ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফুটবলাররা কেন পানি মুখে নিয়ে কুলি করে ফেলে দেন?


ফুটবলাররা কেন পানি মুখে নিয়ে কুলি করে ফেলে দেন?

ফুটবল ম্যাচ চলাকালে প্রায়ই দেখা যায়, খেলোয়াড়রা যখন বোতল থেকে এক চুমুক পানি বা স্পোর্টস ড্রিংক মুখে নিয়ে কয়েক সেকেন্ড কুলি করেন, তখন তা গিলে না ফেলে মাঠেই ফেলে দেন। যদিও অনেকেই বিষয়টিকে পানি অপচয় মনে করেন, কিন্তু বাস্তবে এর পেছনে রয়েছে ক্রীড়াবিজ্ঞানে স্বীকৃত একটি বিশেষ কৌশল।

এই কৌশলের নাম 'কার্বোহাইড্রেট মাউথ রিন্স'। এর মাধ্যমে কার্বোহাইড্রেটযুক্ত পানীয় কয়েক সেকেন্ড মুখে রেখে পরে তা ফেলে দেওয়া হয়। এটি শুধুমাত্র ফুটবলারদের জন্য নয়, বরং সাইক্লিস্ট, ম্যারাথন দৌড়বিদ এবং দীর্ঘ সময় উচ্চমাত্রার পরিশ্রম করা অন্যান্য অনেক ক্রীড়াবিদের জন্যও কার্যকর।

গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের মুখের ভেতরে কিছু বিশেষ রিসেপ্টর রয়েছে, যা কার্বোহাইড্রেটের উপস্থিতি শনাক্ত করতে সক্ষম। যখন মুখে কার্বোহাইড্রেটযুক্ত পানীয় রাখা হয়, তখন সেই সংকেত দ্রুত মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। এর ফলে মস্তিষ্ক সাময়িকভাবে এমন ধারণা করে যে শরীরে নতুন শক্তির জোগান আসছে।

আরও পড়ুন: সুদানের ৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে আরএসএফের ড্রোন হামলা, পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয়

ফলে খেলোয়াড়ের মনোযোগ, সতর্কতা ও কর্মক্ষমতায় ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, যদিও পানীয়টি শরীরে প্রবেশ করে না।

এদিকে, ম্যাচ চলাকালে খেলোয়াড়দের বিরতির সময় খুবই সীমিত থাকে। এই সময়ে বেশি পানি বা স্পোর্টস ড্রিংক পান করলে পেট ভারী লাগতে পারে এবং দৌড়ানোর সময় অস্বস্তি সৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে পানীয় গিলে ফেললে তা হজম হয়ে শরীরে কাজ করতে কিছুটা সময় লাগে। কিন্তু মুখে কয়েক সেকেন্ড কুলি করলেই মস্তিষ্কে প্রয়োজনীয় সংকেত দ্রুত পৌঁছে যায়, যা অধিকাংশ খেলোয়াড়কে এই কৌশলটি অধিক কার্যকর বলে মনে হতে সহায়ক হয়।

যদিও এই কৌশল বহু বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, ২০১৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে এটি ব্যাপক আলোচনায় আসে। সে সময় ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন এবং পর্তুগালের তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোসহ বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে ম্যাচ চলাকালে এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এটি একেবারেই নয় যে, কার্বোহাইড্রেট মাউথ রিন্স শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সক্ষম। ঘামের মাধ্যমে হারানো পানি এবং ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণ করতে নিয়মিত পানি বা ইলেকট্রোলাইটসমৃদ্ধ পানীয় পান করতেই হয়।

আরও পড়ুন: আইজিপির 'ক্রসফায়ার' বক্তব্যে অধিকার সংস্থার তীব্র নিন্দা

সাধারণত ম্যাচ শুরুর আগে, বিরতির সময়, ম্যাচ শেষে এবং গরম আবহাওয়ায় নির্ধারিত হাইড্রেশন ব্রেকের সময় ফুটবলাররা পর্যাপ্ত পানি পান করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কৌশলটি মূলত দীর্ঘ সময়ের উচ্চমাত্রার ব্যায়াম বা প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলার জন্য কার্যকর। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজ বা হালকা ব্যায়ামে এর তেমন প্রয়োজন নেই।

অতএব, মাঠে ফুটবলারদের মুখে পানি কিংবা স্পোর্টস ড্রিংক নিয়ে কুলি করে ফেলে দিতে দেখলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটি পানি অপচয় নয়; বরং পারফরম্যান্স বাড়াতে ব্যবহৃত ক্রীড়াবিজ্ঞানে স্বীকৃত একটি কার্যকর কৌশল।

সূত্র: সেইস ডটকম

আরও পড়ুন: ক্রসফায়ারের বিষয়ে আইজিপির বক্তব্যকে উদ্বেগজনক বললেন গাজী আতাউর রহমান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বউ’ বানানোর প্রলোভনে নারীদের চীনে পাচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ এম


‘বউ’ বানানোর প্রলোভনে নারীদের চীনে পাচার

যুদ্ধ, অর্থনৈতিক সংকট এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিয়ে মিয়ানমারের নারীদের চীনে পাচার করা হচ্ছে। এই নারীদের তথাকথিত 'বউ' হিসেবে বিক্রি করার ভয়াবহ মানবপাচার চক্রটি ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। সম্প্রতি জান্তা সরকারের তথ্য ও তদন্তে এই অপরাধচক্রের ব্যাপকতা নতুন করে আলোচিত হয়েছে। খবর দ্য ইরাবতি।

জান্তার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে মিয়ানমারে মানবপাচারের ৮০টি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি ঘটনায় ভুয়া বিয়ের আয়োজন করে নারীদের বিদেশে পাচার করা হয়েছে, এবং প্রধান গন্তব্য ছিল চীন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মান্দালয় অঞ্চলের ২০ বছর বয়সী একটি তরুণীকে চীনা এক ব্যক্তির সন্তান জন্ম দিলে ১ কোটি ৫০ লাখ কিয়াত দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। অন্যদিকে, ইয়াঙ্গুনের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত পাকোক্কুর ২৮ বছর বয়সী এক নারীকেও ছয় মাসের জন্য এক চীনা নাগরিককে বিয়ে করতে রাজি করানোর বিনিময়ে ৮০ লাখ কিয়াতের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

আরেক ঘটনায়, নেপিডোর ২৪ বছর বয়সী এক নারীকে ভুয়া চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চীনে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে একাধিকবার বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়। পরে, অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার অভিযোগে চীনা পুলিশ তাকে নয় মাস আটক রাখে।

এছাড়া, স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে ২ কোটি কিয়াত দেনমোহরের বিনিময়ে ইয়াঙ্গুনের এক নারীর সঙ্গে এক চীনা নাগরিকের বিয়ের আয়োজনের তথ্যও উঠে এসেছে। আরও দুটি মামলায় তিন নারীকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রত্যেককে ১ কোটি ৫০ লাখ কিয়াত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান মানবপাচার এখন শুধুমাত্র মিয়ানমার-চীন সীমান্তে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রে পরিণত হয়েছে।

গত মার্চে, তাইওয়ানের নিউ তাইপেই শহরে পরিচালিত একটি মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং মিয়ানমারের নয় নারীকে উদ্ধার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, ২০২৪ সাল থেকে এই চক্রটি মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে উচ্চ বেতনের চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে নারীদের ফাঁদে ফেলত। পরবর্তী সময়ে ঋণের ফাঁদে আটকে তাদের জোরপূর্বক শ্রম ও যৌন শোষণের শিকার করা হতো। স্থানীয় গণমাধ্যম এ চক্রকে 'কেকে পার্কের তাইওয়ান সংস্করণ' হিসেবে উল্লেখ করেছে।

এদিকে, গত মাসে ব্যাংককে একটি চীনা মানবপাচার চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করে থাই পুলিশ। তদন্তে জানা যায়, ২০২৪ সাল থেকে চক্রটি অন্তত ২০ জন মিয়ানমারের নারীকে চীনে পাচার করেছে। একই সময়ে, অন্তত ২০ জন চীনা নাগরিককে ইয়াঙ্গুনে এনে অবৈধভাবে পাত্রী খুঁজে দেওয়ার কাজেও তারা সহায়তা করেছে।

চীনও দীর্ঘকাল ধরে এ সমস্যা সম্পর্কে অবগত। চলতি বছরের জানুয়ারিতে মিয়ানমারে অবস্থিত চীনা দূতাবাস সীমান্ত পেরিয়ে পাত্রী খোঁজার বিষয়ে নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করে জানায় যে, এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে ক্রমেই বেশি সংখ্যক চীনা নাগরিক আইনের আওতায় আসছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে অর্থনৈতিক বিপর্যয়, গৃহযুদ্ধ, ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি এবং আইনের শাসনের অবক্ষয়ের কারণে অসংখ্য নারী মানবপাচারকারীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এই অপরাধচক্র এখন আরও সংগঠিতভাবে নারীদের ফাঁদে ফেলছে, যার ফলে মানবপাচারের ঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংক লুট ও অর্থ পাচারকারীদের সঙ্গে আপস করবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ এম


ব্যাংক লুট ও অর্থ পাচারকারীদের সঙ্গে আপস করবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী

দেশের ব্যাংকিং খাতের মধ্যে লুটপাট এবং জনগণের অর্থ বিদেশে পাচারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট জানিয়েছেন, অপরাধীদের আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২)-এর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য দেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বড় ধরনের ঋণ কেলেঙ্কারি এবং আর্থিক অনিয়মে জড়িত ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সরকার এরই মধ্যে ব্যাপক আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে। আমি এ সংসদকে একাধিকবার জানিয়েছি কী কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অনেক মামলা হয়েছে, তদন্ত এগিয়ে চলছে এবং অভিযুক্তদের অনেকের সম্পত্তি ক্রোক ও বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। সরকারের অভিযানে আর্থিক অপরাধের বিরুদ্ধে কোনোভাবেই থামবে না।‘

যারা দেশের অর্থ লুট করেছে এবং বিদেশে পাচার করেছে, তাদের সঙ্গে বিএনপি কোনো আপস করবে না, তিনি পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেছিলেন, এ ধরনের অপরাধে জড়িত কারও সঙ্গে এই সরকার আপস করবে না এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

রুমিন ফারহানা সম্পূরক প্রশ্নে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের ক্রমবর্ধমান পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানতে চান, বড় ঋণখেলাপি এবং দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে দুর্বল করার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে সরকার কী ব্যবস্থা নিচ্ছে।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে নেয়া আইনগত, প্রশাসনিক ও তদন্তমূলক পদক্ষেপ সম্পর্কে সরকার এরই মধ্যে সংসদে ব্যাখ্যা দিয়েছে এবং যারা জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

অন্য এক সম্পূরক প্রশ্নে এনসিপির সংসদ সদস্য আতীকুর রহমান মুজাহিদ (কুড়িগ্রাম-২) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) প্রসঙ্গ উত্থাপন করলে অর্থমন্ত্রী ব্যাংকিং খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে বলেন, ‘এই সরকারের আমলে বিএনপির কোনো লোকেরই কোনো ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার সুযোগ নেই। দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক নিয়োগমুক্ত রাখতে সরকার সচেতন নীতি গ্রহণ করেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নিয়োগ দিচ্ছি না। এটি বিএনপি সরকারের একটি সচেতন সিদ্ধান্ত। এমন কোনো ইচ্ছা বা সুযোগ কোনোটিই নেই। দীর্ঘদিনের সঞ্চিত নানা সমস্যার কারণে কয়েকটি ব্যাংক পরিচালনা ও সুশাসন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।’

সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক কার্যক্রমের ওপর সরকার ব্যাপক মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা পর্ষদ ও পরিচালন কাঠামো নিয়ে বিস্তৃত বিশ্লেষণ চলছে। মূল্যায়ন শেষ হলে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেলিংহ্যাম ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা ফুটবলার হতে পারেন, বিশ্বাস লিনেকারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ এম


বেলিংহ্যাম ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা ফুটবলার হতে পারেন, বিশ্বাস লিনেকারের

জুদ বেলিংহ্যাম এক বিশ্বকাপে ৫ বা তার বেশি গোল করার তৃতীয় ইংলিশ ফুটবলার। তার আগে অন্যান্য দুজন হলেন গ্যারি লিনেকার ও হ্যারি কেন। বেলিংহ্যাম এই বিশ্বকাপে করেছেন ৬ গোল।

১৯৮৬ সালে দিয়েগো ম্যারাডোনার পর বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে জোড়া গোল করার রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন বেলিংহ্যাম। রিয়াল মাদ্রিদে খেলা এই মিডফিল্ডার নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে দুটি গোল করেন। এর আগে শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর বিপক্ষেও তিনি দুবার জালের দেখা পান। টুর্নামেন্টে তার অন্য দুটি গোলের একটি পানামা এবং একটি ক্রোয়েশিয়া বিপক্ষে আসে।

ইংল্যান্ডের হয়ে বেলিংহ্যামের ১২ গোলের মধ্যে ৯টি তো এসেছে বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে। এই প্রসঙ্গে গ্যারি লিনেকার মনে করেন, এই ফুটবলার ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হতে পারেন।

নেটফ্লিক্সের ‘দ্য রেস্ট ইজ ফুটবল’ অনুষ্ঠানে লিনেকার বলেন, ‘আমি এতটুকু বলতে বাধ্য যে, আমার মনে হয় জুদ বেলিংহ্যামের ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা ফুটবলার হয়ে ওঠার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। এটা অবশ্যই বড় ধরনের মন্তব্য।’

লিনেকার আরও যোগ করেন, ‘আমাদের অনেক অসাধারণ খেলোয়াড় ছিল। কেউ কেউ দেশের হয়ে নিজেদের পুরো সামর্থ্য দেখাতে পেরেছেন, কেউ পারেননি। ববি চার্লটনের মতো কিংবদন্তিকে অবশ্যই এই তালিকার শীর্ষে রাখতে হবে। হ্যারি কেনকেও সেই কাতারে রাখা যায়, আরও অনেক খেলোয়াড় আছে। কিন্তু এই বয়সে বেলিংহ্যাম যেভাবে খেলছে এবং কঠিন মুহূর্তে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিয়ে জয়ের পথে নিয়ে যাচ্ছে, সেটাই তাকে একজন সত্যিকারের সুপারস্টারে পরিণত করেছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় কিশোরীকে ধর্ষণ চেষ্টা, অভিযুক্তকে ২০ জুতা পেটা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ এম


পাবনায় কিশোরীকে ধর্ষণ চেষ্টা, অভিযুক্তকে ২০ জুতা পেটা

পাবনার সাঁথিয়ায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগে একজন ব্যক্তিকে গ্রাম্য সালিশে ২০টি জুতা পেটানোর পর মীমাংসা করার অভিযোগ এসেছে। গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার হাঁড়িয়াকাহন গ্রামে এই সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, দুপুর ২টার দিকে উপজেলার গৌরিগ্রাম এলাকায় ধর্ষণের চেষ্টা সম্পর্কিত ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত মহব্বত আলী খাঁ গৌরিগ্রাম এলাকার হাঁড়িয়াকাহন এলাকার মৃত তায়জাল খাঁর ছেলে।

স্থানীয় এবং ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফাঁকা বাড়িতে প্রতিবন্ধী কিশোরী একা থাকার সুযোগ নিয়েই মহব্বত আলী ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

এর পর কিশোরীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এরপর সন্ধ্যার দিকে, স্থানীয় প্রভাবশালীদের উপস্থিতিতে একটি গ্রাম্য সালিশ আয়োজন করা হয়।

সালিশে মহব্বত আলীকে শারীরিক শাস্তি হিসেবে ‘২০টি জুতা পেটা’ করা হয়। একই সঙ্গে উভয় পক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, বিষয়টি নিয়ে আর কোনো ধরনের বিরোধে না জড়াতে হবে এবং ঘটনাটি আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত মহব্বত আলীকে গুনে গুনে জুতার পেটা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সালিশকারীদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। এইদিকে, ধর্ষণচেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগে থানায় মামলা না করে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করায় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সাঁথিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি আমার অফিশিয়ালি জানা নেই। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%