বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৫০ এম
হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. ফয়সল বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সচল রাখতে বর্তমান সরকার মাদক, চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য সব ধরনের অপরাধ দমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধমুক্ত, নিরাপদ এবং শান্তिमয় সমাজ গঠনে সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেছে।
মাদক একটি চরম ধ্বংসাত্মক ব্যাধি। তরুণ সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে, চুরি, ছিনতাই এবং অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের অপরাধী বা সন্ত্রাসীকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করার আহ্বান জানান।
তিনি মঙ্গলবার সকালে মাধবপুর আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মোঃ মেহেদি হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা, সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ আনিছুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা ডাঃ ইমরুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ইদ্রিস আলী দুলা মিয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম কামাল, সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান হামদু, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ, মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরী কাসেদ, মীর খুরশেদ আলম, পারভেজ হোসেন, সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল, ৫৫ বিজিবির পক্ষ থেকে নায়েক সুবেদার মকবুল, ২৫ বিজিবির পক্ষ থেকে নায়েক সুবেদার সিরাজ, আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সাবেক চেয়ারম্যান সামসুল ইসলাম মামুন, দুর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি সাইফুল হক মির্জা, সাবেক কাউন্সিলর ইশরাত জাহান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, প্রেসক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমদ, সহকারি অধ্যাপক মঈনউদ্দিন, মাওলানা নূরুজ্জামান, স্বপন রায় প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, মাধবপুরে শান্তি এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, প্রশাসন ও জনসাধারণের সমন্বিত উদ্যোগকে আরও জোরদার করতে হবে। মাদক, চুরি, ডাকাতি, কিশোর গ্যাং এবং অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে সিলেট নগরের দুটি বেসরকারি হাসপাতালকে জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসন। লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই কার্যক্রম চালানোর অভিযোগে ১৫ দিনের মধ্যে লাইসেন্স নবায়নসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, একটি হাসপাতালের ভেতর পরিচালিত একটি ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, কারণ সেখানে ড্রাগ লাইসেন্স ও নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট ছিল না।
বুধবার, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসাইন সজীব। অভিযানকালে সেন্ট্রাল হাসপাতাল ও সুরমা ভ্যালি হাসপাতাল পরিদর্শন করে দেখা যায়, হাসপাতাল দুটি দীর্ঘকাল ধরেই লাইসেন্স নবায়ন না করেই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এজন্য প্রচলিত আইনে প্রতিটি হাসপাতালকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ১৫ দিনের মধ্যে লাইসেন্স নবায়নসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিকে, সুরমা ভ্যালি হাসপাতালের ভিতরে ফার্মেসিতে অভিযান করে একাধিক অনিয়মের পরিচয় মেলে। জেলা প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, ফার্মেসিটির কোনো বৈধ ড্রাগ লাইসেন্স ছিল না। এছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ বিক্রির জন্য বাধ্যতামূলক রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হয়নি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত নিবন্ধিত ফার্মাসিস্টও উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে ওষুধ ও কসমেটিক্স আইনে ফার্মেসিটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসাইন সজীব জানান, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করে জেলার হাসপাতালগুলোতে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, আইনগত অনুমোদন ও ওষুধ বিক্রির বিধিবিধান যথাযথভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে কি না, এ বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই অভিযান হচ্ছে। তিনি সতর্ক করেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনস্বার্থে, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার মাছ বাজার, সবজি বাজার ও চাল বাজার পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনকালে, তিনি বাজারের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন। ব্যবসায়ীদের বাজার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে, বাজার এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দ্রুত উচ্ছেদের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময়, খোলা বাজারের ব্যবসায়ীদের একটি হালনাগাদ তালিকা দ্রুত পৌর প্রশাসকের দপ্তরে জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
পৌর প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান মন্তব্য করেন, জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে যারা অবৈধভাবে রাস্তা দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য পৌরসভা নিয়মিত এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পরিদর্শনকালে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মো. ইয়াকুব আলী এবং শামীম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় কৃষকদের আধুনিক কৃষি সেবার আওতায় আনতে কৃষক কার্ড তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া,এম ,পি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান সরকার।
প্রাথমিক পর্যায়ে প্রথম ধাপে উপজেলার গোবিন্দপুর ব্লকের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য এলাকায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। প্রধান অতিথি বলেন, “কৃষকদের জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজ গড়ে তুলতেই কৃষক কার্ড তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।” এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, কৃষি বীমা, সেচ সুবিধা, কৃষিযন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, মোবাইল ফোনে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য, ফসলের রোগ-বালাই দমনে পরামর্শ এবং কৃষিপণ্য বিপণনসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা সহজেই গ্রহণ করতে পারবেন।
এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে উচ্চফলনশীল (হাইব্রিড ও উফশী) জাতের শাকসবজির উৎপাদন ও আবাদ বৃদ্ধি লক্ষ্যে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়। বক্তারা বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে সরকারি কৃষি সহায়তা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বীজ ও সার বিতরণ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের আর্থিকভাবে লাভবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অয়ন ফারহান সামস, উপজেলা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বিএসসি জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আলম তুহিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইয়েদ আহমেদ সেলিম বুলবুল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও উপজেলা বিএনপির অন্যতম নেতা শরিফুল ইসলাম প্রধান, ৬ নম্বর গোয়ালডিহি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন লিটন, ২নং ভেড়ভড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম বাবুল ,উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) রংপুর জোনের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপনের অভিযোগ এনে তা বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা চেয়ে আদালতে ঘোষণামূলক ডিক্রির মামলা দায়ের করেছেন ১৫ জন ভুক্তভোগী গ্রাহক।
বুধবার (২২ জুলাই) রংপুরের সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য আব্দুল জব্বার সরকারসহ ১৫ জন বাদী এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় নেসকো রংপুর জোনের প্রধান প্রকৌশলী (অপারেশন) মো. আশরাফুল ইসলাম মণ্ডলসহ ছয়জনকে বিবাদী করা হয়েছে। মামলার নম্বর অন্য-৫৪৩/২০২৬।
মামলার আরজিতে বাদীপক্ষের দাবি, নেসকো রংপুর জোন নগরীর বিভিন্ন বাসাবাড়ি, বেসরকারি অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের আপত্তি সত্ত্বেও পোস্টপেইড মিটার অপসারণ করে বাধ্যতামূলকভাবে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের ভাষ্য, এ কার্যক্রম বেআইনি, অবৈধ এবং গ্রাহকদের জন্য হয়রানিমূলক।
তাহলে আদালতের কাছে তাদের চাওয়া, এ কার্যক্রমকে বেআইনি ঘোষণা করে আদালতের ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রার্থনা করা হয়েছে। বাদীপক্ষে আইনজীবী হিসেবে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ। বিচারক আবু বক্কর সিদ্দিক মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
মামলা দায়েরের পর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির নেতারা বলেন, আদালত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। তারা আশা প্রকাশ করেন, আদালতের মাধ্যমে এ বিষয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ