শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:০৬ পি.এম
চট্টগ্রামের রাউজানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। এসব রিকশার অবাধ বিচরণ প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার সৃষ্টি করছে।
রাউজান অংশের রাঙ্গামাটি ও কাপ্তাই সড়কসহ গ্রামীণ বিভিন্ন সড়কে রিকশার আধিপত্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই যানবাহনের চলাচল সড়ক নিরাপত্তা, যানজট এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকির বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়দের মধ্যে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে নোয়াপাড়া পথেরহাট, পাহাড়তলি চৌমহুনী, গহিরা চৌমহুনী, সদর মুন্সিরঘাটা এবং জলীলনগর এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে যানজট লেগেই থাকে।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। যদিও মৃতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম, তবুও শত শত নারী ও পুরুষ পঙ্গুত্ব বরণ করছে।
রাউজানে ২৪ এর ৫ আগস্টের মাসেক দুএক পর থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ব্যাপক উপস্থিতি নিয়ে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। এসব যানবাহনের নিবন্ধন, চলাচলের অনুমতি, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং ট্রাফিক আইন মানার বিষয়গুলো কতটা নিশ্চিত করা হচ্ছে, তা নিয়ে কার্যকর নজরদারির দাবি উঠছে।
সড়কে দ্রুতগতির যানবাহনের পাশাপাশি ধীরগতির অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, ভুল পথে প্রবেশ এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত অভিযান, অনুমোদন যাচাই, চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে কার্যকর নজরদারি জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
জনস্বার্থে সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি মনে করছেন হাজারো মানুষ। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম রাহাতুল ইসলাম ২৩ অক্টোবর শুক্রবার বিকালে ইনকিলাবকে বলেন, "এটি সারা দেশের সমস্যা। দেখছি আমরা বসে সবার মতামত নিয়ে কি করা যায়।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মো. রাসেল (২৩) নামের এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু ঘটেছে। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু ঘটে। রাসেলের বাড়ি নাটোর সদর উপজেলায় অবস্থিত।
হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে রাসেলকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ভর্তির পরদিন সকালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ৫১ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বর্তমানে রামেক হাসপাতালে ১৭৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত থেকে সরকারিভাবে (জিটুজি) আমদানি করা চালের প্রাথমিক পরীক্ষায় ‘খাবার উপযোগী’ হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী পরীক্ষায় এতে বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান ‘আফলাটক্সিন’ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রামের হালিশহর কেন্দ্রীয় খাদ্যগুদামের (সিএসডি) ১৩৫ টন চালের মধ্যে এই বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতি ধরা পড়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন হালিশহর সিএসডির ব্যবস্থাপক ইকবাল মাহমুদ।
তিনি জানান, ভারত থেকে আমদানি করা ১৩৫ টন চালের মধ্যে আফলাটক্সিনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই চালগুলো অধিকতর পরীক্ষার জন্য নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এমভি এইচটি পাইওনিয়ার জাহাজের মাধ্যমে ভারত থেকে চালগুলো আনা হয়। গত ২১ জুলাই জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছালে, পরদিন খাদ্য অধিদপ্তরের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় চাল খাবার উপযোগী বলে প্রতিবেদন পাওয়ার পর ২৪ ও ২৫ জুলাই তা খালাস করা হয়।
পরে চালের একটি অংশ ঢাকার তেজগাঁও সিএসডি, চট্টগ্রামের হালিশহর সিএসডি ও দেওয়ানহাট সিএসডি এবং গাজীপুরের জয়দেবপুর স্থানীয় খাদ্যগুদামে (এলএসডি) পাঠানো হয়। তবে, গুদামে পৌঁছানোর পর চালের নিম্নমান দেখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আপত্তি তোলেন। খাবারের উপযোগী মনে না হওয়ায় পরিবহন ঠিকাদারেরাও এর পরিবহন স্থগিত রাখেন। পরবর্তীতে বিষয়টি খাদ্য সচিব ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে লিখিতভাবে জানানো হয়।
এরপর আমদানি করা চালের মান যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ১৭ আগস্ট গাজীপুরের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের শস্যমান ও পুষ্টি বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরীফা সুলতানা দীপ্তির নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি দল চট্টগ্রামে যায়। দলটি হালিশহর ও দেওয়ানহাট সিএসডির কয়েকটি স্তূপ থেকে চালের নমুনা সংগ্রহ করে। পরবর্তী পরীক্ষায় হালিশহর সিএসডির ১৩৫ টন চালের মধ্যে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি ধরা পড়ে।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জসিম উদ্দিন খানের নির্দেশে সাড়ে ৯ হাজার টন চালের বিতরণ স্থগিত রেখে মান পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরীক্ষায় ১৩৫ টন চালের মধ্যে ক্ষতিকর উপাদানটির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে, বাকি চাল নিয়ম অনুযায়ী বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হালিশহর সিএসডির ব্যবস্থাপক ইকবাল মাহমুদ ও দেওয়ানহাট সিএসডির ব্যবস্থাপক হামিম রহমান।
চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগের চলাচল ও সংরক্ষণ শাখার নিয়ন্ত্রক রেজোয়ান সাকিব বলেন, হালিশহর সিএসডির চালের মধ্যে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি পাওয়ার বিষয়টি জেনেছি। এ কারণে অধিকতর পরীক্ষার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এটি এক ধরনের বিষাক্ত উপাদান, যা মূলত ‘অ্যাসপারজিলাস’ গোত্রের ছত্রাক থেকে তৈরি হয়। আর্দ্র বা অনুকূল পরিবেশে শস্য, বাদাম ও চাল দীর্ঘক্ষণ থাকলে এই ছত্রাক ও বিষের জন্ম হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আফলাটক্সিনযুক্ত খাবার দীর্ঘদিন খেলে মানুষের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্য একবারের জন্য দেখার উদ্দেশ্যে পঞ্চগড়ে হাজারো প্রকৃতিপ্রেমী ভিড় করেছেন। পূজার ছুটির সময় হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ের হোটেল, হোমস্টে এবং তেঁতুলিয়ার ডাকবাংলোতে পর্যটকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। শুক্রবার ভোর থেকে তারা উত্তর আকাশের দিকে তাকিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শনের অপেক্ষায় ছিলেন। তবে মেঘ এবং কুয়াশার কারণে অনেকের জন্য কাঙ্ক্ষিত দৃশ্য অধরা থেকে গেছে। যদিও হালকা শীতের আমেজ এবং চা-বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করে অনেকে ছুটির আনন্দ খুঁজে নিচ্ছেন।
জানা যায়, শুক্রবার ভোর থেকেই পর্যটকরা উত্তর আকাশের দিকে দৃষ্টি রেখেছিলেন। তাদের আশা ছিলো ভোরের প্রথম আলোতে কাঞ্চনজঙ্ঘার রঙের খেলা উপভোগ করবেন। কেউ জীবনসঙ্গী নিয়ে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে এবং কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু প্রকৃতি বড়ই নিষ্ঠুর। কুয়াশা এবং কিছু মেঘ তাদের এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার মাঝে একটি পর্দা তৈরি করেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা অপেক্ষা করছেন, যদি দেখা মেলে। এভাবে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসে হাজারো পর্যটক হতাশ হয়েছেন।
অন্যদিকে, যখন নগরে গরমে মানুষ হাহাকার করছে, তখন হিমালয় কন্যায় হালকা শীত প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য একটি বাড়তি আনন্দ যোগ করেছে। অনেকেই জেলার সমতলের চা বাগান, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট, মহারাজার দিঘী, ভিতরগড় দুর্গনগরী, মির্জাপুর শাহী মসজিদ এবং বোদেশ্বরী পীঠমন্দিরসহ সবুজ শ্যামল গ্রামবাংলা নদী পথ এবং মাঠ ঘাট ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন।
দক্ষিণের আরেক প্রান্ত চট্টগ্রাম থেকে আসা রাইসুল ইসলাম বলেন, "প্রথমবার এসেছে নিজ দেশের মাটি থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখবো বলে। কিন্তু ভাগ্য আমাদের সহায় নয়। বড়ই হতাশ হয়েছি।"
ঢাকা থেকে আসা শহিদুল ইসলাম শামু বলেন, "কাঞ্চনজঙ্ঘা প্রতিদিনই দেখা যাবে এমন না। আকাশ পরিষ্কার থাকলে হয়তো দেখা পেতাম। তবে আশা ছাড়িনি। তবুও পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে বেশ ভালো লাগছে।"
ঢাকা থেকে আসা রুবাইয়া শায়েরা বলেন, "ভোর থেকে বসে আছি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার পাই নি। তবে এখানে আগাম শীত বেশ উপভোগ করছি।"
স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল ইসলাম জানান, "তেঁতুলিয়ায় গত কয়েকদিনে হাজার হাজার পর্যটক এসেছে। এখানকার পর্যটন শিল্প বেশ জমে উঠেছে। পর্যটন এলাকা, হোটেল, হোম স্টে এবং খাবার হোটেল কোথাও ফাঁকা নেই। পর্যটকদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। তবে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা গেলে এই সংখ্যা আরও বাড়তো। এছাড়া আমাদের এলাকার প্রকৃতিক সৌন্দর্য কিন্তু কম নয়।"
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, "কয়েকদিনের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হলে কাঞ্চনজঙ্ঘা দৃশ্যমান হবে। অক্টোবরের শেষ এবং নভেম্বরের শুরুতে কাঞ্চনজঙ্ঘা ভালোভাবে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।"
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন জানান, "পঞ্চগড়ের পর্যটন শিল্পের অন্যতম সমস্যা আবাসন সংকট। আমরা সরকারি এবং বেসরকারিভাবে এই আবাসন সংকট দূর করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। সেই সাথে পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদার করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবে একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকারের ধাক্কায় আনোয়ার হোসেন (৩৭) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৌদি আরবের আছির প্রদেশের রাজধানী আবাহ শহরে। পরিবার সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
নিহত আনোয়ার হোসেন ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের বেইলা গ্রামের আব্দুল হকের পুত্র। পরিবারের সদস্যদের মতে, জীবিকার খোঁজে আনোয়ার দুই বছর আগে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার কর্মস্থল থেকে ফেরার সময় একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়, যার ফলে তিনি মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আবাহ শহরের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার খবর শুনে পরিবারের সদস্যরা আহাজারি শুরু করেন। তারা তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য ও সন্তানকে হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।
নিহতের বড় ভাই সানোয়ার হোসেন জানান, আনোয়ার তিন ভাইয়ের মধ্যে মেজো ছিলেন। ব্যবসায় লোকসান ও ঋণের চাপের কারণে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে গিয়ে এখন তিনি লাশ হয়ে ফিরলেন।
সাগরদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম বলেন, নিহত আনোয়ার বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। তিনি দুঃসময়ে ছাত্রদল ও যুবদলের সঙ্গে যুক্ত থেকে কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। এমন একজন তরতাজা যুবকের আকস্মিক মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আনোয়ারের লাশ সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে বলে নিহতের বন্ধুরা জানিয়েছেন। লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ