০৮:৩৫ পি.এম
বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন নিয়ে ২০২৬ সালের আসরে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু ফাইনালে দাপুটে স্পেনের সামনে শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয়েছে মেসিদের। তবে হারের রাতেও আর্জেন্টিনার সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজ।
মার্টিনেজ বিশ্বকাপে চোট নিয়েই এসেছিলেন। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তাঁর খেলা নিয়ে ছিল অনিশ্চয়তা। কিন্তু সব শঙ্কা পেছনে ফেলে পুরো আসরে আর্জেন্টিনার গোলবারের দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সামলেছেন তিনি। ফাইনালে এসে যেন নিজের সেরা রূপটাই দেখালেন অ্যাস্টন ভিলা দলের এই গোলরক্ষক।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের একের পর এক আক্রমণের বিরুদ্ধে একাই শক্ত দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মার্টিনেজ। ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে তিনি স্পেনের ১১টি শট ঠেকিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ঢাকায় জরুরি অবতরণে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খুলে গেল, রোগীর মৃত্যু
ফাইনালে শুরু থেকেই মার্টিনেজকে ব্যস্ত সময় কাটাতে হয়েছে। লামিনে ইয়ামালের শট থেকে শুরু করে মিকেল ওইয়ারসাবাল, আলেক্স বায়েনা, দানি ওলমো, ফেরান তোরেস, পেদ্রি, পাউ কুবার্সি, আইমেরিক লাপোর্তে ও নিকো উইলিয়ামসের একাধিক প্রচেষ্টা রুখে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন তিনি।
তবে শেষ পর্যন্ত ১০৬ মিনিটে স্পেনের একটি গোল থামাতে পারেননি। নিকো উইলিয়ামসের হেড থেকে পাওয়া বল ধরে ফেরান তোরেস জালে পাঠালে ভেঙে যায় আর্জেন্টিনার প্রতিরোধ। ওই মুহূর্তটি মার্টিনেজের জন্য ছিল দ্বিধার একটি সময়, যা স্পেনকে গোল আদায় করতে সহায়তা করেছে।
ফাইনালের আগে থেকেই মার্টিনেজ চোটের সঙ্গে লড়ছিলেন। ইউরোপা লিগের ফাইনালে ডান হাতের আঙুলে চোট পাওয়ার পর অস্ত্রোপচারের পরামর্শও তাঁকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নে সেই পথ বেছে নেননি তিনি। প্রতিটি ম্যাচে ব্যথা নিয়েই মাঠে নামতে গিয়ে হয়েছেন অসাধারণ।
২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানোর অন্যতম নায়ক হিসেবে তিনি প্রসিদ্ধ ছিলেন। তখনই জানিয়েছিলেন, ২০২৬ সালে আরও একটি তারকা যুক্ত করতে চান তাঁর জার্সিতে। কিন্তু এবার খুব কাছেই গিয়েও সেই স্বপ্ন পূরণ হলো না।
আরও পড়ুন: নেপালে ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের প্রধান কোচ হলেন মিসবাহ-উল-হক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন