ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সংসদের অধিবেশন মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি


সংসদের অধিবেশন মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং বাজেট অধিবেশন আগামীকাল ১৬ জুন, মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ সোমবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম এই মুলতবি ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে কোনো দলীয় সম্পৃক্ততা থাকবে না : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে কোনো দলীয় সম্পৃক্ততা থাকবে না : অর্থমন্ত্রী

আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ফ্যামিলি কার্ডের বিষয় নিয়ে গঠিত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কথা বলেন। তিনি জানিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনও ধরনের দলীয় সম্পৃক্ততা থাকবে না। অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছাবে এবং প্রদত্ত অর্থ পরিবারের নারীর হাতেই থাকতে হবে, এই বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হবে। আজকের সভায় তিনি এমন তথ্য দেন। অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কার্যক্রমের তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেযা হয়েছে। কর্মসূচির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে মাঠ প্রশাসনকে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও জানান, অতীতে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তার কর্মসূচিতে রাজনৈতিক বা দলীয় প্রভাবের অভিযোগ ছিল, কিন্তু ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে কোনওভাবে দলীয় সম্পৃক্ততার সুযোগ থাকবে না। সরকারি কর্মকর্তারাই পুরো কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকির জন্য দায়িত্বশীল থাকবেন। অর্থমন্ত্রী আরো জানিয়েছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দেশের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যপ্রাপ্তিতে সহায়তা দেওয়ার জন্য এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকারের এই বৃহৎ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি উপকারভোগীদের জীবনে কর্মসূচির প্রকৃত প্রভাবও মূল্যায়ন করা হবে। অর্থাৎ, এই সহায়তা তাদের দারিদ্র্য হ্রাস, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে কেমন ভূমিকা রাখছে, সেটি পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকবে। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের এত বড় ব্যয়ের একটি কর্মসূচির সুফল প্রকৃত মানুষের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য মাঠ প্রশাসনকে সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং সেই স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া। একই সঙ্গে বাজেটের সুফল সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছাতে সরকার কাজ করছে। অর্থমন্ত্রী জানান, আমাদের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল শুধু একটি বিশেষ শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সুষ্ঠু তদারকি ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি দেশের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রে নারীপ্রধান পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও ভবিষ্যতে বিশেষ পরিস্থিতিতে নীতিমালা পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকতে পারে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, যদি একটি দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্য মারা যায় এবং পরিবারের দায়িত্ব একজন পিতা একাই নিয়ে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে এমন বিষয়গুলো নীতিমালায় বিবেচনার সুযোগ থাকতে পারে। তিনি আরও জানান, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে। এসব কার্ডধারী কৃষকরা স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। এজন্য কর্মসূচিগুলোর স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। বৈঠকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, অর্থসচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত উল্লেখযোগ্য প্রকল্প: মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত উল্লেখযোগ্য প্রকল্প: মন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আজ জাতীয় সংসদে উপস্থিত হয়ে জানিয়েছেন, দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত একটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্প।

মন্ত্রী বলেন, সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে বর্ণিত সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমানে, উক্ত সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আজ জামালপুর-৩ আসনের সরকার দলীয় সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী আরও জানান, এ লক্ষ্যে নির্বাচিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নেগোসিয়েশন কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই চুক্তি স্বাক্ষর হবে।

সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় নিম্নোক্ত সম্ভাব্য অ্যালাইনমেন্টসমূহ বিবেচনা করা হবে:

বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা হতে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলা পর্যন্ত যমুনা নদীর উপর সেতু নির্মাণ। আবার গাইবান্ধা জেলার বালাসী ঘাট হতে জামালপুর দেওয়ানগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীর উপর সেতু নির্মাণ, কিংবা সমীক্ষার ভিত্তিতে নির্ধারিত অন্য কোনো উপযুক্ত করিডোর।

সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর অ্যালাইনমেন্ট চূড়ান্তকরণসহ সেতু নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন, শিক্ষা ও জলবায়ু কার্যক্রমে সহযোগিতা সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

 সারাহ কুক তার নিজ কার্যালয়ে হুমায়ূন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় উভয় পক্ষ এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

 বৈঠকের মধ্যে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, শিক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

 হুমায়ূন কবির বাংলাদেশের এবং যুক্তরাজ্যর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে জানান, আগামী বছরগুলোতে এ অংশীদারিত্ব আরও গভীর হবে বলে তিনি আশাবাদী।

 ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পৃক্ততা আরও জোরদারের জন্য নিজেদের প্রতিশ্রুতি জানান।

 এ সময় উভয় পক্ষ ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় লাখো তরুণ স্বেচ্ছাসেবক তৈরির তাগিদ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২০ পি.এম


ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় লাখো তরুণ স্বেচ্ছাসেবক তৈরির তাগিদ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

আজ সোমবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

তিনি গত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দেশে বিদ্যমান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন এবং স্থায়ী নির্দেশনাতে দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা ও বাধ্যবাধকতা স্পষ্ট নয়। এই বিষয়ের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, তা দ্রুত পর্যালোচনা করার প্রয়োজন।

ড. মুহিত বলেন, ভূমিকম্পের মতো বড় দুর্যোগের সময় ঢাকা শহরের মেগা সিটিতে শুধু জানমালের ক্ষতি হবে না, বরং ভেঙে পড়তে পারে দেশের সামগ্রিক সেবা ব্যবস্থা। এজন্য, তিনি বলেন, ঝুঁকি মোকাবেলায় লাখো তরুণদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক দল তৈরি করতে হবে।

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে ‘দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন ও নগর স্বাস্থ্য’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই গোলটেবিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ আরবান হেলথ নেটওয়ার্ক।

সভায় ড্যাব মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল এবং ইউনিসেফ-এর চিফ অফ হেলথ ডা. মালাই আহমাদজাই প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে রানা প্লাজার ট্র্যাজেডির উদাহরণ দিয়ে বলেন, রানা প্লজা ছিল ১০ তলা ভবন। সেই ভবন ধসের পর দেখা গেছে ১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু এবং আড়াই হাজার মানুষের আহত হওয়ার ভয়াবহ চিত্র। তিনি বলেন, ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ মেগা সিটিতে যদি এমন ১০০ বা ২০০ ভবন ধসে পড়ে, তাহলে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে তা কল্পনা করাও কঠিন।

তিনি আরো বলেন, ঢাকা দেশের ২০ কোটি মানুষের কেন্দ্রবিন্দু। ভূমিকম্পের ফলে ঢাকার হাসপাতালগুলো ধসে পড়তে পারে এবং বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। এখানে যাতে জরুরি উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে সেই গুরুত্বের দিকে তিনি নির্দেশ দেন।

দুর্যোগকালীন দায়িত্বের আইনি অস্পষ্টতা দূর করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দুর্যোগ বিষয়ক আইনটি রিভিউ করা উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, এই খাতে কর্মরত আইনবিদ, জনস্বাস্থ্যবিদ এবং প্রকৌশলীরা যদি এই আইনকে আপডেট করার সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তৈরি করেন তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার তা দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে।

এ সময় তিনি জরুরি চিকিৎসার পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমাজকল্যাণ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরির ওপর তাগিদ দেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেকোনো দুর্যোগে মানুষ শুধু শারীরিকভাবে আহত হয় না, মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি উদ্ধারকাজে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবকরাও তীব্র মানসিক ট্রমার শিকার হতে পারেন। আমাদের সামগ্রিক পরিকল্পনায় এই সাইকোসোশ্যাল কাউন্সেলিংয়ের বিষয়টি প্রায়শই উপেক্ষিত থাকে, যা যুক্ত করা জরুরি।

ঢাকার ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় লাখ লাখ তরুণদের সম্পৃক্ত করে ‘স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী’ গঠন এবং তাদের পেশাদার প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেন প্রতিমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ গবেষণা হাব হওয়ার সম্ভাবনা সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে ড. মুহিত জানান, মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই গাজীপুরে 'ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসার্চ' চালু করা হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রামীণ বন্যাপ্রবণ এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে আরও বেশি ফিল্ড রিসার্চ কেন্দ্র গড়ে তোলা দরকার। এর ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার একটি ‘হাব’ হয়ে উঠতে পারে এবং অন্যান্য দেশ আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%