ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় বিএনপির যেসব নেতার নাম


রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় বিএনপির যেসব নেতার নাম

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে জানাতে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।

শুক্রবার সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাশেদ মিজান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের পরবর্তী এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন শুক্রবার বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে (পূর্ব ব্লক, লেভেল-১) অনুষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তা স্পিকারের কাছে জমা দেবেন এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে। এটাই সংবিধানের বিধান—আজ দুপুরে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হতে পারেন তা নিয়ে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়। রাষ্ট্র পরিচালনা এবং রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দল ও সরকারের পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে মির্জা ফখরুলের নাম তালিকার শীর্ষে আছে। যদি মির্জা ফখরুল নির্বাচিত হন, তবে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হয়ে উঠবেন।

 

দলীয় সূত্র জানায়, দলের অনুগত এবং দুঃসময়ের কাণ্ডারি হিসেবে তাকেই বিবেচনা করা হচ্ছে পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মির্জা ফখরুলের ইতিবাচক মনোভাব এবং বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি তাকে সর্বজন গ্রহণযোগ্য করেছে। দল-মত-নির্বিশেষে তিনি একটি সজ্জন রাজনীতিক হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন।

মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি, ড. আব্দুল মঈন খান এমপি ও নজরুল ইসলাম খানের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের প্রত্যেকের দলের প্রতি আনুগত্য, দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি কমিটমেন্ট রয়েছে। দলের বাইরে অরাজনৈতিক ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তি হিসেবে অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর নামটিও দলের হাইকমান্ডের তালিকায় রয়েছে বলেও দলীয় একটি সূত্র জানায়।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘একটি নামই আছে। আপাতত বিকল্প ভাবা হচ্ছে না। দলের আর বিকল্প নেই।’

মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের পর স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে অথবা একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবে। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদেই পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে কে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, তা রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

 

নতুন রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই। আমি কোনো কর্তৃপক্ষও নই। নতুন রাষ্ট্রপতি যিনি আসবেন তাঁর সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই অবগত আছেন। উনার বিভিন্ন মাধ্যম আছে, সব তথ্য উনার কাছে আছে। বাইরে থেকে বলার কিছু নেই।’

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলেন, “সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা আছে—‘রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত, কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।’

এ ছাড়া সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে সেটি পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এরপর সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ রাজনৈতিক পালাবদলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. সাহাবুদ্দিন।

আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক সুবিধা পেল বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক সুবিধা পেল বাংলাদেশ

 যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্যিক শুল্ক ব্যবস্থায় বাংলাদেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কহার লাভ করেছে। এর ফলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা মার্কিন বাজারে আরও শক্তিশালী করবে, যা চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় প্রভাব ফেলবে।

আজ শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ১৯৭৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ ধারার আওতায় জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগে তদন্তের পর মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) বিশ্বের ৮৬টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৬০টি অর্থনীতির জন্য নতুন শুল্কহার ঘোষণা করেছে।

২৩ জুলাই ঘোষিত এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ থেকে ওয়াশিংটন সময় রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক কার্যকর হয়েছে। এটি ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারার আওতায় পূর্বে আরোপিত অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের পরিবর্তে নতুন ব্যবস্থাকে কার্যকর করছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন (এমএফএন) শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ৮৬টি দেশের মধ্যে ১৭টি দেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকসহ দেশের সামগ্রিক রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান অক্ষুণ্ন থাকবে।”

অন্যদিকে, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডকে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কস্তরে রাখা হয়েছে। ফলে এসব দেশের তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তুলনামূলক সুবিধা বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, ইউএসটিআর বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছর মেয়াদি ট্যারিফ-রেট কোটা (টিআরকিউ) চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে। যদি এটি কার্যকর হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও বস্ত্র উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে ৩০১ ধারার অতিরিক্ত শুল্ক মওকুফ করা হতে পারে।

এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা আরও একটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা লাভ করবেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বস্ত্র উপকরণের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্প্রসারণেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাতগুলোর টেকসই প্রবৃদ্ধি, নীতিমালা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রিন্স মামুন কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


প্রিন্স মামুন কারাগারে

এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি এবং দ্বিতীয় স্ত্রী মোহনাকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি প্রিন্স মামুন নামে পরিচিত, তাকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম, মামলার শুনানি শেষে, প্রিন্স মামুনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ প্রদান করেন।

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াউর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করেন এবং তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান। অন্যদিকে, প্রিন্স মামুনের আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তবে শুনানি চলাকালীন বাদীপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে সাড়ে আটটার দিকে মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা বাদী হয়ে রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলাটি করেন। মামলার পর পরই ভাটারা থানা-পুলিশ মামুনকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মোহনা পেশায় একজন ফ্যাশন মডেল। তারা প্রায় পাঁচ মাস আগে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে বিয়ে করেছেন। বিয়ের পর থেকেই নানাবিধ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য শুরু হয়।

বাদীর অভিযোগ, মামুন বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত এবং নেশাগ্রস্ত। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মোহনাকে মারধর করা হচ্ছে। আরেকটি অভিযোগ হলো, ব্যবসার উদ্দেশ্যে বিয়ের পর থেকে বাদীর কাছে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করে আসছেন মামুন।.

এক কোটি টাকা যৌতুকের দাবি না মানলে তার ওপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন চালানো হয়ে থাকে। এজাহারে আরও বলা হয়, নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার রাতে সাড়ে ১২টার দিকে মোহনার বাসায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় যান প্রিন্স মামুন।

সেখানে এসে তিনি বাবা-মায়ের কাছ থেকে এক কোটি টাকা যৌতুক নিয়ে আসার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। মোহনা অস্বীকৃতি জানানোর পর তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে মামুন উত্তেজিত হয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করেন এবং মোহনাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন। এমনকি গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এই হামলায় মোহনার বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম দেখা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে সিজেপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


দিল্লিতে সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে সিজেপি

অনশন এবং রাজপথের উত্তাল প্রতিবাদের মুখে থাকার পর অবশেষে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আন্দোলনকারী তরুণদের দাবি মেনে নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) অনুরোধের পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়াতে দুপক্ষের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, তবুও আন্দোলনকারীদের মূল দাবিগুলো পূরণে সরকারের আশ্বাসের পর বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক তার ২৬ দিনের অনশন ভঙ্গ করেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে নিরপেক্ষ পরিবেশে এই বৈঠক শুরু হয়। সরকারের নমনীয় মনোভাব এবং নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনার প্রস্তাব মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সিজেপি।

সংগঠনটির জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস সাংবাদিকদের জানান, ‘একটি আলোচনার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে সরকার এক নিরপেক্ষ স্থানে বৈঠক করার অনুরোধে শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছে এবং আলোচনা করার জন্য কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আশা করি সরকার খোলা মনে আলোচনা করবে এবং আন্দোলনরত তরুণদের কথা শোনার সুযোগ পাবে।’

এর আগে সরকারের মন্ত্রী ভবন বা তাদের দাপ্তরিক কার্যালয়ে বৈঠকের সব ধরনের আমন্ত্রণ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিল সিজেপি। সরকার সম্পর্কিত যেকোনো পরবর্তী আলোচনা নিরপেক্ষ স্থানে করতে হবে, এই বিষয়ে তারা অনড় ছিলেন।

গত ২০ জুলাই দুই পক্ষের মধ্যে একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওইদিন সিজেপির দুই শীর্ষ প্রতিনিধি সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবনে সাক্ষাৎ করার জন্য যান। পরে অভিযোগ ওঠে যে, মন্ত্রী ভবন চত্বরে বৈঠক চলাকালীন তাদের প্রায় বন্দি করে রাখা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার পর থেকেই আন্দোলনকারীরা সরকারের যেকোনো দাপ্তরিক ভবনের পরিবর্তে নিরপেক্ষ স্থানকেই প্রধান শর্ত হিসেবে সামনে আনেন।

এদিকে সিজেপি আরও জানিয়েছে, দেশের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত দিল্লির যন্তর মন্তরে তাদের গণপ্রতিবাদ কর্মসূচি থামবে না।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পাশাপাশি তাদের অন্যান্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে অনিয়মের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার করা, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ফলে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আন্দোলনের কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেপুটি স্পিকারের সহযোগিতায় শিশুর সফল হৃদরোগের অস্ত্রোপচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


ডেপুটি স্পিকারের সহযোগিতায় শিশুর সফল হৃদরোগের অস্ত্রোপচার

জেলার দুর্গাপুরে দুই বছর বয়সী এক শিশুর চিকিৎসার সার্বিক দায়িত্ব নিয়ে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাকে সুস্থ করে তুলেছেন। শিশুটির হৃদরোগ ছিল জন্মগত কারণে।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের বিশেষ উদ্যোগ ও সহযোগিতায় শিশুটির হৃদযন্ত্রে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে পরিবারের সঙ্গে নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের আগে ও পরে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নিয়মিত অসুস্থ মানুষের খবরাখবর নিচ্ছেন এবং তাদের সমস্যা সমাধান করছেন স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিধি দলের মাধ্যমে।

সম্প্রতি উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের সাগরদিঘী গ্রামের বাসিন্দা থিওফিল সাংমা এবং মারিয়া নেংমীঞ্জ দম্পতির শিশু সন্তান সেংনাম শিমনের অসুস্থতার খবর পান তিনি। শিশুটি জন্ম থেকেই হৃদযন্ত্রে ছিদ্রজনিত জটিলতায় ভুগছিল, যা অর্থাভাবে পরিবারটির পক্ষে সামলানো অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

খবর পেয়ে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও তার টিম শিশুটির উন্নত চিকিৎসার সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৮ জুলাই শিশুটিকে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করা হয়। সেখানে অভিজ্ঞ হৃদরোগ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে সফলভাবে তার জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।

বাড়িতে ফিরে আসার পর শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ডেপুটি স্পিকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। ব্যারিস্টার কায়সার কামালের এমন মহতী উদ্যোগের জন্য সাধারণ মানুষের প্রশংসা অব্যাহত রয়েছে।

চিকিৎসা শেষে শিশুটি সুস্থ হওয়ায় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন। তিনি চিকিৎসক ও তার স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিধি দলের প্রতি ধন্যবাদও জানিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন যে, এলাকার সাধারণ ও অসহায় মানুষের সেবায় এ ধরনের সহায়তামূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%