প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিদেশের মাটিতে জয়ের স্বাদ পাকিস্তান ভুলতে বসেছিল। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে শেষবার ঘরের বাইরে ম্যাচ জিতেছিল দলটি, এরপর থেকে যখনই ঘরের বাইরে পা রেখেছে, তখনই তারা হারতে হয়েছে।
অবশেষে সেই সময়কে পিছনে ফেলে দিল বাবর আজমের দল। ত্রিনিদাদের কুইন্স পার্ক ওভালে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আট উইকেটে হারিয়েছে তারা। ফলে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হলো।
প্রথম টেস্টে পাকিস্তান নব্বই রানে হেরেছিল। যদি এ ম্যাচটি হারত তবে তাদের হোয়াইটওয়াশ হয়ে যাওয়া সহজ ছিল। কিন্তু এই সমীকরণের সামনে এবার তারা দৃঢ়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয়। এতে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র পঁচাত্তর রান।
মামুলি এই লক্ষ্যে নামার পর শুরুতে দুই ওপেনার ইমাম-উল-হক এবং আজান আওয়াইসকে হারায় পাকিস্তান। তবে এরপর আবদুল্লাহ শফিক এবং অধিনায়ক বাবর আজম দলের পক্ষে জয় নিশ্চিত করেন। বাবর স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যানকে টানা দুটি ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন।
এই জয় আবদুল্লাহ শফিকের জন্য বিশেষ কিছু। মূল দলে তিনি ছিলেন না। চোটের কারণে শান মাসুদের বদলে গত সপ্তাহে দলে যোগ দেন। প্রথম ইনিংসে তার অপরাজিত ১৬০ রানের ইনিংসে পাকিস্তান ৩৮৭ রান করে।
পাকিস্তানের এই জয়ের নায়ক অবশ্য অন্য একজন। সাজিদ খান দুই ইনিংসে মোট ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে আলী উসমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি উইন্ডিজের ব্যাটিংকে ধসিয়ে দেন। তাদের এই পারফরমেন্স পাকিস্তানের সিরিজ ড্র করার পথ তৈরি করে।
এই জয়ের ফলে পাকিস্তান দীর্ঘদিনের খরা কাটালো। ত্রিনিদাদের এই মাঠে পাকিস্তান তাদের শেষ ম্যাচটি জিতেছিল ১৯৭৭ সালে। এরপর গত ৫৯ বছরে এই মাঠে ২ ম্যাচ খেললেও তারা জয় পায়নি। তাই ২০২৬ সালে এসে বাবর আজমের দল ওই খরা কাটাল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন