ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের মোহে বড় ঝুঁকি নিচ্ছে ভারত?


ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের মোহে বড় ঝুঁকি নিচ্ছে ভারত?

কাগজে-কলমে নকশা চূড়ান্ত হওয়ার পরেও, বাস্তবে ভারতের পক্ষে এখনও কোনো পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করা সম্ভব হয়নি। এমনকি, ইঞ্জিনের অভাবের কারণে ভারতের সাড়ে চার প্রজন্মের তেজস জেটের উৎপাদনেও বিলম্ব ঘটছে। কিন্তু এই বিপদজনক পরিস্থিতিতে, সময়ের দাবি মেনে, ভারত ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রকল্পে নামার পরিকল্পনা করছে।

সম্প্রতি, লোকসভায় জমা পড়া প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ষষ্ঠ প্রজন্মের ফাইটার জেটের গবেষণা ও নির্মাণ প্রকল্পে অংশ নিতে ফরাসি সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসনের। ফরাসি নেতৃত্বাধীন এই প্রকল্পটির নাম ‘ফিউচার কমব্যাট এয়ার সিস্টেম’ (এফসিএএস)। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ‘ভারত-ফ্রান্স বার্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপে’ প্রকল্পে যোগ দেওয়ার বিষয়ে যৌথ আলোচনা হয়েছিল, তবে সেখানে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

প্রধানত, আমেরিকা ও চীনের মধ্যে চলমান প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে, ভারতীয় বায়ুসেনাকে আধুনিকায়িত রাখতে সংসদীয় কমিটি ভারতকে এই প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সুপারিশ করেছে। বর্তমানে ভারতে পঞ্চম প্রজন্মের ‘অ্যামকা’ তৈরি হচ্ছে, তবে এটি ২০৩৫ সালের আগে কার্যকর হবে সন্দেহ রয়েছে। ততদিনে আকাশযুদ্ধের কৌশল সম্পূর্ণ নিঃশেষিত হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ২০ জন নিহত

তবে, ফরাসিদের এই বিশাল প্রকল্পে ভারতের অংশীদার হওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বড় প্রশ্ন ও ঝুঁকি বিদ্যমান। ৩৬টি রাফাল জেট কিনে নেওয়ার পরও, ফরাসি সংস্থা দাসোঁ অ্যাভিয়েশন ভারতকে রাফালের ‘সোর্স কোড’ দিতে রাজি হয়নি। ফলে, এতে কোনো দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই সামরিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন, এফসিএএস কর্মসূচিতে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগের আগে ফ্রান্সের সব শর্ত, বিশেষ করে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়গুলি ভালোভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি।

অন্যদিকে, জার্মানি এই প্রকল্প থেকে সরে গেছে এবং অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হিসেবে প্যারিসও ভারতের মত একটি বড় অংশীদারকে পাশে পেতে আগ্রহী। তাছাড়া, ভারতের জন্য ব্রিটেন, ইতালি ও জাপানের ‘জিক্যাপ’ প্রকল্পে যোগ দেওয়ার বিকল্পও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁর মধ্যকার উন্নত সম্পর্ক এই পরিস্থিতিতে একটি বড় অনুঘটক হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনার্জি খাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি: জ্বালানিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


এনার্জি খাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি: জ্বালানিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘আমাদের সরকার প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেন্ডলি সরকার। পার্টিকুলারলি এনার্জি সেক্টরে প্রাইভেটের ইনভেস্টমেন্ট আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। সেই জন্যই আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রাইভেট সেক্টরের সবার সাথে বসছেন এবং আমি নিজেও বসেছি।’

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জ্বালানি খাতের সংকট : সম্ভাবনা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দায়িত্বভার গ্রহণের পরে হঠাৎ করে মিডল ইস্টে যুদ্ধ হয়ে গেল। আমি বারবার বলা সত্ত্বেও যে আমার রিজার্ভ আছে আপনারা ভয় পায়েন না, আপনারা পেট্রল পাম্পে এত লাইন দিয়েন না এবং এই পেট্রল পাম্পে এমন বড় লাইন হলো যে আমার বাড়ির সামনে দুটো পেট্রল পাম্প আছে- তো সারারাত দেখলাম আমার বাড়ির সামনে মোটরসাইকেল দাঁড়িয়ে আছে। তো যা হোক আমরা অনেক চেষ্টা করে এটাকে বন্ধ করতে পেরেছিলাম। তেলের তো অভাব হয়নি।’

‘তারপরেও বিশাল লাইন। পরে দেখা গেল যে ব্ল্যাক মার্কেটিং শুরু হলো। পরে দেখা গেল অনলাইন ব্ল্যাক মার্কেটিং শুরু হলো যে অমুক জায়গায় এই এতো দামে তেল বিক্রি হবে অনলাইনে অর্ডার করলে তেল চলে গেল। এইটা দেখে আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলাপ করলাম যে আমরা তেলের ব্যবসাটা প্রাইভেটে দিয়ে দেই। আমরা তো আছিই আর যারা প্রাইভেট আছে, কারণ আমরা তো অলরেডি প্রাইভেট থেকে তেল কিনি। এই যে কম্প্রেসড করে অকটেন পেট্রল বিক্রি করে কিছু কোম্পানি, তাদের কাছ থেকে আমরা কিনি এবং আমরা কিন্তু অকটেন পেট্রল খুব কম আমদানি করি, দেশ থেকেই কিনি আমরা। তো যদি ওইটা হতে পারে তো আমরা সব ওদেরকেই দিয়ে দেই না কেন। থাকুক দেশে দুইটা পেট্রল পাম্প- থাকুক একটা পদ্মা মেঘনা যমুনার থাকুক আরেকটা বেসরকারি। যেমন ইন্ডিয়াতে আছে ইন্ডিয়ান ওয়েল আর রিলায়েন্স।’

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ক্রাইসিস মোমেন্টে অনেকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে। তাদের বলতে চাই, দেশের ক্রাইসিসকে বাড়িয়ে দিয়ে আপনারা কিছু হাসিল করতে পারবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন একটা এফএসআরইউ বন্ধ হয়েছে আর সারা দেশে গ্যাসের জন্য হাহাকার লেগে গেছে। গ্যাস সংকট নিয়ে আমরা শিল্পমালিকদের সঙ্গে বসব। আমাদের দেশের শিল্পমালিকরা যেন বিপদে না পড়ে, সেদিকে আমরা খেয়াল রাখছি।’

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘আমাদেরকে খুব সতর্কতার সঙ্গে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে আগাতে হবে। কেননা এগুলো করার কারণে অনেক ফাইন্যান্স বন্ধ হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সোলারের ব্যাপারে আমরা অ্যাগ্রেসিভ। এটাকে বিজনেস অরিয়েন্টেড করার জন্য আমরা কাজ করেছি। দুই মাসের মধ্যে আমরা পলিসি তৈরি করেছি। আমরা যা পলিসিতে বলেছি, ওটাই বাস্তবায়ন হবে। ওপেক্স মডেলে ঢাকা শহর থেকে শুরু করে সারা দেশে সোলার ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলায় পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


নকলায় পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শেরপুরের নকলায় মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা-২০২৬ এ ফেল করা দিয়ামনি অন্তি (১৭) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা আলোচনা করছে। পরীক্ষায় ফেল করার কারণে সে খুবই দুঃখিত ছিল এবং গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ঘটনাটি সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চরবাছুরআলগী গ্রামে ঘটে।

নিহত দিয়ামনি স্থানীয় কৃষক দুলাল মিয়ার কনিষ্ঠ কন্যা। সে চন্দ্রকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। দুলাল মিয়ার ৩ মেয়ের মধ্যে দিয়ামনি সবার ছোট ছিল। সোমবার প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দিয়ামনি অকৃতকার্য হয়। এই কারণে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারে বলে সাধারণ মানুষের ধারণা। তবে শুধুমাত্র পরীক্ষায় ফেল করার কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে এমন সুনিদৃষ্ট কোন তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দিয়ামনি সোমবার রাতে তার বড়বোন শম্পার সাথে ঘুমাতে যায়। যখন শম্পা গভীর ঘুমে ছিল, তখন দিয়ামনি শয়নকক্ষের পাশের বারান্দার কক্ষে গিয়ে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। রাত ৪টার পরে শম্পা ঘুম থেকে উঠে বিছানায় দিয়ামনিকে না পেয়ে পাশের বারান্দার কক্ষে গিয়ে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। তার চিৎকারে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছুটে এসে ঘটনাস্থলে আসেন। পরে ঘটনাটি চন্দ্রকোনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানানো হয়, এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দিয়ামনির মরদেহ উদ্ধার করে ও সুরতহাল প্রস্তুত করে।

নকলা থানার ওসি রিপন চন্দ্র গোপ জানান, সোমবার দিবাগত রাত ২টা থেকে রাত ৪টার মধ্যে দিয়ামনি ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নকলা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফল বিক্রেতার ফোন চুরির অভিযোগে এসআইকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


ফল বিক্রেতার ফোন চুরির অভিযোগে এসআইকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ফল বিক্রেতার মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল মিয়াকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং ক্লোজড করা হয়েছে। ঐদিন সোমবার সন্ধ্যার সময়, ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

এর আগে, গত শনিবার রাতে আজমিরীগঞ্জ বাজারে রাজিব আহমেদের ফলের দোকানে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার বিস্তারিত ধরা পড়ে সিসিটিভির ফুটেজে। যা কিছুক্ষণের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে যায়।

সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, ফল কেনা শেষে প্রায় পাঁচ মিনিটের বেশি সময় ধরে এসআই রাসেল দোকানে অবস্থান করেন। এ সময়ে দোকানের টেবিলের ওপর রাজিব আহমেদের কালো রঙের একটি স্মার্টফোন রাখা ছিল। এক পর্যায়ে, এসআই রাসেল হাতে থাকা একটি ফাইল এবং নিজের লাল রঙের মোবাইল ফোনটি দোকানির মোবাইলের ওপর রাখেন। এরপর কথা বলার সময়, তিনি দুটি ফোনই পকেটে নিয়ে দোকান থেকে চলে যান। কিছু সময় পর, নিজের মোবাইল ফোন খুঁজে না পেয়ে ব্যবসায়ী রাজিব আহমেদ দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেন। এতে দেখা যায় যে, এসআই রাসেল মোবাইলটি নিয়ে গেছেন।

রাজিব আহমেদ উল্লেখ করেন, পরে তিনি এসআই রাসেলের কাছে মোবাইল ফোনটি ফেরত চান, কিন্তু রাসেল প্রথমে ফোনটি নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এরপর সিসিটিভি ফুটেজের কথা উল্লেখ করার পর, গভীর রাতের মধ্যে মোবাইলটি ফেরত না দিয়ে তাকে ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

এসআই রাসেল মিয়াকে সম্পর্কে তথ্য জানতে একাধিকবার ফোন করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকবর হোসেন বলেন, তিনি সিসিটিভির ফুটেজ দেখেছেন এবং এসআই রাসেল ফোন হারিয়ে ফেলার বিষয়টিতে ১৫ হাজার টাকা দিয়েছে ওই ফল বিক্রেতাকে। তিনি আরো জানান, ঘটনাটি পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

ওসি আরো জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর সোমবার তাকে (এসআই রাসেল) হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণদের মাদক ও ইন্টারনেট আসক্তি রোধে বহুমুখী উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ইউজিসি সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


তরুণদের মাদক ও ইন্টারনেট আসক্তি রোধে বহুমুখী উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ইউজিসি সদস্য

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : তরুণ সমাজকে মাদক ও ইন্টারনেটের ক্ষতিকর আসক্তি থেকে মুক্ত রাখতে সরকার শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুমুখী ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করছে, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।

আজ (মঙ্গলবার) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত 'মাদক ও ইন্টারনেট আসক্তি, ক্যারিয়ার নির্বাচনে বিভ্রান্তি: সমাধান যে পথে' শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান। বাংলাদেশ অ্যান্টি ড্রাগ ফেডারেশন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

মাদক সমস্যা দূরীকরণে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক প্রতিরোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে অধ্যাপক মামুন বলেছেন, মাদকসেবীদের প্রতি আমাদের সহানুভূতিশীল হতে হবে এবং চিকিৎসার মাধ্যমে তাদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত চক্র ও মাদকের গডফাদারদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে কঠোর মোকাবিলা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারকে সর্বোচ্চ কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

কেবল সচেতনতামূলক কার্যক্রমে তরুণদের আসক্তি থেকে দূরে রাখা কঠিন, উল্লেখ করে ইউজিসির এই সদস্য বলেন, তরুণদের জন্য আনন্দময় ও ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষাক্রমে 'এডুকেশন উইথ হ্যাপিনেস' কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া শিশু-কিশোর ও তরুণদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে 'নতুন কুঁড়ি' কর্মসূচি এবং 'প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ'সহ নানা ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে, যা তরুণদের ইতিবাচক মানসিকতা গঠনে সহায়ক হবে।

তরুণদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ তুলে ধরে অধ্যাপক মামুন জানালেন, যুবসমাজের বেকারত্ব দূর করতে নির্দিষ্ট মেয়াদে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার কাজ করছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সরকারি-বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণ এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য তরুণদের ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এসব সরকারি সুযোগ-সুবিধা পূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য তিনি তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক তরুণ অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%