সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৪ পি.এম
সরকার একযোগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৮৫ জন সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি করেছে। সোমবার আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এই বদলিসংক্রান্ত আদেশ নিবন্ধন অধিদপ্তরের নিবন্ধন মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়।
আদেশের নির্দেশনা অনুযায়ী, বদলিকৃত সাব-রেজিস্ট্রারদের বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব নিবন্ধন মহাপরিচালক মনোনীত কর্মকর্তার কাছে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে অর্পণ করতে হবে। এরপর তাঁদের অবিলম্বে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৬ থেকে জারি করা এই আদেশে উপসচিব (রজিস্ট্রেশন) মো. মাসুদ আলী সই করেছেন। এর আগে গত ৬ অক্টোবর আইন মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকা জেলার ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৮টি সাব-রেজিস্ট্রার পদের জন্য লটারির মাধ্যমে ১৮ জন কর্মকর্তাকে নির্বাচন করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, সাব-রেজিস্ট্রাররা নিবন্ধন অধিদপ্তরের অধীনে মাঠপর্যায়ে দলিল নিবন্ধনের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। জমি, ফ্ল্যাট ও বাড়ি কেনাবেচার দলিল, দানপত্র, বণ্টননামা ও বন্ধকিসহ আইন অনুযায়ী নিবন্ধনযোগ্য বিভিন্ন দলিল যাচাই এবং নিবন্ধন করা তাঁদের অন্যতম প্রধান কাজ। পাশাপাশি নিবন্ধিত দলিলের রেকর্ড সংরক্ষণ, নির্ধারিত ফি ও শুল্ক আদায় এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান অনুসারে সামগ্রিক নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করার দায়িত্বও তাঁরা পালন করেন।
বদলিকৃত ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারের তালিকা
১. মো. ইমরান হোসেন — বর্তমান কর্মস্থল: মিরপুর, ঢাকা; নতুন কর্মস্থল: কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।
২. মোছা. নাজমা আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: সাভার, ঢাকা; নতুন কর্মস্থল: ধামরাই, ঢাকা।
৩. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: গাজীপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: কালীগঞ্জ, গাজীপুর।
৪. মো. রফিকুল ইসলাম — বর্তমান কর্মস্থল: টঙ্গী, গাজীপুর; নতুন কর্মস্থল: কাপাসিয়া, গাজীপুর।
৫. মোছা. শারমিন সুলতানা — বর্তমান কর্মস্থল: নারায়ণগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ।
৬. মো. জাহাঙ্গীর আলম — বর্তমান কর্মস্থল: ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ; নতুন কর্মস্থল: রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
৭. মো. মাহবুবুর রহমান — বর্তমান কর্মস্থল: কুমিল্লা সদর; নতুন কর্মস্থল: দাউদকান্দি, কুমিল্লা।
৮. মোছা. ফারজানা ইয়াসমিন — বর্তমান কর্মস্থল: চট্টগ্রাম সদর; নতুন কর্মস্থল: পটিয়া, চট্টগ্রাম।
৯. মো. আবু তাহের — বর্তমান কর্মস্থল: সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম; নতুন কর্মস্থল: রাউজান, চট্টগ্রাম।
১০. মো. সাইফুল ইসলাম — বর্তমান কর্মস্থল: রাজশাহী সদর; নতুন কর্মস্থল: পবা, রাজশাহী।
১১. মোছা. রেহানা পারভীন — বর্তমান কর্মস্থল: নাটোর সদর; নতুন কর্মস্থল: সিংড়া, নাটোর।
১২. মো. কামাল উদ্দিন — বর্তমান কর্মস্থল: বগুড়া সদর; নতুন কর্মস্থল: শেরপুর, বগুড়া।
১৩. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: রংপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: বদরগঞ্জ, রংপুর।
১৪. মোছা. নাসরিন আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: দিনাজপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
১৫. মো. মিজানুর রহমান — বর্তমান কর্মস্থল: সিলেট সদর; নতুন কর্মস্থল: গোলাপগঞ্জ, সিলেট।
১৬. মো. শফিকুল ইসলাম — বর্তমান কর্মস্থল: মৌলভীবাজার সদর; নতুন কর্মস্থল: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
১৭. মোছা. তাসলিমা বেগম — বর্তমান কর্মস্থল: বরিশাল সদর; নতুন কর্মস্থল: গৌরনদী, বরিশাল।
১৮. মো. নুরুল ইসলাম — বর্তমান কর্মস্থল: পটুয়াখালী সদর; নতুন কর্মস্থল: কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
১৯. মো. আবদুস সালাম — বর্তমান কর্মস্থল: খুলনা সদর; নতুন কর্মস্থল: ডুমুরিয়া, খুলনা।
২০. মোছা. রোকেয়া খাতুন — বর্তমান কর্মস্থল: যশোর সদর; নতুন কর্মস্থল: ঝিকরগাছা, যশোর।
২১. মো. হাবিবুর রহমান — বর্তমান কর্মস্থল: কুষ্টিয়া সদর; নতুন কর্মস্থল: ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।
২২. মো. আবদুল হালিম — বর্তমান কর্মস্থল: চুয়াডাঙ্গা সদর; নতুন কর্মস্থল: আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা।
২৩. মোছা. নাজমুন নাহার — বর্তমান কর্মস্থল: ময়মনসিংহ সদর; নতুন কর্মস্থল: ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
২৪. মো. আনোয়ার হোসেন — বর্তমান কর্মস্থল: জামালপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: সরিষাবাড়ী, জামালপুর।
২৫. মো. আবদুল্লাহ আল মামুন — বর্তমান কর্মস্থল: শেরপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
২৬. মো. আবদুল আজিজ — বর্তমান কর্মস্থল: নেত্রকোনা সদর; নতুন কর্মস্থল: মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা।
২৭. মোছা. সালমা আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: কিশোরগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: ভৈরব, কিশোরগঞ্জ।
২৮. মো. মনির হোসেন — বর্তমান কর্মস্থল: টাঙ্গাইল সদর; নতুন কর্মস্থল: মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।
২৯. মো. আবদুল বারী — বর্তমান কর্মস্থল: ফরিদপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: ভাঙ্গা, ফরিদপুর।
৩০. মো. শহিদুল ইসলাম — বর্তমান কর্মস্থল: রাজবাড়ী সদর; নতুন কর্মস্থল: পাংশা, রাজবাড়ী।
৩১. মোছা. শিউলি আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: গোপালগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ।
৩২. মো. সাইদুর রহমান — বর্তমান কর্মস্থল: মাদারীপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: শিবচর, মাদারীপুর।
৩৩. মো. আবুল কালাম আজাদ — বর্তমান কর্মস্থল: শরীয়তপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: নড়িয়া, শরীয়তপুর।
৩৪. মোছা. আফরোজা বেগম — বর্তমান কর্মস্থল: মুন্সীগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ।
৩৫. মো. আবদুল মতিন — বর্তমান কর্মস্থল: মানিকগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: সিংগাইর, মানিকগঞ্জ।
৩৬. মো. জসিম উদ্দিন — বর্তমান কর্মস্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর; নতুন কর্মস্থল: সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৩৭. মোছা. নিলুফা ইয়াসমিন — বর্তমান কর্মস্থল: চাঁদপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
৩৮. মো. আবদুল হক — বর্তমান কর্মস্থল: লক্ষ্মীপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।
৩৯. মো. আবদুল মালেক — বর্তমান কর্মস্থল: নোয়াখালী সদর; নতুন কর্মস্থল: বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।
৪০. মোছা. সেলিনা আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: ফেনী সদর; নতুন কর্মস্থল: ছাগলনাইয়া, ফেনী।
৪১. মো. গোলাম মোস্তফা — বর্তমান কর্মস্থল: কক্সবাজার সদর; নতুন কর্মস্থল: চকরিয়া, কক্সবাজার।
৪২. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: বান্দরবান সদর; নতুন কর্মস্থল: লামা, বান্দরবান।
৪৩. মো. আবদুস সাত্তার — বর্তমান কর্মস্থল: খাগড়াছড়ি সদর; নতুন কর্মস্থল: দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি।
৪৪. মো. নাছির উদ্দিন — বর্তমান কর্মস্থল: রাঙামাটি সদর; নতুন কর্মস্থল: কাপ্তাই, রাঙামাটি।
৪৫. মোছা. শামসুন্নাহার — বর্তমান কর্মস্থল: পিরোজপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
৪৬. মো. আবদুল কাইয়ুম — বর্তমান কর্মস্থল: ঝালকাঠি সদর; নতুন কর্মস্থল: নলছিটি, ঝালকাঠি।
৪৭. মো. সোহরাব হোসেন — বর্তমান কর্মস্থল: বরগুনা সদর; নতুন কর্মস্থল: আমতলী, বরগুনা।
৪৮. মো. আবদুল জলিল — বর্তমান কর্মস্থল: ভোলা সদর; নতুন কর্মস্থল: বোরহানউদ্দিন, ভোলা।
৪৯. মো. আবদুল হাই — বর্তমান কর্মস্থল: লালমনিরহাট সদর; নতুন কর্মস্থল: হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট।
৫০. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: কুড়িগ্রাম সদর; নতুন কর্মস্থল: উলিপুর, কুড়িগ্রাম।
৫১. মোছা. রাশিদা বেগম — বর্তমান কর্মস্থল: গাইবান্ধা সদর; নতুন কর্মস্থল: গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।
৫২. মো. আবদুল হান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: নীলফামারী সদর; নতুন কর্মস্থল: সৈয়দপুর, নীলফামারী।
৫৩. মো. আবদুল কুদ্দুস — বর্তমান কর্মস্থল: পঞ্চগড় সদর; নতুন কর্মস্থল: দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।
৫৪. মো. আবদুল ওয়াহাব — বর্তমান কর্মস্থল: ঠাকুরগাঁও সদর; নতুন কর্মস্থল: পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও।
৫৫. মোছা. নাজমা খাতুন — বর্তমান কর্মস্থল: জয়পুরহাট সদর; নতুন কর্মস্থল: আক্কেলপুর, জয়পুরহাট।
৫৬. মো. আবদুল লতিফ — বর্তমান কর্মস্থল: নওগাঁ সদর; নতুন কর্মস্থল: মান্দা, নওগাঁ।
৫৭. মো. আবদুল হাই — বর্তমান কর্মস্থল: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
৫৮. মো. আবদুল বারেক — বর্তমান কর্মস্থল: পাবনা সদর; নতুন কর্মস্থল: ঈশ্বরদী, পাবনা।
৫৯. মোছা. শারমিন আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: সিরাজগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।
৬০. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: নাটোর সদর; নতুন কর্মস্থল: বড়াইগ্রাম, নাটোর।
৬১. মো. আবদুল হাকিম — বর্তমান কর্মস্থল: ঝিনাইদহ সদর; নতুন কর্মস্থল: কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।
৬২. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: মাগুরা সদর; নতুন কর্মস্থল: শ্রীপুর, মাগুরা।
৬৩. মো. আবদুল করিম — বর্তমান কর্মস্থল: নড়াইল সদর; নতুন কর্মস্থল: লোহাগড়া, নড়াইল।
৬৪. মো. আবদুল জলিল — বর্তমান কর্মস্থল: সাতক্ষীরা সদর; নতুন কর্মস্থল: কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
৬৫. মো. আবদুল গফুর — বর্তমান কর্মস্থল: বাগেরহাট সদর; নতুন কর্মস্থল: মোংলা, বাগেরহাট।
৬৬. মোছা. পারভীন আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: হবিগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: মাধবপুর, হবিগঞ্জ।
৬৭. মো. আবদুল হক — বর্তমান কর্মস্থল: সুনামগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: ছাতক, সুনামগঞ্জ।
৬৮. মো. আবদুল মজিদ — বর্তমান কর্মস্থল: কিশোরগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জ।
৬৯. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর; নতুন কর্মস্থল: নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৭০. মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন — বর্তমান কর্মস্থল: কুমিল্লা সদর; নতুন কর্মস্থল: লাকসাম, কুমিল্লা।
৭১. মো. আবদুল হালিম — বর্তমান কর্মস্থল: চট্টগ্রাম সদর; নতুন কর্মস্থল: হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।
৭২. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: ফেনী সদর; নতুন কর্মস্থল: পরশুরাম, ফেনী।
৭৩. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: নোয়াখালী সদর; নতুন কর্মস্থল: চাটখিল, নোয়াখালী।
৭৪. মো. আবদুল হাই — বর্তমান কর্মস্থল: লক্ষ্মীপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: কমলনগর, লক্ষ্মীপুর।
৭৫. মো. আবদুল জলিল — বর্তমান কর্মস্থল: বরিশাল সদর; নতুন কর্মস্থল: বাকেরগঞ্জ, বরিশাল।
৭৬. মো. আবদুল করিম — বর্তমান কর্মস্থল: পটুয়াখালী সদর; নতুন কর্মস্থল: বাউফল, পটুয়াখালী।
৭৭. মো. আবদুল কুদ্দুস — বর্তমান কর্মস্থল: খুলনা সদর; নতুন কর্মস্থল: পাইকগাছা, খুলনা।
৭৮. মো. আবদুল বারী — বর্তমান কর্মস্থল: যশোর সদর; নতুন কর্মস্থল: কেশবপুর, যশোর।
৭৯. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: কুষ্টিয়া সদর; নতুন কর্মস্থল: কুমারখালী, কুষ্টিয়া।
৮০. মো. আবদুল হালিম — বর্তমান কর্মস্থল: ময়মনসিংহ সদর; নতুন কর্মস্থল: ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ।
৮১. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: টাঙ্গাইল সদর; নতুন কর্মস্থল: কালিহাতী, টাঙ্গাইল।
৮২. মো. আবদুল হক — বর্তমান কর্মস্থল: ফরিদপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: নগরকান্দা, ফরিদপুর।
৮৩. মো. আবদুল জলিল — বর্তমান কর্মস্থল: গোপালগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
৮৪. মো. আবদুল করিম — বর্তমান কর্মস্থল: মুন্সীগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ।
৮৫. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: মানিকগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ব্যাংকে এমডি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বেসরকারি খাতের ব্যাংক থেকে। একই সঙ্গে, সোনালী ব্যাংকের এমডি শওকত আলী খানের অপসারণ আদেশ সরকার বাতিল করেছে।
সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত পৃথক নির্দেশনা জারি হয়েছে।
জনতা ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বেসরকারি খাতের সাউথইস্ট ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা (চিফ রিস্ক অফিসার) মাহবুব আলম। অগ্রণী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন যমুনা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) নূর মোহাম্মদ। আর বেসিক ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জনতা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরুল হুদা। তাদের সকলকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এমডি পদে বেসরকারি খাতের ব্যাংক থেকে নিয়োগ দেওয়ার নজির অতীতে ছিল। অগ্রণী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদের ক্ষেত্রেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। তিনি একসময় সাউথইস্ট ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংকের এমডি ছিলেন এবং ২০০৪ সালে তাকে অগ্রণী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া চলতি বছরের জুনে রাষ্ট্রায়ত্ত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পান ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদার।
এর আগে, দুই দফায় রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিন বছরের চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া এমডি ও সিইওদের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে সরকার। প্রথম দফায়, গত ২ সেপ্টেম্বর অগ্রণী ব্যাংকের এমডি মো. আনোয়ারুল ইসলাম, বেসিক ব্যাংকের এমডি মো. কামরুজ্জামান খান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির (বিডিবিএল) এমডি মো. জসিম উদ্দিনের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়। দ্বিতীয় দফায়, গত ১৯ অক্টোবর একইভাবে সোনালী ব্যাংকের এমডি মো. শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের এমডি মো. মজিবুর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের এমডি কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় তাইজুল সরদার হত্যার পর ভয়াবহ সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রতিপক্ষের সদস্যরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অন্তত অর্ধশতাধিক বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে।
সোমবার সকালে কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ও টুমচর এলাকায় এই তাণ্ডব সংঘটিত হয়।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের ফলস্বরূপ গত ২২ অক্টোবর সকালে তাইজুল সরদার নামের এক ব্যক্তি খুন হন। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজমান ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে প্রতিপক্ষের সদস্যরা দেশি অস্ত্র নিয়ে কালিনগর ও টুমচর এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিলন সরদারের বাড়িসহ বিভিন্ন বাড়িতে হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতে বেশ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় তারা নির্বিচারে অর্ধশতাধিক বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। পরবর্তীতে বাড়িগুলোতে অগ্নিসংযোগ করা হলে মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কালকিনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ সুপারের সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তাইজুল সরদার হত্যাকাণ্ডের জের ধরে প্রতিপক্ষ এই হামলা চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বর্তমানে কোনো মামলা না হলেও আমাদের নিজস্ব তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বেসামরিক শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ সম্পর্কিত বক্তব্যকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশের প্রধানের এই মন্তব্য বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের পুলিশের নিষ্ঠুর স্মৃতিগুলোকেই পুনরুজ্জীবিত করে।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, আজ এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেছেন—‘ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে, আমরা সেটাই করব।’ এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করতে চাই, জনাব আলী হোসেন ফকির হালকা মেজাজে এ মন্তব্য করেছেন; যদিও রাষ্ট্রের এত গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন সংবেদনশীল বিষয়ে হালকা মেজাজে মন্তব্য করার সুযোগ নেই।’
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, ক্রসফায়ার সম্পর্কে পুলিশের প্রচলিত আনুষ্ঠানিক ভাষ্য হলো—অপরাধী চক্রের হামলার মুখে আত্মরক্ষার্থে পুলিশের পাল্টা গুলিবর্ষণের ফলে কথিত অপরাধীর মৃত্যু ঘটে। যদিও বাস্তবতা ভিন্ন, পুলিশ এতদিন এভাবে দায় এড়িয়ে এসেছে। কিন্তু আজ পুলিশ প্রধান যেভাবে ‘ক্রসফায়ার দেওয়ার’ কথা বললেন, তাতে স্পষ্টতই স্বীকার করা হলো যে, বিচারবহির্ভূতভাবে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টার্গেট করে গুলি করে হত্যা করাকেই তারা ক্রসফায়ার হিসেবে উল্লেখ করছেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—আইন, আদালত ও সংবিধানবহির্ভূত এবং মানবাধিকারের সুস্পষ্ট পরিপন্থি এমন কর্মকাণ্ড পরিচালনার পক্ষে পুলিশ প্রধান প্রকাশ্যে ঘোষণা দিচ্ছেন।
তিনি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সরকার চাইলেও জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত একটি রাষ্ট্রীয় বাহিনী কোনোভাবেই এমন মানবতাবিরোধী কাজে লিপ্ত হতে পারে না। আইন ও স্বীকৃত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সরকারের বেআইনি নির্দেশ অন্ধভাবে মানার প্রবণতাই বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে দেশকে একটি নরকে পরিণত করেছিল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে পুলিশের মধ্যে সেই একই ফ্যাসিবাদী মনোভাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এর দেওয়া বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে, যা ‘ক্রসফায়ার’-এর নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমর্থনে ছিল।
২৬ অক্টোবর সোমবার এক সভায় আইজিপি মোহাম্মদ আলী হোসেন ফকির বলেছেন, “সরকার অনুমোদন দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে পুলিশ।” আইজিপির এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অধিকার অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি করেছে।
একটি বিবৃতিতে অধিকার উল্লেখ করেছে, শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে দেশে ব্যাপকভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় ভিন্নমতাবলম্বী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হন। এসব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের জন্য বিলুপ্ত হওয়া সংস্থা র্যাবকে (বর্তমানে এসআরবি) যুক্তরাষ্ট্র কালো তালিকাভুক্ত করেছিল। হাসিনার আমলে সংঘটিত এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বর্তমান সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের সম্মুখীন হয়েছেন এবং জড়িতদের অনেকেই বর্তমানে বিদেশে পালিয়ে আছেন।
অধিকার মনে করে, পুলিশের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তির এ ধরনের বক্তব্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঢালাও ‘ছাড়পত্র’ দেওয়ার শামিল।
অধিকার আরও জানায়, বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ইতোমধ্যে ৫টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা নথিভুক্ত করেছে।
আইজিপির এই ধরনের বক্তব্যের ফলে সৃষ্টি হওয়া পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে অধিকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে পুলিশ মহাপরিদর্শকের বিতর্কিত এই বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়ে, এই সময় সংঘটিত সব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ