মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ।
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:০৯ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম রব্বানী সরদারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, দাপ্তরিক কাজে দলীয় পরিচয়ের প্রভাব বিস্তার এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগগুলোর কারণে এলাকায় অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্র এবং একাধিক সরকারি কর্মকর্তার অভিযোগ অনুযায়ী, পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী সরদার দাপ্তরিক বৈঠক ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে নিজেকে বিএনপির স্থানীয় নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। সম্প্রতি এক গণমাধ্যমকর্মীকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি নিজেকে বিএনপি নেতা বলে দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে আলোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
একজন বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশের অভিযোগ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সাধারণ মানুষ ও সেবা নিতে আসা ব্যক্তিরা অভিযোগ করেছেন যে, দলীয় পরিচয়ের প্রভাবের কারণে তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। ইউএনও দুর্ব্যবহার করেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে তাদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ তাদের।
উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুর্তজা আলম মন্তব্য করেন, ‘ইউএনও মানুষকে মানুষ মনে করেন না। তার দপ্তরে ঢুকতে দরজায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ভেতরে ঢোকার অনুমতি পেলেও চেয়ারে বসা যায় না। দাঁড় করিয়ে রেখে জেরা করেন। টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না। টাকা পেলে আবার ভালো আচরণ করেন।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির এক নেতা জানান, ইউএনও তাদের সঙ্গেও তুচ্ছতাচ্ছিল্যপূর্ণ আচরণ করেন। তার আচরণে শিক্ষক সমাজ ক্ষুব্ধ।
স্থানীয় সংবাদকর্মী বাদল হোসেন বলেন, ‘এই ইউএনও সব সময় নিজেকে বিএনপির ক্যাডার ভাবেন। কথায় কথায় মানুষকে জ্ঞান দেন। অথচ আমি যতটা জেনেছি, ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন।’
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা খয়রাত আলী অভিযোগ করেন, ‘জাহিদুর এমপি ছাড়া এই ইউএনও কারও সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেন না। আমার সঙ্গেও একাধিকবার খারাপ আচরণ করেছেন।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংসদ সদস্যকে সঙ্গে রেখে সার ডিলার নিয়োগ, টিআর-কাবিখা এবং উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা লুটপাট করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ইউএনও দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সহকর্মীদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আসছেন। তাদের অভিযোগ, কর্মচারীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার পাশাপাশি বদলি বা সাময়িক বরখাস্ত করার হুমকিও দেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বিসিএস কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকারি অফিসে একটি পেশাদার ও সেবামুখী পরিবেশ থাকার কথা, কিন্তু এখানে এখন ইউএনওর রামরাজত্ব চলছে। অফিসারদের সারাক্ষণ একধরনের মানসিক চাপের মধ্যে থাকতে হয়। অফিসার্স ক্লাবে কেউ যান না।’
ঠাকুরগাঁও জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আবু সায়েম বলেন, সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন না বা রাজনৈতিক পরিচয় দিতে পারেন না। তার অভিযোগ, পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বিধিমালাকে উপেক্ষা করে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ্যে প্রচার করছেন। একজন সরকারি কর্মকর্তার এ ধরনের আচরণ প্রশাসন ও জনগণের মধ্যকার আস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পীরগঞ্জের সচেতন নাগরিক সমাজ, ভুক্তভোগী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ইউএনওর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে, দিনে দুপুরে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক এ এম এম তৌহিদুর রশিদের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের হিজলতলী এলাকায় একটি সাদা প্রাইভেটকার এসে তার টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
ভুক্তভোগী এবং পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার, সোনালী ব্যাংকের কালিয়াকৈর শাখা থেকে তার বাবা এস এম হারুনুর রশিদের ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে ৫ লাখ টাকা উত্তোলন করেন তৌহিদুর রশিদ। এর পর, টাকা নিয়ে একটি অটোরিকশায় করে হিজলতলী এলাকায় নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন তিনি।
পথে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বংশাই সেতুর কাছে পৌঁছালে, পেছন থেকে একটি সাদা রঙের এক্স-করোলা প্রাইভেটকার এসে অটোরিকশাটির গতিরোধ করে। এ সময়, গাড়ি থেকে আসা ছিনতাইকারীরা জোরপূর্বক তার কাছে থাকা টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয়। এরপর তারা টাঙ্গাইলের দিকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায়, রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কালিয়াকৈর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তৌহিদুর রশিদ।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এই প্রজন্মের শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী তানজিন মিথিলা মৌলিক গানের প্রতি বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি তিনি ‘ভালোবাসি আমি তোমায় বোঝাবো’ শিরোনামের একটি নতুন মৌলিক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন, যা নিয়মিত সুরের জগতে তার উপস্থিতি আরও দৃঢ় করেছে।
নবিউল মাসুদ এই রোমান্টিক গানটির কথা লিখেছেন। সুর করেছেন সোহেল রানা এবং সঙ্গীতায়োজনের দায়িত্বে ছিলেন বিজন দাস। জানা গেছে, খুব শিগগিরই একটি ইউটিউব চ্যানেলে গানটি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাবে।
তানজিন মিথিলা নতুন গান ও সঙ্গীত নিয়ে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, “‘ভালোবাসি আমি তোমায় বোঝাবো’ গানটি মূলত আমার পছন্দের জনরার। আমি এই ধরনের মেলোডিয়াস গান গাইতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। স্টুডিওতে ভয়েস দেওয়ার সময় আমি শতভাগ মনোযোগ দিয়ে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
তিনি তার গানের যাত্রা নিয়ে আরও বলেন, “ছোটবেলা থেকেই গানের আবহেই বড় হয়েছি, তাই জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে গানই আমার ধ্যান-জ্ঞান। অবসরে প্রিয় গানগুলো শুনতেই বেশি ভালো লাগে। গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি মৌলিক গান প্রকাশের পাশাপাশি আমি পেশাদার শিল্পী হিসেবে নিয়মিত স্টেজ শো করছি। এটা পরম সত্য যে আমি আমৃত্যু গানের সঙ্গেই থাকব। গানকে ঘিরেই আমার সব স্বপ্ন, তাই জীবনভর সুরের পথেই হেঁটে যেতে চাই।”
এদিকে, চলতি বছর জুড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই গায়িকা। ইতিমধ্যেই তিনি বেশ কয়েকটি জমকালো স্টেজ শোতে গান গেয়ে শ্রোতাদের মাতিয়ে তুলেছেন। বছরের শেষদিন পর্যন্ত তার হাতে রয়েছে স্টেজ শোয়ের বেশ কিছু ব্যস্ত শিডিউল।
মঞ্চে সাধারণত জোবায়ের জাহাঙ্গীর জয়ের সঙ্গেই দ্বৈত গান পরিবেশন করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন মিথিলা। তিনি জানিয়েছেন, জয়ের কাছ থেকে সঙ্গীতের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় শিখেছেন এবং তার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৮ বছর বয়সী আব্দুল হাসিবের মৃত্যু ঘটেছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের ভর্তি হওয়ার মাত্র ১২ মিনিট আগে তিনি সেখানে পৌঁছান।
হাসিবের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় অবস্থিত।
হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ রোববার সকালে এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, শনিবার রাত ১০টা ২৮ মিনিটে রাসেলকে ভর্তি করা হয় এবং ১০টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু ঘটে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন ৫২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং ৩০ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ২০১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ