প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার সাঁথিয়ায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগে একজন ব্যক্তিকে গ্রাম্য সালিশে ২০টি জুতা পেটানোর পর মীমাংসা করার অভিযোগ এসেছে। গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার হাঁড়িয়াকাহন গ্রামে এই সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, দুপুর ২টার দিকে উপজেলার গৌরিগ্রাম এলাকায় ধর্ষণের চেষ্টা সম্পর্কিত ঘটনাটি ঘটে।
অভিযুক্ত মহব্বত আলী খাঁ গৌরিগ্রাম এলাকার হাঁড়িয়াকাহন এলাকার মৃত তায়জাল খাঁর ছেলে।
স্থানীয় এবং ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফাঁকা বাড়িতে প্রতিবন্ধী কিশোরী একা থাকার সুযোগ নিয়েই মহব্বত আলী ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
এর পর কিশোরীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এরপর সন্ধ্যার দিকে, স্থানীয় প্রভাবশালীদের উপস্থিতিতে একটি গ্রাম্য সালিশ আয়োজন করা হয়।
সালিশে মহব্বত আলীকে শারীরিক শাস্তি হিসেবে ‘২০টি জুতা পেটা’ করা হয়। একই সঙ্গে উভয় পক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, বিষয়টি নিয়ে আর কোনো ধরনের বিরোধে না জড়াতে হবে এবং ঘটনাটি আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত মহব্বত আলীকে গুনে গুনে জুতার পেটা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সালিশকারীদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। এইদিকে, ধর্ষণচেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগে থানায় মামলা না করে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করায় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সাঁথিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি আমার অফিশিয়ালি জানা নেই। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন