০৫:৩৪ পি.এম
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরায়েলের যে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ বা হামলা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে এক ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। সম্প্রতি মস্কোয় অনুষ্ঠিত গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোটের (জিইসিএফ) সম্মেলনের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
আব্বাস আরাঘচি উল্লেখ করেন, পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা শুধু এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী এবং ভোক্তা উভয়ের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি এই অঞ্চলে সামরিক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের ওপর।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং ইরানে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে কোনো ধরনের সামরিক হামলা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “যেকোনো কিছুই ঘটা সম্ভব।”
আরও পড়ুন: জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় থমকে গেল বিলাসবহুল প্রমোদতরি, কম্বোডিয়ায় আটকা ২০০ যাত্রী
অন্যদিকে, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত নিজেদের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো পুনরায় সচল বা মেরামত করার চেষ্টা করছে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)। সংস্থাটির প্রধান রাফায়েল গ্রোসি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন যে, হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ওই পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণের কোনো পদক্ষেপের ইঙ্গিত আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থাটির নজরে আসেনি।
এদিকে ইয়েমেনের হুথি সমর্থিত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দেশটির মোচা বন্দর এলাকা এবং আম রান প্রদেশের হারফ সুফিয়ান জেলায় বেশ কয়েকটি বিমান হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। তবে এই বিমান হামলা কারা চালিয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত নিশ্চিত করা হয়নি। সূত্র: আল আরাবিয়া, তাসনিম নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন