসহ স্বজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী, একজন ইউনিয়ন সভাপতির অনার্স পড়ুয়া কন্যা, একজন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকর শ্বশুর, সিনিয়র সহসভাপতির ছেলে, একজন সাধারণ সম্পাদকের ফুফাতো ভাইয়ের নাম রয়েছে। তালিকায় পীরগাছা সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অনন্তরাম গ্রামের মোছা. সুলতানা ফেরদৌসির নামও রয়েছে, যিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার স্ত্রী। অন্নদানগর ইউনিয়ন জগজীবনের জয়িতা আক্তার জিনি, যিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জিল্লুর রহমানের প্রথম স্ত্রীর মেয়ে এবং দিনাজপুর সরকারি কলেজের বাংলা চতুর্থ বর্ষের অনার্সের শিক্ষার্থী।

মিঠাপুকুরে খোড়াগাছ ইউনিয়নের ডিলারশিপ পেয়েছেন ওই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আইয়ুব আলী, ভাংনীতে পেয়েছেন ইউনিয়ন সভাপতি মাহবুব আলম, কাফ্রিখালে পেয়েছেন ইউনিয়ন সভাপতি মোকলেছার রহমান, বালুয়া মাসিমপুরে পেয়েছেন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি মোজাফফর হোসেন, বড়বালায় পেয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাবুল ইসলামের ছেলে মোস্তাফিজর রহমান, মিলনপুরে পেয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক রবিউল ইসলাম, গোপালপুরে পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোতাহারুল ইসলাম নিক্সন পাইকারের স্ত্রী রেহেনা পারভীন, দুর্গাপুরে পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম রব্বানী ভাই আল আমিন সরকার, বড় হযরতপুরে পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম রব্বানীর খালাতো ভাই মিরাজ আহমেদ, মির্জাপুরে পেয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ মিয়া এবং ইমাদপুরে পেয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক আব্দুল হান্নান মিয়া।

গংগাচড়া উপজেলায় বেতগাড়ী ইউনিয়নে মেসার্স মাহি ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী রুহুল কুদ্দুস, যিনি বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিপন মিয়ার ছোট ভাই। কোলকোন্দ ইউনিয়নে এম এম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. গোলাম রব্বানী, যিনি উপজেলা বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক। বড়বিল ইউনিয়নে রাহি অ্যান্ড রাদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোছা. রুজিনা, যিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলীর স্ত্রী। গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নে মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোছা. মোসলেমা বেগম, যিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকারের স্ত্রী। লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নে তিস্তা করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী মোছা. জহুরা বেগম, যিনি বিএনপির উজেলার সাবেক সভাপতি ওয়াহেদুজ্জামান মাবুর স্ত্রী এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শরীফ নেওয়াজ জোহার মা। গজঘণ্টা ইউনিয়নে মেসার্স এলএন্ডকে ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. লোকমান হোসেন, যিনি গজঘণ্টা ইউনিয়নের বিএনপির সহসভাপতি। মর্নেয়া ইউনিয়নে মেসার্স অনিমা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আমিরুল ইসলাম, যিনি মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। আলমবিদিতর ইউনিয়নে মেসার্স লাবিবা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুর রউফ বুলু, যিনি আলমবিদিতর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক। নোহালী ইউনিয়নে মেসার্স স্বপন সার ঘরের স্বত্বাধিকারী মো. মশিউর রহমান, যিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকারের ভাগিনা। একই ধরনের চিত্র রংপুর সদর, রংপুর মহানগর, বদরগঞ্জ পৌরসভা, হারাগাছ পৌরসভা, তারাগঞ্জ, কাউনিয়া, বদরগঞ্জ উপজেলায়ও দেখা গেছে।

এ প্রসঙ্গে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, সরকারের কর্মকর্তারা এই ঘটনায় জড়িত। তারা বলতে পারবেন কে ডিলারশিপ পেয়েছে।

রংপুর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান, যিনি এই কমিটির সভাপতি, বলেছেন, সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। আমাদের কাছে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য প্রস্তাবিত তিনটি নামের তালিকা নীতিমালার যোগ্যতার ভিত্তিতে কৃষি মন্ত্রণালয় চেয়েছিল, যা উপজেলা বাছাই কমিটি সম্পন্ন করেছে। আমরা শুধু সেই তালিকা ঢাকায় পাঠিয়েছি, সেখান থেকে চূড়ান্ত তালিকা করে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাড়ি ভাড়া শোধ করতে না পেরে ঘরেই তৈরি করলেন ৪৮ লাখ টাকা জাল নোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০২ পি.এম


বাড়ি ভাড়া শোধ করতে না পেরে ঘরেই তৈরি করলেন ৪৮ লাখ টাকা জাল নোট

বাড়ি ভাড়া শোধ করতে গিয়ে গৃহকর্তার সঙ্গে সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর পরপরই ৫০০ টাকার জাল নোট ছাপানো শুরু করেন এক ব্যক্তি। ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুর শহরে এই ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

বাড়ি ভাড়া না দেওয়ার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে ওই ভাড়াটে নিখোঁজ ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ঘরের তালা ভাঙার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৫০০ টাকার নোটের মোট মূল্য প্রায় ৪৮ লাখ টাকা।

পুলিশের বিবরণ অনুযায়ী, গত কয়েক দিন ধরে উথোড়া এলাকার ওই ঘরে আসা-যাওয়া বন্ধ করে রেখেছিলেন পুষ্পক কৃষ্ণ ভাণ্ডারকর, যিনি বেনদানে নামেও পরিচিত। সন্দেহ হওয়ায় শনিবার বাড়িওয়ালা রমেশ হাতুড়ি দিয়ে ঘরের দরজার তালা ভাঙেন। ঘরে প্রবেশ করেই তিনি অবাক হয়ে যান। একটি বালতির ভেতর নোটের বান্ডিল, চারদিকে ছড়িয়ে থাকা কাগজ এবং একটি প্রিন্টার দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপর তিনি উথোড়া থানায় খবর দেন।

পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তা বস্তা ৫০০ টাকার জাল নোট দেখতে পায়। গণনার যন্ত্র এনে দেখা যায়, সেখানে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা মূল্যের জাল নোট ছাপা হয়েছে। এছাড়া এক পিঠে ছাপা কিন্তু অন্য পিঠ ফাঁকা—এমন কিছু আধছাপা নোট ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে জব্দ করা মালামাল ও নোটের আনুমানিক দাম প্রায় ৬২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

পুলিশের তথ্যে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে খারবি এলাকায় ঘরটি ভাড়া নিয়েছিলেন পুষ্পক। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তার ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তাছাড়া বেশ কয়েক মাস ধরে তিনি বাড়ি ভাড়া দিচ্ছিলেন না।

বাড়িওয়ালা ঘর খালি করার কথা বললে গত মাসে পুষ্পক তাকে ছুরি দেখিয়ে হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনার পর বাড়িওয়ালা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।

নাগপুরের ত্রিমূর্তি নগরের বাসিন্দা পুষ্পক বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে। তদন্তকারীরা যখন তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, তখন জানা যায় যে, তিনি বর্তমানে মুম্বাইয়ে অবস্থান করছেন। তাকে ধরার জন্য খুব শিগগির মুম্বাইয়ে পুলিশের একটি বিশেষ দল পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবারণা পূর্ণিমায় ক্ষমা প্রার্থনায় ভক্তদের ঢল, ফানুস ওড়ানোর অপেক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


প্রবারণা পূর্ণিমায় ক্ষমা প্রার্থনায় ভক্তদের ঢল, ফানুস ওড়ানোর অপেক্ষা

চট্টগ্রামে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে নানা বয়সের পুণ্যার্থীরা বৌদ্ধবিহারগুলোতে ভিড় করেছেন। রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে নগরের নন্দনকাননসহ বিভিন্ন বিহারে পূজা, প্রদীপ প্রজ্বালন ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দিনভর ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায় বর্ণিল ফানুস ওড়ানোর জন্য ভক্ত ও দর্শনার্থীরা অপেক্ষা করছেন।

ফানুসের আলোয় রাতের আকাশ আলোকিত করার পাশাপাশি বুদ্ধের অহিংসা, শান্তি ও মৈত্রীর বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আয়োজকেরা প্রস্তুতি নিয়েছেন। নগরের শতবর্ষী নন্দনকানন বৌদ্ধবিহারসহ বিভিন্ন বিহারে ভোর থেকেই উৎসবে মেতে ওঠেন ভক্তরা। চট্টগ্রাম নগর ও এর আশপাশের অঞ্চল থেকে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা বয়সের মানুষ উৎসবে যোগ দিয়েছেন।

সকালে নন্দনকানন বৌদ্ধবিহারে গিয়ে দেখা যায়, ভোরের আলো ফুটতেই নতুন পোশাকে বিহার প্রাঙ্গণে আসতে শুরু করেন পুণ্যার্থীরা। তাদের হাতে ছিল প্রদীপের থালা, গাদা ও পদ্মফুল এবং হরেক রকমের ফলমূল। বুদ্ধমূর্তি ও বোধিবৃক্ষের চরণতলে ফুল নিবেদন ও প্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে ভিক্ষুদের কাছ থেকে পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ করেন ভক্তরা। দিনব্যাপী বিহারের বিভিন্ন কক্ষে চলবে বিশেষ ধর্মপোদেশ বা দেশনা এবং বিশ্বশান্তি কামনায় যৌথ প্রার্থনা।

বিহারে আসা পুণ্যার্থী তৃপ্তি বড়ুয়া তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘প্রবারণা পূর্ণিমা আমাদের কাছে শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, আত্মশুদ্ধি ও নিজের ভুলগুলো শুধরে নেওয়ারও দিন। প্রতিবছর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিহারে আসি। প্রার্থনা করি, পৃথিবী থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর হোক, সবার জীবন শান্তিময় হোক।’

দিনভর নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের পর সন্ধ্যার নামার সঙ্গেই শুরু হতে যাচ্ছে প্রবারণা পূর্ণিমার সবচেয়ে আকর্ষণীয় উৎসব। আনন্দমুখর এই পরিবেশকে ঘিরে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহ্যবাহী নন্দনকানন বৌদ্ধবিহার ও এর আশেপাশের এলাকায় এখন ফানুস ওড়ানোর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। প্রথাগত ফানুসের বাইরেও হাতি, ময়ূর, মাছ, বালিশ কিংবা মটকা আকৃতির নানা কারুকার্যময় ফানুস তৈরি করেছেন বিভিন্ন ধর্মীয় ও তরুণ সংগঠনের সদস্যরা। এসব ফানুসের গায়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বুদ্ধের অহিংস বাণী, ছবি এবং মানবকল্যাণের চিরন্তন বার্তা।

আয়োজকেরা জানান, একটি দিনের এই আয়োজনের প্রস্তুতি চলে কয়েক মাস ধরে। ফানুস তৈরি, বাঁশের কাঠামো বানানো, কাগজ লাগানো, রং করা ও মোম প্রস্তুত—প্রতিটি কাজেই যুক্ত থাকেন সংগঠনের সদস্যরা। এবার ৩০টির বেশি ফানুস তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন আকৃতির আরও ফানুস ওড়ানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭০টি সংগঠনের অংশগ্রহণের কথা জানিয়েছেন আয়োজকদের কেউ কেউ।

আয়োজকদের একজন বলেন, ‘আমরা শুধু ফানুস ওড়াই না, এর মাধ্যমে সবার কল্যাণ কামনা করি। প্রতিটি ফানুসের মধ্য দিয়ে বুদ্ধের অহিংসা, শান্তি ও মৈত্রীর বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা থাকে। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই মিলে এ উৎসব উদ্‌যাপন করি।’

মূলত তিন মাসের বর্ষাবাস (উপাসনা) পালন শেষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা আত্মশুদ্ধি, সংযম ও পারস্পরিক ক্ষমা প্রার্থনার উদ্দেশ্যে প্রবারণা পূর্ণিমা উদ্‌যাপন করেন। অতীতের সব ভুল স্বীকার করে অন্যের কাছে ক্ষমা চেয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করাই এর মূল দর্শন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রবারণার সন্ধ্যায় ওড়ানো ফানুস গগনে থাকা বুদ্ধের 'কেশধাতু চেতিয়' বা স্মারক চিহ্নের উদ্দেশ্যে ভক্তদের শ্রদ্ধা হিসেবে পৌঁছে যায়।

বৌদ্ধবিহার সূত্রে জানা যায়, প্রবারণা উপলক্ষ্যে পুণ্যার্থীরা পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে তারা জীবহত্যা, চুরি, মিথ্যাচারসহ অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকার শপথ নেন। পাশাপাশি সংঘদান, বুদ্ধপূজা ও পিণ্ডদানের মতো ধর্মীয় আয়োজনও থাকে। হিংসা, বিদ্বেষ ও সংঘাতমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বশান্তির প্রত্যাশাও এ উৎসবের অন্যতম বার্তা।

নন্দনকানন ছাড়াও নগরের ঐতিহাসিক কাতালগঞ্জ নবপণ্ডিত বিহার, পাথরঘাটা জেতবন শান্তিকুঞ্জ বিহার, চান্দগাঁও সার্বজনীন বৌদ্ধবিহার ও মোগলটুলী শাক্যমুণি বৌদ্ধবিহারে যথারীতি পালিত হচ্ছে প্রবারণার উৎসব। প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চেরাগী পাহাড় ও মোমিন রোড এলাকায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম সামলাতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাদাপোশাকের পুলিশসহ অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল কবির বলেন, ‘প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে ফানুস উৎসবে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। এ কারণে নিরাপত্তা ও নজরদারির ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হয়নি। সাদাপোশাকের পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সব সময় সতর্ক রয়েছে। তাই নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কোনো আশঙ্কা দেখছি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আ.লীগের লগি-বৈঠা আন্দোলনের দুই দশক পূর্তিতে জামায়াতের কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


আ.লীগের লগি-বৈঠা আন্দোলনের দুই দশক পূর্তিতে জামায়াতের কর্মসূচি

আগামী ২৮ অক্টোবর, ২০০৬ সালে সংঘটিত আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা আন্দোলনের দুই দশক পূর্তি উদযাপন হতে যাচ্ছে। এই উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামী ২৭ অক্টোবর ঢাকা মহানগরীতে আলোচনা সভা এবং ২৮ অক্টোবর সারা দেশে বিক্ষোভ, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে দলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, "২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে লগি-বৈঠার নজিরবিহীন তাণ্ডব ও নৃশংসতা ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক ও কালো অধ্যায়।" তিনি আরও বলেন, সেদিনের নির্মম হত্যাকাণ্ড ও নৈরাজ্যের ফলে দেশে দীর্ঘ দুই দশকের ফ্যাসিবাদ, গণতন্ত্র হত্যা ও নাগরিক অধিকার হরণের বিষবৃক্ষ রোপিত হয়েছিল।

তিনি জানান, ঐতিহাসিক এই ঘটনার দুই দশক পূর্তি হতে যাচ্ছে এবং আজও হত্যাকারীদের বিচার হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। তিনি সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান, "এই পৈশাচিক ও বর্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য।"

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সংগঠন এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবিতে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ২৭ অক্টোবর ঢাকা মহানগরীতে আলোচনা সভা ও ২৮ অক্টোবর সারা দেশে বিক্ষোভ, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, জামায়াতের সব শাখাকে এই দিবস উপলক্ষে উক্ত কর্মসূচি গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে এবং ঘোষিত কর্মসূচি সার্বিকভাবে সফল করতে দেশের কৃষক-শ্রমিক, ছাত্র-জনতাসহ সকল শ্রেণিপেশার মানুষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর, তৎকালীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের শেষ দিনে ঢাকায় একটি রাজনৈতিক সমাবেশ ডাকে বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ও তার ১৪ দলীয় জোট। সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান যাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের দায়িত্ব নিতে না পারেন, সেজন্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোট তুমুল আন্দোলন করছিল।

এমন প্রেক্ষাপটে ওই ২৮ অক্টোবরে ঢাকার পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় জামায়াতে ইসলামী এবং আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। সেদিন ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে অস্ত্র তুলে গুলি এবং মানুষ পিটিয়ে মারার ঘটনা গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

সেই ২৮ অক্টোবরের আগের দিন এবং পরের দিনও দেশের বিভিন্ন জায়গায় রক্তক্ষয়ী রাজনৈতিক সংঘাত ঘটে। তিন দিনের তুমুল রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ কার্যত রাজপথ দখলে নেয়। এই আন্দোলনটাই পরিচিত লগি-বৈঠার আন্দোলন নামে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%