ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝিনাইদহের ৪টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র আট বছরেও চালু হয়নি


ঝিনাইদহের ৪টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র আট বছরেও চালু হয়নি

ঝিনাইদহের চারটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের জন্য সুদৃশ্য বহুতল ভবন নির্মিত হয়েছে। কক্ষগুলোর মধ্যে দামি চিকিৎসা সরঞ্জাম, শয্যা ও জেনারেটর রয়েছে। এমনকি স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার জন্য প্রস্তুত ডরমেটরিও রয়েছে। তবে, যাদের জন্য এত আয়োজন, সেই ডাক্তারদের পদ বছরের পর বছর খালি রয়েছে।

প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের অভাবের কারণে ঝিনাইদহের চারটি ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র আট বছর পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ সেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। সরকারের কোটি কোটি টাকার অবকাঠামো পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। চিকিৎসা না পেয়ে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসচ্ছল গর্ভবতী নারী ও শিশুরা।

তথ্য অনুযায়ী, গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঝিনাইদহের শৈলকুপার দুধসর ও কাঁচেরকোল গ্রাম, সদর উপজেলার দক্ষিণ কাষ্টসাগরা এবং কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় এসব হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়।

আরও পড়ুন: গোবিন্দগঞ্জে দোকানিকে অপহরণ করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ: দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবি বিদ্যুতের

২০১৮ সালে কেন্দ্রগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলেও চিকিৎসক না থাকায় সরকারের এই জন কল্যাণ মুখী উদ্যোগ ভেস্তে গেছে। প্রসবকালীন জরুরি সেবা কিংবা সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের জন্য দরিদ্র মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় করে জেলা বা উপজেলা সদরের দূরবর্তী হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।

কালীগঞ্জের ভুক্তভোগী বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ভবন ও অবকাঠামো তৈরি করা হলেও চিকিৎসক ও জনবলের অভাবে তা তালাবদ্ধ বা নামমাত্র অবস্থায় পড়ে আছে।" গরিব মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত এসব কেন্দ্রে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল করিম বুধবার বিকালে জানান, কেন্দ্রগুলো নিয়মিত চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সংকট নিরসনে প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে নতুন চিকিৎসক নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অবহেলিত জনপদে স্বাস্থ্যসেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ভারতে আন্দোলনকারীদের দমন হলেও বাংলাদেশের মতো গুম-খুন হচ্ছে না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


‘ভারতে আন্দোলনকারীদের দমন হলেও বাংলাদেশের মতো গুম-খুন হচ্ছে না’

ভারত ও বাংলাদেশের জেন জি আন্দোলনের মধ্যে মিল ও অমিল সম্পর্কে মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশি এই অর্থনীতিবিদ ও সাবেক সচিব মন্তব্য করেন, ভারত ও বাংলাদেশের জেন জি আন্দোলনের ক্ষেত্রে কিছু মিল রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন,

১. "আমাদের বর্ষা বিপ্লবের মতো, ভারতে যুবারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে এবং সাধারণ মানুষ তাদের সমর্থন করছে।"

২. "আমাদের মতো ভারতীয় যুবাদের আন্দোলন, প্রচলিত রাজনৈতিক দলের আন্দোলন থেকে ভিন্ন: গান ও ক্ষমতাসীনদের মেমে এর প্রধান উপাদান।"

৩. "আমাদের মতো ভারত সরকারও পুলিশ ও সরকারি দলের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে আন্দোলনকারীদের হেনস্থা করছে। ইন্টারনেট ও গণপরিবহন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে আন্দোলন স্তিমিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।"

৪. "দুই জায়গাতেই আন্দোলনকারীদের বিভক্ত করার চেষ্টা হয়েছে এবং হচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের জেন জি আন্দোলনের মধ্যে কিছু অমিলও রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন,

১. "আন্দোলনকারীদের দমন করা হলেও তা আমাদের মতো প্রাণঘাতী নয়; কাউকে গুম, খুন করা হচ্ছে না।"

২. "ভারতের বিচারব্যবস্থা তার মেরুদণ্ড দেখাচ্ছে। খানিকটা হলেও সরকার থেকে স্বাতন্ত্র বজায় রেখেছে।"

৩. "ইস্যুভিত্তিক আন্দোলন কোটা, পরীক্ষার ফল, নির্বাচন কমিশনের অনিয়ম থেকে সরকার পতনের দিকে গেলেও ভারতের ক্ষেত্রে নির্বাচনের মাধ্যমেই তা নির্ধারিত হতে যাচ্ছে।"

৪. "ভারতের সশস্ত্রবাহিনী আন্দোলন থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করছে।"

তিনি ভারতীয় দুর্নীতিবিরোধী আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ কর্তৃক শেয়ার করা একটি ইংরেজি লেখার উল্লেখ করেন। সেই লেখাটি ভারতীয় ছাত্র আন্দোলনকর্মী নেহা বোরা সম্পর্কে। লেখাটি বাংলায় অনুবাদ করে দেওয়া হয়েছে।

‘নেহা বোরা: ত্যাগের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা নেতৃত্ব, পরিবারের রাজনৈতিক বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে আসার গল্প’

নেহা বোরাকে নিয়ে তার বাবার হৃদয়ছোঁয়া বার্তা তুলে ধরা হয়েছে।

“আমি যখন বিয়ে করি, তখনই জানতাম, আমি কেবল একটি সন্তান চাই। আর মনের গভীরে আশা ছিল, সন্তানটি যেন মেয়ে হয়।

আমি একটি কন্যাসন্তান পেয়েছিলাম।

প্রথমবার যখন তাকে কোলে নিয়েছিলাম, তখন নীরবে তাকে একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। "তোমাকে কখনো আমার সময় ভাগ করে নিতে হবে না। আমার মনোযোগ পাওয়ার জন্য তোমাকে কখনো অপেক্ষা করতে হবে না। আমার যা কিছু আছে, সবটুকুই তুমি পাবে।"

“আমি চার-পাঁচটি সন্তান আছে—এমন পরিবার দেখেছি। মা-বাবা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ছুটে বেড়ান, তারপরও কোনো না কোনো সন্তানকে সব সময় অপেক্ষা করতে হয়। আমার এটাও মনে হয়েছিল, আমাদের দেশে মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি এবং এর মূল্য দিতে হচ্ছে প্রকৃতিকে। একটি সন্তানই আমার কাছে সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়েছিল। মনে হয়েছিল, এটাই দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত।

বছরের পর বছর আমি এ নিয়ে কখনো প্রশ্ন তুলিনি।

কিন্তু এ বছর আমি নেহা বোরাকে দেখলাম।

তার বয়স ২৯ বছর। তিনি জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) পিএইচডির শিক্ষার্থী, উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ি অঞ্চলের ছোট শহর খাটিমার একজন নাট্যকর্মী। নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটার পর তিনি জন্তর মন্তরে অবস্থান ধর্মঘটে বসেছিলেন এমন সব শিক্ষার্থীর জন্য, যাদের তিনি চিনতেনও না। সেই শিক্ষার্থীরা বছরের পর বছর পড়াশোনা করেছিল। তাদের অভিভাবকেরা কোচিংয়ের পেছনে নিজেদের সঞ্চয় খরচ করেছিলেন, তারপরও শেষ পর্যন্ত তাদের সন্তানদের হতাশ হতে হয়েছিল।

তিনি টানা ২৩ দিন কিছু খাননি।

অনশন শুরু করার সময় তার ওজন ছিল ৬৬ কেজি। তিনি সাত কেজিরও বেশি ওজন হারিয়েছিলেন। অনশনের শেষ দিকে চিকিৎসকেরা দিনে তিন থেকে চারবার তার রক্ত পরীক্ষা করছিলেন।

সেই রাতের খবরটি পড়ার পর আমি ঘুমাতে পারিনি। বারবার নিজের মেয়েকে নেহার জায়গায় কল্পনা করছিলাম। দিল্লির গরম রাস্তায় বসে আছে সে। রোগা। ক্লান্ত। আবার একজন চিকিৎসক তার কবজি ধরে আছেন। আর আমি জানতাম, এমন দৃশ্য সামনে দাঁড়িয়ে দেখা আমার পক্ষে সম্ভব হতো না। আমি তাকে অনশন থামানোর জন্য অনুরোধ করতাম, মিনতি করতাম।

কিন্তু নেহা কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত থামেননি। আর সবকিছু শেষ হওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, তার শরীর যেন খাওয়ার কথা ভুলে গিয়েছিল। আবার খেতে শেখাতে হয়েছে, ঠিক একটি শিশুর মতো। এত কিছুর পরও, শরীর দুর্বল থাকা অবস্থায় তিনি বিহারে গিয়েছিলেন গ্রেপ্তার হওয়া ৬০০ জনের বেশি শিক্ষার্থীর সঙ্গে দেখা করতে। তিনি বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নিতে যাননি। তিনি গিয়েছিলেন সেই মানুষগুলোর কাছে, যারা তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

আমি একজন ডাউজার। প্রতিদিন শক্তি নিয়ে কাজ করি। আমি শিখেছি, রাগ অনেক ভারী একটি অনুভূতি। এটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যায়। ২৩ দিন না খেয়ে কেবল রাগের ওপর ভর করে কেউ বেঁচে থাকতে পারে না। এত দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে একমাত্র ভালোবাসা।

এরপর আমি জানতে পারলাম, নেহার বাবা সেনাবাহিনীতে ছিলেন এবং তার পরিবারকে এক পোস্টিং থেকে আরেক পোস্টিংয়ে যেতে হতো।

আমার স্ত্রীর বাবাও সেনাবাহিনীতে ছিলেন। আমি কখনো তাকে শ্বশুর বলে ডাকি না। আমার কাছে তিনি কেবল পাপা। আমার স্ত্রী ১৩টি স্কুলে পড়েছেন। ১৩ বার নতুন স্কুলে প্রথম দিন কাটিয়েছেন। ১৩ বার এমন একটি শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেছেন, যেখানে কেউ তার নাম জানত না। ১৩ বার এমন বন্ধুদের বিদায় জানিয়েছেন, যাদের আর কখনো দেখা হয়নি। সেনাসদস্যদের সন্তানেরা হাসিমুখে নিজেদের ব্যাগ গুছিয়ে নেয় এবং আবার নতুন করে শুরু করে। কেউ তাদের জিজ্ঞেস করে না, এতে তাদের কতটা কষ্ট হয়। আমি প্রতিদিন আমার স্ত্রীর মধ্যে সেই শক্তি দেখতে পাই। নেহার মধ্যেও আমি সেই শক্তি দেখেছি।

রাঁচিতে এক ব্যক্তি তার মুখে কালি ছুড়ে মেরেছিলেন এবং তাকে দেশবিরোধী বলেছিলেন। নেহা বলেছিলেন, দিল্লিতে তিনি ইতিমধ্যে ছররা গুলি ও লাঠির আঘাতের মুখোমুখি হয়েছেন। কালি তাকে ভয় দেখাতে পারবে না।

কালি ধুয়ে যায়। শক্তি নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে আমরা বলি, মানুষ আপনার দিকে যা ছুড়ে দেয়, আপনি তা নিজের মধ্যে গ্রহণ না করলে সেটি আপনার ভেতরে থেকে যায় না। মনে হয়, কোনো পেন্ডুলাম হাতে না নিয়েও নেহা বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

তার পরিবার তার সঙ্গে একমত ছিল না। বাড়িতে ঝগড়াও হয়েছিল। কিন্তু অনশন চলাকালে তার মা জন্তর মন্তরে এসেছিলেন।

তাদের মধ্যে কী কথা হয়েছিল, তা আমি জানি না। জানার প্রয়োজনও নেই। আমি একজন অভিভাবক। আমি জানি, কোনো মা যখন রাস্তায় নিজের সন্তানকে দুর্বল ও রোগা অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন, তখন তার কেমন লাগে। এত কিছুর পরও সন্তানটি দাঁড়িয়ে আছে। সেই মুহূর্তে সব তর্ক-বিতর্ক ভুলে যাওয়া হয়। তখন শুধু একটিই সত্য বাকি থাকে—এ আমার সন্তান।

নেহা বলেছেন, তিনি এখনো তার বাবার সঙ্গে কথা বলেননি।

আমি তার বাবাকে চিনি না। কিন্তু আমিও একজন বাবা, আর আমি জানি, আমাদের মতো পুরুষদের জন্য কিছু কথা মুখে বলা কতটা কঠিন। তাই তিনি যদি এখনো কথাটি বলতে না পারেন, তাহলে চেন্নাই থেকে তার হয়ে আমি কথাটি বলে দিই।

বেটা, আমরা তোমাকে নিয়ে গর্বিত। এবার ঠিকমতো কিছু খাও।

এই পুরো ঘটনার মধ্যে কোনো একসময় আমার মনে এমন একটি চিন্তা এসেছিল, যা আগে কখনো আসেনি। আমার যদি আরও একটি মেয়ে থাকত! নেহার মতো একটি মেয়ে।

এতে আমার নিজের মেয়ের প্রতি ভালোবাসার কিছুই কমে যায় না। সে আমার পৃথিবী। সব সময় তা-ই থাকবে। কিন্তু নেহা আমাকে একটি কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন।

আমরা আমাদের সন্তানদের নিরাপদ রাখতে এবং জীবনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করতে পুরো জীবন কাটিয়ে দিই। কিন্তু যারা পিছিয়ে পড়ে, তাদের দিকে ফিরে তাকাতে কি আমরা কখনো সন্তানদের শেখাই?

আর কোনো একদিন যদি তারা অন্য কারও অধিকারের জন্য দাঁড়িয়ে যায়, তাহলে আমরা কি নেহার মায়ের মতো তাদের পাশে দাঁড়াব? নাকি তাদের বাড়ি ফিরে এসে চুপচাপ থাকতে বলব?

আমাদের দায়িত্ব হলো সেই আলোকে রক্ষা করা, এমনকি যখন সেই আলো আমাদের ভয় পাইয়ে দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন্দুয়ায় জুয়ার আসর থেকে দুই ইউপি সদস্যসহ ৬ জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


কেন্দুয়ায় জুয়ার আসর থেকে দুই ইউপি সদস্যসহ ৬ জন আটক

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জুয়ার আসরে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে, যাদের মধ্যে দুই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যও রয়েছেন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে জুয়া খেলার সরঞ্জাম এবং নগদ ১০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার (২৮ অক্টোবর) তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। উপজেলার গণ্ডা ইউনিয়নের গণ্ডা বাজারে মোস্তফা নামের এক ব্যক্তির দোকানঘরের ভেতরে একটি জুয়ার আসর থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—গণ্ডা চর গ্রামের হাফিজুর রহমান ওরফে খোকন মেম্বার (৬০) ও খুররম মিয়া (৫০), মনকান্দা গ্রামের চান্দু মিয়া (৪৫) ও আলী ওসমান (৪২), বীরমহুরী গ্রামের সোহাগ (২৫) এবং মরিচপুর গ্রামের মজিবুর রহমান (৬০)। আটকদের সকলের বাড়ি কেন্দুয়া উপজেলায়।

পুলিশের দেওয়া জব্দ তালিকা অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে ১০৪টি তাস এবং বিভিন্ন মূল্যমানের মোট ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা দায়েরের পাশাপাশি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর: ১২৬৪) নথিভুক্ত করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়ার আসরের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠিয়ে সরঞ্জামসহ তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা করে আজ (বুধবার) আদালতে প্রেরণ করা হচ্ছে।’

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে সোহাগ উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং খোকন মেম্বার ও খুররম মিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য। অন্যদিকে আলী ওসমান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। আটক হাফিজুর রহমান খোকন ও আলী ওসমান দুজনই বর্তমানে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তবে এ বিষয়ে জানতে উপজেলা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ৫০ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ৫০ জন নিহত

স্পেনের মধ্যাঞ্চলীয় টলেডো প্রদেশে দুটি দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৭৯ জন। দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ থেকে সিউদাদ রিয়াল ও আন্দালুসিয়াগামী রেল চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে মাদ্রিদ-আন্দালুসিয়া উচ্চ-গতির রেললাইনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্পেনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম টিভিই জানিয়েছে, ট্রেন দুটি একই দিকে যাচ্ছিল। এ সময় একটি ট্রেন পেছন থেকে অন্য ট্রেনটিকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের ফলে দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়।

দুর্ঘটনাস্থল কাস্তিয়া-লা মাঞ্চা আঞ্চলিক সরকারের মুখপাত্র এস্তের পাদিয়া জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ ১০ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করতে পেরেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমরা যে তথ্য পাচ্ছি, তা মোটেও ভালো নয়। অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’

স্পেনের সংবাদমাধ্যম এল পাইসকে সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি জানুয়ারিতে আদামুজে ঘটে যাওয়া রেল দুর্ঘটনার চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। ওই দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত হয়েছিল। এবারের দুর্ঘটনায় স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ থেকে সেভিলগামী রেনফে এভিই উচ্চগতির ট্রেন এবং বিপরীত দিক থেকে আসা ইরিওর একটি ট্রেন জড়িত ছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাটিতে উল্টে পড়ে থাকা একটি ট্রেনের বগি থেকে ধোঁয়া উঠছে। আশপাশে ছড়িয়ে রয়েছে ধ্বংসাবশেষ। এভিই ট্রেনের শেষ দিকের একটি বগিতে থাকা এক যাত্রী ক্যাপিটাল রেডিওকে জানান, ‘প্রচণ্ড সংঘর্ষের’ পর ট্রেনটির একটি অংশ ‘আকাশে ছিটকে উঠেছিল’।

কাস্তিয়া-লা মাঞ্চা আঞ্চলিক সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় ইরিও ট্রেনে একটি শিশুসহ ১৪৬ জন যাত্রী ছিলেন। অন্যদিকে এভিই ট্রেনে ছিলেন প্রায় ৩৯৭ জন যাত্রী।

এদিকে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘টলেডোতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় আমি মর্মাহত। আমি পরিবহনমন্ত্রীর সঙ্গে এবং কাস্তিয়া-লা মাঞ্চার আঞ্চলিক সরকারের প্রধানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। এ কাজে সংশ্লিষ্ট সব প্রশাসন সমন্বয় করে কাজ করছে।’

কাছের শহর উর্দার মেয়র ম্যানুয়েল গালান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় যাত্রীরা আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য একটি ক্রীড়া মিলনায়তন প্রস্তুত রাখতে স্থানীয় প্রশাসনকে অনুরোধ করেছেন নাগরিক সুরক্ষা কর্মকর্তারা।

প্রতিবেশী গ্রাম লস ইয়েবেনেসের মেয়র হেসুস পেরেস দুর্ঘটনাটিকে গুরুতর বলে বর্ণনা করেছেন। এদিকে কাস্তিয়া-লা মাঞ্চার আঞ্চলিক সরকারের প্রধান এমিলিয়ানো গার্সিয়া-পাখে এক্সে দেওয়া পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে আরেকটি প্রাণঘাতী রেল দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ালে ৪৫ জন নিহত হন।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান ও দ্য সান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছিত, বিএনপির সকল সংবাদ বর্জনের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চাঁদপুর প্রতিনিধি

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছিত, বিএনপির সকল সংবাদ বর্জনের ঘোষণা
 

 

 

 

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর অব্যাহত অসদাচরণ, হুমকি-ধামকি, মারধর ও লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফরিদগঞ্জে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভা-সমাবেশের সকল সংবাদ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন সাংবাদিকরা। 
 
২৮ অক্টোবর বুধবার ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত জরুরি প্রতিবাদ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
 
ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় সাংবাদিকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য বিএনপির নিউজ বর্জনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
 
সভায় সকল সাংবাদিকের বক্তব্য শেষে সংগঠনের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত হামলা, মারধর, লাঞ্ছিত করা ও হুমকি-ধামকির প্রতিবাদে বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনের সকল প্রকার সভা-সমাবেশের সংবাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বর্জনের ঘোষণা সর্ব সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো। এ সিদ্ধান্ত বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
 
সম্প্রতি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ফরিদগঞ্জ সংবাদ দাতা সহকারী অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিনকে ফরিদগঞ্জ বাজারে প্রকাশ্যে মারধর ও লঞ্ছিত করা হয়। সেদিন জরুরী সভা আহ্বান করা হয়। সংবাদ শুনে সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদ সরাসরি সভায় উপস্থিত হন। তার অনুরোধে সমঝোতার প্রস্তাব মেনে নেয়া হয়।
 
গতকাল মঙ্গলবার রাত আনুমানিক আট ঘটিকায় পুনরায় সাংবাদিক মো. মহিউদ্দিনকে খোঁজাখুঁজি করা হয়। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিক শিমুল হাসানকে মারতে উদ্যত হয় ও তেড়ে আসে। উপস্থিত অন্যরা শিমুলকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। তারা ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে হুমকি ধামকি দেয়।
 
এ ছাড়াও নিউজের তথ্য সংগ্রহকে কেন্দ্র করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাল চক্র, উপজেলা পরিষদ এলাকায় টেন্ডারকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের সাথে অসদাচরণ, থানা এলাকায় সাংবাদিকদের হুমকি-ধামকি লাঞ্ছিতের ঘটনা ও কুপিয়ে খুন জখম করবে বলে হুমকি দেয়।
 
এদিকে, ফরিদগঞ্জে বিএনপির কমিটি নেই। কিন্তু যাঁরা নেতৃত্বে আছেন তাদের উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রতি দলীয় লোকজনের হুমকি-ধমকি বন্ধে আলাদা বা সম্মিলিতভাবে কার্যকর উদ্যোগ ও ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে উদ্ভুত পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান করতে পারলে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত পুনঃ বিবেচনার সুযোগ থাকবে বলে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।
 
সভায় ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান, নুরুন্নবী নোমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি এমকে মানিক পাঠান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী, আবদুস ছোবহান লিটন, নুরুল ইসলাম ফরহাদ, বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি মো. মহিউদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন বেলাল, সহ-সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন খাঁন স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মমিন, দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসেন ফারুক, প্রচার-ক্রীড়া সম্পাদক মেহেদী হাসান, প্রকাশনা-পাঠাগার সম্পাদক আমান উল্যাহ খাঁন ফারাবী, আইসিটি সম্পাদক ফাহাদ খাঁন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, কার্য-নির্বাহী সদস্য নারায়ন রবিদাস, এসএম ইকবাল, শিমুল হাসান, আনিসুর রহমান সুজন, সদস্য এমরান হোসেন লিটন, জাকির হোসেন সৈকত, মাসুম আলম তালুকদার, তাপস চক্রবর্তী, মামুন হোসাইন, আব্দুল কাদির, ফখরুল আলম পাঠান, কেএম নজরুল ইসলাম, শামীম হাসান, এফএ মানিক, সাখাওয়াত হোসেন মিন্টু, জসিম উদ্দিন বক্তব্য রাখেন।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%