প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অনশন এবং রাজপথের উত্তাল প্রতিবাদের মুখে থাকার পর অবশেষে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আন্দোলনকারী তরুণদের দাবি মেনে নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) অনুরোধের পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়াতে দুপক্ষের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, তবুও আন্দোলনকারীদের মূল দাবিগুলো পূরণে সরকারের আশ্বাসের পর বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক তার ২৬ দিনের অনশন ভঙ্গ করেন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে নিরপেক্ষ পরিবেশে এই বৈঠক শুরু হয়। সরকারের নমনীয় মনোভাব এবং নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনার প্রস্তাব মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সিজেপি।
সংগঠনটির জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস সাংবাদিকদের জানান, ‘একটি আলোচনার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে সরকার এক নিরপেক্ষ স্থানে বৈঠক করার অনুরোধে শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছে এবং আলোচনা করার জন্য কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আশা করি সরকার খোলা মনে আলোচনা করবে এবং আন্দোলনরত তরুণদের কথা শোনার সুযোগ পাবে।’
এর আগে সরকারের মন্ত্রী ভবন বা তাদের দাপ্তরিক কার্যালয়ে বৈঠকের সব ধরনের আমন্ত্রণ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিল সিজেপি। সরকার সম্পর্কিত যেকোনো পরবর্তী আলোচনা নিরপেক্ষ স্থানে করতে হবে, এই বিষয়ে তারা অনড় ছিলেন।
গত ২০ জুলাই দুই পক্ষের মধ্যে একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওইদিন সিজেপির দুই শীর্ষ প্রতিনিধি সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবনে সাক্ষাৎ করার জন্য যান। পরে অভিযোগ ওঠে যে, মন্ত্রী ভবন চত্বরে বৈঠক চলাকালীন তাদের প্রায় বন্দি করে রাখা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার পর থেকেই আন্দোলনকারীরা সরকারের যেকোনো দাপ্তরিক ভবনের পরিবর্তে নিরপেক্ষ স্থানকেই প্রধান শর্ত হিসেবে সামনে আনেন।
এদিকে সিজেপি আরও জানিয়েছে, দেশের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত দিল্লির যন্তর মন্তরে তাদের গণপ্রতিবাদ কর্মসূচি থামবে না।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পাশাপাশি তাদের অন্যান্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে অনিয়মের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার করা, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ফলে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আন্দোলনের কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন