১১:৪৬ এম
ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তিটা ১১ বছর আগে তার শাসনামলে করা পরমাণু চুক্তির তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি থাকবেÑএমন ধারণা করা বাস্তবসম্মত নয়। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন।
রোববার এবিসি নিউজের আলোচনা অনুষ্ঠান ‘দিস উইক’-এ তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন, সরাসরি যুদ্ধ এড়াতে ওয়াশিংটনের সব শর্ত পূরণ না হলে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোই ভালো।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ
ওবামা বলেন, ‘যে চুক্তিই হোক, সেটিতে আমাদের আগের চুক্তির থেকে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন থাকবে বা আলাদা হবে-এমন সম্ভাবনা খুবই কম।’ তিনি ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সেটি প্রত্যাহারের আগে দীর্ঘসময় ধরে আমাদের চুক্তি কার্যকর ছিল।’
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী ইরানের ওপর হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সূচনা ঘটে।
এরপর থেকে কয়েক মাস ধরেই ট্রাম্প সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির কথা বলে আসছেন। তবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নেতারা এখনও তাতে সম্মতি দেননি।
ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, এই চুক্তি হলে ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা চিরতরে বন্ধ হবে এবং অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি তাৎক্ষণিকভাবে খুলে দেওয়া হবে। তার দাবি, রোববারই এ চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
তবে তেহরান এখনও চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। দেশটি বলেছে, আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চালানো ‘অর্থহীন।’
ওবামা বলেন, নতুন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিয়ে চলমান টানাপোড়েন আবারও প্রমাণ করেছে, কেবল চাপ সৃষ্টি বা বোমা হামলা চালিয়ে সমাধান খুঁজতে যাওয়া যায় না। এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক কূটনৈতিক উদ্যোগ। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এতদিনে আমাদের সেই শিক্ষা নেওয়ার কথা ছিল।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন