মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি,
১০:৩৪ পি.এম
শেরপুরে সর্বোচ্চ দর্শকের উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ১-০ গোলে শেরপুর পৌরসভা দল সদর উপজেলা দলকে পরাজিত করে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকালে শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
খেলায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে ফাইনাল খেলায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল ও পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম।
খেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, জিপি খন্দকার মাহবুবুল আলম রকীব, বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, আবু রায়হান রুপন, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল বাতেন, জেলা ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আহ্বায়ক মো. কামাল হোসেন প্রমুখ।
চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের পাশাপাশি সেরা খেলোয়াড়, ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ, সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং দর্শকদের জন্য ফ্রি কুপনের মাধ্যমে সেরা দশজন দর্শককে পুরস্কার দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক অভিযানে ১২ লিটার দেশীয় চোলাইমদসহ মো: গোলাম নবী (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে সদর মডেল থানাধীন হরিপুর সাহাপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটককৃত গোলাম নবী ওই এলাকার মো: নজরুল ইসলামের ছেলে।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেলে ৩:৩০ টা থেকে ৪:০০ টা পর্যন্ত হরিপুর সাহাপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি টিম। এসময় মো: গোলাম নবীর হেফাজত থেকে ১২ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়।
ডিএনসি পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আটক আসামির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করছেন। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক (ডিডি) চৌধুরী ইমরুল হাসান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিরিক কাউন্টিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রথম বিস্ফোরণের খবরটি প্রকাশ করে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি। তবে বিস্ফোরণের কারণ, সুনির্দিষ্ট স্থান এবং এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
গণমাধ্যমগুলো ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে, পারস্য উপসাগরে মাইনে আঘাতের পর দ্বিতীয় একটি সুপারট্যাংকারে আগুন ধরে যাওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
আজ শনিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে বলে আইআরজিসির বিবৃতির বরাতে জানায় ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুপারট্যাংকারটিতে ২০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল ছিল। জাহাজটি নৌচলাচল ও রাডার ব্যবস্থা বন্ধ করে একটি ‘অবৈধ’ রুট দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করছিল বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, নৌমাইনে আঘাতের পর জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এর ফলে জাহাজটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়।
এভাবে, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি সুপারট্যাংকার নৌমাইনে আঘাতের শিকার হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করা দুটি তেলবাহী জাহাজে হামলার খবর পাওয়া যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের ইনানী এলাকায় অবস্থিত ‘টুপটুপ’ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে মোট দশজনের মৃত্যু ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলাসহ একই পরিবারের ছয়জন রয়েছেন।
শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নাবিলার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে।
এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।
নিহত ছয়জনের মধ্যে রয়েছেন-রাজধানী ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা, মিলিতা মেহেজাবিন আলভী, খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা ও নাফিসতা মীম এবং ফারিহা কবির ও ফায়িজান আহম্মেদ। উল্লেখ্য, নাবিলা জবির রসায়ন বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
নিহতদের স্বজন, জবি লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদ সরকার জানান, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন তার কাজিন এবং অন্যজন পাঁচ বছর বয়সী ভাগনি। এছাড়া তার মামা মাসুদ ও মামী মেহেরুন্নেসা আহত অবস্থায় বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এদিকে, নাবিলার অকালমৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।
এক শোকবার্তায় তারা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে এ অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ও মানসিক শক্তি কামনা করেন।
নাবিলাসহ একই পরিবারের ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় স্বজন, সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত পর্যটকেরা হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় কয়েকজন বের হতে পারলেও অন্যরা রিসোর্টের ভেতরে আটকা পড়েন।
খবর পেয়ে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। সকাল ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে রিসোর্ট থেকে দশজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আরও নয়জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, রিসোর্টটির বেশির ভাগ অংশ কাঠ দিয়ে তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবনের পেছনের অংশ ইট দিয়ে নির্মিত। প্রতিটি কক্ষে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ও রেফ্রিজারেটর থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বেড়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর ছাত্রী ফুটবল ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে ১–০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা অর্জন করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ফুটবল দল। রানার্সআপ হিসেবে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এই প্রতিযোগিতায় সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল অংশগ্রহণ করে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত চার দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, যিনি চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়, কোচ, ম্যানেজার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে ট্রফি প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
প্রতিযোগিতার দাবা ইভেন্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যাহা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত করে অর্জন করেছে। রানার্সআপ হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান লাভ করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। দাবা ইভেন্টে দেশের ২৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। ফুটবল ও দাবা—দুই ইভেন্টের বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন অতিথিরা।
১৪ অক্টোবর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় দেশের ২৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১০৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। দাবা প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের অরবিটাররা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, "জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় খেলাধুলায় আরও বেশি বিনিয়োগ করতে চায়।" তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের সঙ্গে শেখার পরিবেশ একসময় ছিল, কিন্তু তা অনেকটাই হারিয়ে গেছে। খেলাধুলাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে এবং সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দের সঙ্গে শেখার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ড. আমানুল্লাহ জানান, দেশের আটটি বিভাগে স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, "আমাদের স্বপ্ন আধুনিক ও বিশ্বমানের স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা।" বিদেশের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্রীড়াবিজ্ঞান শিক্ষা এবং বাংলাদেশের বিপিএড শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস সায়েন্সের সঙ্গে আমাদের বিপিএড এক নয়। আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া শিক্ষা নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও অলিম্পিক মানের স্পোর্টস কমপ্লেক্স গড়ে তুলতে হবে।
এছাড়া দাবা, আর্চারি, গণিত ও ইংরেজি অলিম্পিয়াড আয়োজনের বিষয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। তরুণ প্রজন্মকে নতুন করে সক্রিয় করে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে অধ্যাপক আমানুল্লাহ বলেন, তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। মেয়েদের সব ক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতা ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও পরাজিত সব দলের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, "খেলায় হার-জিত থাকবেই; অংশগ্রহণই সবচেয়ে বড় বিষয়।" এবারের আয়োজনের সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে প্রতিযোগিতা আয়োজনের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, "খেলাধুলায় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" বর্তমানে এর গুরুত্ব আরও বেশি। খেলাধুলা এখন আর শুধু আনন্দ বা বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি পেশা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তরুণরাই আগামী দিনে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেবে উল্লেখ করে তিনি শিক্ষার্থীদের দেশের ভবিষ্যতের আশার বাতিঘর হিসেবে অভিহিত করেন।
নারী ফুটবলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তাছলিমা আক্তার সেরা গোলরক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদিয়া। আর সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লিমা।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম এবং অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, দপ্তরগুলোর পরিচালক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ