বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:০৯ এম
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এ ছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্মিত ‘জুলাইয়ের চিঠি’ ও ‘ছাদ আকাশের গল্প’ শীর্ষক দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বাংলাদেশ হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আহতসহ আন্দোলনের সব অংশগ্রহণকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার একটি যুগান্তকারী অধ্যায়। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্রকামী মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণই ছিল এই গণঅভ্যুত্থান। সেইসাথে, তিনি অর্জিত জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান খান, সহসভাপতি তালহা মাহমুদ; মালয়েশিয়া যুবদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন; মালয়েশিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম রহমান তনু; সিবিএল মানি ট্রান্সফারের প্রধান নির্বাহী সাইদুর রহমান ফরাজী; সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম রতন; মালয়েশিয়া জাসাসের আহ্বায়ক শেখ আসাদুজ্জামান মাসুম; বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কো-অর্ডিনেটর মো. ইউসুফ আলী; গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি ফয়সাল শেখ; এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্সের সদস্যসচিব আলম মো. রওশন এবং শিক্ষার্থী জার্জিস আলম ও আদিবা আহমেদ।
বক্তাগণ বক্তব্যে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আন্দোলন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিক, কৃষক, রিকশাচালক, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, গৃহবধূ, নারী-শিশু, সাংস্কৃতিক কর্মী ও ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে সর্বজনীন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তারা শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরাম, শহীদ মুগ্ধসহ সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। বক্তাদের মতে, শহীদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। তারা দেশের স্বার্থে জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে ছয় জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের প্রতিবাদে এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বরিশাল মেট্রোপলিটন এর এয়ারপোর্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের পক্ষে পেশাদার সাংবাদিক মো. একরামুল এই অভিযোগটি দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্র ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের তথ্যমতে, কাশিপুর ইউনিয়নের গণপাড়া (৭ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় জমির দালাল হিসেবে পরিচিত আনিছুর রহমান সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকের ছবি ও নাম ব্যবহার করে অসত্য এবং মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এই সংবাদে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের পেশাগত, সামাজিক ও পারিবারিক মর্যাদা চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সাংবাদিকরা কখনোই নীতিমালা পরিপন্থী কিংবা কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। মূল ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন কাশিপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক কাজী রিপন। জানা গেছে, সম্প্রতি ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। সাংবাদিকরা সেই সংবাদের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা নিজেই বিষয়টি নিয়ে সহকারী শিক্ষক কাজী রিপনের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। কাজী রিপন সাংবাদিকদের দুই দিন পর বিদ্যালয়ে ডেকে আনেন এবং পরবর্তীতে ওই শিক্ষিকার স্বামীকে দিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালান বলে অভিযোগ ওঠে।
সাংবাদিকদের দাবি, একটি সত্য সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ প্রমাণহীন ও মনগড়া এই অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনাটিতে কে বা কারা নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে এ ধরনের অপপ্রচারের আশ্রয় নিয়েছে, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
অভিযোগ দায়েরকারী সাংবাদিক মো. একরামুল বলেন, "আমাদের পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ অপপ্রচার চালাচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সাংবাদিক সংস্থায় দেওয়া এই মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার না করা হলে আমরা কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।"
বরিশালের স্থানীয় সাংবাদিক নেতারাও এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন জানান, "আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদেশের মাটিতে জয়ের স্বাদ পাকিস্তান ভুলতে বসেছিল। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে শেষবার ঘরের বাইরে ম্যাচ জিতেছিল দলটি, এরপর থেকে যখনই ঘরের বাইরে পা রেখেছে, তখনই তারা হারতে হয়েছে।
অবশেষে সেই সময়কে পিছনে ফেলে দিল বাবর আজমের দল। ত্রিনিদাদের কুইন্স পার্ক ওভালে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আট উইকেটে হারিয়েছে তারা। ফলে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হলো।
প্রথম টেস্টে পাকিস্তান নব্বই রানে হেরেছিল। যদি এ ম্যাচটি হারত তবে তাদের হোয়াইটওয়াশ হয়ে যাওয়া সহজ ছিল। কিন্তু এই সমীকরণের সামনে এবার তারা দৃঢ়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয়। এতে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র পঁচাত্তর রান।
মামুলি এই লক্ষ্যে নামার পর শুরুতে দুই ওপেনার ইমাম-উল-হক এবং আজান আওয়াইসকে হারায় পাকিস্তান। তবে এরপর আবদুল্লাহ শফিক এবং অধিনায়ক বাবর আজম দলের পক্ষে জয় নিশ্চিত করেন। বাবর স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যানকে টানা দুটি ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন।
এই জয় আবদুল্লাহ শফিকের জন্য বিশেষ কিছু। মূল দলে তিনি ছিলেন না। চোটের কারণে শান মাসুদের বদলে গত সপ্তাহে দলে যোগ দেন। প্রথম ইনিংসে তার অপরাজিত ১৬০ রানের ইনিংসে পাকিস্তান ৩৮৭ রান করে।
পাকিস্তানের এই জয়ের নায়ক অবশ্য অন্য একজন। সাজিদ খান দুই ইনিংসে মোট ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে আলী উসমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি উইন্ডিজের ব্যাটিংকে ধসিয়ে দেন। তাদের এই পারফরমেন্স পাকিস্তানের সিরিজ ড্র করার পথ তৈরি করে।
এই জয়ের ফলে পাকিস্তান দীর্ঘদিনের খরা কাটালো। ত্রিনিদাদের এই মাঠে পাকিস্তান তাদের শেষ ম্যাচটি জিতেছিল ১৯৭৭ সালে। এরপর গত ৫৯ বছরে এই মাঠে ২ ম্যাচ খেললেও তারা জয় পায়নি। তাই ২০২৬ সালে এসে বাবর আজমের দল ওই খরা কাটাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মায়োর্কার গেল মৌসুমটি মোটেও ভালো কাটেনি। লা লিগার তলানির তিন দলের একটি হয়ে নেমে গেছে স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ফুটবলে। কিন্তু সেই মায়োর্কা আজ টানা দুই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী পিএসজিকে উড়িয়ে দিয়েছে। বুধবার রাতে দলটি ৩-০ গোলে হারিয়েছে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নদের।
যদিও এটি একটি প্রাক মৌসুম প্রস্তুতি ম্যাচ, তবে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে দ্বিতীয় বিভাগে নেমে যাওয়া দলের তুলনা কি করা যায়? হয়তো না, কিন্তু বুধবার মায়োর্কা জানিয়ে দিল উল্টোটা।
ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পিএসজির আধিপত্য ছিল। তবে কাজের সময়ে এসে পিএসজি তাদের সেই আধিপত্য ধরে রাখতে পারেনি। বরং মায়োর্কা ফাঁকে ফাঁকে সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে একটির পর একটি সুযোগ তৈরি করেছে।
নিজেদের মাঠ সন মইশ স্টেডিয়ামে মায়োর্কা প্রথম গোলটি করে ২১ মিনিটে। এই গোলটি করেন জিতো লুভুম্বো। এরপর ৪০ মিনিটে ইয়ান ভির্জিলি ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। বিরতির পর ৫১ মিনিটে অধিনায়ক আন্তোনিও রাইয়ো হেড দিয়ে তৃতীয় গোলটি করেন।
পিএসজির বল দখল ছিল অনেক বেশি। কিন্তু তারা কোনো বড় সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। অন্যদিকে, মায়োর্কা মোট চারটি বড় সুযোগ তৈরি করে। তাদের মধ্যে ৩টি গোলে পরিণত হয়। এতে করে প্রাক মৌসুমে এমন বড় অঘটন ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফার ব্যর্থ বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনার কারণে পর্তুগালের কিংবদন্তি ফুটবলার লুইস ফিগো ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবি করেছেন। এই কিংবদন্তি, যিনি রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার মতো দুই জনপ্রিয় দলের হয়ে খেলার সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন দাবিটি করেন যখন ওয়েলস ও ইংল্যান্ড ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে নেন।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে ফিগো ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবি করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, ফিফার সভাপতির পদ থেকে ইনফান্তিনোর সরে দাঁড়ানো উচিত।
ফিগো বলেন, ‘আজ আমি ফুটবল জগতের অনেকের সঙ্গে একমত হয়ে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ফিফা সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ দাবি করছি। যে পদটিকে মর্যাদার আসনে বসানোর জন্য তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটিই তিনি কলঙ্কিত করেছেন। তিনি মিথ্যা বলেছেন, মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন এবং ফুটবলের স্বার্থের বদলে নিজের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তিনি তার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের, ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের এবং এই খেলার জন্য জীবন উৎসর্গ করা অধিকাংশ মানুষের সমর্থন হারিয়েছেন। এমনকি মনে হচ্ছে ফিফা পিস প্রাইজ বিজয়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনও তার আর নেই।’
ফিফা ও ইনফান্তিনোর পরিকল্পনা ছিল একটি বাণিজ্যিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করা, যা ফিফার প্রধান প্রতিযোগিতাগুলো, বিশেষ করে বিশ্বকাপ পরিচালনা করবে। পরে বাইরের বিনিয়োগকারীরা সেই প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব কিনতে পারবে। ইউরোপ, এএফসি, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিল। উয়েফা ও কনকাকাফ উভয়ই এই পরিকল্পনার সমালোচনা করে বিবৃতি দেয়।
এরপর ফিফা এই পরিকল্পনা থেকে সরে আসলেও উয়েফা ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেয়। সংস্থাটি এই পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে পারার পর বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ