ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুচরা ও সেবা খাতে কঠোর হচ্ছে এনবিআর: মুদি দোকান থেকে রেস্টুরেন্ট, যে ১৬ খাতে বসছে ভ্যাট


খুচরা ও সেবা খাতে কঠোর হচ্ছে এনবিআর: মুদি দোকান থেকে রেস্টুরেন্ট, যে ১৬ খাতে বসছে ভ্যাট

ঢাকা: দেশের রাজস্ব আদায়ে গতি ফেরাতে এবং করের আওতা বাড়াতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এবার সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের কেনাকাটা এবং সেবামূলক ১৬টি সুনির্দিষ্ট খাতকে শতভাগ ভ্যাটের (মূল্য সংযোজন কর) আওতায় আনা হচ্ছে। মুদি দোকান, কাপড়ের দোকান থেকে শুরু করে বিউটি পার্লার কিংবা রেস্টুরেন্ট—সবখানেই এখন থেকে ক্রেতাদের ভ্যাট গুনতে হবে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, মাঠ পর্যায়ে ভ্যাট ফাঁকি রোধ এবং বেচাকেনায় স্বচ্ছতা আনতেই এই ১৬টি খাতকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে কঠোর নজরদারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোন ১৬টি ব্যবসায়িক খাতে বসছে ভ্যাট?

আরও পড়ুন: ঝিনাইদহের ৪টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র আট বছরেও চালু হয়নি

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, যে ১৬টি খাতে ভ্যাট আদায় নিশ্চিত করা হচ্ছে, সেগুলো হলো:

১. মুদি দোকান: পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে বাজারের ছোট-বড় সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান।

২. কাপড় বিক্রেতা: সব ধরনের তৈরি পোশাক, শাড়ি ও থ্রিপিসের দোকান বা শোরুম।

৩. জুতার দোকান: ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ডের সব ধরনের জুতা বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে সাঁওতাল শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষাদান দেখে মুগ্ধ নরওয়ের প্রতিনিধি দল

৪. বিউটি পার্লার: সব ধরনের রূপচর্চা ও সৌন্দর্যসেবা প্রদানকারী কেন্দ্র।

৫. কনফেকশনারি: বেকারি আইটেম, কেক, পেস্ট্রি ও ফাস্টফুড বিক্রয়কারী দোকান।

৬. কসমেটিকসের দোকান: প্রসাধন সামগ্রী ও রূপচর্চার পণ্য বিক্রেতা।

৭. মিষ্টান্ন ভান্ডার ও রেস্টুরেন্ট: সব ধরনের মিষ্টির দোকান, হোটেল, ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে গুলি করে হত্যা

৮. আসবাবপত্র বা ফার্নিচার: কাঠ, প্লাইউড বা মেটালের তৈরি সব ধরনের ফার্নিচারের শোরুম।

৯. প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য: ঘরকন্নায় ব্যবহৃত প্লাস্টিক সামগ্রী, মেলামাইন ও সিরামিকের তৈজসপত্রের দোকান।

১০. মোবাইল ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী: মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন, টেলিভিশনসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা।

১১. হার্ডওয়্যার ও পেইন্ট: ঘরবাড়ির নির্মাণ ও মেরামতের কাজে ব্যবহৃত হার্ডওয়্যার পণ্য এবং রঙ বিক্রেতা।

আরও পড়ুন: শরীয়তপুর সদরেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি স্থানীয়দের

১২. স্যানিটারি ও ফিটিংস: বাথরুম ও রান্নাঘরের স্যানিটারি সামগ্রী এবং ফিটিংসের দোকান।

১৩. টাইলসের দোকান: দেশি ও বিদেশি সব ধরনের মেঝের টাইলস বিক্রেতা।

১৪. ঢেউটিনের দোকান: ঘর তৈরির ঢেউটিন ও আনুষঙ্গিক লোহালক্কড়ের দোকান।

xv. রড ও সিমেন্ট: আবাসন খাতের প্রধান কাঁচামাল রড ও সিমেন্ট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান বা ডিলার।

আরও পড়ুন: টঙ্গীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ মিছিল

১৬. ডেকোরেটর: সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের সাজসজ্জা এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাড়া দেওয়া প্রতিষ্ঠান।

নজরদারিতে ইএফডি ও পিওএস মেশিন

এনবিআর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ১৬টি খাতের অধিকাংশ ব্যবসাই নগদ টাকায় পরিচালিত হয়, যার ফলে বিশাল অঙ্কের ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ থেকে যায়। এই ফাঁকি বন্ধ করতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ইলেকট্রনিক ফিসকাল ডিভাইস (ইএফডি) এবং পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হচ্ছে। এর ফলে ক্রেতা পণ্য বা সেবা কেনার সাথে সাথেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই তথ্য এনবিআরের কেন্দ্রীয় সার্ভারে জমা হয়ে যাবে।

এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, "আমরা শুধু ভ্যাটের আওতাই বাড়াচ্ছি না, বরং সাধারণ ক্রেতারা যে ভ্যাট দিচ্ছেন তা সঠিকভাবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে কি না, তাও নিশ্চিত করতে চাই। এই ১৬টি খাত সরাসরি ভোক্তার সাথে সম্পৃক্ত, তাই এখানে স্বচ্ছতা আনা জরুরি।"

আরও পড়ুন: গোমস্তাপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত


ব্যবসায়ী ও ভোক্তার প্রতিক্রিয়া

এনবিআরের এই কঠোর অবস্থানকে সাধুবাদ জানালেও মাঠ পর্যায়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কিছুটা উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। বেশ কয়েকজন খুচরা বিক্রেতার মতে, ছোট দোকানে ভ্যাটের হিসাব রাখা এবং ইএফডি মেশিন পরিচালনা করা কিছুটা জটিল। তবে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই ভ্যাট আদায় করা সম্ভব হলে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় দুই সপ্তাহ ধরে তিন যুবকের দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


কুড়িগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় দুই সপ্তাহ ধরে তিন যুবকের দুর্ভোগ

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের আন্তর্জাতিক শূন্যরেখায় চলে এসেছে টানা ১৪ দিন ধরে আটকে থাকা তিন যুবক। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ভন্দুরচর সীমান্তে তারা অনিশ্চয়তা ও মানবেতর পরিবেশে দিন কাটাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, ভন্দুরচর সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৬৬ নম্বর মেইন পিলারসংলগ্ন শূন্যরেখায় তিনজন যুবক অবস্থান করছেন। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের বাংলাদেশে পুশ ইন করার চেষ্টা করলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সেই চেষ্টাকে থামিয়ে দেয়। এরপর থেকে ওই যুবকরা দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝে কাঁটাতারের আন্তর্জাতিক শূন্যরেখায় আটকে রয়েছেন।

আটকে থাকা তিনজনের মধ্যে থাকা প্রথমজন হলেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার জহিরুল ইসলাম (২৬), দ্বিতীয়জন নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার পারভেজ (২১) এবং তৃতীয়জন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার নাঈম মিয়া (২২)।

স্থানীয়ভাবে জানানো হয়, সীমান্তের ওই এলাকায় প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনও বসতি নেই। খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যে তাদের প্রতিদিন দিন কাটছে। নিরাপদ আশ্রয় বা মৌলিক সুযোগ-সুবিধার অভাবে তাদের দুর্ভোগ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ভন্দুরচর এলাকার বাসিন্দা আলতাফ আলী মন্তব্য করেছেন, ‘এ পরিস্থিতি শুধু ওই তিন যুবকের জন্যে নয়, সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের জন্যও একটি অস্বস্তিকর মানবিক বাস্তবতা তৈরি করেছে। দুই বাহিনী নিজ নিজ অবস্থানে সতর্ক থাকলেও মাঝখানে আটকে থাকা তিনজনের দুর্ভোগ বাড়ছে।’

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা রাকিব জানিয়েছেন, ‘বৃষ্টি হলেই তাদের সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়। কাপড়-চোপড় ভিজে যায়। রাতে ভেজা কাপড় পরেই থাকতে হয়।’

এ বিষয়ে জামালপুর-৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমানের কাছে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

দুই সপ্তাহ ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা তিন যুবক কবে স্বজনদের কাছে ফিরতে পারবেন, সেই বিষয়ে এখনো কোনও সমাধানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ফলে সীমান্তের শূন্যরেখায় তাদের প্রতীক্ষা দীর্ঘতর হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোহাগড় দুর্গ ইস্যুতে ‘সিয়াকেও ফেলে দেওয়া হোক’ বলে মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


লোহাগড় দুর্গ ইস্যুতে ‘সিয়াকেও ফেলে দেওয়া হোক’ বলে মন্তব্য

 

প্রবীণ গোয়েল পুনেতে ব্যবসা করেন। যদিও তিনি বিশাল আগরওয়ালের মতো অত বড় ব্যবসায়ী নন।

দীর্ঘদিন ধরে গোয়েল ও আগরওয়াল পরিবারগুলোর মধ্যে জানাশোনা ছিল এবং দুই পরিবার সে জানাশোনাকে আত্মীয়তা বন্ধনে বাধার উদ্যোগ নেয়।

প্রবীণ গোয়েলের একমাত্র কন্যা সিয়া গোয়েলের সঙ্গে বিশাল আগরওয়ালের একমাত্র ছেলে কেতন আগরওয়ালের বাগদান গত ফেব্রুয়ারি মাসে হয়ে যায়। বাগদানের পর থেকে দুটি পরিবারে সুখের বন্যার বয়ে যাওয়া শুরু হয়।

আগামী নভেম্বরে জমকালো বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু সিয়ার মনে ছিল অন্য কিছু। তার প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে মিলে তিনি গত ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গ থেকে কেতন আগরওয়ালকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করেন।

একটি মৃত্যু দুটি পরিবারকে এলোমেলো করে দিয়েছে। আগরওয়াল পরিবার সন্তান হারিয়ে শোকে কাতর, শোকে স্তব্ধ গোয়েল পরিবারও একই অবস্থা। কেতন যে তাদের কাছে সন্তানসম। কেতনের হত্যায় সিয়া জড়িত, এটা জানার পর প্রবীণ গোয়েলের হার্ট অ্যাটাক হয়ে যায়। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালে তাকে দেখাশোনা করতে স্ত্রী পূজা গোয়েল এবং ছেলে সাহিল গোয়েলও দিনরাত কাটাচ্ছেন।

সিয়া গোয়েলের মা পূজা গোয়েল সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘কেতনের মৃত্যু একটি নয়, দুটি পরিবারকে এলোমেলো করে দিয়েছে। কেতনের মৃত্যুতে তাদের (আগরওয়াল পরিবার) মতো আমরাও বেদনার্ত।’

কেতনের মর্মান্তিক মৃত্যু বিশ্বাসই হচ্ছে না প্রবীণ গোয়েলের। তিনি বলেন, ‘তারা (আগরওয়াল পরিবার) ছেলে হারিয়েছে। কিন্তু কেতন আমাদের কাছে ছেলের মতোই ছিল। আমরা তাকে অনেক ভালোবাসতাম। অল্প দিনে তার সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, মনে হতো কেতন আমার আরেকটি ছেলে। এমন সম্ভাবনাময়, ভালোবাসার সন্তান হারিয়ে আমরাও শোকে কাতর।’

কেতনের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করে প্রবীণ গোয়েল বলেন, ‘মেয়ের বিয়েকে সামনে রেখে আমি বাড়ি সংস্কারের কাজ করছিলাম। কেতন এসে বলত, পাপাজি প্লাম্বিং, মার্বেলের কাজ বা ফার্নিচারের কাজ; যেকোনো কাজে আমাকে বলবেন। আমি সব সামাল দেব। সে কখনো না বলত না।’

যেমন গোয়েল পরিবার সন্তানের মতো কেতনকে আদর করত, তেমনি তিনি সিয়াকেও গভীর ভালোবাসায় বরণ করে নিয়েছিল। বিয়ের আয়োজনের মধ্যে নানা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। সিয়ার জন্মদিন উদযাপনেও নানা পরিকল্পনা ছিল।

সিয়ার মা পূজা বলেন, ‘দুজনকে খুব সুখী মনে হচ্ছিল। এ জুটিকে ঘিরে আমাদের অনেক আশা ছিল, ভালোবাসা ছিল।’

সিয়ার পরিবার চেতনের সঙ্গে তার সম্পর্ক জেনেও সেটা গোপন করেছিল, কিন্তু আগরওয়াল পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে গোয়েল পরিবার। সিয়ার মা পূজা বলেছেন, ‘আমরা চেতনকে চিনতাম না। সে কখনো আমাদের বাসায় আসেনি। তাকে আমরা কখনো দেখিনি।’

সিয়া গোয়েলের ভাই সাহিল গোয়েলও চেতনের সঙ্গে বোনের সম্পর্কের কথা জানতেন না। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, সিয়া যদি তাদের কিছু জানাত তাহলে প্রয়োজনে তারা বিয়ে ভেঙে দিত।

শুক্রবার পুলিশ সিয়ার ভাইকে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সিয়া ও চেতন ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে আছেন। পুলিশ সিয়ার ভাই ছাড়াও আরও ৭ জনকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তদন্তের প্রয়োজনে দুই পরিবারের সদস্য ও দুই অভিযুক্তের বন্ধুদেরও ডাকা হতে পারে।

একমাত্র ছেলের অভিযুক্ত হত্যাকারী সিয়া গোয়েলের প্রতি আগরওয়াল পরিবারের ক্ষোভ তো আছে, সুখের আয়োজনে বেদনার কালি লেপে দেওয়ায় সিয়ার প্রতি গোয়েল পরিবারের ক্ষোভ কম নয়। প্রথমে দোষী হলে সিয়া গোয়েলের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চেয়েছিলেন তার মা-বাবা। এখন তাদের রাগ আরো বেড়ে গেছে।

প্রবীণ গোয়েল ও পূজা গোয়েল অভিন্ন কণ্ঠে বলেন, ‘কেতনকে যে বা যারা লোহাগড় দুর্গে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছিল, তাদেরও যেন ঠিক সেখান থেকেই ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়, এমনকি সে যদি আমাদের মেয়েও হয়।’

সিয়াকে লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে না ফেললেও পুলিশ মানুষের আকারের একটি বস্তু ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে। ঘটনার অ্যারেঞ্জমেন্ট নতুন করে মঞ্চায়নের চেষ্টা করছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে সবগুলো ঘটনা এক সুতায় গাঁথতে চাচ্ছে। ঠিক যেখান থেকে কেতনকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল, পুলিশ ঠিক সেখান থেকেই কেতনের আকৃতির একটি বস্তু ধাক্কা দিয়ে ফেলে। পুলিশ আসলে বুঝতে চাইছে, কেতনকে ধাক্কাটা চেতন বা সিয়া একা দিয়েছিল নাকি দুজন মিলে দিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় কঁচা নদীতে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় কঁচা নদীতে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় কঁচা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া ৮ বছর বয়সী শিশু সাইদুল ইসলামের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার নদমূলা-শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের চরখালী রকেটঘাট সংলগ্ন কঁচা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর নদমূলা-শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরখালী রকেটঘাট এলাকায় গোসল করতে নেমে সাইদুল ইসলাম (৮) নিখোঁজ হয়। সে হাফিজুর রহমানের ছেলে। সাইদুলের বাবা-মা গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে ঢাকায় বসবাস করায় সে তার দাদা মাহবুব গাজীর সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে থাকত।

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা এবং ভাণ্ডারিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দীর্ঘ সময় উদ্ধার অভিযান চালিয়েও তার সন্ধান পাননি। পরে শনিবার সকালে বরিশাল রিভার ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলের কাছেই নদীতে শিশুটির মরদেহ ভেসে উঠলে সেটি উদ্ধার করা হয়।

ভাণ্ডারিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. নুরুল হুদা নয়ন জানান, খবর পেয়ে শুক্রবারই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। শনিবার সকালে বরিশাল রিভার ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। অভিযান চলাকালে নদীতে মরদেহটি ভেসে উঠলে সেটি উদ্ধার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩ দিন ধরে সীমান্তের শুন্য রেখার মাটি কেটে নিচ্ছেন ভারতীয়রা, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


৩ দিন ধরে সীমান্তের শুন্য রেখার মাটি কেটে নিচ্ছেন ভারতীয়রা, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

বকশীগঞ্জ উপজেলার জামালপুরের ধানুয়া কামালপুর সীমান্তের ১০৮৩ আন্তর্জাতিক পিলারের কাছাকাছি শুন্য রেখা থেকে গত তিন দিন ধরে ভারতীয়রা মাটি কেটে গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করে বিজিবির সহায়তা চেয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ধানুয়া গ্রামের আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১০৮৩ নম্বর পিলারের কাছে শুন্য রেখা থেকে গত তিন দিন ধরে মাহিন্দ্র গাড়িতে করে মাটি নিচ্ছেন ভারতীয় নাগরিকরা। শুন্য রেখা থেকে মাটি কেটে নেওয়ার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্তের কাছে যেতে নিষেধ করা হলেও ভারতীয়রা অবাধে মাটি কেটে মাহিন্দ্র গাড়িতে করে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ধানুয়া গ্রামের কয়েকজন কৃষক বলেছেন, বিজিবি মাইকিং করে সীমান্তের কাছে যেতে নিষেধ করেছে, ফলে আমরা সেখানে যেতে পারছি না। তবে ভারতীয়রা শুন্য রেখার মাটি অবাধে নিয়ে যাচ্ছে। শুন্য রেখা থেকে মাটি কেটে নেওয়াটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি বলে তারা মন্তব্য করেছেন। তাই তারা এ বিষয়ে বিজিবির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক ইমাম হোসেন জানিয়েছেন, ভারতীয়রা যদি সীমান্তঘেষা তাদের জমিতে মাটি কাটতে আসে, তবে বিজিবি এতে বাধা প্রদান করবে। বর্তমানে মাটি কাটার কাজ বন্ধ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%