প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেরপুরের নকলায় মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা-২০২৬ এ ফেল করা দিয়ামনি অন্তি (১৭) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা আলোচনা করছে। পরীক্ষায় ফেল করার কারণে সে খুবই দুঃখিত ছিল এবং গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ঘটনাটি সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চরবাছুরআলগী গ্রামে ঘটে।
নিহত দিয়ামনি স্থানীয় কৃষক দুলাল মিয়ার কনিষ্ঠ কন্যা। সে চন্দ্রকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। দুলাল মিয়ার ৩ মেয়ের মধ্যে দিয়ামনি সবার ছোট ছিল। সোমবার প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দিয়ামনি অকৃতকার্য হয়। এই কারণে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারে বলে সাধারণ মানুষের ধারণা। তবে শুধুমাত্র পরীক্ষায় ফেল করার কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে এমন সুনিদৃষ্ট কোন তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দিয়ামনি সোমবার রাতে তার বড়বোন শম্পার সাথে ঘুমাতে যায়। যখন শম্পা গভীর ঘুমে ছিল, তখন দিয়ামনি শয়নকক্ষের পাশের বারান্দার কক্ষে গিয়ে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। রাত ৪টার পরে শম্পা ঘুম থেকে উঠে বিছানায় দিয়ামনিকে না পেয়ে পাশের বারান্দার কক্ষে গিয়ে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। তার চিৎকারে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছুটে এসে ঘটনাস্থলে আসেন। পরে ঘটনাটি চন্দ্রকোনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানানো হয়, এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দিয়ামনির মরদেহ উদ্ধার করে ও সুরতহাল প্রস্তুত করে।
নকলা থানার ওসি রিপন চন্দ্র গোপ জানান, সোমবার দিবাগত রাত ২টা থেকে রাত ৪টার মধ্যে দিয়ামনি ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নকলা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন