প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ফল বিক্রেতার মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল মিয়াকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং ক্লোজড করা হয়েছে। ঐদিন সোমবার সন্ধ্যার সময়, ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
এর আগে, গত শনিবার রাতে আজমিরীগঞ্জ বাজারে রাজিব আহমেদের ফলের দোকানে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার বিস্তারিত ধরা পড়ে সিসিটিভির ফুটেজে। যা কিছুক্ষণের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে যায়।
সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, ফল কেনা শেষে প্রায় পাঁচ মিনিটের বেশি সময় ধরে এসআই রাসেল দোকানে অবস্থান করেন। এ সময়ে দোকানের টেবিলের ওপর রাজিব আহমেদের কালো রঙের একটি স্মার্টফোন রাখা ছিল। এক পর্যায়ে, এসআই রাসেল হাতে থাকা একটি ফাইল এবং নিজের লাল রঙের মোবাইল ফোনটি দোকানির মোবাইলের ওপর রাখেন। এরপর কথা বলার সময়, তিনি দুটি ফোনই পকেটে নিয়ে দোকান থেকে চলে যান। কিছু সময় পর, নিজের মোবাইল ফোন খুঁজে না পেয়ে ব্যবসায়ী রাজিব আহমেদ দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেন। এতে দেখা যায় যে, এসআই রাসেল মোবাইলটি নিয়ে গেছেন।
রাজিব আহমেদ উল্লেখ করেন, পরে তিনি এসআই রাসেলের কাছে মোবাইল ফোনটি ফেরত চান, কিন্তু রাসেল প্রথমে ফোনটি নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এরপর সিসিটিভি ফুটেজের কথা উল্লেখ করার পর, গভীর রাতের মধ্যে মোবাইলটি ফেরত না দিয়ে তাকে ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
এসআই রাসেল মিয়াকে সম্পর্কে তথ্য জানতে একাধিকবার ফোন করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকবর হোসেন বলেন, তিনি সিসিটিভির ফুটেজ দেখেছেন এবং এসআই রাসেল ফোন হারিয়ে ফেলার বিষয়টিতে ১৫ হাজার টাকা দিয়েছে ওই ফল বিক্রেতাকে। তিনি আরো জানান, ঘটনাটি পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।
ওসি আরো জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর সোমবার তাকে (এসআই রাসেল) হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন