বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:০৪ পি.এম
ঢাকা, ১৩ আগস্ট ২০২৬ : টেস্ট ইতিহাসে বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক। শ্রীলংকার সাবেক বাঁ-হাতি স্পিনার রঙ্গনা হেরাথকে টপকে নতুন রেকর্ড গড়েন স্টার্ক।
ডারউইনে বাংলাদেশের বিপক্ষে আজ থেকে শুরু হওয়া দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে ১ উইকেট শিকার করেন স্টার্ক। বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংসে ওপেনার সাদমান ইসলামকে ২০ রানে সাজঘরে ফেরত পাঠান স্টার্ক। এইভাবে টেস্টে বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের নতুন রেকর্ড তৈরি করেন তিনি।
১০৬ টেস্টের ২০৩ ইনিংসে ৪৩৪ উইকেট শিকার করেছেন স্টার্ক। এর ফলে ভেঙ্গে গেছে হেরাথের পূর্বের রেকর্ড। ৯৩ টেস্টে ১৭০ ইনিংসে ৪৩৩ উইকেট নিয়ে আট বছর ধরে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন হেরাথ। ২০১৮ সালের নভেম্বরে টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় জানানোর সময় হেরাথের নামের পাশে ছিল ৪৩৩ উইকেট।
স্টার্ক-হেরাথ ছাড়া টেস্টে বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারে সেরা পাঁচের মধ্যে আরও আছেন পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম, নিউজিল্যান্ডের ড্যানিয়েল ভেট্টোরি ও শ্রীলংকার চামিন্দা ভাস।
আকরাম ১০৪ টেস্টে ৪১৪, ভেট্টোরি ১১৩ টেস্টে ৩৬২ এবং ভাস ১১১ ম্যাচে ৩৫৫ উইকেট শিকার করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার মগবাজারে বিশাল সেন্টারের পাশে একটি বহুতল ভবনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে তেজগাঁও ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় ‘ডম ইনো প্রপার্টিজ লিমিটেড’র একটি ভবনে এ আগুনের ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন জানান, রাজধানীর মগবাজারে বিশাল সেন্টারের পাশে একটি ভবনে আগুন লাগার সংবাদ পেয়েছি আমরা। তবে ঘটনাস্থলের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য আমাদের কাছে আসেনি। আমাদের টিম জানিয়েছে ঘটনাস্থলে। শুধু ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে আমাদের ২টি ইউনিট কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এছাড়া হতাহতের কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশের সমন্বিত প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ এজেন্ডা এগিয়ে নিতে সরকার এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বছরে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সম্ভাব্য প্রকল্প কর্মসূচি চিহ্নিত করেছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যার আওতায় সংস্কার, বিনিয়োগ ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমকে সমন্বিত করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াংয়ের পাঁচ দিনের বাংলাদেশ সফর শেষে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সফরকালে এডিবির পরবর্তী কান্ট্রি পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজি (সিপিএস), সংস্কার ও বিনিয়োগের অগ্রাধিকার এবং ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট (আইজিএনডি) উদ্যোগের বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইংমিং ইয়াং বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রা বর্তমানে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বেসরকারি বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করা এবং অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করা অতি জরুরি। আইজিএনডির মাধ্যমে সংস্কার, বিনিয়োগ ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সম্ভাবনা উন্মোচনে সহায়তা প্রদান করা সম্ভব।
সফরকালে পরিবহন, লজিস্টিকস, জ্বালানি এবং ডিজিটাল সংযোগের মাধ্যমেও বাংলাদেশকে আঞ্চলিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল সংযোগকে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠককালে এডিবির পরবর্তী সিপিএসের সঙ্গে সরকারের মধ্যমেয়াদি সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার সামঞ্জস্য, বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ এবং অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। এই বৈঠকে ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজার উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত আইজিইনডি বিষয়ক জাতীয় সেমিনারে ইংমিং ইয়াং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেছেন, অবকাঠামো, লজিস্টিকস, জ্বালানি, নগর উন্নয়ন এবং মানবসম্পদে সমন্বিত বিনিয়োগ উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে, মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
সফরকালে তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এ বৈঠকগুলোতে ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজার সংস্কার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বেসরকারি বিনিয়োগ, জলবায়ু-সহনশীল বিনিয়োগ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এছাড়া উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকেও সহ-অর্থায়ন, কারিগরি সহায়তা, নীতি-সংলাপ এবং আইজিএনডির আওতায় বেসরকারি মূলধন আকর্ষণের বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
চট্টগ্রাম সফরকালে ইংমিং ইয়াং এডিবির ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন’ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এডিবির বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর ছিংফেং ঝাং সফরকালে বিভিন্ন বৈঠক ও অনুষ্ঠানে ইংমিং ইয়াংয়ের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালীর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মার্কিন দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ইরানের সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, এই কৌশলগত জলপথ এখনো ইরানের ‘পূর্ণ ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতর এক বিবৃতিতে এসব কথা জানায়। এই বিবৃতিটি ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচার করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাভাবিকতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ‘মিথ্যাচার ও ভিত্তিহীন মিথ্যা’। এর পেছনে ইরানি সামরিক কমান্ডের ভাষ্য, মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘অসহায়ত্ব ও বিভ্রান্তি’ থেকেই এমন দাবি করা হচ্ছে।
ইরানের সামরিক মুখপাত্র বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী আগের মতোই ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পূর্ণ ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ‘ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর অনুমোদন ও তত্ত্বাবধান ছাড়া কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ বা তেলবাহী ট্যাঙ্কার নিরাপদে এই প্রণালী অতিক্রম করতে পারবে না।’
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। তাই প্রণালীটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি অবস্থান আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এর আগে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিভিন্ন দাবি ও পদক্ষেপের কথা জানানো হয়েছে। তবে ইরান বলছে, প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই রয়েছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১০ লাখ টাকার বিনিময়ে কিডনি বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে নেপালে নিয়ে এক ব্যক্তির কিডনি অপসারণের ঘটনায় জয়পুরহাটের কালাইয়ে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা কিডনি কেনাবেচা চক্রের অন্যতম মূলহোতা আব্দুস সাত্তার ওরফে ছাত্তারকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাতে বগুড়া সদরের পৌরপার্ক এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালাই থানার তদন্ত কর্মকর্তা দীপেন্দ্র নাথ সিংহ।
গ্রেপ্তার আব্দুস সাত্তার কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের লওনা বহুতি গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার খলিফার ছেলে।
পুলিশ জানায়, কিডনি কেনাবেচাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে কালাই থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মন্টু মিয়া আর্থিক সংকটে ছিলেন। তাঁর অসচ্ছলতার সুযোগ নিয়ে একটি দালালচক্র কিডনি বিক্রির বিনিময়ে তাঁকে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। প্রস্তাবে রাজি হওয়ার পর তাঁকে ঢাকায় নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়। পরে কিডনি প্রতিস্থাপনের কথা বলে তাঁর পাসপোর্ট তৈরি করা হয়।
চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মন্টু মিয়াকে অগ্রিম হিসেবে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে তাঁকে নেপালে নিয়ে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁর একটি কিডনি অপসারণের কয়েক দিন পর তাঁকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
দেশে ফেরার পর চুক্তি অনুযায়ী বাকি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন মন্টু মিয়া। তবে অভিযোগ, আব্দুস সাত্তারসহ চক্রের অন্য সদস্যরা তাঁকে টাকা না দিয়ে নানা টালবাহানা করতে থাকেন।
একপর্যায়ে প্রতিশ্রুত টাকা না পেয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নেন।
গত ১৩ জুন জয়পুরহাট আমলি আদালতে কিডনি বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন মন্টু মিয়া। আদালতের নির্দেশে একই দিন মামলাটি কালাই থানায় রেকর্ড করা হয়।
মামলার এজাহারে বগুড়া সদর উপজেলার নিশিন্দারা গ্রামের সাব্বির আহমেদ, শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক মল্লিকপাড়া গ্রামের সুমন আলী, কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান ও সাইদুর রহমান, লওনা বহুতি গ্রামের আব্দুস সাত্তার এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছোট হোসেনপুর রাজাগঞ্জ এলাকার তারেক আজম ওরফে বাবলু চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে তারেক আজম ওরফে বাবলু চৌধুরীকে কিডনি কেনাবেচা চক্রের ‘মহাজন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঢাকার রায়েরবাগ এলাকায় অবস্থান করে জয়পুরহাটে দালাল নিয়োগের মাধ্যমে দরিদ্র ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি বিক্রিতে রাজি করাতেন। পরে দেশ-বিদেশে কিডনি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হতো বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
কালাই থানার তদন্ত কর্মকর্তা দীপেন্দ্র নাথ সিংহ বলেন, কিডনি-সংক্রান্ত প্রতারণার মামলাটি থানায় গ্রহণের পর এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়। প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার দিবাগত রাতে বগুড়া সদরের পৌরপার্ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ