ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদারীপুরে পুকুরে ডুবে তিন বছরের শিশুর মৃত্যু


মাদারীপুরে পুকুরে ডুবে তিন বছরের শিশুর মৃত্যু

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের উত্তর মহিষেরচর এলাকায় পুকুরের পানিতে ডুবে আদনান (৩) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আদনান উত্তর মহিষেরচর এলাকার আসাদুল মাতুব্বরের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাড়ির উঠানে খেলছিল আদনান। পরিবারের সদস্যদের অগোচরে একপর্যায়ে সে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুকুরে গিয়ে শিশুটিকে পানিতে ভাসতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করা হয়।
গুরুতর অবস্থায় তাকে মাদারীপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনদের অভিযোগ, মাঝপথে নৌকায় পারাপার করতে সময় লাগায় হাসপাতালে নিতে কিছুটা বিলম্ব হয়।

মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: নীলফামারীতে জেলা জামায়াতের রোকন সম্মেলনে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
গাফিলতির সন্দেহ প্রতিমন্ত্রীর

কার্গো ভিলেজে বারবার আগুন লাগা নিয়ে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


কার্গো ভিলেজে বারবার আগুন লাগা নিয়ে প্রশ্ন

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে বারবার অগ্নিকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্মাণ ত্রুটি, দায়িত্বরতদের গাফিলতি নাকি নাশকতা—সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে। বিশেষ করে ৯ মাসের মধ্যে অতি স্পর্শকাতর এলাকায় ছুটির দিনেই দুবার আগুন লাগায় নানা সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

গত শুক্রবার রাতে কার্গো ভিলেজের ৯ নম্বর গেট এলাকায় লাগা আগুনে ডিএইচএল কুরিয়ারের কনটেইনার পুড়ে যায়। এর আগে গত বছরের ১৮ অক্টোবর কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল।

বিমানবন্দর ও বেবিচক সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতে যে কনটেইনারটি পুড়েছে, সেটির ভেতর কাপড়ের রোল, পেপার আইটেম, রাবার আইটেম, প্লাস্টিক আইটেমসহ বিভিন্ন পণ্য ছিল। এই পণ্যগুলো আজ রোববার নিলাম হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই সেটি পুড়ে যাওয়ায় নানা সন্দেহ দানা বাধছে।

বেবিচকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরকার ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এর মধ্যে ডিএইচএলের অন্তত ৫ কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

এদিকে গতকাল কার্গো ভিলেজে লাগা আগুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টার জরুরি বৈঠকও করেন তিনি। তবে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি মন্ত্রী।

তবে শুক্রবার রাতেই আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ঘটনাস্থলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে বোঝা যাবে কী থেকে আগুনটা ধরেছে। তবে প্রাথমিকভাবে এখানকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বোঝা যাচ্ছে, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের ঘটনা ঘটতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু প্রশ্ন হলো শর্টসার্কিট হবে কেন? এর আগেও যে অগ্নিকাণ্ড হয়েছিল, সেখানেও তদন্ত রিপোর্টে শর্টসার্কিট ছিল। তবে নিশ্চয়ই গাফিলতি রয়েছে। আমাদের তা স্বীকার করতে হবে।’

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত ১১টা ২৪ মিনিটের দিকে ৯ নম্বর গেট-সংলগ্ন কুরিয়ার অপারেশন এলাকায় ডিএইচএলের একটি কনটেইনারে আগুন লাগে। ঘটনাস্থলটি সিসিটিভি ক্যামেরার আওতার বাইরে ছিল। আগুন লাগার স্থানের সামনের অংশে একটি বিদ্যুতের খুঁটি ছিল এবং নিচে কিছু কেবল পড়ে থাকতে দেখা গেছে। তা ছাড়া ঘটনাস্থলের অদূরে কয়েকটি সিগারেটের অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে। অথচ ওই এলাকায় ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সিগারেট থেকে আগুন লাগলে সাধারণত ধীরে ধীরে ধোঁয়া সৃষ্টি হয়ে পরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে; কিন্তু এই ঘটনায় হঠাৎ দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠেছে, যা ফুটেজে দেখা গেছে।

বিমানবন্দর কার্গো এলাকার দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, শর্টসার্কিট হলে সাধারণত স্পার্কিং হওয়ার কথা ছিল। এমনকি আশপাশের বিদ্যুৎ-সংযোগেও প্রভাব পড়ার কথা। কিন্তু সে রকম কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। আলোও নিভে যায়নি। ফলে আগুনের কারণ নিয়ে গভীরভাবে তদন্ত করতে হবে।

সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের তথ্য দিয়ে একজন কর্মকর্তা জানান, আগুন লাগার সময়ে ঘটনাস্থলের কাছে ডিএইচএলের একজন কর্মীকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। তিনি সেখানে মশারি টানিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আগুন লাগার পরও দেড় থেকে দুই মিনিট তিনি শান্তভাবে আগুনের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। পরে ফোন করে বিষয়টি অন্যদের জানান। ঘটনাটি স্বাভাবিক আচরণ মনে হচ্ছে না।

গত শুক্রবার রাতের আগুন অল্প সময়ের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া সম্ভব হলেও গত বছরের ১৮ অক্টোবর শনিবার লাগা আগুনে হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়। তবে বন্ধের দিনেই কেন আগুন লাগছে সেই প্রশ্ন তুলেছেন আমদানি-রপ্তানিতে এজেন্ট ব্যবসায়ীরা।

ওই ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরের ভয়াবহ আগুনে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি। তবে এসব ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আগুন লাগার ঘটনা বন্ধ হবে না।

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (সিঅ্যান্ডএফ) সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনেই কেন বারবার কার্গো ভিলেজে আগুন লাগছে। এটা রহস্যজনক। এসব বিষয় খতিয়ে দেখা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের সঙ্গে বিরোধ মেটাতে তৃতীয় পক্ষের দরকার নেই : নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


ভারতের সঙ্গে বিরোধ মেটাতে তৃতীয় পক্ষের দরকার নেই :  নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নেপাল সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খনাল স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, ভারতের সাথে সীমান্ত বিরোধের নিষ্পত্তির জন্য নেপাল কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা চাচ্ছে না। রবিবার (৭ জুন) তিনি নয়াদিল্লিতে নেপাল দূতাবাসে একটি সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেন।

দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খনাল তার বক্তব্যে নিশ্চিত করেছেন যে, নেপাল ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত সমস্যাটি সম্পূর্ণরূপে একটিমাত্র দ্বিপাক্ষিক বিষয়। নেপাল সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনা দ্বারা এই সমস্যা সমাধান করতে চায়, এটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে উঠাতে চাইছে না।

শিশির খনাল দাবি করেন যে, কাঠমান্ডু কালাপানি-লিপুলেখ-লিম্পিয়াধুরা ত্রি-সঙ্গনস্থলে নেপালের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে মনোযোগ দিচ্ছে এবং এ প্রসঙ্গে তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে ‘মধ্যস্থতা চাইছে না’ বলেও জানান।

তিনি আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের নতুন সরকার নেপাল-ভারত সম্পর্ককে ‘পুরনো বোঝা’ দিয়ে আটকে রাখতে চায় না। নেপাল এখন সম্পূর্ণ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে এগোতে ইচ্ছুক।’

‘আমরা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করতে চাই। আমরা দেখতে চাই যে, যুক্তরাজ্যের গ্রন্থাগার বা জাদুঘরে কিছু নথিপত্র পাওয়া যায় কিনা। আমাদের অবস্থান ছিল যে, আমরা কোনো মধ্যস্থতা চাইছিলাম না।’ এই মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সংসদে, যার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জনাব খানাল তথ্য প্রদান করেন。

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সংসদে উল্লেখ করেন যে, ভারতসহ কালাপানি-লিম্পিয়াধুরা-লিপুলেক বিরোধ নিয়ে নেপাল বর্তমানে যুক্তরাজ্য ও চীনের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

বিএনপির চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী দুইদিনের সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন। ১৪ জুন ও ১৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজারের চকরিয়া এবং পেকুয়ায় আগমনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

১৪ জুন বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে অনুষ্ঠিতব্য জনসভাকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এই জনসভাকে সফল করতে ইতোমধ্যে বিএনপি সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছে।

সম্ভাব্য সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৪ জুন সকালে ১০টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত পিএমখালীর পাতলি খাল পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন এবং উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন। এরপর বেলা ১১টায় তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এবং পার্ক পরিদর্শন করবেন। পরবর্তীতে পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত, পেকুয়া পৌরসভা এবং নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচনের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। দুপুরে পেকুয়ায় সাঈদ মঞ্জিলে মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করবেন।

বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে কক্সবাজার যাবেন, যেখানে সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলায় কর্মরত প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গীসহ কক্সবাজার সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১৫ জুন সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।

এদিকে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই দুই দিনের কক্সবাজার সফর সরাসরি তদারকি করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চারদিনের সফরে আগামী ১২ জুন কক্সবাজার যাচ্ছেন।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ এনামুল হক জানিয়েছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চকরিয়া আসবেন- এই খবরে পুরো চকরিয়ার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ দেখা দিয়েছে। দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়া এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সরাসরি দেখতে এবং তাঁর মূল্যবান বক্তব্য শুনতে চকরিয়াবাসী অপেক্ষা করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, লাখো জনতার সমাবেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দ্রুত ছয় লেনে উন্নীতকরণের ঘোষণা দিতে পারেন, পাশাপাশি কক্সবাজারবাসীর প্রত্যাশার পাবলিক ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়ার উপরও তিনি গুরুত্বারোপ করবেন।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী কালবেলাকে জানিয়েছেন যে, জনসভায় বৃহত্তর চকরিয়ার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে নারী-পুরুষ মিলিয়ে ৫০ হাজারের বেশি নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেবেন। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা এবং আশপাশের অঞ্চল থেকে আগত প্রায় ৩ লাখ মানুষের সমাগম ঘটতে পারে, এই আশাবাদ প্রকাশ করেছেন নেতৃবৃন্দ।

জনসভা সফল করার লক্ষ্যে শুক্রবার ও শনিবার (৫ ও ৬ জুন) চকরিয়া উপজেলা ও চকরিয়া পৌরসভা বিএনপি পৃথক প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন করেছে। এই সভায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি, বিভিন্ন অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার সুপারি গাছ থেকে বছরে কোটি টাকার আয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার সুপারি গাছ থেকে বছরে কোটি টাকার আয়

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার পার্শ্ববর্তী কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায়, একই পরিবারের ৪ ভাই মিলে গড়ে তুলেছেন বিশাল সুপারি বাগান। বর্তমান সময়ে এই বাগানে প্রায় ২০ একর জমিতে ৫০ হাজার সুপারি গাছ থেকে প্রতি মৌসুমে আয় হচ্ছে প্রায় এক কোটি টাকা। পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে চুইঝাল, লটকন ও পানপাতা চাষ করে বছরে আরও ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা আয় করছেন তারা। ইতোমধ্যে এই বাগান রংপুর বিভাগের সবচেয়ে বড় সুপারি বাগান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধনঞ্জয় গ্রামে অবস্থিত এই বাগানের যাত্রা শুরু হয়েছে প্রায় ৭০ বছর আগে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, মৃত বাব উল্যাহ প্রথমে প্রায় তিন একর জমিতে সুপারি গাছ রোপণ করেন। এলাকার মাটি ও আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত হওয়ায় ধীরে ধীরে তার চার ছেলে ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মের সদস্যরা বাগানটি সম্প্রসারণ করে বর্তমানে ২০ একর জমিতে প্রায় ৫০ হাজার সুপারি গাছের বিশাল বাগান গড়ে তুলেছেন। শুধু সুপারি নয়, তারা বাগানে উৎপাদিত উন্নতমানের চারা বিক্রি করে লাভবানও হচ্ছেন। তাদের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আশপাশের অনেক কৃষকও সুপারি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

বাগানে কর্মরত শ্রমিক স্বাধীন মিয়া বলেন, "সারা বছরই এখানে কাজ করতে পারি। ভোর থেকে বাগানের পরিচর্যা করি। এই কাজের আয় দিয়েই সংসার চালাচ্ছি।" অপর শ্রমিক চঞ্চলা রাণী জানান, "বাগানের কাজ করে যা আয় করি, তা দিয়েই সংসার চলে। সন্তানদের লেখাপড়া করিয়েছি, মেয়েদের বিয়েও দিয়েছি।"

স্থানীয় বাসিন্দা আলামিন মিয়া জানান, "চার ভাইয়ের সফলতা দেখে আমিও ছোট পরিসরে সুপারি বাগান করেছি। কম খরচে ভালো লাভ হওয়ায় এ চাষ বেশ লাভজনক।" বাব উল্যাহর ছেলে হানিফুল ইসলাম বলেন, "আমার বাবা কম খরচে বেশি লাভের আশায় সুপারি চাষ শুরু করেছিলেন। আমরা সেই বাগান আরও বড় করেছি। এখন সুপারির পাশাপাশি, চুইঝাল, লটকন ও পানপাতার চাষও করছি।" বাগানের অন্যতম উদ্যোক্তা তৌফিক আহমেদ শাহীন বলেন, "চাচা-ভাতিজারা মিলে প্রায় ২০ একর জমিতে সুপারি চাষ করছি। প্রতি মৌসুমে ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকার সুপারি বিক্রি হয়। সাথী ফসল থেকে আরও ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা আয় হয়। বাগানকে কেন্দ্র করে ৮ থেকে ১০টি পরিবারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।"

রোববার (৭ জুন) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নাহিদা আফরীন জানান, "রংপুর অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সুপারি উৎপাদন হয় কুড়িগ্রাম জেলায়। চলতি মৌসুমে জেলার ১ হাজার ৫২০ হেক্টর জমিতে সুপারি উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৩৯৫ মেট্রিক টন। অল্প খরচ ও কম পরিশ্রমে অধিক লাভ হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে সুপারি চাষের আগ্রহ বাড়ছে।" তিনি আরও বলেন, "সুপারি বাগানে সাথী ফসল হিসেবে চুইঝাল, লটকন ও অন্যান্য ফলদ গাছ লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের আয়ও বাড়ছে। পরিকল্পিতভাবে সুপারি ও সাথী ফসলের সমন্বিত চাষ গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।" কুড়িগ্রামের এই সফল উদ্যোক্তা পরিবার এখন দেশের অন্যান্য কৃষকদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে বলে কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%