বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৩ পি.এম
নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর মন্তব্য করেছেন যে, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে র্যাবের মতো একটি সংগঠন অত্যন্ত প্রয়োজন। তিনি বলেন, দক্ষতা, শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এ ধরনের বাহিনীর কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’-এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বিরোধীদলীয় সদস্যদের বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বাবর বলেন, “বিরোধী দলের সদস্যরা ইমিডিয়েট যে সমস্যাগুলো, সেটাই দেখছেন। বিগত ১৫ বছরের দুঃশাসন, সেটাই উনাদের চোখের সামনে আছে।
কিন্তু এর পূর্বের যে সরকার, যখন ১৭ আগস্টে সিরিজ বোমা হামলার সন্ত্রাসীদের ধরা হয়েছিল। এ ছাড়া চাঁদাবাজদের ধরা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় র্যাব কাজ করেছে। প্রতিটা সফলতার সময় বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছিল। আমার মনে হয়, সেটা আমাদের সম্মানিত বিরোধী দলের সদস্যরা ভুলে গেছেন।
’
তিনি বলেন, “র্যাবের মতো একটা সংগঠন এ দেশে অত্যন্ত প্রয়োজন। বিএনপির আগের সময়ে দক্ষতা, শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠার সঙ্গে র্যাব কার্যক্রম পরিচালনা করেছিল। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তখন রাজনৈতিকভাবে র্যাবকে পরিচালিত করা হয়নি।”
র্যাব পরিবর্তনের প্রসঙ্গে সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এ ব্যাপারে বেশ কিছুদিন আগে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল।
উনি তখন বলেছিলেন র্যাবকে পরিবর্তন করতে হবে। কিন্তু আমি উনার সঙ্গে অনেকক্ষণ আর্গুমেন্ট করেছিলাম যে, পরিবর্তন করাটা ঠিক হবে না। পরে আমার সঙ্গে উনার কথা হয়নি। কিন্তু আমি বুঝি, র্যাবের মতো একটা সংগঠন দরকার।”
র্যাবের পরিবর্তে এসআরবি গঠনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বাবর বলেন, “হয়তো র্যাবের পরিবর্তে এসআরবি নামে যে সংগঠনটা আসছে, সেটা প্রয়োজন। কারণ এখনো বিভিন্ন বোমা হামলা হচ্ছে। আপনারা দেখছেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী যেকোনো একটি দেশ বিভিন্নভাবে বিভিন্ন রকম প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে এবং অতীতেও করেছিল। এ কারণে র্যাবের মতো একটা সংগঠন প্রয়োজন।
বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করে বাবর বলেন, “এসআরবি দেশের জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের স্বার্থে অত্যন্ত প্রয়োজন।” তিনি আরো বলেন, “অনেক কিছু আছে, যেটা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার গভীরতার স্বার্থে আমি হয়তো বলতে পারছি না। কিন্তু এটা অত্যন্ত প্রয়োজন।
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০৫
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩১ জনকে গ্রেফতার করেছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে আজ প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গতকাল বুধবার থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন শাকিল (২৮), সাইন (২৭), ইব্রাহিম (২৪), রয়েল ওরফে ইমন (২২), জুয়েল (৩০), আশিক ইসলাম শিশির (২৩), স্বপন (২৪), মাহাবুব আলম (২৮), মাহাবুব (২৯), রাসেল (৪০), নাসের আল হেলাল (২৮), মমতাজ (২৬), আকাশ সরকার (২৩), বিজয় (৩৬), সাইনুল ইসলাম (২৫), উজ্জ্বল (৪০), রহিত (২০), শাহিন (২৪), মেহেদী হাসান (২৬), সুমন (৩২), দ্বীন ইসলাম (২৬), আব্দুর রহমান (২২), নয়ন (৩৪), পারভেজ (২৬), বাবু আল হেলাল (২৬), আরিফ (২৪), বিপুল (১৯), ইব্রাহিম (২০), মহর আলী (৭০), হাসান (২১) এবং মামুন (২৯)।
অভিযানের সময় ৫৮ পিস ইয়াবা, ৫৮ গ্রাম গাঁজা ও ২ পাতা হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইনস্পেকটর জেনারেল অব পুলিশ আইজিপি’র নির্দেশনা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬। উক্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে কালিগঞ্জ থানার বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠন করা হয়েছে একটি চৌকস কাবাডি টিম। বাছাইপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে কালিগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকার কাবাডি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে উপজেলা পরিষদ মাঠে কাবাডি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাইনুল ইসলাম খান। এ সময় উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ শাহিনুর রহমান জানান, খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং পুলিশ ও জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। খেলাধুলার মাধ্যমে সুন্দর, সুস্থ ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তোলার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহত সুমন সিকদার (৩৮) কালেরকাঠী গ্রামের মৃত আদম আলী সিকদারের ছেলে এবং পেশায় ভ্যান চালক।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টায় উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আদিল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার পর অভিযুক্ত রিগ্যান হাওলাদার, সুমন সিকদার ও মনা তালুকদার পলাতক রয়েছেন। রিগ্যান ওই এলাকার রফিক হাওলাদারের পুত্র। সে যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত। সুমন সিকদার ওই এলাকার বাবুল সিকদারের পুত্র এবং মনা তালুকদার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ।
নিহত সুমনের মা মনোয়ারা বেগম জানান, স্থানীয় যুবদল নেতা রিগ্যানের সাথে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ীর সামনে তার ছেলের সাথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তর্কাতর্কি ও মারামারি হয়। একপর্যায়ে রিগ্যান ও তার সমর্থক মনা তালুকদার, সুমন সিকদারসহ ৮-১০ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুমন শিকদারের মাথায়, হাতে, পায়েসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারি কোপায়। সুমনের মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে হত্যাকারীরা তাকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী পুকুরে ফেলে চলে যায়। থানা পুলিশ খবর পেয়ে সুমনকে পুকুর থেকে তুলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ সত্যজিৎ দত্ত তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা ও নিহত সুমনের ছেলে তানভীর সিকদার জানায়, কিছুদিন পূর্বে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ মনা তালুকদার তার ছোট মা মনি বেগমের সাথে পরকীয়া সম্পর্ক করে ভাগিয়ে নিয়ে যায়। এই ঘটনা নিয়ে তার বাবার সাথে মনার পূর্বশত্রুতা ছিল।
ওসি আদিল হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে দেশে দ্বিতীয় দফার বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে ২৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় অধিকাংশ টিকা ইতোমধ্যে ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাগুলি ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবারের মধ্যে দেশে আসবে।
ঢাকার ধানমণ্ডির ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজে ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজঅ্যাবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল।
হামের সংক্রমণ ও মৃত্যু বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সরকার চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। জরুরি ভিত্তিতে দেশের ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় ৫ এপ্রিল থেকে ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের টিকা প্রদান শুরু হয়। এরপর ১২ এপ্রিল চারটি সিটি করপোরেশন এলাকায় এই কর্মসূচি চালু হয়। ২০ এপ্রিল থেকে দেশের অন্যান্য স্থানে একই বয়সের শিশুদের জন্য টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়ে ২০ মে তা শেষ হয়।
কিন্তু ওই কর্মসূচির সমাপ্তির পরও হামের সংক্রমণ অব্যাহত থাকে। এরপর সরকার মপ-আপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে ১৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা প্রদান করা হয়েছে।
তবে সংক্রমণ সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে না আসায় আবার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফার ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য হবে আগের কর্মসূচিতে টিকা থেকে বাদ পড়া শিশুদের শনাক্ত করে তাদের টিকার আওতায় আনা।
এতে আগের হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে টিকা না পাওয়া শিশু, কর্মসূচি থেকে বাদ পড়া বা দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী শিশু এবং যেসব শিশুর নিয়মিত টিকাদানে ঘাটতি রয়েছে, তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ থাকবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাদ পড়া শিশুদের শনাক্ত করে টিকাদানের আওতায় আনা হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্বিতীয় দফার কর্মসূচির জন্য পর্যাপ্ত টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকাতেও টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে ইতোমধ্যে দেশে এসেছে এবং অবশিষ্ট টিকা ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পৌঁছাবে।
হামে মৃত্যু নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষিতে মন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে কোনো টিকা মজুত ছিল না। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার মাত্র ২১ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। হামে মৃত্যুর জন্য বর্তমান সরকারের কোনো দায় নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সরকারি হিসাবে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণ ও মৃত্যুর এই পরিস্থিতির মধ্যেই দ্বিতীয় দফার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির ঘোষণা এসেছে।
ডেঙ্গু নিয়েও প্রস্তুতির কথা জানালেন মন্ত্রী।
সেমিনারের পর ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ঢাকার হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কমাতে প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল হাসপাতালের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েই রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে গুরুতর রোগীদের প্রয়োজন ছাড়া ঢাকার তৃতীয় স্তরের হাসপাতালগুলোতে পাঠানো না হয়।
তিনি জানান, টারশিয়ারি হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে সোসাইটি অব মেডিসিনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার বাইরে হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় মশা নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। তার মতে, ঢাকার বাইরে চিকিৎসার সুযোগ থাকলেও ডেঙ্গু আক্রান্ত অনেক রোগী ঢাকায় চলে আসেন।
অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকরাই রোগীদের ঢাকায় পাঠিয়ে দেন, এমন অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের মধ্যেও এক ধরনের ভীতি কাজ করে। সে কারণেই তারা রোগীদের ঢাকার হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ