সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৫ পি.এম
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় তাইজুল সরদার হত্যার পর ভয়াবহ সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রতিপক্ষের সদস্যরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অন্তত অর্ধশতাধিক বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে।
সোমবার সকালে কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ও টুমচর এলাকায় এই তাণ্ডব সংঘটিত হয়।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের ফলস্বরূপ গত ২২ অক্টোবর সকালে তাইজুল সরদার নামের এক ব্যক্তি খুন হন। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজমান ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে প্রতিপক্ষের সদস্যরা দেশি অস্ত্র নিয়ে কালিনগর ও টুমচর এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিলন সরদারের বাড়িসহ বিভিন্ন বাড়িতে হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতে বেশ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় তারা নির্বিচারে অর্ধশতাধিক বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। পরবর্তীতে বাড়িগুলোতে অগ্নিসংযোগ করা হলে মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কালকিনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ সুপারের সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তাইজুল সরদার হত্যাকাণ্ডের জের ধরে প্রতিপক্ষ এই হামলা চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বর্তমানে কোনো মামলা না হলেও আমাদের নিজস্ব তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বেসামরিক শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ সম্পর্কিত বক্তব্যকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশের প্রধানের এই মন্তব্য বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের পুলিশের নিষ্ঠুর স্মৃতিগুলোকেই পুনরুজ্জীবিত করে।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, আজ এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেছেন—‘ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে, আমরা সেটাই করব।’ এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করতে চাই, জনাব আলী হোসেন ফকির হালকা মেজাজে এ মন্তব্য করেছেন; যদিও রাষ্ট্রের এত গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন সংবেদনশীল বিষয়ে হালকা মেজাজে মন্তব্য করার সুযোগ নেই।’
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, ক্রসফায়ার সম্পর্কে পুলিশের প্রচলিত আনুষ্ঠানিক ভাষ্য হলো—অপরাধী চক্রের হামলার মুখে আত্মরক্ষার্থে পুলিশের পাল্টা গুলিবর্ষণের ফলে কথিত অপরাধীর মৃত্যু ঘটে। যদিও বাস্তবতা ভিন্ন, পুলিশ এতদিন এভাবে দায় এড়িয়ে এসেছে। কিন্তু আজ পুলিশ প্রধান যেভাবে ‘ক্রসফায়ার দেওয়ার’ কথা বললেন, তাতে স্পষ্টতই স্বীকার করা হলো যে, বিচারবহির্ভূতভাবে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টার্গেট করে গুলি করে হত্যা করাকেই তারা ক্রসফায়ার হিসেবে উল্লেখ করছেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—আইন, আদালত ও সংবিধানবহির্ভূত এবং মানবাধিকারের সুস্পষ্ট পরিপন্থি এমন কর্মকাণ্ড পরিচালনার পক্ষে পুলিশ প্রধান প্রকাশ্যে ঘোষণা দিচ্ছেন।
তিনি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সরকার চাইলেও জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত একটি রাষ্ট্রীয় বাহিনী কোনোভাবেই এমন মানবতাবিরোধী কাজে লিপ্ত হতে পারে না। আইন ও স্বীকৃত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সরকারের বেআইনি নির্দেশ অন্ধভাবে মানার প্রবণতাই বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে দেশকে একটি নরকে পরিণত করেছিল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে পুলিশের মধ্যে সেই একই ফ্যাসিবাদী মনোভাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এর দেওয়া বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে, যা ‘ক্রসফায়ার’-এর নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমর্থনে ছিল।
২৬ অক্টোবর সোমবার এক সভায় আইজিপি মোহাম্মদ আলী হোসেন ফকির বলেছেন, “সরকার অনুমোদন দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে পুলিশ।” আইজিপির এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অধিকার অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি করেছে।
একটি বিবৃতিতে অধিকার উল্লেখ করেছে, শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে দেশে ব্যাপকভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় ভিন্নমতাবলম্বী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হন। এসব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের জন্য বিলুপ্ত হওয়া সংস্থা র্যাবকে (বর্তমানে এসআরবি) যুক্তরাষ্ট্র কালো তালিকাভুক্ত করেছিল। হাসিনার আমলে সংঘটিত এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বর্তমান সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের সম্মুখীন হয়েছেন এবং জড়িতদের অনেকেই বর্তমানে বিদেশে পালিয়ে আছেন।
অধিকার মনে করে, পুলিশের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তির এ ধরনের বক্তব্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঢালাও ‘ছাড়পত্র’ দেওয়ার শামিল।
অধিকার আরও জানায়, বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ইতোমধ্যে ৫টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা নথিভুক্ত করেছে।
আইজিপির এই ধরনের বক্তব্যের ফলে সৃষ্টি হওয়া পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে অধিকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে পুলিশ মহাপরিদর্শকের বিতর্কিত এই বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়ে, এই সময় সংঘটিত সব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : সোমবার, সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) সমন্বিত ড্রোন হামলা চালিয়ে পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত করেছে।
দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, এই হামলার ফলে পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, আল-জাজিরা ও গেদারেফ রাজ্যের দুটি করে এবং হোয়াইট নাইল রাজ্যের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা হয়েছে। এর ফলে এই তিন রাজ্যের বড় অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।
এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, তিনটি রাজ্যই সুদানের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে দেশটির সেনাবাহিনী ও তাদের সাবেক মিত্র আরএসএফের মধ্যে যুদ্ধ চলছে।
জাতিসংঘ বারবার সতর্ক করে বলেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়মিত হামলা লাখ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য জরুরি সেবা কার্যক্রমকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই অবস্থায় দেশটির মানুষ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্ষুধা সংকটের মুখোমুখি।
এএফপির আল-জাজিরা রাজ্যের এক সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সেখানে রাত ২টা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
গেদারেফ রাজ্যের আল-ফাও এলাকার বাসিন্দা বাবিকার ইউসুফ জানিয়েছেন, সেখানেও রাত ২টা থেকে বিদ্যুৎ নেই।
তিনি ফোনে এএফপিকে বলেন, ‘আমার ছেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। তার ইনসুলিন ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হয়।’ বিদ্যুৎ না থাকায় ওষুধটি নষ্ট হয়ে গেলে নতুন করে তা সংগ্রহ করতে পারবেন কি না, এ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।
তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ কখন ফিরবে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই।’
এর আগে, আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জলবিদ্যুৎ বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সুদানের বিভিন্ন এলাকায় একটানা কয়েক দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।
এতে চরম খাদ্যসংকটে থাকা দেশটির প্রায় দুই কোটি মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, মাদ্রাসা নিয়ে বর্তমানে হাজারো অবহেলা, অবজ্ঞা ও ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসাগুলো এখন ভূতুড়ে মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। এমপিওভুক্ত মাদ্রাসাগুলোর অবস্থা ও ভালো নয়। সিলেবাস সংকুচিত করা হয়েছে এবং বর্তমানে আবার কায়দা করে মাদ্রাসাকে স্কুলে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ১৪তম হিফজুল কোরআন অ্যাওয়ার্ড ও কোরআন উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মাদ্রাসা নিয়ে ষড়যন্ত্র যারা করছে, তারা কি আমাজনের জঙ্গল থেকে এসে করছে? তিনি বলেন, না, এই দেশের মানুষেরাই, সন্তানেরাই করছে। যখন তারা মাদ্রাসার অঙ্গনে কোনো অনুষ্ঠানে যান, তখন মনে হয় যেন তারাই সর্বোত্তম মুমিন মুসলমান। কিন্তু যখন মাদ্রাসার ব্যাপারে পলিসি নির্ধারণ করেন, তখন এর সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন।
জামায়াত আমির বলেন, মাদ্রাসাকে অবহেলা-অবজ্ঞা করা কিংবা এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা ব্যক্তিরা আখেরাতে আল্লাহ তাআলার কাছে জবাবদিহি করবেন। তিনি নিশ্চিত যে, দুনিয়ায়ও আল্লাহ তাআলা তাদের সম্মানের জায়গায় রাখবেন না। কারণ, তারা সমাজের উন্নতি চান না। তারা চান, শিক্ষিত হয়ে কিছু লুটেরা তৈরি হবে, যারা দেশটাকে লুটেপুটে খাবে। চুরি, চাঁদাবাজি, দখলবাণিজ্য করবে এবং দেশের টাকা বিদেশে পাচার করবে। তাদের আত্মীয় ও সন্তান-সন্ততি সব বিদেশে পাঠিয়ে দেবে।
সমাজের এই ধারণা পরিবর্তনের জন্য কোরআনের শাসন ও চর্চা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কোরআনের শিক্ষাকে যত বেশি বিকশিত করা হবে, সমাজ তত বেশি উপকৃত হবে।
মাদ্রাসাশিক্ষা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এখন সিভিল প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্যসেবা, কূটনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্ত হয়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আছেন। মেধাবী এই শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ভালো করবেন। তিনি উল্লেখ করেন, মাদ্রাসায় নৈতিক ও আখলাকি শিক্ষা দেওয়া হয়, ফলে তারা মেধাবী হওয়ার পাশাপাশি সৎ মানুষ হিসেবেও গড়ে ওঠেন।
মেধা ও চরিত্র উপেক্ষিত হলে সমাজ জঙ্গলে পরিণত হয়, এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ এমন সংকটেই ভুগছে। তাই মাদ্রাসাশিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষায়ও নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরির পরিকল্পনা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এ সময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, অধ্যাপক কামাল উদ্দীন আবদুল্লাহ জাফরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম, সংসদ সদস্য মো. সালাহউদ্দিন আইয়ুবী প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ