আব্দুল হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
০৭:৪৯ পি.এম
মধুপুরে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
টাঙ্গাইলের মধুপুরে এই উদ্বোধন অনুষ্ঠান শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে মধুপুর রানী ভবানী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি নঈম উদ্দীন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট ওবায়দুল হক নাসির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোছাম্মদ লায়লা আন্জুমান বানু, ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান, মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে এম ফজলুল হক, মধুপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজী প্রিম্স, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি রিজভী আহমেদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়া সংগঠক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহণ করে মধুপুর উপজেলা দল এবং ঘাটাইল উপজেলা দল। খেলায় মধুপুর একাদশকে হারিয়ে ঘাটাইল একাদশ ০/১ গোলে বিজয়ী হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভুষির ভিটা ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে ভাঙন আতঙ্কের পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
টানা বৃষ্টির কারণে এবং উজানের ঢলের প্রভাবে গাইবান্ধার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি সমতল কখনো বৃদ্ধি পাচ্ছে, আবার কখনো কমছে। এই পানি ওঠা-নামার সাথে সাথে চার উপজেলার নদী তীরবর্তী মোট ২৫টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২০০টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন আতঙ্কের কারণে আরও দুই শতাধিক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি অন্যত্র স্থানান্তর করছে। ভাঙন কবলিত মানুষগুলো বর্তমানে অর্ধাহারে-অনাহারে জীবন যাপন করছে। জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ও শীর্ষ কর্মকর্তারা ভাঙন এলাকায় পরিদর্শনে গেলেও তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো কেবল আশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।
শনিবার, গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর দুপুর ৩টার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করতোয়া নদীর পানি ৩৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৪৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে, ঘাঘট নদের পানি একই রকম অপরিবর্তীত রয়েছে, যা বিপৎসীমার ১৬৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৮ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার ১৫৮ সেন্টিমিটার এবং তিস্তার নদীর পানি ২১ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
চলমান বন্যা মৌসুমের মধ্যে বর্তমানে গাইবান্ধায় কোনো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।
জেলা জুড়ে ভাঙন কবলিত এলাকাগুলো হলো ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রসুলপুর, ফজলুপুর ইউনিয়নের চৌমহন চর, খাটিয়ামারি, দক্ষিণ খাটিয়ামারি এবং কাউয়াবাদা, উড়িয়া ইউনিয়নের রতনপুর, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লালচামার এবং কেরানীর চর, কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কালির খামার, হরিপুর ইউনিয়নের চর চরিতাবাড়ী, সেই সাথে সদর এবং সাঘাটা উপজেলার কিছু এলাকায়ও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এসব এলাকার ভাঙন থামছে না, ফলে নদী পাড়ের মানুষ বিপদে পড়েছে।
সব থেকে বেশি ভাঙন ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ও কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নে দেখা দিয়েছে। সুন্দরগঞ্জের কাপাসিয়া ইউনিয়নেও ভাঙন হচ্ছে। শুক্রবার গভীর রাতে ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের ভুষির ভিটা গ্রামে পূর্বে ডাম্পিং করা জিও ব্যাগ হঠাৎ তিনটি স্থানে ধসে গেছে। এর মধ্যে এক স্থানে প্রায় ৫০ মিটার, অন্য স্থানে ৩০ মিটার এবং আরেক স্টানে ২০ মিটার এলাকা ডেবে যায়। ধসে যাওয়া তিনটি স্থানের মধ্যে দু’টি সাধারণ মানুষের বসতিপূর্ণ এলাকাতে এবং একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই অবস্থিত। এতে করে স্থানীয়দের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার হয়েছে।
এলাকাবাসীর মধ্যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে, যদি জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে পুনরায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং না করা হয়, তাহলে নদীভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে এবং মানুষসহ জনবসতি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। এ ঘটনা সম্পর্কে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
উড়িয়া ইউনিয়নের ভুষির ভিটা গ্রামের বাসিন্দা ময়নুল ইসলাম হতাশা প্রকাশ করে বলেন, বাড়ির সামনের বাঁধে ডাম্পিং করা স্থানে ধসে গেছে। বাঁধ ভেঙে গেলে বসতবাড়ি নদীতে তলিয়ে যাবে। বৃদ্ধ মা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোথায় গিয়ে উঠবো তা জানি না।
অন্যদিকে, ওই গ্রামের সাবেক স্কুল শিক্ষক আলমগীর হোসেন বলেন, এলাকায় ডাম্পিং করা বাঁধের তিন স্থানে ধসে গেছে। বাঁধ ভেঙে গেলে এলাকার কিছুই আর অবশিষ্ট থাকবে না। এতে আশ্রয়হীন হয়ে բազմաթիվ মানুষ পড়বে।
দক্ষিণ রসুলপুর গ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদে ভাঙনের শিকার নূরি বেগম হতাশ হয়ে বলেন, মাসখানেক ধরে এলাকা ভাঙছে। সমস্ত আবাদি জমি চলে গেছে। বর্তমানে কেবল বাড়ি-ভিটা রয়ে গেছে। তিনি জানান, এখনও পর্যন্ত কোনো সাহায্য সহযোগিতা পাইনি। একবেলার খাবার জোগাড় করতে দু’বেলা না খেয়ে আছি।
গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম জানিয়ে দেন, দক্ষিণ রসুলপুরে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। এছাড়াও ভাঙন ঠেকাতে ১০ থেকে ১২টি পয়েন্টে জরুরি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভুষির ভিটা এলাকায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন তহবিল (এডিবি), রাজস্ব খাত এবং প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় জনগণের মাঝে বিভিন্ন উন্নয়ন সহায়তা ও অনুদান সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
আজ শনিবার সকালে বেলকুচি উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বেলকুচি-চৌহালী আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলীম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার শাহনাজ প্রধান এবং বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলীম বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি সকলকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ১৩টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৫০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের ৫ হাজার চারা বিতরণ, স্পিকারের পক্ষ থেকে ৬১ জনকে ১ লাখ ৮৩ হাজার টাকা প্রদান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০টি অসহায় পরিবারের মাঝে ২ লাখ টাকার চেক বিতরণ এবং নিহত ও দরিদ্র ২০টি পরিবারের মধ্যে ৪ লাখ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২১টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৬০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ইউনিয়নে ৬টি সোলার প্যানেল, চরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩০০টি স্কুলব্যাগ, কর্মক্ষম প্রতিবন্ধী ও অস্বচ্ছল বেকার যুবকদের জন্য ভ্যানসহ ৬টি দোকানঘর প্রদান করা হয়।
এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এডিপির আওতায় ৫০ জোড়া বেঞ্চ এবং রাজস্ব খাত থেকে আরও ১০০ জোড়া বেঞ্চ বিতরণ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ২০টি হুইলচেয়ার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ১২০টি সিলিং ফ্যান এবং দরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে ১২টি নলকূপ বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ১৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দক্ষিণাঞ্চল সফর উপলক্ষে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে মাদারীপুরে মতবিনিময় সভা করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে ডাসার উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে তাঁর নিজ বাসভবনের হলরুমে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেন, “আমরা যার নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, ভয়-ভীতি, কারাবরণ ও গুলির মুখেও রাজপথ ছেড়ে যাইনি, সেই প্রিয় নেতা আজ জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আগামী ১৩ জুলাই তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে স্বাগত জানাব। দলীয় নেতাকর্মীদের সবসময় ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন ডাসার উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন তালুকদার, কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম খান, ডাসার উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলাউদ্দিন সরদার, সদস্য সচিব মাইদুল ইসলাম রুবেল, যুবদল নেতা বায়জিদ সরদারসহ ডাসার উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যাতে চিকিৎসকদের ওপর দেশের মানুষের আস্থা এবং বিশ্বাস ফিরে আসে, সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে তাদেরকে আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি এ সময় বলেছেন, ‘মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের লক্ষ্য। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা আমরা দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।’
শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢামেক হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছান ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে। তার আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় একটি উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
সেবার মান বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের এমনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে যেন রোগীরা তাদের ওপর আস্থা পান। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে শুধু হাসপাতালের ওপর দায় চাপালে হবে না, আমাদের সবার নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে।’
দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন, ‘সারা দেশে সরকারি পর্যায়ে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ বা ধাত্রী নিয়োগ দেয়া হবে। এ ছাড়া সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আরও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে, যাতে নারীরা অগ্রাধিকার পান।’
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দিয়ে ঢামেকের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন। তারা বিভিন্ন স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ঢামেক ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, হাসপাতালের পরিচালক, ঊর্ধ্বতন চিকিৎসক এবং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ