ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লোহাগড় দুর্গ ইস্যুতে ‘সিয়াকেও ফেলে দেওয়া হোক’ বলে মন্তব্য


লোহাগড় দুর্গ ইস্যুতে ‘সিয়াকেও ফেলে দেওয়া হোক’ বলে মন্তব্য

 

প্রবীণ গোয়েল পুনেতে ব্যবসা করেন। যদিও তিনি বিশাল আগরওয়ালের মতো অত বড় ব্যবসায়ী নন।

দীর্ঘদিন ধরে গোয়েল ও আগরওয়াল পরিবারগুলোর মধ্যে জানাশোনা ছিল এবং দুই পরিবার সে জানাশোনাকে আত্মীয়তা বন্ধনে বাধার উদ্যোগ নেয়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

প্রবীণ গোয়েলের একমাত্র কন্যা সিয়া গোয়েলের সঙ্গে বিশাল আগরওয়ালের একমাত্র ছেলে কেতন আগরওয়ালের বাগদান গত ফেব্রুয়ারি মাসে হয়ে যায়। বাগদানের পর থেকে দুটি পরিবারে সুখের বন্যার বয়ে যাওয়া শুরু হয়।

আগামী নভেম্বরে জমকালো বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু সিয়ার মনে ছিল অন্য কিছু। তার প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে মিলে তিনি গত ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গ থেকে কেতন আগরওয়ালকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করেন।

একটি মৃত্যু দুটি পরিবারকে এলোমেলো করে দিয়েছে। আগরওয়াল পরিবার সন্তান হারিয়ে শোকে কাতর, শোকে স্তব্ধ গোয়েল পরিবারও একই অবস্থা। কেতন যে তাদের কাছে সন্তানসম। কেতনের হত্যায় সিয়া জড়িত, এটা জানার পর প্রবীণ গোয়েলের হার্ট অ্যাটাক হয়ে যায়। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালে তাকে দেখাশোনা করতে স্ত্রী পূজা গোয়েল এবং ছেলে সাহিল গোয়েলও দিনরাত কাটাচ্ছেন।

সিয়া গোয়েলের মা পূজা গোয়েল সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘কেতনের মৃত্যু একটি নয়, দুটি পরিবারকে এলোমেলো করে দিয়েছে। কেতনের মৃত্যুতে তাদের (আগরওয়াল পরিবার) মতো আমরাও বেদনার্ত।’

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

কেতনের মর্মান্তিক মৃত্যু বিশ্বাসই হচ্ছে না প্রবীণ গোয়েলের। তিনি বলেন, ‘তারা (আগরওয়াল পরিবার) ছেলে হারিয়েছে। কিন্তু কেতন আমাদের কাছে ছেলের মতোই ছিল। আমরা তাকে অনেক ভালোবাসতাম। অল্প দিনে তার সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, মনে হতো কেতন আমার আরেকটি ছেলে। এমন সম্ভাবনাময়, ভালোবাসার সন্তান হারিয়ে আমরাও শোকে কাতর।’

কেতনের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করে প্রবীণ গোয়েল বলেন, ‘মেয়ের বিয়েকে সামনে রেখে আমি বাড়ি সংস্কারের কাজ করছিলাম। কেতন এসে বলত, পাপাজি প্লাম্বিং, মার্বেলের কাজ বা ফার্নিচারের কাজ; যেকোনো কাজে আমাকে বলবেন। আমি সব সামাল দেব। সে কখনো না বলত না।’

যেমন গোয়েল পরিবার সন্তানের মতো কেতনকে আদর করত, তেমনি তিনি সিয়াকেও গভীর ভালোবাসায় বরণ করে নিয়েছিল। বিয়ের আয়োজনের মধ্যে নানা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। সিয়ার জন্মদিন উদযাপনেও নানা পরিকল্পনা ছিল।

সিয়ার মা পূজা বলেন, ‘দুজনকে খুব সুখী মনে হচ্ছিল। এ জুটিকে ঘিরে আমাদের অনেক আশা ছিল, ভালোবাসা ছিল।’

আরও পড়ুন: ভারতে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালাতে চায় জাপান

সিয়ার পরিবার চেতনের সঙ্গে তার সম্পর্ক জেনেও সেটা গোপন করেছিল, কিন্তু আগরওয়াল পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে গোয়েল পরিবার। সিয়ার মা পূজা বলেছেন, ‘আমরা চেতনকে চিনতাম না। সে কখনো আমাদের বাসায় আসেনি। তাকে আমরা কখনো দেখিনি।’

সিয়া গোয়েলের ভাই সাহিল গোয়েলও চেতনের সঙ্গে বোনের সম্পর্কের কথা জানতেন না। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, সিয়া যদি তাদের কিছু জানাত তাহলে প্রয়োজনে তারা বিয়ে ভেঙে দিত।

শুক্রবার পুলিশ সিয়ার ভাইকে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সিয়া ও চেতন ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে আছেন। পুলিশ সিয়ার ভাই ছাড়াও আরও ৭ জনকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তদন্তের প্রয়োজনে দুই পরিবারের সদস্য ও দুই অভিযুক্তের বন্ধুদেরও ডাকা হতে পারে।

একমাত্র ছেলের অভিযুক্ত হত্যাকারী সিয়া গোয়েলের প্রতি আগরওয়াল পরিবারের ক্ষোভ তো আছে, সুখের আয়োজনে বেদনার কালি লেপে দেওয়ায় সিয়ার প্রতি গোয়েল পরিবারের ক্ষোভ কম নয়। প্রথমে দোষী হলে সিয়া গোয়েলের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চেয়েছিলেন তার মা-বাবা। এখন তাদের রাগ আরো বেড়ে গেছে।

আরও পড়ুন: সংস্কৃতিও যখন নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার: শি চিনপিংয়ের সাংস্কৃতিক তত্ত্বের প্রভাব

প্রবীণ গোয়েল ও পূজা গোয়েল অভিন্ন কণ্ঠে বলেন, ‘কেতনকে যে বা যারা লোহাগড় দুর্গে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছিল, তাদেরও যেন ঠিক সেখান থেকেই ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়, এমনকি সে যদি আমাদের মেয়েও হয়।’

সিয়াকে লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে না ফেললেও পুলিশ মানুষের আকারের একটি বস্তু ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে। ঘটনার অ্যারেঞ্জমেন্ট নতুন করে মঞ্চায়নের চেষ্টা করছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে সবগুলো ঘটনা এক সুতায় গাঁথতে চাচ্ছে। ঠিক যেখান থেকে কেতনকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল, পুলিশ ঠিক সেখান থেকেই কেতনের আকৃতির একটি বস্তু ধাক্কা দিয়ে ফেলে। পুলিশ আসলে বুঝতে চাইছে, কেতনকে ধাক্কাটা চেতন বা সিয়া একা দিয়েছিল নাকি দুজন মিলে দিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় কঁচা নদীতে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় কঁচা নদীতে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় কঁচা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া ৮ বছর বয়সী শিশু সাইদুল ইসলামের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার নদমূলা-শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের চরখালী রকেটঘাট সংলগ্ন কঁচা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর নদমূলা-শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরখালী রকেটঘাট এলাকায় গোসল করতে নেমে সাইদুল ইসলাম (৮) নিখোঁজ হয়। সে হাফিজুর রহমানের ছেলে। সাইদুলের বাবা-মা গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে ঢাকায় বসবাস করায় সে তার দাদা মাহবুব গাজীর সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে থাকত।

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা এবং ভাণ্ডারিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দীর্ঘ সময় উদ্ধার অভিযান চালিয়েও তার সন্ধান পাননি। পরে শনিবার সকালে বরিশাল রিভার ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলের কাছেই নদীতে শিশুটির মরদেহ ভেসে উঠলে সেটি উদ্ধার করা হয়।

ভাণ্ডারিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. নুরুল হুদা নয়ন জানান, খবর পেয়ে শুক্রবারই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। শনিবার সকালে বরিশাল রিভার ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। অভিযান চলাকালে নদীতে মরদেহটি ভেসে উঠলে সেটি উদ্ধার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩ দিন ধরে সীমান্তের শুন্য রেখার মাটি কেটে নিচ্ছেন ভারতীয়রা, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


৩ দিন ধরে সীমান্তের শুন্য রেখার মাটি কেটে নিচ্ছেন ভারতীয়রা, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

বকশীগঞ্জ উপজেলার জামালপুরের ধানুয়া কামালপুর সীমান্তের ১০৮৩ আন্তর্জাতিক পিলারের কাছাকাছি শুন্য রেখা থেকে গত তিন দিন ধরে ভারতীয়রা মাটি কেটে গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করে বিজিবির সহায়তা চেয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ধানুয়া গ্রামের আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১০৮৩ নম্বর পিলারের কাছে শুন্য রেখা থেকে গত তিন দিন ধরে মাহিন্দ্র গাড়িতে করে মাটি নিচ্ছেন ভারতীয় নাগরিকরা। শুন্য রেখা থেকে মাটি কেটে নেওয়ার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্তের কাছে যেতে নিষেধ করা হলেও ভারতীয়রা অবাধে মাটি কেটে মাহিন্দ্র গাড়িতে করে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ধানুয়া গ্রামের কয়েকজন কৃষক বলেছেন, বিজিবি মাইকিং করে সীমান্তের কাছে যেতে নিষেধ করেছে, ফলে আমরা সেখানে যেতে পারছি না। তবে ভারতীয়রা শুন্য রেখার মাটি অবাধে নিয়ে যাচ্ছে। শুন্য রেখা থেকে মাটি কেটে নেওয়াটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি বলে তারা মন্তব্য করেছেন। তাই তারা এ বিষয়ে বিজিবির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক ইমাম হোসেন জানিয়েছেন, ভারতীয়রা যদি সীমান্তঘেষা তাদের জমিতে মাটি কাটতে আসে, তবে বিজিবি এতে বাধা প্রদান করবে। বর্তমানে মাটি কাটার কাজ বন্ধ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধ, ছাত্রলীগ নেতার গুলিতে আহত ৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধ, ছাত্রলীগ নেতার গুলিতে আহত ৬

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ছররা গুলিতে ৬ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে গুলিবিদ্ধ দুজনকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকায় রেফার করা হয়। এর আগে শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রাসেদ ও রেদোয়ানসহ কয়েকজন যুবক একটি দোকান থেকে সিগারেট কিনে ধূমপান করছিল। এ সময় এলাকার কয়েকজন মুরব্বি তাদের বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার জেরে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রাশেদের নেতৃত্বে একদল যুবক নাহিদ ও নাঈমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে নাহিদ ও নাঈমসহ অন্তত ৬ জন ছররা গুলিতে আহত হন। আহতদের মধ্যে আশিক ও নাহিদকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ধুমপান করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ হয়। এরই জেরে পরদিন রাতে এসে তারা গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে একজনের পেট ও উরুতে গুলি লাগায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় রাশেদসহ ১২ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঁটাবনে পুড়ে যাওয়া চেম্বারটি ছিল আইসিটি প্রসিকিউটরের, নিহত দুজনই ক্লার্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


কাঁটাবনে পুড়ে যাওয়া চেম্বারটি ছিল আইসিটি প্রসিকিউটরের, নিহত দুজনই ক্লার্ক

রাজধানীর কাঁটাবনে একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। আবাসিক ভবনটির ১২ তলায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের চেম্বারে এই আগুন লেগেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চেম্বারটি অন্তর্বর্তী সরকারের বিমান ও পর্যটন এবং ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজের এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমান সেখানে অফিস করতেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে ভবনে আগুন লাগার খবর ফায়ার সার্ভিস পায়। পরে তাদের ৬টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ৩টা ৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে মো. জনি (২৪) ও আবদুস সালাম (২০) নামের দুজন যুবকের মৃত্যু হয়।

আব্দুস সালাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমানের ক্লার্ক এবং জনি ব্যারিস্টার মোয়াজের ক্লার্ক ছিলেন বলে জানিয়েছেন তাঁদের হাসপাতালে পৌঁছানোর দায়িত্বে থাকা আইনজীবী সরোয়ার।

ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক জানিয়েছেন, ভবনটি থেকে দগ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করা হয় এবং তাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে জনিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এবং আবদুস সালামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। দুই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।

আইনজীবী সরোয়ার বলেন, ভেতরে থাকা দুজন হয়তো বাঁচার জন্য বাথরুমে গিয়েছিলেন। ধোঁয়ায় অক্সিজেনের ঘাটতি হওয়ায় তাঁদের শ্বাসরোধ হতে পারে এবং এ কারণেই মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

নিহত দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিউ মার্কেট থানার উপপরিদর্শক এসআই মো. শাহিন হোসেন। তিনি বলেছেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানানো যাবে।

প্রসঙ্গত, এ এফ হাসান আরিফ ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিমান ও পর্যটন এবং ভূমি উপদেষ্টা। তিনি গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর মারা গিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%