১১:১৮ পি.এম
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরের উদ্দেশ্যে টোকিওর দিকে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরসঙ্গী হিসেবে প্রতিনিধিদলে উপস্থিত রয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ সফরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও আংশিক চালুর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
আরও পড়ুন: শূন্যপাস প্রতিষ্ঠান একীভূত করার পরিকল্পনার কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
বহু প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখন এর কার্যকর পরিচালনা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পরিচালনা চুক্তি চূড়ান্ত করা, দায়িত্ব বণ্টন এবং অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার (ওরাট) কার্যক্রমের প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করছে টার্মিনালটির চালুর সময়সূচি।
সরকার আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে টার্মিনালটির আংশিক কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে এ বিষয়ে দুই দেশের আলোচনায় অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছিলেন, ১৬ ডিসেম্বর আংশিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। পরে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করা হবে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সঙ্গে জাপানি কনসোর্টিয়ামের পরিচালনা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। এ চুক্তিতে পরিচালনালব্ধ রাজস্বে বাংলাদেশের অংশ ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৭ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: জনগণ সঙ্গে থাকলে ৭ দফা দাবি আদায় করেই ছাড়ব ইনশাআল্লাহ
তৃতীয় টার্মিনালের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সফরে দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়ন, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বেসামরিক বিমান চলাচলসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলোও আলোচনায় আসবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালুর সময়সীমা অর্জনে জাপানের সঙ্গে পরিচালনা চুক্তি ও অন্যান্য বিষয়ে এ সফরের আলোচনা এবং সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন