ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতের সঙ্গে বিরোধ মেটাতে তৃতীয় পক্ষের দরকার নেই : নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী


ভারতের সঙ্গে বিরোধ মেটাতে তৃতীয় পক্ষের দরকার নেই :  নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নেপাল সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খনাল স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, ভারতের সাথে সীমান্ত বিরোধের নিষ্পত্তির জন্য নেপাল কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা চাচ্ছে না। রবিবার (৭ জুন) তিনি নয়াদিল্লিতে নেপাল দূতাবাসে একটি সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেন।

দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খনাল তার বক্তব্যে নিশ্চিত করেছেন যে, নেপাল ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত সমস্যাটি সম্পূর্ণরূপে একটিমাত্র দ্বিপাক্ষিক বিষয়। নেপাল সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনা দ্বারা এই সমস্যা সমাধান করতে চায়, এটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে উঠাতে চাইছে না।

শিশির খনাল দাবি করেন যে, কাঠমান্ডু কালাপানি-লিপুলেখ-লিম্পিয়াধুরা ত্রি-সঙ্গনস্থলে নেপালের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে মনোযোগ দিচ্ছে এবং এ প্রসঙ্গে তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে ‘মধ্যস্থতা চাইছে না’ বলেও জানান।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধে লেনদেনে কি কোনো প্রভাব পড়বে

তিনি আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের নতুন সরকার নেপাল-ভারত সম্পর্ককে ‘পুরনো বোঝা’ দিয়ে আটকে রাখতে চায় না। নেপাল এখন সম্পূর্ণ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে এগোতে ইচ্ছুক।’

‘আমরা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করতে চাই। আমরা দেখতে চাই যে, যুক্তরাজ্যের গ্রন্থাগার বা জাদুঘরে কিছু নথিপত্র পাওয়া যায় কিনা। আমাদের অবস্থান ছিল যে, আমরা কোনো মধ্যস্থতা চাইছিলাম না।’ এই মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সংসদে, যার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জনাব খানাল তথ্য প্রদান করেন。

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সংসদে উল্লেখ করেন যে, ভারতসহ কালাপানি-লিম্পিয়াধুরা-লিপুলেক বিরোধ নিয়ে নেপাল বর্তমানে যুক্তরাজ্য ও চীনের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

আরও পড়ুন: জর্ডানে গির্জায় বন্দুকধারীদের হামলায় ৭ নিহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

বিএনপির চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী দুইদিনের সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন। ১৪ জুন ও ১৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজারের চকরিয়া এবং পেকুয়ায় আগমনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

১৪ জুন বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে অনুষ্ঠিতব্য জনসভাকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এই জনসভাকে সফল করতে ইতোমধ্যে বিএনপি সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছে।

সম্ভাব্য সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৪ জুন সকালে ১০টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত পিএমখালীর পাতলি খাল পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন এবং উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন। এরপর বেলা ১১টায় তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এবং পার্ক পরিদর্শন করবেন। পরবর্তীতে পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত, পেকুয়া পৌরসভা এবং নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচনের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। দুপুরে পেকুয়ায় সাঈদ মঞ্জিলে মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করবেন।

বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে কক্সবাজার যাবেন, যেখানে সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলায় কর্মরত প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গীসহ কক্সবাজার সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১৫ জুন সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।

এদিকে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই দুই দিনের কক্সবাজার সফর সরাসরি তদারকি করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চারদিনের সফরে আগামী ১২ জুন কক্সবাজার যাচ্ছেন।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ এনামুল হক জানিয়েছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চকরিয়া আসবেন- এই খবরে পুরো চকরিয়ার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ দেখা দিয়েছে। দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়া এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সরাসরি দেখতে এবং তাঁর মূল্যবান বক্তব্য শুনতে চকরিয়াবাসী অপেক্ষা করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, লাখো জনতার সমাবেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দ্রুত ছয় লেনে উন্নীতকরণের ঘোষণা দিতে পারেন, পাশাপাশি কক্সবাজারবাসীর প্রত্যাশার পাবলিক ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়ার উপরও তিনি গুরুত্বারোপ করবেন।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী কালবেলাকে জানিয়েছেন যে, জনসভায় বৃহত্তর চকরিয়ার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে নারী-পুরুষ মিলিয়ে ৫০ হাজারের বেশি নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেবেন। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা এবং আশপাশের অঞ্চল থেকে আগত প্রায় ৩ লাখ মানুষের সমাগম ঘটতে পারে, এই আশাবাদ প্রকাশ করেছেন নেতৃবৃন্দ।

জনসভা সফল করার লক্ষ্যে শুক্রবার ও শনিবার (৫ ও ৬ জুন) চকরিয়া উপজেলা ও চকরিয়া পৌরসভা বিএনপি পৃথক প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন করেছে। এই সভায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি, বিভিন্ন অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার সুপারি গাছ থেকে বছরে কোটি টাকার আয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার সুপারি গাছ থেকে বছরে কোটি টাকার আয়

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার পার্শ্ববর্তী কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায়, একই পরিবারের ৪ ভাই মিলে গড়ে তুলেছেন বিশাল সুপারি বাগান। বর্তমান সময়ে এই বাগানে প্রায় ২০ একর জমিতে ৫০ হাজার সুপারি গাছ থেকে প্রতি মৌসুমে আয় হচ্ছে প্রায় এক কোটি টাকা। পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে চুইঝাল, লটকন ও পানপাতা চাষ করে বছরে আরও ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা আয় করছেন তারা। ইতোমধ্যে এই বাগান রংপুর বিভাগের সবচেয়ে বড় সুপারি বাগান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধনঞ্জয় গ্রামে অবস্থিত এই বাগানের যাত্রা শুরু হয়েছে প্রায় ৭০ বছর আগে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, মৃত বাব উল্যাহ প্রথমে প্রায় তিন একর জমিতে সুপারি গাছ রোপণ করেন। এলাকার মাটি ও আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত হওয়ায় ধীরে ধীরে তার চার ছেলে ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মের সদস্যরা বাগানটি সম্প্রসারণ করে বর্তমানে ২০ একর জমিতে প্রায় ৫০ হাজার সুপারি গাছের বিশাল বাগান গড়ে তুলেছেন। শুধু সুপারি নয়, তারা বাগানে উৎপাদিত উন্নতমানের চারা বিক্রি করে লাভবানও হচ্ছেন। তাদের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আশপাশের অনেক কৃষকও সুপারি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

বাগানে কর্মরত শ্রমিক স্বাধীন মিয়া বলেন, "সারা বছরই এখানে কাজ করতে পারি। ভোর থেকে বাগানের পরিচর্যা করি। এই কাজের আয় দিয়েই সংসার চালাচ্ছি।" অপর শ্রমিক চঞ্চলা রাণী জানান, "বাগানের কাজ করে যা আয় করি, তা দিয়েই সংসার চলে। সন্তানদের লেখাপড়া করিয়েছি, মেয়েদের বিয়েও দিয়েছি।"

স্থানীয় বাসিন্দা আলামিন মিয়া জানান, "চার ভাইয়ের সফলতা দেখে আমিও ছোট পরিসরে সুপারি বাগান করেছি। কম খরচে ভালো লাভ হওয়ায় এ চাষ বেশ লাভজনক।" বাব উল্যাহর ছেলে হানিফুল ইসলাম বলেন, "আমার বাবা কম খরচে বেশি লাভের আশায় সুপারি চাষ শুরু করেছিলেন। আমরা সেই বাগান আরও বড় করেছি। এখন সুপারির পাশাপাশি, চুইঝাল, লটকন ও পানপাতার চাষও করছি।" বাগানের অন্যতম উদ্যোক্তা তৌফিক আহমেদ শাহীন বলেন, "চাচা-ভাতিজারা মিলে প্রায় ২০ একর জমিতে সুপারি চাষ করছি। প্রতি মৌসুমে ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকার সুপারি বিক্রি হয়। সাথী ফসল থেকে আরও ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা আয় হয়। বাগানকে কেন্দ্র করে ৮ থেকে ১০টি পরিবারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।"

রোববার (৭ জুন) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নাহিদা আফরীন জানান, "রংপুর অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সুপারি উৎপাদন হয় কুড়িগ্রাম জেলায়। চলতি মৌসুমে জেলার ১ হাজার ৫২০ হেক্টর জমিতে সুপারি উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৩৯৫ মেট্রিক টন। অল্প খরচ ও কম পরিশ্রমে অধিক লাভ হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে সুপারি চাষের আগ্রহ বাড়ছে।" তিনি আরও বলেন, "সুপারি বাগানে সাথী ফসল হিসেবে চুইঝাল, লটকন ও অন্যান্য ফলদ গাছ লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের আয়ও বাড়ছে। পরিকল্পিতভাবে সুপারি ও সাথী ফসলের সমন্বিত চাষ গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।" কুড়িগ্রামের এই সফল উদ্যোক্তা পরিবার এখন দেশের অন্যান্য কৃষকদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে বলে কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামান্থা নন, সিনেমাটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন সাই পল্লবী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


সামান্থা নন, সিনেমাটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন সাই পল্লবী

মুক্তির আগে আলোচনায় থাকা ‘মা ইন্টি বাঙ্গারাম’ সিনেমা নিয়ে অভিনেত্রী ও প্রযোজক সামান্থা রুথ প্রভু নতুন একটি তথ্য প্রকাশ করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, ছবিটি নির্মাণের জন্য শুরুতে তাকে নয়, বরং দক্ষিণী তারকা সাই পল্লবীকেই নায়িকা হিসেবে ভাবা হয়েছিল।

পরে বিভিন্ন কারণে গল্পে পরিবর্তন এনে তাকে নিয়ে সিনেমাটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক ভক্ত জানতে চান, কীভাবে তিনি এই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হলেন।

জবাবে সামান্থা বলেন, ‘আমি সিনেমাটি বেছে নিইনি, বরং সিনেমাটিই আমাকে বেছে নিয়েছে। ট্রালালার মূল লক্ষ্য ছিল নারীপ্রধান গল্প নিয়ে কাজ করা।

তাহলে, প্রথমে আমরা এই গল্পটি সাই পল্লবীকে প্রস্তাব দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি খুব ব্যস্ত ছিলেন এবং সময় দিতে পারেননি। এরপর নির্মাতারা গল্পটি আমার জন্য নতুনভাবে সাজিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে আরও বেশি অভিনেত্রী যেন নারীপ্রধান গল্পে কাজ করেন, সেই প্রত্যাশা তার রয়েছে।

একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, একদিন সাই পল্লবীকেও এমন একটি শক্তিশালী নারী-কেন্দ্রিক প্রকল্পে দেখা যাবে।

সামান্থার এই বক্তব্যের জবাবে সাই পল্লবীও সামাজিক মাধ্যমে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সামান্থার পোস্ট শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘মা ইন্টি বাঙ্গারাম তোমার কাছেই পৌঁছানোর ছিল, প্রিয় সামান্থা। তোমাকে এবং নন্দিনী রেড্ডিকে অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা। আর হ্যাঁ, খুব শিগগিরই।’

‘মা ইন্টি বাঙ্গারাম’ একটি পারিবারিক অ্যাকশন-কমেডি চলচ্চিত্র, যার পরিচালনায় রয়েছেন নন্দিনী রেড্ডি। ২০১৯ সালের সফল সিনেমা ‘ওহ! বেবি’-এর পর এই ছবির মাধ্যমে আবারও একসঙ্গে কাজ করছেন নন্দিনী রেড্ডি ও সেই সঙ্গে সামান্থা।

ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন রাজ নিদিমোরু ও বাসন্ত মারিংগান্তি। এতে সামান্থার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন গুলশন দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, গৌতমী তাডিমাল্লা, শ্রীমুখী, মঞ্জুষা এবং শ্রীনিবাস গাভিরেড্ডি।

প্রথমে সিনেমাটি ১৪ মে মুক্তির কথা থাকলেও পোস্ট-প্রোডাকশন ও প্রচারণামূলক কাজের কারণে মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়। ছবিটি আগামী ১৯ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না : রুমিন ফারহানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না : রুমিন ফারহানা

গ্রামাঞ্চলে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই বলেই সংসদে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

তিনি একইসঙ্গে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়ার বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর আগের প্রতিশ্রুতি কেন বাস্তবায়ন হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

রবিবার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে তিনি সম্পূরক প্রশ্নে এসব কথা বলছিলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, "আমরা লোডশেডিং বলি আর মেরামতজনিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট বলি, গ্রামাঞ্চলে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না— এটাই বাস্তবতা।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "মাননীয় মন্ত্রী এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে আমাকে কথা দিয়েছিলেন, পহেলা মে’র মধ্যে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজারে গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু এক মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও সেখানে এখনও গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়নি।"

তিনি জানতে চান যে, "আশুগঞ্জ সার কারখানায় কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ দেওয়া সম্ভব হবে।"

জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, "দেশে গ্যাসের সীমাবদ্ধতা আছে। বর্তমানে সার কারখানার তুলনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দিতে হচ্ছে।"

এছাড়া, তিনি বলেন, "উনি বিদ্যুৎও চাচ্ছেন, আবার ফার্টিলাইজার কারখানাতেও গ্যাস চাচ্ছেন। কিন্তু গ্যাসের তো একটা সীমাবদ্ধতা আছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালিয়ে রাখতে হচ্ছে। সে কারণেই আপাতত সেখানে গ্যাস সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।"

তিনি আরও বলেন, "গত ১৭ বছরে কোনও ড্রিলিং করা হয়নি। আমরা এসে ড্রিলিং কার্যক্রম শুরু করেছি। আশা করি গ্যাস পাওয়া যাবে। গ্যাস পাওয়া গেলে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজারের মতো কারখানাগুলোতেও সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।"

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্ত্রীকে সংসদে দেওয়া আগের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, "মাননীয় মন্ত্রী, আপনি কিন্তু সংসদে বলেছিলেন এক তারিখ থেকে গ্যাস যাবে। সেটি বোধহয় পাওয়া যায়নি।"

ভবিষ্যতে সংসদে যে প্রতিশ্রুতি দেবেন, তা ড্রিলিংসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় পর্যালোচনা করেই দেওয়ার আহ্বান জানান স্পিকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%