বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:২৩ পি.এম
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ট্রাফিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগে জোরারগঞ্জ ও মিরসরাই থানা এলাকায় আজ ট্রাফিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি গাড়িচালক, সহকারী, যাত্রী ও পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ, নিরাপদে সড়ক পারাপার এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতন করা হয়।
একই সঙ্গে জোরারগঞ্জ ও মিরসরাই থানা এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাফিক বিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালকদের অংশগ্রহণে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব কার্যক্রমে নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া সড়কের ওপর অবৈধ দখল, প্রতিবন্ধকতা ও যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী স্থাপনা অপসারণে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়, ফলে যান চলাচল স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখতে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, দুর্ঘটনা হ্রাস এবং জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নিয়মিত ট্রাফিক অভিযান, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৈষম্যহীন রাষ্ট্র বা দেশ গঠনের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে ঐতিহাসিক 'জুলাই শহীদ দিবস' পালিত হয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী শহীদদের স্মরণে এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রত্যয়ে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এক বিশাল র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৫টায় বালিয়াকান্দি উপজেলা শাখার ১১ দলীয় নেতাকর্মীদের আয়োজনে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মোঃ আব্দুল হাই চেয়ারম্যান, আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বালিয়াকান্দি উপজেলা শাখা। তিনি তাঁর বক্তব্যে জুলাই দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় ঐক্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বালিয়াকান্দি উপজেলা শাখা; মাওলানা মনির আযম মুন্নু, জেলা ইউনিট সদস্য, রাজবাড়ী; পলাশ খান (আবদুল্লাল), আহ্বায়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি, বালিয়াকান্দি এবং মিজানুল ইসলাম মিরাজ, সহকারী সেক্রেটারি, জাতীয় নাগরিক পার্টি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোস্তফা জামান, আমীর, বহরপুর ইউনিয়ন; মাওলানা রোকুনুজ্জামান, সভাপতি, নবাবপুর ইউনিয়ন; মোঃ ইসহাক মোল্লা, আমীর, জামালপুর ইউনিয়ন; মোঃ রফিকুল ইসলাম, সভাপতি, বালিয়াকান্দি ইউনিয়ন; মাঃ ইদ্রিস আলী, সভাপতি, ইসলামপুর ইউনিয়ন; মোঃ নুরুল ইসলাম, সভাপতি, নারুয়া ইউনিয়ন; মোঃ বছির উদ্দিন, সভাপতি, জঙ্গল ইউনিয়ন এবং মাওলানা ইদ্রিস আলী, সভাপতি, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন।
র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং পরে বালিয়াকান্দি বাজারের তালপট্টিতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি করেন।
বক্তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক শহিদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুদক। আর সেই মামলার কার্যক্রম আটকে থাকায় দুদকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন বিষয়ে জানতে চেয়েছেন আদালত। এমন নির্দেশনার প্রেক্ষিতে আদালতে লিখিতভাবে ব্যাখা দিয়েছেন মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা।
দূর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঠাকুরগাঁওয়ের উপ সহকারি পরিচালক ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের জমা দেয়া কপি থেকে জানা গেছে, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক শহিদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করে দুদক । তবে মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামিদের করা পৃথক দুটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর সব কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। সে কারনে তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে এবং আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা সম্ভব হয়নি।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩০ মার্চ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত শহিদুল ও তার স্ত্রী বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায়, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারণ ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেন। যার মামলা নম্বর-০৩/২০২৩ ও মামলা নম্বর-০৬/২০২৪। আদালতের ওই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ জুন বিস্তারিত লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করা হয়।
লিখিত ব্যাখ্যায় আরো বলা হয়, প্রথম মামলাটি ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঠাকুরগাঁও থেকে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় দায়ের করা হয়। মামলায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারি এবং বর্তমানে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে একই পদে কর্মরত রয়েছেন।
মামলার দায়িত্ব পাওয়ার পর তদন্তকারি কর্মকর্তা বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র সংগ্রহ, নথি যাচাই এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছিলেন। তবে তদন্ত চলাকালে শহীদুল ইসলাম মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২৪ সালের ৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নম্বর-৩১০/২০২৪ দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি শেষে একই বছরের ১৬ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগ রুল জারি করেন এবং দুদকের নোটিশসহ স্পেশাল মামলা নম্বর-০৩/২০২৩-এর সব কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং ৩১ জুলাই ২০২৪ তারিখে পৃথক নির্দেশনায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের আদেশ অনুসরণ করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।
অপরদিকে দ্বিতীয় মামলাটি ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর একই আইনে দায়ের করা হয়। যার মামলা নম্বর-০৬/২০২৪ হিসেবে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। দ্বিতীয় মামলার তদন্তও স্বাভাবিক নিয়মে চলছিল। পরে কামরুন নাহারও মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নম্বর-১৫০৫৮/২০২৪ দায়ের করেন। এরপর থেকে দ্বিতীয় মামলার তদন্ত কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।
ব্যাখ্যায় আরও উল্লেখ করেন, দুটি মামলার বর্তমান অবস্থা নিয়মিতভাবে মাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদনের মাধ্যমে দুদকের প্রধান কার্যালয়কে জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি চলতি বছরের ৩১ মার্চ মহাপরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড প্রসিকিউশন), দুদক প্রধান কার্যালয় বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে হাইকোর্টে বিচার কার্যক্রম স্থগিত থাকা মামলাগুলোর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারে প্রয়োজনীয় আইনগত উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা রিটগুলোর নিষ্পত্তি এবং কমিশনের অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ডিসি অফিসের শহিদুল সহজ সরল মানুষকে ভুল বুঝিয়ে সরকারি কাজের জমি অধিগ্রহনে কমদামে জমি ক্রয় করেন। আর সেই জমি সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে উচ্চমূল্যে বিক্রি করেন। এছাড়াও টিসিবির পণ্যের টাকা লুটপাট ও অনিয়ম দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে।
এভাবেই মাত্র এক বছরের ব্যবধানে কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে যান কর্মচারি শহিদুল। শহরে গড়ে তোলেন আলিসান বাড়ি। হঠাৎ করেই এত সম্পদের মালিক হওয়ায় শহরজুড়ে চলছে আলোচনা ও সমালোচনা। তারপরেও শাস্তি না হওয়ায় এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
এই দুই মামলার আসামি শহীদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী কামরুন নাহারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আসামিপক্ষের করা রিটের কারণে তদন্ত কার্যক্রমও স্থগিত আছে। স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
দুদকের আইনজীবী এমএম অ্যাডভোকেট সফিউজ্জামান সুমন বলেন, মামলা দুটির ফাইনাল রিপোর্ট আদালতে জমা হলেই কার্যক্রম চালানো যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় অন্তত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪০ জন। বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ জনে পৌঁছেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৫২ হাজার ৪৯৩টি পরিবার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকাল ৩টা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো— খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। এসব জেলার ৫৭টি উপজেলা এবং ৮টি পৌরসভা বন্যা ও অতিবৃষ্টির প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। জেলাটিতে ৩২ জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। চট্টগ্রামে ১৫ জন, বান্দরবানে সাত জন, রাঙামাটিতে তিন জন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
আহত ৪০ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৫ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে দুই জন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন। কক্সবাজারে এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সাত জেলায় মোট ৮৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৮৪৯ জন। চট্টগ্রামে ১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৯৫ জন, বান্দরবানে ৬৭টি কেন্দ্রে ১৫০ জন, মৌলভীবাজারে ছয়টি কেন্দ্রে ২৪৯ জন এবং রাঙামাটির একটি কেন্দ্রে ৫৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। তবে খাগড়াছড়িতে কোনও আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ অবস্থান করছেন না বলে সরকারি হিসাবে দেখানো হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬টি উপজেলায় আংশিক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনক।
দুর্গত মানুষদের সহায়তার জন্য ৮৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৮৪৯ জন গৃহহীন মানুষ অবস্থান করছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গত সাতটি জেলাসহ সারা দেশে এ পর্যন্ত ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ৯ হাজার ৫০ মেট্রিক টন চাল এবং ৪ হাজার ২০০ বান্ডিল ঢেউ টিনসহ গৃহ নির্মাণ মঞ্জুরি হিসেবে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
একই সাথে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও বিশেষ আর্থিক সহায়তা (প্রতি জেলায় ২০ লাখ টাকা করে) দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ