ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হঠাৎ রিপাবলিক বাংলা ছাড়লেন সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ


হঠাৎ রিপাবলিক বাংলা ছাড়লেন সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ

ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ শনিবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬, রাতে রিপাবলিক বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলটি ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিতর্কিত ইস্যুতে উসকানিমূলক মন্তব্য করার জন্য তিনি এই চ্যানেলটি থেকে সরে এসেছেন। ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করে চলমান পরিস্থিতির কথা জানান।

তিনি বলেন, “হ্যাঁ ঠিক খবর। ময়ূখ রিপাবলিক ছেড়েছে। আজ সকালে শেষ দিন ছিল রিপাবলিক বাংলা সংস্থায়। কেন কিসের জন্য সেগুলো নিয়ে কথা বলার দিন আজ নয়। আজ শুধু ঘোষণাটি দিলাম।” তবে তিনি হঠাৎ করে এই টেলিভিশন চ্যানেলটি ছাড়ার নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি।

ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ পোস্টে আরও লিখেছেন, “সিদ্ধান্তটা হঠাৎ নয়। মনস্থির করেছিলাম সেই ২০২৫ সালে। আমার কাজ কি? গণজ্ঞাপন করা। রাষ্ট্রবাদের হয়ে হিন্দুত্ববাদের হয়ে জাগরণ। দেশবিরোধী ন্যারেটিভ আটকে দেয়া।”

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তিনি সামাজিক মাধ্যমের ট্রল ও সমালোচনা নিয়েও মন্তব্য করেছেন। “আমি কৃতজ্ঞ যে ময়ূখকে একদল জান দিয়ে যেমন ভালোবাসে, আরেকদল গাল দিতে তেড়ে আসে।” এরপর তিনি বিরোধীদের উদ্দেশ্যে জানান, “খেলা কেবল শুরু। The Game has just Begun!”

ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ভারতীয় গণমাধ্যম রিপাবলিক বাংলার যুক্তিহীন প্রচারের কারণে ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন। সংবাদ পরিবেশনে অতিরিক্ত চিৎকার-চেঁচামেচি ও বাংলাদেশবিরোধী তথ্যের কারণে তিনি দেশে বয়কটের শিকার হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই সনদ নিয়ে কুড়িগ্রামে উত্তাল রাজপথ, ১১ দলীয় ঐক্যের শক্তি প্রদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


জুলাই সনদ নিয়ে কুড়িগ্রামে উত্তাল রাজপথ, ১১ দলীয় ঐক্যের শক্তি প্রদর্শন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষ পূর্তিকে কেন্দ্র করে গণভোটের গণরায় কার্যকর করার পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কুড়িগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের দ্বারা একটি বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শাপলা চত্বরে এসে এক সমাবেশে মিলিত হয়েছে।

এসময় সমাবেশে বক্তব্য রাখতে দেখা যায় জেলা জামায়াতের আমীর আজিজুর রহমান স্বপন, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি এ্যাডভোকেট ইয়াছিন আলী, জামায়াতের সাবেক জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী, সাবেক সেক্রেটারী মাওলানা নিজাম উদ্দিন, জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান ও জেলা শিবিরের সভাপতি মোশাররফ হোসেনকে।

বক্তারা জানান, এই সরকার জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে এবং তারা গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বরং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই যোদ্ধাদের উপর নগ্ন হামলা করছে। বক্তারা অভিযোগ করেন, এই সরকার গ্যাসের দাম, তেলের দাম এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। তারা বলেন, শিলং সালাউদ্দিন এবং ভারতের প্রেসক্রিপশনে এই সরকার দেশ পরিচালনা করছে। বক্তারা উল্লেখ করেন যে, সালাউদ্দিনের কথা শুনলে মাঝে মাঝে মনে হয় তিনি প্রধানমন্ত্রীরও উপরে। তিনি একাই সব বোঝেন, অন্য কেউ কিছু বুঝতে পারছেন না।

অবিলম্বে এই সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বক্তারা সতর্ক করেন, যদি জনগণ মাঠে নামে, তাহলে সরকারের পালাবার পথ খুঁজে পাবেন না।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিডিয়া সেল প্রধান রাশেদুজ্জামান তাওহীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান সরকার, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মাওলানা দিনার মিনহাজ, কুড়িগ্রাম বার কাউন্সিলের সেক্রেটারি এ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামসহ জামায়াত ও ১১ দলের ৫ সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক মামলার পলাতক আসামি খুললেন হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ পি.এম


মাদক মামলার পলাতক আসামি খুললেন হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান, অতঃপর...

 

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বকুল চন্দ্র সরকার (৪৫) নামের এক ব্যক্তি সম্প্রতি জামিনে কারামুক্ত হয়ে আবার রেকটিফায়েড স্পিরিটের ব্যবসা শুরু করেছেন। বর্তমানে তার নাম উঠে এসেছে পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানায় করা একটি মাদক মামলায়। এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির জিজ্ঞাসাবাদে বকুল সরকারকে রেকটিফায়েড স্পিরিটের ‘মূল ডিলার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে মামলায় বকুলকেও আসামি করা হয়েছে।

যদিও মামলায় বকুল পলাতক, তবুও মোহনগঞ্জে প্রকাশ্যে মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বকুল চন্দ্র সরকার সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার বৃষ্ণপুর এলাকার মুকুল চন্দ্র সরকারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দেওথান এলাকায় বসবাস করছেন। শহরে রিপন হোমিও নামে একটি হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান পরিচালনা করছেন। তবে তার ওষুধ বিক্রি বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র নেই। তবুও বকুল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে রেকটিফায়েড স্পিরিটের ব্যবসা করে আসছিলেন।

পুলিশ এবং মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৫ জুলাই সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী সজল মজুমদার (৩৪) এবং তার স্ত্রী মর্জিনা আক্তারকে (৩৫) আটক করে পুলিশ। অভিযানে তাদের বাড়ি থেকে সাড়ে তিন কেজি গাঁজা এবং নগদ ১৮ হাজার ৮০৯ টাকা উদ্ধার করা হয়।

পরে পুলিশের কাছে তাদের দেওয়া তথ্যে হাওরের পানিতে ডুবিয়ে রাখা প্লাস্টিকের বস্তায় ২২০ বোতল রেকটিফায়েড স্পিরিট উদ্ধার করে পুলিশের সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদে সজল মজুমদার জানান, তাদের কাছে মোট ২৫০ বোতল স্পিরিট ছিল, যার মধ্যে ৩০ বোতল ইতিমধ্যে বিক্রি হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে সজল দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া স্পিরিটের মূল ডিলার হচ্ছেন নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌর শহরের তুলাপট্টি এলাকার বকুল চন্দ্র সরকার। তার সহযোগী হিসেবে আলাল উদ্দিন সজিবের (৩৫) নামও উল্লেখ করা হয়। মামলায় বলা হয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে এলাকায় মাদক কারবার পরিচালনা করে আসছিলেন।

এ ঘটনায় ধর্মপাশা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফুল ইসলাম বাদী হয়ে মাদক আইনে বকুল চন্দ্র সরকার, সজল মজুমদার, স্ত্রী মর্জিনা আক্তারসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় সজল এবং তার স্ত্রী মর্জিনা আক্তারকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে বকুল চন্দ্র সরকার, তার সহযোগী আলাল উদ্দিন সজিব ও অন্যরা সব সময় পলাতক রয়েছেন।

জানা গেছে, বকুল চন্দ্র সরকার মোহনগঞ্জ শহরের তুলাপট্টি এলাকায় 'রিপন হোমিও' নামের একটি হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান পরিচালনা করেন। এই দোকান থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ১২৮ বোতল রেকটিফায়েড স্পিরিট উদ্ধার করা হয়। সে সময় বকুল সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কিছু মাস কারাগারে থাকার পর সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পান।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জামিনে বের হওয়ার পর বকুল আবারও একই কারবারে জড়িয়ে পড়েছেন এবং এবার ধর্মপাশা, জামালগঞ্জসহ হাওরাঞ্চলে স্পিরিটের নেটওয়ার্ক প্রশস্ত করেছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা বকুল সরকারকে মোহনগঞ্জের দোকানে ব্যবসা করতে দেখে জানান।

বকুল চন্দ্র সরকারের পাশের হোমিও চিকিৎসক সাগর সরকার বলেন, 'বকুলকে প্রতিদিন দোকান খুলতে দেখি। পলাতক আসামি হলে প্রকাশ্যে ব্যবসা করছে কীভাবে, বুঝলাম না।'

মোহনগঞ্জ শহরের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান বলেন, বকুল চন্দ্র সরকারের প্রকৃত বাড়ি সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার বৃষ্ণপুর এলাকায়। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীর অর্থায়ন ও প্রশ্রয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই ভয়ংকর মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন।

হাফিজুর রহমান আরও বলেন, বকুল সরকারকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত হোতাদের পরিচয় বেরিয়ে আসবে। মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করা না গেলে হাওরাঞ্চলের যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীরা আরও ভয়াবহ মাদকের ঝুঁকিতে পড়বে।

এ বিষয়ে কথা হয় ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যার সঙ্গে। তিনি বলেন, 'দুজন মাদক কারবারিকে গাঁজা ও রেকটিফায়েড স্পিরিটসহ গ্রেপ্তার করার পর তাদের জবানবন্দিতে বকুল চন্দ্র সরকারের নাম উঠে এসেছে। পরে মামলায় তাকেও আসামি করা হয়েছে। এখন জানতে পারলাম যে, বকুল সরকার আগে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জেও রেকটিফায়েড স্পিরিটসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বকুল সম্প্রতি হাওরাঞ্চলে মাদকের কারবার সম্প্রসারণ করেছেন। তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমপি আবুল হোসেনের জুলাই শহীদ পরিবারের সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ পি.এম


এমপি আবুল হোসেনের জুলাই শহীদ পরিবারের সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান সময়কালে শহীদ পরিবারের ৬ জন সন্তানের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান। তিনি বলেন, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত বিগত জুলাই যোদ্ধাদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা অডিটোরিয়ামে সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান এমপি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ স্মরণীয়, ঠিক তেমনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ জুলাই ও জুলাই যোদ্ধাদের কথা আমাদের স্মরণ রাখতে হবে। তাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিস্টমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। অতএব, আমি যতদিন বেঁচে থাকবো, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বাকেরগঞ্জের ৬ জন শহীদ পরিবারের সন্তানের লেখাপড়ার জন্য ব্যক্তিগত তহবিলের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে ৫ হাজার টাকা দান করবো। আগামীদিনে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কর্মসংস্থানসহ সকল ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পৌরসভায় তার বাসভবনের অফিসে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ৬ জন শহীদের ছবি টাঙ্গিয়ে রাখতে হবে। যাতে তিনি সর্বদা ওই ৬ জন শহীদের ছবি দেখতে পারেন এবং তাদের অবদান ভুলে না যান।

আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলটন চন্দ্র পাল বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক চেতাতাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। একইসাথে ন্যায়বিচার, মানবিক মূল্যবোধ ও জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে তাদের নিজেদের অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলটন চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তন্ময় হালদার, থানা অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির উদ্দিন জোমাদ্দার, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন তালুকদার শাহিন, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান চুন্নু, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি দানিসুর রহমান লিমনসহ শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ ছিল।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কুমিল্লা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কুমিল্লা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটুটের মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এই আলোচনা সভাটি বুধবার (৫ আগস্ট) আয়োজিত হয় এবং এটি সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মো. রবিউজ্জামান।

অনুষ্ঠানের সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।

এ সভায় বক্তব্য রাখেন উপ-পরিচালক এ কে এম জিল্লুর রহমান এবং সহকারী পরিচালক ড. মুহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন।

এ সময় উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক বদরুন নাহার, মো. রফিকুল আলম, পীর মোর্শেদ মোদ্দম শাহ, দৌলত আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সভাটিতে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। তাদের সাহস, ত্যাগ ও অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। শহীদদের যে স্বপ্ন ছিল বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%