বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৭:০২ পি.এম
বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে জাতিসংঘের বাংলাদেশবিষয়ক নিরাপত্তা উপদেষ্টা টেস বি ব্রেসনান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে, টেস বি. ব্রেসনান বাংলাদেশে অবস্থানরত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারি ও সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। আইজিপি বলেন, বাংলাদেশে কর্মরত জাতিসংঘ এবং বিদেশি অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পুলিশ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাংলাদেশ পুলিশের কার্যক্রম ও দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রবিবার রংপুর নগরীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে ৮৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্যাপসুল শিশু মৃত্যু কমানো, অন্ধত্ব এবং অন্যান্য রোগ মোকাবেলায় ব্যবহৃত হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশন মিলনায়তনে প্রশাসক অ্যাড. মাহফুজ-উন-নবী ডন সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান ইবনে তাজ উল্লেখ করেছেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুদের অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে ও তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। তিনি আরও বলেন যে, সকল ধরনের মৃত্যুর হার শতকরা ২৪ ভাগ হ্রাস পায়। এর মধ্যে হামজনিত মৃত্যুর হার শতকরা ৫০ ভাগ এবং ডায়রিয়া জনিত মৃত্যুর হার শতকরা ৩৩ ভাগ পর্যন্ত হ্রাস পায়। এই ক্যাপসুল ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের, ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের, যাদের ৪ মাসের মধ্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া হয়েছে এবং অসুস্থ শিশুদের দেওয়ার নির্দেশনা নেই। ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেয়ে কোনো শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদেরকে ঘাবড়ে না গিয়ে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ প্রদানের কথাও জানান সিটি কর্পোরেশন।
রবিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া দিনের পুরো ক্যাম্পেইন সফলভাবে সম্পন্ন করতে ৩৩টি ওয়ার্ডের ২৯৭টি কেন্দ্রে স্বাস্থ্য কর্মী, স্বেচ্ছাসেবী, সুপারভাইজার, মনিটরিং ও সুপারভিশন কর্মকর্তাগণ দায়িত্ব পালন করবেন। এতে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে নীল রংয়ের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে লাল রংয়ের ক্যাপসুল বিতরণ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. পলাশ কুমার রায়সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সীমান্তবর্তী মিশন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
একটি বিশেষ অভিযানে তিনটি বিদেশি পিস্তল, তিন কেজি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক, ডেটোনেটরসহ সংশ্লিষ্ট জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আতাউর রহমান সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজিবির সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের (৫২ বিজিবি) অধীন প্রধান অভিযানিক দলের একটি দল সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক প্রবেশের তথ্য পাওয়ার পর এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়, যা অধিনায়কের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
অভিযানের সময় বাজাতে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা রাতের অন্ধকার ও ঘন জঙ্গলের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় তিনটি বিদেশি পিস্তল, ২৩টি টিউবে সংরক্ষিত তিন কেজি ‘পাওয়ারজেল-৯০’ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক, ২৪টি ডেটোনেটর, ১৫ মিটার ডেটোনেটর তৈরির তার এবং দুটি কুকরি চাপাতি।
বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং অন্যান্য সরঞ্জাম তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের সময় শক্তিশালী আফটারশকের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন ভূকম্পবিদরা।
তারা বলছেন, এই সময়টি উদ্ধারকর্মী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়গুলোর একটি।
অস্ট্রেলিয়ার সিসমোলজি রিসার্চ সেন্টারের প্রধান বিজ্ঞানী অ্যাডাম পাসকালে আল জাজিরাকে বলেন, ভেনেজুয়ায় শক্তিশালী আফটারশকের সম্ভাবনা সম্পর্কে সবাইকে অত্যন্ত সচেতন থাকতে হবে, বিশেষ করে যখন উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চলছে।
তিনি বলেন, “উদ্ধার কার্যক্রমে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সময়।”
পাসকালে জানান, আফটারশকের পাশাপাশি আগের ভূমিকম্পগুলোর সমান কিংবা আরও বড় মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পের সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তবে কয়েক দিন পেরিয়ে গেলে এমন সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ইতোমধ্যে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
ফলে পরবর্তী কম্পনে সেগুলো আরও ধসে পড়তে পারে, যা উদ্ধারকাজকে জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে।
উল্লেখ্য, লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় গত এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার এই ভূমিকম্পে রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটেছে।
দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৯৭১ জন।
ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সোর্স: আল জাজিরা, বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে জলবায়ু পরিবর্তন, সবুজ শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে শ্রমিকদের অধিকার, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিক্স সিজন হোটেলে ‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে ন্যায্য রূপান্তর নিশ্চিতকরণ : সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ ও শ্রমিকদের বাস্তবতা’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে এই আহ্বান করা হয়। সংলাপের আয়োজন করে কর্মজীবী নারী ও ক্রিশ্চিয়ান এইড-বাংলাদেশ। কর্মজীবী নারীর উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)-এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব উন্মে কুলসুম ফেরদৌসী। সংলাপে অংশ নেওয়া নারী শ্রমিক প্রতিনিধিরা বলেন, ‘অটোমেশনের ফলে একদিকে কর্মসংস্থান কমছে, অন্যদিকে উৎপাদনের চাপ বাড়ছে। তারা অভিযোগ করেন, ৩৫ বছর বয়স অতিক্রম করলেই অনেক কারখানায় ছাঁটাইয়ের শিকার হতে হয়। ’ ন্যায্য রূপান্তর প্রক্রিয়ায় কোনো নারী শ্রমিক যেন বাদ না পড়েন, সে দাবি জানান তারা। ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিনিধিরা বলেন, ‘শ্রমিকের অংশগ্রহণ ছাড়া ন্যায্য রূপান্তর সম্ভব নয়। এজন্য শ্রমিক কল্যাণ ও পুনর্বাসন তহবিল গঠন এবং ব্র্যান্ড ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিরা বলেন, এ ধরনের রূপান্তরে যৌথ উদ্যোগ ও ‘শেয়ারড রেসপনসিবিলিটি’ ভিত্তিক অর্থায়ন প্রয়োজন। ’ কারখানা ব্যবস্থাপনা প্রতিনিধিরা জানান, কিছু খাতে অটোমেশন এলেও এখনো অনেক ক্ষেত্রে মানবশ্রমের প্রয়োজন রয়েছে। তবে কর্মহীন শ্রমিকদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের উদ্যোগ জরুরি। বিজিএমইএ প্রতিনিধি শ্রমিকদের স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও পুনঃদক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভাপতি সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জাস্ট ট্রানজিশন মানেই ন্যায়সংগত, ভারসাম্যপূর্ণ ও অংশীদারিমূলক রূপান্তর। এ প্রক্রিয়ায় শ্রমিকের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ