বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১১:১৫ পি.এম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশন আগামী ২৭ জুন, শনিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এই মুলতবি ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মেলান্দহে বন্যার আগাম সতর্কবার্তা সম্পর্কিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক রিফেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় ২৫ জুন বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে। এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও জান্নাতুল আরা। এই আয়োজনটি করা হয়েছে প্রভাতী প্রকল্প ডিডিএম কম্পোনেন্টের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে। কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এবং অনলাইন উপস্থাপনা করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধি ড. হাফিজুর রহমান, প্রভাতী প্রকল্পের সমন্বয়ক নিতাই দে সরকার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রিতম কুমার সরকার এবং জিআইএস-এর স্পেশালিস্ট আরিফ মাহমুদ অনিক প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় গুলিবিদ্ধ ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মায়ের সঙ্গে দেখা করে সদর আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, "আমরা সবাই তাদের (মাদক ব্যবসায়ীদের) কাছে স্যারেন্ডার করে চলে যাই। আর না হয় কিছু একটা করেন বিজয়পুর যা হয়েছে। না হয় চলেন মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে (ক্ষমতা) ছাইড়া দেই। মাদক ব্যবসায়ী থাকবে, একজন স্কুল ছাত্র স্কুলে যেতে পারবে না, তারপর আপনি ওসি থাকবেন আমি এমপি থাকব এটা ঠিক না। কি জবাব দিবেন এই পরিবারের কাছে। মাদক কারবারীদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে।"
বৃহস্পতিবার রাত নয়টায় কুমিল্লা নগর এর কাটাবিল এলাকায় আহত ইথান আহমেদের মায়ের সঙ্গে দেখা করে এসব কথা বলেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
তিনি আরো বলেন, "মাদক কারবারীদের ধরতে প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র সচিবের সাথে কথা বলা হবে। তাদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে আমি ডিআইজি এবং কুমিল্লার এসপি সাহেবের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি রাতের মধ্যেই ফলাফল দেখতে চাই।"
তারপর মনিরুল হক চৌধুরী আহত ইথান আহমেদের মা সোনিয়া আক্তারের সঙ্গে কথা বলেন। তার সঙ্গে কে কে আছে তার খোঁজখবর নিয়ে ঢাকায় মেডিকেল কলেজে যোগাযোগ করে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।
এ সময় আহত ইথান আহমেদের মা বলেন, "অপু এবং সাব্বির দুই গ্রুপের মধ্যে কয়েকদিন ধরেই মারামারি চলছিল। আজকে আমি আমার ছেলেকে স্কুলে পাঠিয়েছিলাম। টিফিন দেওয়ার পর বাসায় আসার সময় আমার ছেলের পিঠে গুলি লাগে। আমার একটি মাত্র ছেলে। আমার ছেলের কিছু হলে আমি কি নিয়ে বাঁচবো।"
উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর কাঁটাবিল এলাকায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন কর্মসূচিতে হামলা ও গুলির ঘটনায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থী ইথান আহম্মেদ প্রেম (১২) ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। কাটাবিল উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়েন। সে নগরীর কাঁটাবিল এলাকার মো ইউনুস মিয়ার ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন। এখন সে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রুশ সেনারা সামনের দিকে শত্রু খুঁজছিলেন। কিন্তু এখন তাদের জন্য নতুন একটি সমস্যা আসছে পেছন থেকে। কারণ আকাশে রয়েছে একটি ড্রোন, যা নিজেরাই লক্ষ্য চিনে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। আর মুহূর্তের মধ্যে এই ড্রোন ধ্বংস্ নিয়ে আসে। এই এআই ড্রোনই এখন একের পর এক রুশ রসদবাহী কনভয় ধ্বংসের মাধ্যমে যুদ্ধের গতিপথ পরিবর্তন করার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিশ্লেষণ যেমন বিবিসি ও আনাদোলু এজেন্সি বলছে, ইউক্রেন এআই-চালিত ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়াকে চাপের মধ্যে ফেলতে চেষ্টা করছে।
বিবিসি ভেরিফাইয়ের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পূর্বের মাসে ক্রিমিয়া এবং দক্ষিণ ইউক্রেনের অধিকৃত অঞ্চলের সঙ্গে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে কমপক্ষে ১৪টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউক্রেন এখন শুধুমাত্র সামনের যুদ্ধক্ষেত্রে নয়, বরং রাশিয়ার পুরো সরবরাহ ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। নতুন এআই-চালিত ড্রোন ব্যবহার করে খাদ্য, জ্বালানি ও গোলাবারুদ বহনকারী ট্রাকগুলো খুঁজে বের করে ধ্বংস করছে দেশটি। শুধুমাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে অন্তত ১৫০টি যানবাহন ধ্বংস হওয়ার বিষয়টি একাধিক সংবাদ মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এটি ইউক্রেনের ভাষায় ‘লজিস্টিকস লকডাউন’ কৌশল। অর্থাৎ সরাসরি সেনাদের উপর হামলা নয়, বরং খাদ্য, জ্বালানি ও গোলাবারুদ পৌঁছানোর পথ বন্ধ করতে হবে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, এই কৌশলের লক্ষ্য হলো রুশ বাহিনীর ওপর চাপ বৃদ্ধি করা এবং তাদের ধারাবাহিক আক্রমণের সক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া।
এই অভিযানের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো নতুন ‘হর্নেট’ এআই ড্রোন। বিশেষজ্ঞদের মতে, গত চার বছরে সংগ্রহকৃত হাজার হাজার ঘণ্টার রুশ সামরিক লক্ষ্যবস্তুর ভিডিওর মাধ্যমে এই ড্রোনগুলো প্রশিক্ষণ লাভ করেছে। ফলে এগুলো এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্ভাব্য লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারছে। স্টারলিংক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের সুবিধা গ্রহণে রুশ বাহিনীর ইলেকট্রনিক জ্যামিংও ড্রোনগুলোকে অক্ষম করতে পারছে না সহজেই।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রযুক্তির ফলে এখন সম্মুখসমর থেকে ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে থাকা রুশ রসদবাহী যানবাহনও নিরাপদ নয়। এবং এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া কিছু এলাকায় কনভয়ের আকার ছোট করতে বাধ্য হয়েছে। দক্ষিণ ইউক্রেনে ভারী সামরিক সরঞ্জামের চলাচলও সীমিত করা হয়েছে। কোথাও কোথাও ড্রোনের নজর এড়াতে রুশ বাহিনী কাঁচা রাস্তা এবং মাঠ ব্যবহার করছে।
এই অবস্থায় যুদ্ধ বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার পর ইউক্রেনের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই সুবিধা স্থায়ী নাও হতে পারে। কারণ যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তির লড়াই কখনও থেমে থাকে না। ইউক্রেন যেমন নতুন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে, রাশিয়ার পক্ষ থেকেও যেকোনো মুহূর্তে পাল্টা চাল দেওয়া হতে পারে। তবে আপাতত এই আকাশে উড়তে থাকা বুদ্ধিমান ড্রোনগুলো রাশিয়ার জন্য নতুন এক দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ