০৭:৫৮ পি.এম
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রলহাদ জোশীর নাম ঘোষণা হতেই ভারতের লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী সুর চড়ালেন। বিজেপি নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্তকে তীব্র কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেন্দ্র এমন একজন মানুষকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দায়িত্ব দিয়েছে, যিনি প্রকাশ্যে গণধর্ষনকারীদের পক্ষ নিয়েছিলেন। মোদি সরকারের এই নির্বাচনের বিষয়ে তিনি গভীর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গার সময় বিলকিস বানোকে গণধর্ষণ ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত ১১ জন আসামির সাময়িক মুক্তি নিয়ে ২০১৮ সালে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই সময় কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে প্রলহাদ জোশী সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। তিনি দাবি করেছিলেন, আসামিরা দীর্ঘ সময় জেলে কাটিয়ে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং ভালো আচরণের ভিত্তিতে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সরকারের ওই পদক্ষেপে তিনি কোনো অন্যায় দেখছেন না বলেও মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালে ২০২৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট গুজরাট সরকারের সেই মুক্তির আদেশ খারিজ করে দেয় এবং আদালত পরিস্কার জানায়, ওই সিদ্ধান্তটি আইনি এখতিয়ার বহির্ভূত ছিল।
মঙ্গলবার সংসদ ভবনের বাইরে মোদি সরকারকে নিশানা করে রাহুল গান্ধী বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে তরুণ সমাজ ও ছাত্রছাত্রীরা যখন শিক্ষা ব্যবস্থার চরম বিশৃঙ্খলা নিয়ে আন্দোলন করছে, ঠিক তখনই এমন একজন ব্যক্তিকে এই পদে বসানো হলো। যিনি গণধর্ষণকারীদের সুরক্ষার পক্ষে কথা বলেন, তাঁর চেয়ে নিকৃষ্ট মনোভাব আর হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভায় বহু বিকল্প থাকা সত্ত্বেও কেন এমন একজন বিতর্কিত ব্যক্তিত্বকে শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হলো, তা নিয়ে রাহুল প্রশ্ন তুলেছেন।
আরও পড়ুন: মঙ্গলবার থেকে ৫ দিনের ছুটি, জরুরি পরিষেবা থাকবে সচল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন