ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অপপ্রচারকারীরাই এখন কার্ড পেতে আগ্রহী: এমপি খোকন তালুকদার


ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অপপ্রচারকারীরাই এখন কার্ড পেতে আগ্রহী: এমপি খোকন তালুকদার

মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেছেন, "যারা ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বিতর্ক করেছেন এবং অপপ্রচার চালিয়েছেন, তারাই এখন ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।"

তিনি শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ডাসার উপজেলার পূর্ব খান্দুলী এলাকায় সংসদ সদস্যের বাসভবনের হলরুমে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

খোকন তালুকদার আরও বলেন, "শুধু সমালোচনার জন্য সমালোচনা করবেন না। সত্যের পাশে থাকুন। যা ভালো, তাকে ভালো বলুন। আর যা খারাপ, তা অবশ্যই সমালোচনা করুন। গঠনমূলক সমালোচনা আমরা শুনতে বাধ্য।"

আরও পড়ুন: আমার দেখা মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব রফিকুল ইসলাম জামাল ভাইয়ের অবিস্মরণীয় ও কালজয়ী রাজনৈতিক অধ্যায়

তিনি বলেন, "আমরা যে দলই করি না কেন, যেভাবেই থাকি না কেন—সবার আগে বাংলাদেশ। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।"

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাসেদুল ইসলাম, ডাসার উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন তালুকদার, কালকিনি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হাওলাদার, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান তালুকদার, ডাসার উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলাউদ্দিন সরদারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এ কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা বাণী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল ফিতনার বিস্তার ও ইসলামের প্রতিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ এম


ডিজিটাল ফিতনার বিস্তার ও ইসলামের প্রতিকার

বর্তমানে আমরা এমন এক যুগে বাস করছি, যেখানে একটি মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ মুহূর্তেই একজন মানুষকে বিশ্বব্যাপী তথ্য প্রচারের সক্ষমতা দেয়। তথ্যপ্রযুক্তির এই বিপ্লব মানবকল্যাণে অসামান্য অবদান রাখলেও এর অপব্যবহার নতুন ধরনের এক সামাজিক ও নৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। গোপনীয়তা অনুসন্ধান, অমূলক ধারণা, গুজব, অপপ্রচার, অপবাদ, চরিত্রহনন, ভুয়া স্ক্রিনশট, ডিপফেক (উববঢ়ভধশব), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও) দিয়ে তৈরি মিথ্যা ছবি, ভিডিও ও কণ্ঠস্বর- এসবের মাধ্যমে ব্যক্তি, পরিবার, প্রতিষ্ঠান এমনকি রাষ্ট্রকেও বিভ্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। ইসলামের বিচারে এগুলো কেবল অনৈতিক কাজ নয়; বরং বহু ক্ষেত্রে মহাপাপ, ফিতনা এবং ইহ ও পরকালে কঠিন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

কোরআন মানুষের চিন্তা ও তথ্য গ্রহণের নৈতিকতা দিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে ইমানদারগণ! তোমরা অধিক ধারণা থেকে বিরত থাক; নিশ্চয় কিছু ধারণা পাপ। তোমরা একে অপরের গোপন বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং কেউ কারও গিবত করো না।’ (সুরা আল-হুজুরাত : ১২)। এই একটি আয়াতেই ডিজিটাল যুগের বহু অপরাধের বাস্তব সমাধান বর্ণিত হয়েছে। কারণ অমূলক ধারণা থেকেই সন্দেহ জন্মায়, আর সন্দেহ মানুষকে অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য অনুসন্ধানে উদ্বুদ্ধ করে। সেখান থেকেই শুরু হয় গুজব, অপবাদ ও চরিত্রহনন। তাই এসবই নিষিদ্ধ অপকর্ম। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি, ভিডিও বা বক্তব্যের প্রকৃত প্রেক্ষাপট না জেনেই অনেক সময় মানুষ মন্তব্য করে, বিচার করে এবং অন্যদেরও বিভ্রান্ত করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এমন ভিডিও বা কণ্ঠস্বর তৈরি করা যায়, যা বাস্তব বলে মনে হয়। ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তির মুখ বা কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা এখন আর কল্পনার বিষয় নয়; এটি বাস্তব এবং দ্রুত সংক্রমিত একটি চ্যালেঞ্জ। একইভাবে ভুয়া স্ক্রিনশট, সম্পাদিত ছবি, বিকৃত অডিও কিংবা প্রসঙ্গবিচ্ছিন্ন ভিডিও ব্যবহার করে মানুষের সম্মান নষ্ট করা হচ্ছে। ইসলামের দৃষ্টিতে এগুলো প্রতারণা, মিথ্যা সাক্ষ্য এবং অপবাদের সমপর্যায়ভুক্ত।

আল্লাহ আরও বলেন, ‘যদি কোনো ফাসিক ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তোমরা তা যাচাই করে নাও; অন্যথায় অজ্ঞতাবশত কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতি করে পরে অনুতপ্ত হবে।’ (সুরা আল-হুজুরাত : ৬)। এই আয়াত তথ্য যাচাইয়ের এমন একটি মৌলিক নীতি প্রতিষ্ঠা করেছে, যা আজকের ভাষায় ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’-এর ভিত্তি। কোনো তথ্য, ছবি, ভিডিও বা অডিও যাচাই ছাড়া প্রচার ও বিশ্বাস করা একজন মুসলিমের জন্য বৈধ নয়। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য যতটুকু যথেষ্ট যে সে যা শোনে তাই প্রচার করে।’ (সহিহ মুসলিম)। বর্তমান সময়ে এই হাদিসের তাৎপর্য আরও গভীর। একটি ‘শেয়ার’, ‘ফরোয়ার্ড’ কিংবা ‘রিপোস্ট’ কখনো কখনো হাজারো মানুষের কাছে মিথ্যা পৌঁছে দেয়। ডিজিটাল অপপ্রচারের আরেকটি ভয়াবহ দিক হলো চরিত্রহনন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যক্তি, আলেম, শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ কিংবা সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালিয়ে সামাজিক মর্যাদা ধ্বংস করা হচ্ছে। আল্লাহ বলেন, ‘যারা মুমিন পুরুষ ও নারীদের প্রতি এমন অপরাধের অপবাদ দেয় যা তারা করেনি, তারা ভয়ংকর অপবাদ ও সুস্পষ্ট পাপের বোঝা বহন করে।’ (সুরা আল-আহযাব : ৫৮)। উল্লেখ্য, সুরা আন-নুরে ‘ইফক’-এর ঘটনা বা অপপ্রচারসম্পর্কিত আয়াতগুলো আমাদের শিক্ষা দেয় যে একটি মিথ্যা অপবাদ পুরো সমাজকে অস্থির করে দিতে পারে। তাই প্রমাণ ছাড়া কোনো অভিযোগ গ্রহণ বা প্রচার করা ইসলামি নৈতিকতার পরিপন্থি।

এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ট্রেন্ড’ তৈরির নামে বিদ্বেষ ছড়ানো, ক্লিকবেইট শিরোনাম ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা, ভুয়া পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে অপপ্রচার চালানো কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি করা, নতুন ধরনের ডিজিটাল ফিতনায় পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তি নিজে ভালো বা মন্দ নয়; বরং এর ব্যবহারই তাকে কল্যাণ কিংবা অকল্যাণের মাধ্যম বানায়। এসবের জন্য এই জগতের আদালতে বিচারের সম্মুখীন না হলেও আল্লাহর আদালতে একদিন দাঁড়াতেই হবে। সেদিনটি হবে বড়ই কঠিন। তাই প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক দায়িত্ববোধও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অতএব ডিজিটাল যুগে প্রতিটি পোস্ট, মন্তব্য, শেয়ার ও ফরোয়ার্ড কেবল প্রযুক্তিগত কাজ নয়; বরং আল্লাহর কাছে জবাবদিহিমূলক একটি আমানত। কোরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করে যদি আমরা তথ্য যাচাই, সত্যনিষ্ঠা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবিক মর্যাদা রক্ষার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারি, তবে ডিজিটাল ফিতনা, গুজব, অপপ্রচার ও চরিত্রহননের বর্তমান সংকট অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। প্রযুক্তি তখন বিভাজনের অস্ত্র নয়, সত্য, ন্যায় ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠার কার্যকর মাধ্যম হয়ে উঠবে।

♦ লেখক : গবেষক, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় বিদেশি পিস্তলসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ এম


খুলনায় বিদেশি পিস্তলসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার

খুলনায়, খুলনা অফিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদেশি পিস্তলসহ শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দুজন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬। লবণচরা থানার ইসলামপাড়া এলাকা থেকে এই বিশেষ অভিযানে দুই যুবকের কাছ থেকে চার রাউন্ড তাজা গুলি, একটি খালি কার্তুজ এবং একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া দুই যুবক হলেন লবণচরা থানার আমতলা এলাকার শাহজাহানের ছেলে নাজিম, যিনি ওরফে নাদিম নামে পরিচিত এবং ইসলামপাড়া এলাকার আব্দুর রহমান মিয়াজির ছেলে মাসুদ রানা।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার নাজিমের বসতঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড তাজা গুলি, একটি খали কার্তুজ এবং একটি ম্যাগাজিন। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলিসহ তাদের লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঠবাড়িয়ায় বিকাশ একাউন্টে ৩ ঘন্টায় এক কোটি টাকার লেনদেন, গ্রেফতার-২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঠবাড়িয়া পিরোজপুর প্রতিনিধি

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ এম


মঠবাড়িয়ায় বিকাশ একাউন্টে ৩ ঘন্টায় এক কোটি টাকার লেনদেন, গ্রেফতার-২
 
মঠবাড়িয়া( পিরোজপুর)  প্রতিনিধি : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অনলাইন জুয়ার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে প্রদীপ হালদার (৩০) ও সমির চন্দ্র খরাতী (৪০) নামের দুইজনকে গ্রে'ফ'তা'র করেছে থানা পুলিশ। মাত্র ৩ ঘন্টায় বিকাশ একাউন্টে ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৪৫২ টাকার লেনদেন করে অনলাইন জুয়া খেলার অভিযোগে তাদের গ্রে'ফ'তা'র করা হয়। গ্রে'ফ'তা'রকৃত প্রদীপ হালদার বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার বাটাজোর হরহর গ্রামের মৃত পরিমল হালদারের ছেলে ও সমির চন্দ্র খরাতী পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের নলী গোলবুনিয়া গ্রামের মৃত সন্তোষ কুমার খরাতীর ছেলে। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানার এসআই আবুল হাসান সিকদার বাদি হয়ে অনলাইন জুয়া প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপরীত পাশে অঙ্গন শপিং সেন্টারের দ্বিতীয় তলায় বিকাশ অফিস কক্ষে বিভিন্ন এ্যাপস ব্যবহার করে জুয়া খেলার অভিযোগে সমির চন্দ্র খরাতীকে পুলিশ আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে ১৭ টি সিম কার্ড, দুটি ল্যাপটপ ও কয়েকটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বরিশালের গৌরনদী থানার বাটাজোর হরহর গ্রামের বাড়ি থেকে ভোররাতে বিকাশ ম্যানেজার প্রদীপ হালদারকে আটক করা হয়।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওজন কমানো ও ডায়াবেটিসের ওষুধে চুলপড়ার ঝুঁকি বাড়ার আভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২০ এম


ওজন কমানো ও ডায়াবেটিসের ওষুধে চুলপড়ার ঝুঁকি বাড়ার আভাস

 

মোটা ভাব কমানো এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য জনপ্রিয় ওষুধ ‘জিএলপি-১’ সেবনের মাধ্যমে চুলপড়ার সামান্য ঝুঁকি থাকতে পারে, সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, যদিও এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, সার্বিকভাবে আক্রান্তের সংখ্যা এখনও বেশ কমই রয়েছে।

সেমাগলুটাইড (যাহা ‘ওয়েগোভি’ এবং ‘ওজেম্পিক’ নামে পরিচিত) এবং তিরজেপাটাইডসহ (যাহা ‘জেপবাউন্ড’ এবং ‘মাউনজারো’ নামে পরিচিত) জিএলপি-১ রিসেপ্টর অগনিস্ট গ্রহণকারী রোগীদের ওপর পরিচালিত তিনটি পৃথক গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, এই তথ্য পাওয়া গেছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক চিকিৎসা সাময়িকী দ্য বিএমজে-তে প্রকাশিত পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, দুই বা ততোধিক বছর জিএলপি-১ ওষুধ ব্যবহারকারীদের মধ্যে:

এসজিএলটি-২ জাতীয় ডায়াবেটিসের ওষুধ ব্যবহারকারীদের তুলনায় অ্যালোপেসিয়া (চুলপড়া রোগ) হওয়ার সম্ভাবনা ৩৭% বেশি।

ডিপিপি-৪ ইনহিবিটর ব্যবহারকারীদের তুলনা করলে এই ঝুঁকি ৬৮% বেশি হতে পারে।

যদিও এই হার বৃদ্ধি পেলেও মোট আক্রান্তের সংখ্যা খুব বেশি নয়। প্রতি ১,০০০ জনের মধ্যে প্রতি বছরে আনুমানিক ৩ থেকে ৯ জন নতুন করে এ সমস্যায় আক্রান্ত হন।

অন্যান্য গবেষণাতেও একই ধরনের তথ্য সমর্থিত হয়েছে।

আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজির সাময়িকীতে প্রকাশিত বিশ্বজুড়ে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের ওপর পরিচালিত অপর একটি গবেষণায় দেখা যায়, মেটফরমিন গ্রহণ করা রোগীদের তুলনায় জিএলপি-১ ব্যবহারকারীদের মধ্যে একাধিক ধরনের অ্যালোপেসিয়ার হার কিছুটা বেশি।

এছাড়া, ‘ইনফারেন্স’ নামক একটি বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত তৃতীয় গবেষণায় তিরজেপাটাইড সেবনকারী ১১,০০০-এর বেশি রোগীর সঙ্গে সমসংখ্যার সেমাগলুটাইড ব্যবহারকারীর তুলনা করে দেখা যায়, নতুন করে চুলপড়ার হার:

তিরজেপাটাইড সেবনকারীদের ক্ষেত্রে ছিল ৪.২৪%,

সেমাগলুটাইড সেবনকারীদের ক্ষেত্রে ছিল ৩.৩৩%।

বিশেষভাবে নারীদের ক্ষেত্রে এই পার্থক্য আরও স্পষ্ট ভাবে দেখা গিয়েছে:

তিরজেপাটাইডে: ৫.৪৪%,

সেমাগলুটাইডে: ৩.৬৩%।

শুধুমাত্র কি ওজন কমার প্রভাব?

সাধারণভাবে দেখা যায়, দ্রুত বা খুব বেশি ওজন কমানোর কারণে সাময়িকভাবে চুলপড়ার সমস্যা হতে পারে, যা পরবর্তীতে আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়।

তবে গবেষকরা লক্ষ্য করেছেন যে, তিরজেপাটাইড ব্যবহারকারীদের জন্য চুলপড়ার এই অতিরিক্ত ঝুঁকি কেবল ওজন কমানোর পরিমাণ বা ওষুধের ডোজের ওপর নির্ভর করে না। অন্যান্য কারণও এর পেছনে জড়িত থাকতে পারে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, যাদের থাইরয়েডের সমস্যা অথবা অন্য কোনো হরমোনজনিত জটিলতা রয়েছে, তাদের মধ্যে অ্যালোপেসিয়ার প্রবণতা বেশি। এতে ধারণা করা হয়েছে যে, হরমোন অথবা অটোইমিউনজনিত বিভিন্ন কারণও এই ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

সুতরাং, গবেষকরা চুলপড়াকে শুধুমাত্র দ্রুত ওজন কমানোর ফল হিসেবে গ্রহণ করার পরিবর্তে রোগীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য, পরামর্শ প্রদান এবং নিয়মিত নজরদারির আওতায় রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%