বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:২৯ পি.এম
পঞ্চগড়ে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ১৫ দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে এককালীন অনুদানের চেক ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন এবং জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক অনিল চন্দ্র বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সহকারী উপপরিচালক গোলাম ফারুক। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সীমা শারমিন, প্রশিক্ষণার্থী রাহুল দাস, আদুরী রানী নন্দিনী, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দার এবং সভাপতি মোশাররফ হোসেন।
আয়োজকরা জানান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থী বেসিক কম্পিউটার বিষয়ে ১৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে আলোচনা সভার পর প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীর হাতে ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক এবং সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি ঘটে এবং জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এবারের বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হবে ফুটবলের দুই পরাশক্তি, আর্জেন্টিনা ও স্পেন। এই মহারণে আলোচিত হচ্ছে আর্জেন্টাইনের লিওনেল মেসি এবং স্পেনের তরুণ ফুটবলার লামিন ইয়ামালের মধ্যে লড়াই। বিশ্বকাপের ফাইনালে কে আলো ছড়াবে, এ নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। বয়সে তরুণ ইয়ামাল মেসির মতো মানের খেলোয়াড় নন, তবে দুজনের খেলার পজিশন ও ধরণ প্রায় একই। পাশাপাশি, দুজনেই বাঁ পায়ের ফুটবলার। ফলে, মুখোমুখি লড়াইয়ে কে শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপ উঁচিয়ে ধরবে, তাই নিয়ে চলছে গোলমাল।
বার্সেলোনার সর্বকালের সেরা গোলদাতা ৩৯ বছর বয়সী মেসি এবং এই ক্লাবের ১৯ বছর বয়সী বিস্ময় বালক ইয়ামাল এবারই প্রথম মাঠে একে অপরের বিপক্ষে খেলবেন। তবে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ নতুন নয়, সেটি প্রায় দুই দশক আগে ঘটেছিল। তখন ইয়ামাল ছিল একটি শিশু এবং মেসি ছিলেন ২০ বছরের উদীয়মান এক তারকা।
দুই বছর আগে ২০২৪ ইউরো কাপে ইয়ামাল যখন স্পেনের হয়ে উত্থান ঘটাচ্ছিলেন, তখন সামাজিক মাধ্যমে কিছু অবিশ্বাস্য ছবি ছড়ায়। বিশ্বকাপের ফাইনালের মাহেন্দ্রক্ষণের এই পুনর্মিলনী সেই ছবিগুলোকে আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
ভাইরাল ছবিগুলোতে দেখা যায়, ইয়ামাল বাথটাবে বসে আছে, পাশে তার মা। মেসি তখন কাঁধ পর্যন্ত চুলে দেখা যাচ্ছে। তিনি ইয়ামালের মাকে সাহায্য করছেন ইয়ামালের গোসল করাতে। ছবিটি প্রথম প্রকাশ করেছিলেন ইয়ামালের বাবা। ইনস্টাগ্রাম থেকে ছবিটি পরে জনপ্রিয় সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর কাছে যায় এবং মুহূর্তেই এটি ভাইরাল হয়ে যায়।
এরপর স্পেনের দৈনিক ডিয়ারিও স্পোর্ট কর্তৃক দ্বিতীয় একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, মেসি একাই লামিনে ইয়ামালকে ধরে বসে আছেন। ইয়ামাল তখনও বাথটাবেই ছিল।
বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যু’র অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুমে ২০০৭ সালে ছবিগুলো তোলা হয়েছিল। কাতালান সংবাদপত্র 'দিয়ারিও স্পোর্ট' এবং ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য এই ছবি তোলেন ফ্রিল্যান্স আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট।
২০২৪ সালে এপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মনফোর্ট বলেন, "আমরা ইউনিসেফের সহায়তায় ক্যালেন্ডারটি তৈরি করছিলাম। ইউনিসেফ মাতারোর রকা ফন্ডা এলাকায় একটি লটারির আয়োজন করেছিল। সেখানে লামিনের পরিবারও ছিল। ক্যাম্প ন্যু-তে কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য তারা লটারির টিকিট কাটেন এবং জয়ী হন।"
সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে ড্রেসিংরুমে ইয়ামাল ও তার মা শেইলা মেসির সঙ্গে যোগ দেন। কিন্তু শুরুটা সহজ ছিল না। মনফোর্ট জানান, "মেসি খুবই অন্তর্মুখী এবং লাজুক। ড্রেসিংরুমে ঢুকতে গিয়ে সে প্রথমে বুঝতে পারছিল না বাচ্চাটিকে কীভাবে কোলে নেবে। ইয়ামালের মা শেইলা সাহায্য করেছিলেন।"
এত বছর পর নিজের তোলা ছবি এভাবেও সাড়া ফেলায় উচ্ছ্বসিত মনফোর্ট। তিনি বলেন, "এতে জড়িয়ে থাকতে পারাটা সত্যিই রোমাঞ্চকর।" সময় কেটে গেছে। মেসি বার্সেলোনা ছেড়ে গেছেন, আর ইয়ামাল মাত্র ১৫ বছর ৯ মাস ১৬ দিন বয়সে বার্সার মূল দলে অভিষেক ঘটিয়েছিল। ইতোমধ্যে সে তিনটি লা লিগা জিতেছে এবং ইউরো ২০২৪-এর শিরোপাও অর্জন করেছে। বর্তমানে ১৯ বছরে পা দেওয়া ইয়ামাল ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সম্প্রতি মেসির মুখোমুখি হওয়ার স্বপ্নের কথাও বলেছেন ইয়ামাল। ক্রীড়াভিত্তিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ডিএজেডএনকে তিনি বলেছিলেন, "আমি বড় হয়ে গেছি, মেসির বয়সও বেড়েছে। আশা করছি ফাইনালে তার মুখোমুখি হব। বিশেষ করে ফিনালিসিমা ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি, তাই এই ফাইনালটি আমার জন্য বড় সুযোগ।"
নিয়তি আবার তাদের এক বিন্দুতে নিয়ে এসেছে। অনেকেই ইয়ামালকে মেসির যোগ্য উত্তরসূরি মনে করছেন। তবে আটবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী ফুটবল ইতিহাসের এই কিংবদন্তির কীর্তিকে ছুঁতে তাকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার কাশিয়ানীতে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১২০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলার সাথে আরো ২০০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা ইমদাদুল হক গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে কাশিয়ানী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তিনি ধানকোড়া গ্রামের হাজী কায়েম উদ্দিন ফকিরের পুত্র এবং রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান আজ সকালে বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকেলে উপজেলার তিলছড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে তারা। এর ফলে জনমনে আতঙ্ক ও ক্ষোভের উদ্ভব হয়।
এসময়, মামলার বাদী এমদাদুল হক মোটরসাইকেলযোগে সঙ্গী নিয়ে সেখানে পৌঁছালে আসামিরা তাদের ওপর অতর্কিতে চড়াও হয়। তারা তাদের মারধর করে এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে কাশিয়ানী থানায় ১২০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান বলেন, ‘নিষিদ্ধ সংগঠনের নামে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ, যানবাহন চলাচলে বাধা, বিএনপি নেতাদের মারধর এবং মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। ১৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনুষ্ঠিত একটি মেলার গেটে একটি বাংলা শব্দের ভুল বানান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এই ভুলের ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে যাওয়ায়, এই নিয়ে সামাজিক মাধ্যম সরগরম।
সম্প্রতি, চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি মেলার আয়োজন করা হয়েছে এবং সেই মেলার গেটে "জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা" এই বাক্যটি সোনালি রঙের অক্ষরে লেখা হয়েছে। তবে সেই ব্যানারে "কুটির" বানানটি ভুলভাবে "কুঠির" লেখা হয়েছে।
উক্ত ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে, এই ভুলটি সবার চোখ এড়িয়ে গেছে। কারণ, এই গেটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অনেক আমন্ত্রিত ব্যক্তি ও স্থানীয় প্রশাসন উপস্থিত ছিলেন। তবে কেউ অদ্যাবধি এই ভুল বানানটি নিয়ে কোনো প্রশ্ন তুলেননি।
এই ভুল বানান নিয়ে স্থানীয় অধিবাসীরা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। অনেকে মন্তব্য করছেন যে, স্থানীয় প্রশাসন ও মেলা আয়োজকদের বাংলা ভাষার প্রতি অবহেলা দেখা যাচ্ছে। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, "প্রশাসন কি এই ভুলের প্রতি উদাসীন? এটি তো বাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রতি বড় অপমান।"
অন্য একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, "মেলার গেট তৈরির দায়িত্ব যারা নিয়েছিলেন, তাদের দক্ষতা এবং সতর্কতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা কেন?"
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভুল বানান নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে, এবং অনেকেই এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত মেলা আয়োজকদের বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সী সক্রিয় ও রিজার্ভ সেনাসদস্যদের জন্য টেস্টোস্টেরন (পুরুষত্ব হরমোন) ঘাটতির বাধ্যতামূলক স্ক্রিনিং শুরু করা হয়েছে। এই নতুন কর্মসূচির অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
হেগসেথ এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, সেনাসদস্যদের সর্বোচ্চ শারীরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কম পাওয়া যাবে, তাঁরা স্বেচ্ছায় হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (এইচআরটি) গ্রহণ করতে পারবেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেশি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে টেস্টোস্টেরন ব্যবহার সামরিক বাহিনীতে নিষিদ্ধ থাকবে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন, নতুন স্ক্রিনিং কর্মসূচি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর মাধ্যমে সেনাসদস্যদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত একটি বিস্তৃত তথ্যভান্ডার তৈরি হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে।
তবে নারীদের সেনাসদস্যদের ক্ষেত্রেও এই স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এ নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে প্রশ্ন উঠেছে। ডেমোক্র্যাট সিনেটর এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা ট্যামি ডাকওর্থ নারীদের এবং পুরুষদের উভয় সেনাসদস্যের জন্য সমানভাবে হরমোন পরীক্ষা চালুর আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, পেনসিলভানিয়ার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান এবং সাবেক বিমানবাহিনীর সদস্য ক্রিসি হুলাহান এই উদ্যোগকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সর্বশেষ সংস্কৃতিজনিত যুদ্ধের আসক্তি বলে সমালোচনা করেছেন।
বেইলর কলেজ অব মেডিসিনের ইউরোলজি অধ্যাপক ড. মোহিত খেরা মন্তব্য করেছেন, ৩০ বছরের বেশি পুরুষদের টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা করা উচিত, কারণ এটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। তাঁর অভিমত, কম টেস্টোস্টেরণের কারণে পেশিশক্তি এবং কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে উপসর্গ না থাকলে শুধুমাত্র পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে টেস্টোস্টেরন থেরাপি দেওয়া উচিত নয় বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির মাধ্যমে পেশিশক্তি বৃদ্ধি, শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমানো, বিষণ্নতার ঝুঁকি হ্রাস এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন সম্ভব হতে পারে। তবে এই চিকিৎসা সবার জন্য উপযোগী নয়। বিশেষ করে তরুণদের ক্ষেত্রে এটি প্রজননক্ষমতা কমিয়ে বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি হৃদরোগের সম্ভাব্য ঝুঁকিও পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া যায় না।
এদিকে মার্কিন প্রশাসন সম্প্রতি টেস্টোস্টেরন প্রেসক্রিপশনের বিদ্যমান বিধিনিষেধ শিথিলের উদ্যোগ নিয়েছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি সংক্রান্ত কিছু নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে সতর্কবার্তা লেবেল থেকে অপসারণের প্রস্তাব দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ