বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৫:১৪ পি.এম
বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশন (BCMIA) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অযাচিত এবং অবৈধ হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে তাদের বিক্ষোভ মিছিল এবং প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের এই অবৈধ এবং অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। বুধবার, ২৫ জুন, বৃহস্পতিবার বিকালে BCMIA এর সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম মানিকের সঞ্চালনায় এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, Dhaka Stock Exchange কর্তৃক অযাচিত ও অবৈধভাবে স্বাভাবিক মার্কেটের গতি ব্যাহত করা হচ্ছে, এবং নানা কোম্পানির উপর হস্তক্ষেপ করে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। এর ফলে বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বক্তারা এ ধরনের অযাচিত হস্তক্ষেপকে পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন।
সমাবেশের বক্তারা বলেন, BCMIA পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অতিরিক্ত বেশি নানামুখী অবৈধ ও অযাচিত সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে। বক্তারা মনে করেন যে, একটি অসাধু চক্র এই সঙ্কটের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। তারা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে এই ধরনের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তাহলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষুণ্ন হবে এবং বাজার তার স্বাভাবিক গতি হারাবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তৃতা করেন সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন, সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, মিজানুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আবদুল আউয়াল মিছবাহ, কোষাধ্যক্ষ সাহাদাত হোসেন এবং সদস্য শাখায়াত হোসেনসহ আরও অনেকেই। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের দাবি তুলে ধরেন। তারা পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সমাবেশে BCMIA-এর কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সদস্য ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ফিফার সেক্রেটারি ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রোমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ থেকে সদস্য দেশগুলোকে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
ফিফার গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ব্যুরো অব দ্য কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার সঠিক কারণ বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশ করা হয়নি।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সকল ধরনের সদস্যপদ ও প্রাতিষ্ঠানিক অধিকার হারিয়েছে। একই সঙ্গে, দেশটির জাতীয় দল এবং ঘরোয়া ক্লাবগুলি পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কোনো টুর্নামেন্ট বা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
স্থগিতাদেশ চলাকালীন, নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বা এর কোনো কর্মকর্তা ফিফা এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের কোনো ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। ফিফার পক্ষ থেকে অন্যান্য সদস্য দেশ ও সহযোগীদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, নিষেধাজ্ঞা বলবৎ চলাকালীন নেপাল বা তাদের দলের সঙ্গে কোনো ক্রীড়াবিষয়ক যোগসূত্র রাখা যাবে না।
এছাড়া, বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ফিফা কংগ্রেসের আগে যেকোনো সময় ফিফা কাউন্সিল এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সক্ষম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড় হিসেবে দেশে এসেছে ৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, চলতি জুন মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩১ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৫০৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ।
এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।
গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।
গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে। প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের চলমান চীন সফর এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
রিজভী আরও জানান, চীনের শিল্প অবকাঠামো ও সেবা খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার। এর কারণেই প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরো কার্যকর পদ্ধতিতে শক্তিশালী হবে।
তিনি বলেন, চীনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিশ্বনেতাদের কাছে খুবই গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় তার বক্তব্য এবং এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদ্যোগ যথেষ্ট প্রশংসিত হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুতের ওপর কর-সুবিধা প্রদান জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় একটি বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ২০ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে পাওয়া যাবে বলে উল্লেখ করেন রিজভী।
চীন অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তার মতে, অতীতে একমুখী পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তে এখন বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতির প্রতিফলন দৃশ্যমান। জিয়াউর রহমান যে বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতির সূচনা করেছিলেন, তারেক রহমান সে ধারাকেই অনুসরণ করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট রেখে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের যে নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, বর্তমান কূটনৈতিক কার্যক্রমে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তিনি মনে করেন, বর্তমান সফর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং চীনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার করবে।
সংবাদ সম্মেলনে অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক বিষয় নিয়েও কথা বলেন তিনি। রিজভী বলেন, এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে যাতে সাধারণ, গরিব ও নিম্ন আয়ের মানুষের ভরণপোষণ সঠিকভাবে নিশ্চিত হয়।
মুদির দোকানকে ভ্যাটের আওতায় আনার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, ছোট ছোট মুদির দোকানের আয় খুবই সীমিত। তাই তাদের ভ্যাটের আওতায় আনা উচিত হবে না। তবে যারা কর দেওয়ার সক্ষমতা রাখেন কিন্তু বিভিন্ন কারণে করের বাইরে থেকে যাচ্ছেন, তাদের করের আওতায় আনার পক্ষে মত দেন তিনি।
রিজভী বলেন, জনগণের সুখ-দুঃখ ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়েই সরকার পরিচালিত হবে। নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের পরও বিএনপিকে ধ্বংস করা সম্ভব হয়নি এবং দলের জনপ্রিয়তায়ও ধস নামানো সম্ভব হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, কলকাতায় অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জাতীয় নেতা হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দীর নামে একটি সড়ক ছিল। সেই নাম পরিবর্তন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি উল্লেখ করে রিজভী বলেন, উপমহাদেশের একজন খ্যাতিমান নেতার নামে থাকা একটি সড়কের নাম পরিবর্তন করা রুচিবিরোধী কাজ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ভারতের বিভিন্ন নেতার নামে প্রতিষ্ঠানের নাম এখনো বহাল রয়েছে এবং বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে শিষ্টাচারের পরিচয় দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার অনুপম রায় এবং তাঁর ব্যান্ডের বহুল প্রতীক্ষিত কনসার্টটি শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হওয়ার মাত্র একদিন আগে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইয়ামাহা মিউজিক বাংলাদেশ এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
আগামীকাল শুক্রবার (২৬ জুন) ঢাকার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘ওয়ান ট্রু সাউন্ড’ শিরোনামের কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। যদিও সরকারি অনুমোদন ছিল, তারপরও সরকার থেকেই শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানটি আয়োজন না করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইয়ামাহা মিউজিক বাংলাদেশ জানায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কনসার্টের প্রস্তুতি এবং আনুষ্ঠানিকতার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। তবে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আপাতত অনুষ্ঠানটি স্থগিত রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। এ নির্দেশনার ভিত্তিতেই কনসার্টটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকরা আরও জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কনসার্টের নতুন তারিখ ঘোষণার চেষ্টা করা হবে। যদি নতুন তারিখ নির্ধারণ করা সম্ভব না হয় তবে টিকিটধারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে। পাশাপাশি যেসব দর্শক টিকিটের মূল্য ফেরত নিতে চান, তাদের জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হবে।
সংগীতপ্রেমীদের উদ্দেশ্যে আয়োজকরা জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য সকল দর্শক, শুভানুধ্যায়ী, অংশীদার, স্পন্সর এবং সহযোগীদের প্রতি আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা আশাবাদী, যে খুব শিগগিরই আরও অনুকূল সময়ে আপনাদের সঙ্গে আবারও সংগীতের এক অবিস্মরণীয় সন্ধ্যায় মিলিত হতে পারবো।
সিলট টির পৃষ্ঠপোষকতায় ইয়ামাহা মিউজিক বাংলাদেশ এবং ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশনসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কনসার্ট ‘ওয়ান ট্রু সাউন্ড’। রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এ কনসার্টে অনুপম রায় এবং তাঁর ব্যান্ডের সঙ্গে দেশের জনপ্রিয় সংগীতদল বেঙ্গল সিম্ফনিরও গান পরিবেশনায় অংশগ্রহণের কথা ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ