ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’


জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’

জনপ্রিয় অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করেছেন শেয়ার করেছেন । ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তার বাবার সঙ্গে বর্তমান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রয়েছেন। জয় বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করেছেন ছবিটির মাধ্যমে। তবে তার এই পোস্টের পর ভক্তদের মন্তব্যে জমি পাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

জয় পোস্টে উল্লেখ করেন, তার বাবা একসময় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন। অন্যদিকে, হাফিজ উদ্দিন আহমদ তখন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সরকারি সফরের অংশ হিসেবে দুজন একসঙ্গে নেদারল্যান্ডস ও লন্ডনে গিয়েছিলেন। দুই সপ্তাহের ওই সফরে মন্ত্রীর একমাত্র সফরসঙ্গী ছিলেন জয়-এর বাবা।

জয় জানান, বাবার কাছ থেকে তিনি ওই সময় মন্ত্রীর অনেক ভালো কথা শুনেছিলেন। ছয় বছর ধরে বাবা নেই, অথচ সেই মন্ত্রী আজ আরও বড় দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়ে স্পিকার হয়েছেন- এ বিষয়টি তুলে ধরেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জয় লেখেন, ‘বর্তমান স্পিকার এবং আমার বাবা। বাবা তখন বিএডিসির প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন। আর বর্তমান স্পিকার ছিলেন পরিবেশ এবং বনমন্ত্রী। সরকারি সফরে একসাথে নেদারল্যান্ড এবং লন্ডন গিয়েছিলেন দুই সপ্তাহের জন্য। মন্ত্রীর একজনই সফর সঙ্গী। তিনি আমার বাবা।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ওই সময় বাবার কাছে মন্ত্রীর অনেক সুনাম শুনেছিলাম। আজ আমার বাবা নেই ছয় বছর। অথচ সেই মন্ত্রী আরও বড় হয়ে স্পিকার হয়ে গেছেন। কে জানে দুই সপ্তাহের ইউরোপ সফরের সঙ্গী আমার বাবাকে তিনি মনে রেখেছেন কিনা? না রাখলেও কিছু যায় আসে না। বড় বড় মানুষদের জীবনে কত মানুষ আসে যায়। ছোটরা স্মৃতি আঁকড়ে ধরে রাখে। বড়দের স্মৃতিতে বসবাস করার সময় হয় না।’

পোস্টের শেষে জয় স্পষ্ট করে দেন, এটি কোনো রাজনৈতিক পোস্ট নয়, বরং বাবাকে নিয়ে তার ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ। তার ভাষায়, ‘এই পোস্টটি শুধুমাত্র বাবার স্মৃতিচারণ। ইহা কোন রাজনৈতিক পোস্ট না।’

এদিকে, জয়ের এই পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য করছেন অনুরাগীরা। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এবার জমি পাবে নিশ্চিত।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘কতো কাঠা জমি দরকার ভাইয়া?’

আরও পড়ুন: তানজিন তিশার ক্ষোভ, ফ্যাশন ডিজাইনারের বিরুদ্ধে মামলার প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন তুললেন

তবে ভক্তদের এসব মন্তব্যে জমির প্রসঙ্গ কেন এসেছে, তা নিয়ে পোস্টে বিস্তারিত কিছু জানাননি জয়। তার মূল বক্তব্যজুড়ে ছিল প্রয়াত বাবার স্মৃতি এবং একসময় বাবার সফরসঙ্গী থাকা ব্যক্তির বর্তমান অবস্থান নিয়ে ব্যক্তিগত অনুভূতি।

বাবার সঙ্গে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের পুরোনো ছবিটি শেয়ার করে জয় মূলত স্মৃতির পাতায় ফিরে গেছেন। আর সেই পোস্ট ঘিরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ এম


উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

কক্সবাজারের উখিয়ায় গভীর নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে বেরিয়ে আসা গ্যাসের আগুন ১৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও নিভানো সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলের দিকে আগুনের শিখা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতে আগুনের দৃশ্য দেখতে ইনানী মেরিন ড্রাইভের ছোট ব্রিজ এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়। দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানোর জন্য ঘটনাস্থলের চারপাশে নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানী মেরিন ড্রাইভের ছোট ব্রিজসংলগ্ন মোস্তফা সিকদারের বাড়ির আঙিনায় নলকূপ খননের স্থান থেকে আগুন বেরিয়ে আসে। খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করে। পরে কক্সবাজার শহর থেকেও একটি ইউনিট সেখানে যোগ দেয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়েও আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি।

আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় বিকেল ৩টার দিকে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়। সন্ধ্যার পরও আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজারের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় আশপাশের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে রয়েছে। ভূগর্ভে গ্যাসের উপস্থিতি ও এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) অবহিত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, নলকূপ খননের সময় প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিষয়টি বাপেক্সকে জানানো হয়েছে। ঢাকা থেকে সংস্থাটির দুই সদস্যের একটি দল সন্ধ্যার পর বিমানে কক্সবাজারে পৌঁছেছে। রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কাজ শুরু করার কথা।

এদিকে গ্যাসের আগুন বিদ্যুতের তারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক কর্মকর্তা জানান, ৩৩ কেভি লাইনের মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। আগুনের কাছাকাছি এলাকায় একাধিক বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম বলেন, বাড়ির আঙিনায় গভীর নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে গ্যাস বেরিয়ে এসে আগুনের সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ওই এলাকায় কোনো গ্যাসের পাইপলাইন নেই। ঘটনাস্থল থেকে কক্সবাজার শহরের দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার।

স্থানীয় জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শামশুল আলম জানান, ঢাকার এক ব্যক্তি মোস্তফা সিকদারের বাড়ির কিছু জমি কিনেছেন। সেখানে ১০ থেকে ১৫ দিন আগে একটি গভীর নলকূপ খনন করা হয়। প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ ফুট গভীর পর্যন্ত খনন করেও পানি পাওয়া যায়নি। পরে সোমবার পাশের আরেকটি স্থানে নতুন করে খননকাজ শুরু করেন শ্রমিকেরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেখান থেকেই আগুন বেরিয়ে আসে।

শামশুল আলমের ভাষ্য, প্রথমে স্থানীয় লোকজন বালু ও পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে কাজ শুরু করেন। তবে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আগুনের শিখা বাড়তে থাকায় আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যদিও ঘটনাস্থলের কাছে বসতবাড়ি কিংবা আবাসিক হোটেল-রিসোর্ট না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি তুলনামূলক কম বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%