০৮:৪১ পি.এম
সীতাকুণ্ডের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘকাল ধরে অত্যন্ত আলোচিত, পরিচিত এবং অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এমপি। চট্টগ্রামের শিল্প, বন্দর ও পর্যটনসমৃদ্ধ এই জনপদে তিনি চরম প্রতিকূলতার মুখোমুখি থেকেও নিজের আদর্শে অবিচল ছিলেন। ফলশ্রুতিতে, দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তিনি ত্যাগ, সহনশীলতা ও সংগ্রামের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
তিনি কেবল একজন জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ নন, বরং তিনি একজন উচ্চশিক্ষিত ও পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (ঋঈঅ)। আর্থিক খাত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় তাঁর উচ্চতর দক্ষতা তাঁকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা মাত্রায় উন্নীত করেছে। রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি শিক্ষাদান এবং পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতার প্রশংসা সচেতন মহলে সর্বদা শোনা যায়।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, রাজনৈতিক জীবনে তাঁর দীর্ঘ বছরের কারাবাস এবং একের পর এক মামলাকে তিনি চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির অংশ হিসেবে মোকাবিলা করেছেন। তবে কোনো ঝড়-ঝাপ্টাই তাঁর রাজনৈতিক মনোবলকে দমাতে সক্ষম হয়নি। বরং দলের দুঃসময়ে মাঠের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সঠিক দিকনির্দেশনা এবং অবরুদ্ধ পরিস্থিতিতে কর্মীদের সাহস জোগানো তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কথা বলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন হারুন সিকদারের, বিএনপির তৃণমূলে ক্ষোভের গুঞ্জন
স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সমাজকর্মী ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের সাথে আলাপচারিতায় জানা যায়, অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর পরিচিতি রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে প্রসারিত। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক ও সাংগঠনিক সহায়তা, সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিভিন্ন দুর্যোগে কর্মহীন ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের জন্য সহযোগিতার দুয়ার সবসময় খোলা রাখার মাধ্যমে একজন মানবিক সমাজসেবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
এদিকে, এলাকার সচেতন নাগরিক ও সুধী সমাজের মতে, দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও সীতাকুণ্ডে এখনো বেশ কিছু বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো শিল্পকারখানার বর্জ্য ও অনিয়ন্ত্রিত দূষণে পরিবেশ বিপর্যয়, গ্রামীণ সড়কসমূহের টেকসই সংস্কারের অভাব, বর্ষা মৌসুমে তীব্র জলাবদ্ধতা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও মানসম্মত শিক্ষার অভাব। এসব সংকট নিরসনে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর মতো একজন দূরদর্শী, শিক্ষিত ও দৃঢ়চেতা পেশাদার ব্যক্তিত্বের কার্যকর নেতৃত্ব অত্যন্ত জরুরী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা এবং যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার অসীম সক্ষমতা অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর জীবনকে ত্যাগ ও সহনশীলতার একটি জীবনদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই গুণাবলীর কারণে দলমত নির্বিশেষে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হয়েছে। সীতাকুণ্ডের জনগণের আশা এ হলো যে, আগামী দিনে দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি ব্যাপক শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পরিকল্পিত টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে সীতাকুণ্ডকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ মডেল জনপদে পরিণত করতে আরো বলিষ্ঠ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।
আরও পড়ুন: প্রেমিকার টানে চীন থেকে মাদারীপুরে যুবক, মানব পাচার নিয়ে সতর্কতা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন