ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনে চিকিৎসকদের কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনে চিকিৎসকদের কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যাতে চিকিৎসকদের ওপর দেশের মানুষের আস্থা এবং বিশ্বাস ফিরে আসে, সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে তাদেরকে আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি এ সময় বলেছেন, ‘মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের লক্ষ্য। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা আমরা দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।’

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢামেক হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছান ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে। তার আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় একটি উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

সেবার মান বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের এমনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে যেন রোগীরা তাদের ওপর আস্থা পান। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে শুধু হাসপাতালের ওপর দায় চাপালে হবে না, আমাদের সবার নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে।’

দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন, ‘সারা দেশে সরকারি পর্যায়ে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ বা ধাত্রী নিয়োগ দেয়া হবে। এ ছাড়া সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আরও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে, যাতে নারীরা অগ্রাধিকার পান।’

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দিয়ে ঢামেকের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন। তারা বিভিন্ন স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ঢামেক ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান।

আরও পড়ুন: ক্যাবের সিলিন্ডার গ্যাসের দাম না বাড়ানোর দাবি, বিইআরসির গণশুনানি বৃহস্পতিবার

অনুষ্ঠানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, হাসপাতালের পরিচালক, ঊর্ধ্বতন চিকিৎসক এবং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএলপিএফে জলবায়ু সহনশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ বাংলাদেশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


এইচএলপিএফে জলবায়ু সহনশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ বাংলাদেশের

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরাম (এইচএলপিএফ)-এ বাংলাদেশ জলবায়ু সহনশীলতা, পানি নিরাপত্তা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং উদ্ভাবনভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

ফোরামটি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল জলবায়ু অভিযোজন এবং টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের দীর্ঘকালীন অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

তিনি উল্লেখ করেন, সেচ ব্যবস্থা জোরদার করা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধারসহ গ্রামীণ ও শহরের জনগণের জন্য নিরাপদ পানীয় জল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এছাড়াও, তিনি তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প এবং আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

এসডিজি-৯ বিষয়ক একটি পৃথক সেশনে ড. আওয়াল আরও জানান, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রাক্কালে বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলের মূলভিত্তি হিসেবে সহনশীল অবকাঠামো, টেকসই শিল্পায়ন এবং উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান তৈরির জন্য তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার দক্ষতা ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা-প্রশিক্ষণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, ডিজিটাল অবকাঠামো এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করছে।

কৃষি, জৈবপ্রযুক্তি, ওষুধ, চামড়া, ডিজিটাল ও সৃজনশীল শিল্প খাতে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ড. আওয়াল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি স্থিতিশীল, স্বচ্ছ এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে এবং টেকসই ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার জন্য অনুকূল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এর ফলে একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যতের বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭টি নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


বন্যা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭টি নির্দেশনা

দেশের চলমান বন্যার পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সাত দফা জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে।

শুক্রবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এসব নির্দেশনা উত্থাপন করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত হিসেবে, বন্যাকবলিত সব উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ফোকাল পারসন নিয়োগের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বর সরবরাহ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

বন্যায় আক্রান্ত মানুষের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি আক্রান্ত জেলা ও উপজেলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক মেডিকেল টিম গঠন করা হবে। এছাড়া সব ধরনের জরুরি ওষুধ, ওআরএস বা স্যালাইন এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটের পর্যাপ্ত মজুত রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-স্নেক ভেনমও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে, আর প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

এছাড়া, গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রসূতিদের হাসপাতালের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।

সভায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো, বন্যাকবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়; এজন্য সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ ও অন্যান্য কর্মীদের যথাযথ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে তাদের ছুটি বাতিল করা এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া, বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং ও প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ১২ জুলাই বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিভাগের গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে জরুরি প্রেস ব্রিফিং আয়োজনেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন এবং বিভাগীয় পরিচালকদের (স্বাস্থ্য) ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছে।

সভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব। এ ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), পরিচালক (প্রশাসন), সব বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) এবং দেশের সব সিভিল সার্জন উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ মুজিবের কাছে পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০০ পি.এম


শেখ মুজিবের কাছে পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না: স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভাঙার কোনো ইচ্ছা বা বিচ্ছিন্নতাবাদী হওয়ার কোনো বাসনা শেখ মুজিবুর রহমানের কখনও ছিল না। এজন্য ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর ক্র্যাকডাউনের আগে, যদিও তাজউদ্দিন আহমেদের অনুরোধ ছিল, তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

শনিবার (১১ জুলাই) ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গাল রেজিমেন্টে ইতিহাস ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ নামক এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার আরও বলেন, তাজউদ্দিন সাহেব শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে গিয়ে বলেছিলেন পাকিস্তানিরা আক্রমণ করতে যাচ্ছে এবং মানুষ স্বাধীনতা চায়। কিন্তু শেখ সাহেব তখন পরিষ্কারভাবে বলেছেন, আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে চাই না, পাকিস্তান ভাঙতে আমার কোনো অবদান থাকুক এটি আমি চাই না। সুতরাং তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণের মুখে যখন জাতি দিশেহারা ও অবদমিত হতে চলেছিল, তখনই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাহস ও দৃঢ়তায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই সংকটময় মুহূর্তে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করেছে। এটিই হলো প্রকৃত সত্য।

হাফিজ উদ্দিন জোর দিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি জনতার যুদ্ধ।

তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর ক্ষমতায় আসার পর একটি বিশেষ গোষ্ঠী ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করে যাচ্ছে, যা শুধু ৭ মার্চের ভাষণের ভিত্তিতে স্বাধীনতার কৃতিত্ব নিতে চেয়েছে এবং এটি চরম অন্যায়। রাজনীতিবিদরা সাধারণত অন্যের কৃতিত্ব হাইজ্যাক করার চেষ্টা করেন এবং নিজেদের দলের নেতাকে ছাড়া কাউকে কৃতিত্ব দিতে চান না।

আলোচনায় তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবময় ভূমিকা স্মরণ করে বলেন, পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টের মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। আলাদা আলাদা ক্যান্টনমেন্টে তারা পূর্বপরিকল্পনা বা যোগাযোগ ছাড়াই পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে বিদ্রোহ করে এবং জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানায়। এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধ যুদ্ধই ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি হলেও ছিল।

সেনাবাহিনীতে যোগদানের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে তিনি জানান, তিনি মূলত ফুটবল খেলার টানে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের অনুপ্রেরণা ও উৎসাহে তিনি ইস্ট বেঙ্গাল রেজিমেন্টে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে মহান রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করি, যিনি আমাকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।

এছাড়াও তিনি ইস্ট বেঙ্গাল রেজিমেন্টের প্রধান সংগঠক মেজর (সাবে) আব্দুল গনির এবং ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের রেজিমেন্ট কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান মজুমদারের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি সৈনিকদের সঙ্গে অফিসারদের সম্পর্কের ঐতিহ্যবাহী বন্ধন পুনরায় শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

আলোচনায় তিনি মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গাল রেজিমেন্টের গৌরবময় ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, তখন পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টের মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। আলাদা আলাদা ক্যান্টনমেন্টে তারা পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে বিদ্রোহ করে এবং জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান করে। এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধ যুদ্ধই ছিল ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণভোটের দাবি থেকে সরকারের সরে আসায় জনগণ হতাশ: হাসনাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


গণভোটের দাবি থেকে সরকারের সরে আসায় জনগণ হতাশ: হাসনাত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করে বলেছেন, সরকার গণভোটের দাবি থেকে সরে আসার ফলে জনগণ হতাশ ও আহত হয়েছে।

তিনি শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে চাঁদপুর শহরের বাইতুল আমিন শপথ চত্বর মোড়ে গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আয়োজিত 'জুলাই পদযাত্রা' শেষে সমাবেশে এই মন্তব্য করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, অতীতের সরকার ভোট চুরি করতেন, তবে বর্তমান সরকার ভোটের ফলাফল চুরি করেছে। সরকার গণভোটের দাবি থেকে সরে আসায় জনগণ হতাশ ও আহত হয়েছে।

তিনি কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ সংকট, এবং নাগরিকদের নিত্যদিনের দুর্ভোগ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সরকার এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু ছয় মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত একটি কর্মসংস্থানও নিশ্চিত করতে পারেনি।

হাসনাত আবদুল্লাহ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, দ্রুত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হোক। তিনি আরও বলেন, দিন দিন দেশে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে চলেছে। সরকার ইরান যুদ্ধের অজুহাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরও বিদ্যুৎ সংকটের কার্যকর কোনো সমাধান দিতে পারেনি। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন চলমান বিভিন্ন সংকটের কারণে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%